ইউজার লগইন

বন্ধু পিকনিক ২০১০ আনশিল্ড

রিক্সায় মুকুলকে বলছিলাম শাহবাগ থেকে সাড়ে আটটায় বাস ছাড়ার কথা থাকলেও ৯ টার আগে ছাড়বেনা, তবুও আমরা সময়মতই যাচ্ছি যে টাইমলি থাকতে ভালো লাগে। এর মধ্যে পিয়াল ভাই মুকুলকে ফোন দিয়ে জানায় তিনি পৌছে গিয়েছেন। ছবির হাটে বাস থাকার কথা। মেসবাহকে ফোন দিলাম ঝারি মারার উদ্দেশ্যে। উল্টা ঝারি মেসবাহ'র, সব কিছু ফেলে চলে যাবে। হজম করলাম। লোকটা একা পুরা পিকনিকের আয়োজনের দায়িত্ব ঘাড়ে নিছে। জানাল উদারজী ভোর থেকে যাদুঘরের সামনে সপরিবারে গজগজ করছে। একটা সিগারেট টান ধরিয়ে যাদুঘরের সামনে গেলাম। সেখানে পরিবার সমেত পিয়াল ভাইএর দেখা পাওয়া গেল।

আমরা ওদের সাথে পরিচিত হলাম। সামনাসামনি দেখা না হলেও ব্লগের অনেকেই মুক্তা ভাবী, সাহিবা, রাজকন্যাকে ভালো মতই চিনি। মনে আছে পিয়াল ভাইয়ের বিয়ের দিন সারাদিন আমরা লাইভ রিপোর্ট পাচ্ছিলাম ব্লগে সাথে ছবি। এইতো সেই দিনের ঘটনা। এর মধ্যে রাজকন্যারও দুই বছর হয়ে গেল। পিচ্চিটা হঠাৎ আমাকে এত পছন্দ করে ফেলল! দাঁত বের করে খালি হাসছে। কোহিনুর থেকে চা খেয়ে এসে উদরাজী পরিবারকে খুঁজে বের করলাম। শক্ত হয়ে খাম্বার মত সোজা দাঁড়ানো উদরাজী। এবং সংগত কারণেই সারা পিকনিকে এমন শক্ত হয়ে থেকেছেন। যাই হোক এদিকে আর না যাই। এর মধ্যে বাশীঁওলা কবি পথিক মামুন, কেক ও পুতুল সমেত জয়ীতাও চলে এসেছে।

মেসবাহ বাস নিয়ে আসে নয়টায়। মাঝখানে বাংলা মটর থেকে সিঙ্গেল নজরুল উঠে। উদরাজীর ভুল নজরুল করে নাই। চনমনে চেহরা, মেজাজ ফুরফুরে, ঝারা হাত-পা। বলল অনেক ভুংভাং দিয়ে বউকে বাসায় রেখে আসতে সমর্থ হয়েছেন। সংসদ ভবনের সামনে বাকি সবাই দন্ডায়মান ছিল। বিমা ছাড়া তেমন ঝামেলা হয় নাই এখানে। সেইটা আপনারা অন্যদের মুখে জেনেছেন।

এইবার বাস চলা শুরু করল টাঙ্গাইলের তামিল ঘরের উদ্দেশ্যে। যদিও যায়গাটা আসলে ঠিক কোথায় সেইটা আমরা কেউ জানিনা। মায় পিকনিকের কাপ্তান মেজবাহও না। জিজ্ঞাস করলে একবার টাঙ্গাইল, আরেকবার কালিয়াকৈর তারপর অমুক বাজার তমুক গঞ্জ সেই হাট এরম করে বিশ তিরিশটা হাটবাজার এর নাম বলে সেগুলি পার হয়ে তারপর ডাক্তারের বাগান বাড়ি। সেজন্য আমরা গন্তব্য নিয়া মাথা ঘামাইনা। এই লোকের কাপ্তানগিরির পারফরমেন্স আগে থেকেই জানা। কয়দিন আগে এক দঙ্গল মানুষ নিয়ে সুন্দর বন দেখানোর নাম করে লঞ্চে দুই দিন ঘুরাইয়া বুড়িগঙ্গার পদ্মার চড়ে নামাইয়া ছবি উবি তুলে চলে আসছে। তাই আমরা আগে থেকেই মানসিক ভাবে রেডি ছিলাম, যে কোনো যায়গায় নিয়া ফেলুক আপত্তি নাই। রাস্তার পাশে দাড়াইয়া দুই পাঁচ ঘন্টা আড্ডা দেয়ার এক্সপেরিন্স আমাদের আছে।


