শখৎ মামার চোখে কেন শসা দেয় না
যদ্যপি আমার গুরু
শুঁড়ি বাড়ি যায়
তথাপি আমার গুরু
শ্রী নিত্যানন্দ রায়।
তারপরেও গুরুর ইদানিং কালের কার্যকলাপ কেমন যেন! চিন্তায় ফেলে দেয়। কিছুদিন আগেও যে কাজে তাকে নিয়ে চিন্তাও করা যেতনা বর্তমানে একটার পর একটা সে কাজ করে আমাদের ভাবনায় ফেলে দিচ্ছেন।
মাসুম ভাইয়ের এহেন পরিবর্তন নিয়া আমরা টাস্কিত। যারা গত বছর উনার পিকনিকের পারফরমেন্স সম্পর্কে সম্যক অবগত আছেন, এবছর অনুরূপ পারমেন্স না দেখে হতাশ হয়েছেন। কারণ কী এ পরিবর্তনের?
উনি আগে কখনো কোনো ছেলের সাথে কোলাকুলির ধারে কাছে যেতেননা। রাসেলরা দুই একবার ট্রাই করলে বলতেন, দুরে গিয়া মর। কিন্তু কি আশ্চর্য্য! সেদিন দেখলাম মীরকে বুকে নিতে চাচ্ছেন।
তারপর ঐদিন বসুন্ধরায় দাদাভাই আইসা উনারে পিছনথিকা জড়ায় ধরল। অনেকক্ষণ ধরে রাখার পর ছেড়ে দিয়ে হাত পা ঝাড়া দিয়া বলে, এইবার চাঙ্গা লাগতাছে!
এদিকে পিকনিকের দিন তো আরেক ল্যাঠা। উনি আমাকে বললেন আসেন ঐদিকে যাই। আমি অনেক কষ্টে , ছেলেদের সাথে চিপায় যাই না এরম কী একটা বলে নিস্তার নিলাম।
তখনই মনে কিরাম একটা সন্দেহ দানা পাকায়া উঠতে লাগল। সেইটা পুরাপুরি ক্লিয়ার হইল পিকনিকের শেষে আইসা। পিকনিকে আসা এক যুবক উনাকে ধইরা প্রেমময় ডায়লগ দিতেছিল, আপনার জন্য শুধু আপনার জন্য আমি পিকনিকে আসলাম।
কী সর্বনেশে কথা!
এইবার একটা গল্প শুনেন। শফিক কাকার কাছ থেকে কেউ কেউ আগেও শুনে থাকবেন। না শুনলে ভালো শুনলে স্কিপ করে যাইয়েন।
এই গল্পের উনিও অর্থনৈতিক সাংবাদিক। নিয়ম হইছে নাকি এরম লোকদের শখৎ মামা ডাকার। ঠিকাছে, শখৎ মামাই বলি।
তো আমাদের শখৎ মামা একদিন প্রত্যুষে পার্কে গিয়েছেন হাটা, ব্যায়াম করে শরীর ঠিক রাখার জন্য। উইথ মামী। মামা বেঞ্চে বসে বিশ্রাম নিতেছেন। মামী অল্প দূরে হাটাহাটি করছেন। হঠাৎ এক ছিনতাইকারী এসে মামীকে চাকু ধরছে, সোনাদানা যা আছে বাইর করেন। মামী একটুও ঘাবড়ায় না গিয়ে বেঞ্চে বসা শখৎ মামাকে দেখিয়ে বললেন, 'আমার কাছে তো কিছু নাই, ঐযে ওনার কাছে একটা সোনা আর দুইটা দানা আছে সেগুলান নিয়ে যেতে পারেন। এখন আর ওগুলি কোনো কাজে আসছে না'।





মারহাবা, ফাস্টো ক্লাশ।
ছবিটা তো বাংলা শুড়িখানার, দেইখা চিন্নালচি।
অফলাইনে একবার, অনলাইনে একবার লাইক দিলাম।
হা হা। শুড়িখানার না মাওয়া ঘাটে। ছবি তুলতে গেছিলাম। একদল বেদেনী এসে ঘিরে ধরে। সাপ দেখিয়ে টাকা নেয়। আমি এই বেদেনীর ছবি তুলে টাকা না দিয়ে প্রানের আচার দিয়েছিলাম ।
উপস্। জগ-গ্লাস দেইখা ভাবসিলাম। যাউক্গা ঐজন্য লাইকি কমবো না।
দু্ইখান বানান--
যদ্যপি
তথাপি
হিউমারটা শেষে এসে ভালগার হয়ে গেল, অচিন্দা
বানান নিয়া সংশয়ে ছিলাম।
জোকটা যায়যায়দিনে যখন পড়েছিলাম ভালগার লাগে নাই আমার কাছে। যদি ভালগার হয়, মডুরাতো আছেই, মুছে দিবে।
আমার কাছেও জোকটা সেক্সিস্ট লাগছে, কিন্তু দেশের অবস্থাও বাস্তবিক এমনই হইছে...ছিনতাইকারীরা এখন মানুষের কাছে টাকা-পয়সা, সোনাদানা না পাইয়া খুন করতেছে। সেইদিন আমার এক এক্স কলিগের কাছে টাকা-পয়সা না পাইয়া পিছন থেইকা চাপাতি ছুইড়া দিয়া গেছে গা একদল ছিনতাইকারী...পোলারে বাঁচানো গেলেও তার মেরুদণ্ডের হাড্ডিতে আচড় পড়ছে ধারালো চাপাতি'র...
শেষের গল্পটা শুনেছিলাম অনেকবছর আগে।
চুপচাপ পড়ে যাওয়াই উত্তম।
তোমার কাকা এজন্য প্রায়ই চুপচাপ পড়ে যান।
চুপচাপ পড়ে শেষে বললাম নাউজুবিল্লাহ।
আর আপ্নে তো একটা জিনিস মিস্কর্সেন। তিনি সেইরাম একজনরে ভালবাসার কথাও বলেছেন। কৈলে মারবে তাই কমু না।
লিংক প্লিজ।
হ এমনিতেই ভদ্রলোক কয়দিন আমারে চ্রম দৌড়ের উপ্রে রাখসে। তার উপ্রে দিমু লিংক!!
ঘাড়ে গর্দান আর থাকবে না আমার। তারচে' আসলে পরে তার কাছ থেকেই জিগায়েন।
অফলাইনে পইড়া অনলাইনে না আইসা পারলাম না।
কৃষ্ণ করলে লীলাখেলা আর

আমি করলে ঢং
বড়লোকের সবই রাইট হয়
গরীব করলে রং...
এরকম একটা গানের কথা মনে পইড়া গেল... গুরু গুরু !
আপনের কথাটা বুঝলামনা। যেইটা বলতে চান পরিষ্কার কইরা বলেন। সমস্যা কী?
গুরু, বাম্পার ফলন দিচ্ছেন!
(কথাডা কি সত্য! বেয়াদপি মাফ করবেন, প্লিজ।)
পোস্ট পড়লাম।
শেষটা বস আসলেই ভালো লাগে নাই।
মন্তব্য করুন