বাস চলছে সাথে মুকুল শুরু করেছে বিলাপ সংগীত, তুমি নাই আমি একা কুথায় পাই তোমার দ্যাখা। আমরা তীব্র প্রতিবাদ করি, আজকা তোমার এইসব কান্দাকাটি চলবেনা, আমি গরীব গ্রামের ছেলে কোনো মেয়ে আমারে পাত্তা দেয়না এইসব আজ মুখে আনবানা। মুকুল চিৎকার দিয়ে(যাতে সামনে বসা ললনাদের কর্ণ পর্যন্ত যায়) বলে, ঠিকাছে আমি গরীব না নোখালীতে আমাদের বিস্তর তালুক আছে, বিশাল সুইমিং পুল আছে। তারপরই সানগ্লাস বের করে চোখে দেয়। আমরা অবাক হয়ে পড়ি। আরে একে! এ যে ণূড়া। হৈ হৈ পরে যায় বাসের মধ্যে, ণূড়া পাওয়া গেছে ণূড়া পাওয়া গেছে। আপনারা যারা ণুড়া বিষয়টা জানেন না বিশ্বাস করতে পারবেন না ণূড়া বিষয়ক আবেগ টা। আমরা সবাই নতুন ণূড়ার খোমা ক্যামেরায় বন্দী করতে থাকি।

বাস চলছে সাথে বিমা মুকুলের গানও চলছে। বিমার ষ্টকে কী পরিমান গান আছে পুরান ব্লগাররা সম্যক অবগত আছেন। এই বিষয়ে পরে আসতেছি। আমরা আগে থেকেই প্রস্তুত ছিলাম বিষয়টার জন্য। ইনফ্যাক্ট আমরা আকাঙ্খা করতেছিলাম। শকুনিদের থুক্কু পরবাসী ব্লগারদের বদদোয়ায় টায়ার ফাটবে এইটা আমরা নিশ্চিত ছিলাম। যায়গাটা নিয়া খানিকটা চিন্তা ছিল। না যায়গামতই ফেটেছে। ভিড়ভাট্টা কম খোলা যায়গা সাথে একটা হোটেল। আমরা সবাই তখন শুকড়ানা জানাই কানু গুরুপ এবং প্রবাসী বদদোয়াকারী ব্লগারদের উদ্দেশ্যে খাছ দিলে।

আমরা নেমে যাই বাস থেকে। বাসের টায়ার ফেঁসে গেছে এইটা একটা বিরাট সাবজেক্ট ফটোগ্রাফারদের জন্য। মানে সবার জন্য। আমরা সবাই ফটোগ্রাফার, সবাইর হাতে ক্যামেরা। সিরিয়াস নৈর্ব্যাক্তিক আলোকচিত্রি বৃত্তবন্দী মানুষের ছবি তুলেনা। আমাকে বলে এত সাবজেক্ট ছবি তুলেন না কেন? আমি বলি আজ আমার সাবজেক্ট শুধু মানুষ।

আমরা ছবি তুলতে থাকি। আমাদের ছয়ফুট লম্বা, সুদর্শন কিন্ত মুকুলের মত একা আছি কেউ নাই বলে কান্দাকাটি করা ক্রমান্বয়ে একের পর এক ফটো খিচতে থাকে। সে অসাধারণ সব ছবি তুলে, যেগুলো এই পিকনিকের বড় পাওয়া। ফেইসবুকে এবং পোস্টে আপনারা ইতিমধ্যে দেখে ফেলেছেন। তবে সাঈদের লেন্স বারবার বিশেষ এক ললনার চেহারা মোবারকে বারবার ফোকাস খেয়েছে। সাবজেক্টও তার এই নিরলস, সৎ ও অক্লান্ত পরিশ্রমকে এপ্রিসিয়েট করেছেন। আশাকরি বিস্তারিত না বললেও ছবি দেখে আপনারা বুঝে নিয়েছেন। এইখানে একটা রোমান্টিক কিছুর আশা করতেছেন যারা তারা একটু ধৈর্য্য ধরেন কাহিনী টুইস্ট নিতে কতক্ষণ।
http://photos-h.ak.fbcdn.net/hphotos-ak-snc3/hs143.snc3/17037_321708561978_528616978_4502844_5458245_n.jpg
আমরা সব কিছু উপভোগ করি। সুন্দর আগাইতে থাকে বিষয়টা। ছয়ফুটি সাঈদের পার্ফরমেন্সে আমরা আশাবাদী হয়ে উঠি। কিন্তু কাবাব মে হাড্ডি! সাদা বান্দর (ভাইরে তুমি এই লেখা পড়লে আমারে গালি দিওনা, নামটা আমার দেওয়া না ললনাদের বিরক্তি উৎপাদন করে এই খেতাব পাইছ তাদের কাছ থেকে) মাঝখানে ছ্যবলামি করতে গিয়ে গুবলেট করে ফেলে। কপাল বেচারা ছয়ফুটির! এইখানেও বেশি কিছু না বলি। অতি উৎসাহীরা খুব খিয়াল কইরা ছবি টা দেখতারেন।
http://photos-g.ak.fbcdn.net/hphotos-ak-snc3/hs123.snc3/17037_321715156978_528616978_4502868_6846427_n.jpg
আমারা ছবি তুলতে থাকি। এ অন্যের ও এর। ফটোসেশন চলতে থাকে। শালীদের মাঝে জনপ্রিয় দুলভাই মাসুম ভাই এর সাথে তেনার শালীরা ছবি তুলতে থাকে। তবে কে জানি বলল, দুলা ভাই হিসাবে মাসুম ভাই নিরস। শালীদের সাথে কিরুপ আচরণ ও কিরুপে ছবি তুলতে হয় তার জন্য নজরুলের কাছ থেকে তার ছবক নেয়ে দর্কার।

পথিক মামুন বাশী বাজায় আর আমরা শুনি। সারা পিকনিকেই তার বাঁশী আবহ সঙ্গীতের মত বেজেছে। সুন্দর আবহ তৈরি করে তার মন কাড়া বাঁশীর সুর।

আমাদের ক্ষিধা লাগে। আমরা গরম গরম সিঙ্গারা খাইতে থাকি। সব কিছু রেডি ছিল। সিঙ্গারা তেলে দেয়ার জন্য তৈরি, টায়ার ফাটল, আমরা নেমে হোটেলে ঢুকলাম, সিঙ্গারা তেলে পড়তে থাকল। তারপর কড়াই থেকে গরম সিঙ্গাড়া উঠেতে না উঠেতেই প্রথমে আমাদের হাতে তারপর মুখে এবং শেষে পেটে। এই সাইকেল চলতে থাকে। কড়াই থেকে গরম সিঙ্গাড়া ডাউনলোড হয় আমরা পেটে আপলোড করি। ডাউনলোড আপলোড কতক্ষণ চলে, কত মেগাবিট আর চার্জ আইমিন কে টাকা দেয় এইসবের আমরা খবর রাখিনা। একসময় আওয়াজ আসে টায়ার ঠিক হইছে, ততক্ষণে হোটেলের ময়দা তেল সব খতম।

আমরা আবার বাসে উঠি। আমরা একসময় সেই তালিম বাড়িতেও পৌছায় যাই। কী আশ্চর্য্য! সুন্দর যায়গা দেখে আমাদের দিল চঞ্চল হয়ে উঠে।

রান্নার যোগাড়যন্তর চলতে থাকে। কিন্ত খাবার হতে তো অনেক দেরী। তখন আমরা রাজকন্যার জন্মদিনের কেক কাটার কথা চিন্তা করি।

আমরা বেলুন ফুলিয়ে, ফাটিয়ে, মোমবাতি জ্বেলে কেক খেয়ে রাজকন্যার জন্মদিন উদযাপন করি। রাজকন্যা কেক কাটে। দুনিয়ার সব বাচ্চাদের মত রাজকন্যা কেক খাইতে খুব পছন্দ করে। নিজেরটা শেষ করে সামনে দাড়ানো একজনের দিকে নজর যায়। সেই বেচারী মাত্র কেকটা মুখে দিবে রাজকন্যা তার সামনে হাজির। দিতে বাধ্য হয়। অবশ্য কেক হারানো জন কে আরেকটা দেয়া হয়েছিল।

আমরা তারপর ঘুরতে বের হই। কিছুদূরে গেলেই দেখা যায় ফারযানার প্রিয় প্রাণী মহিষ। ফারজানা আনন্দে ছবি তুলতে যায়। সে ছবি তুলে, কিন্তু মহিষ দুইটা এত বড় যে সেগুলির ছবি তুলতে গিয়ে ক্যামেরার ব্যটারি শেষ হয়ে যায়। আমরা সামনে যাই। সামনে বড় একটা দিঘি। দিঘিতে একটা নৌকা বাঁধা। যদিও আমাদের নির্বুদ্ধিতায় অন্যরা নৌকায় উঠে পড়ে। এবং সহজে নামতে চায়না। আমরা অপেক্ষা করি। আমরা তখন ছবি তুলি, পাড়ে বসে, বাশ ঝারের নিচে।

ওরা নামলে আমরা নৌকায় বিহার করি। নৌকায় আমরা গান করি। আমরা আইরিনের গান শুনি। আইরিন অনেক দিন ফলনা দপনা করে আমাদের গান শুনায় নাই। আজ মাসুম ভাই বলে দিলেন আইরিনের গান না শুনে নৌকা তীরে ভিড়তে দিবেননা। বাধ্য হয়ে আইরিন গান গায়। আইরিনের বান্ধবী গান গায়। বিমা গায়, আমরা সবাই গান গাই। আমরা সবাই নৌকা চালাই। বিমা বাদে সবাই পাস মার্ক পায় নৌকা চালানোয়।
http://photos-c.ak.fbcdn.net/hphotos-ak-snc3/hs123.snc3/17037_321723301978_528616978_4502894_5137809_n.jpg
আমরা ছবি তুলি। আমরা বিমা আইরিনকে মডেল করে যুগল ছবি তুলি। যুগল ছবির মডেল হিসাবে এই দুইজন সুপার ডুপার। আগের আড্ডায় এই দুই জনের ছবি যারা দেখেছেন তারা নিশ্চয়ই একমত হবেন। যতক্ষণ না খবর আসে খাবার রেডি আমরা নৌকার উপর থাকি। আমরা নামিনা। একসময় খবর আসে খাবার তৈয়ার। অনিচ্ছা সত্বেও পেটের জ্বালায় আমরা নামতে বাধ্য হই। বিকাল হয়ে গেছে ততক্ষণে।
http://photos-e.ak.fbcdn.net/hphotos-ak-snc3/hs123.snc3/17037_321723311978_528616978_4502895_1526079_n.jpg
খাবার তৈরি প্রায় শুধু সবজি বাকি। আমরা তখন ভাপা পিঠা খাই গরম গরম। ঢাকা থেকে চুলা সমেত পিঠার কারিগর নেয়ে হয়েছে। সে পিঠা বানায় আমরা খাই। পিঠা খেতে খেতে মেইন খাবার তৈরি হয়ে যায়।
http://photos-f.ak.fbcdn.net/hphotos-ak-snc3/hs143.snc3/17037_321729191978_528616978_4502900_2368281_n.jpg
আমরা এবার প্লেট নিয়ে গেলে মেসবাহ , রনি পাতিল থেকে খাবার বেড়ে দেয়। ওরা বেড়ে দেয় আমরা খাই। আমরা খাই আর বলি খুব মজা হয়েছে। আমরা পেট ভরে পোলাও, রোস্ট, গরুর মাংস সব্জি খাই। আমরা অনেক আনন্দের সাথে খাই। উপরের ছবিটা দেখে আপনারা নিশ্চয়ই বুঝে ফেলেছেন শওকত মাসুম ভাই একটু বেশি আনন্দের সাথে খেয়েছেন। টুটুল, উদরাজী তখন চুল ছিড়ছিল নিজেদের। আর মাসুম ভাইয়ের বউ ছাড়া পিকনিকে আসার সিদ্ধান্ত যে উত্তম ও বুদ্ধিদীপ্ত ছিল তা এক বাক্যে স্বীকার করে নিয়েছিল।

আমরা তারপর খাওয়া দাওয়া শেষে গ্রুপ ছবি তুলি। সন্ধ্যা তখন নামে নামে। ব্লগার নাহিদ তখন লালনগীতি শোনায়। আমরা তন্ময় হয়ে শুনি। তারপর আমরা বাসায় ফেরার জন্য বাসে উঠি। প্রিয় পাঠক আপনারা ভাবছেন এইখানে কেচ্ছা শেষ। আমরা ঝিমাইতে ঝিমাইতে বাসায় ফিরি। কিন্তু না! আসল মজা শুরু হয় এইবার। বিমা মুকুলদের নেত্বতে আমরা গান ধরি। আমরা লোকগীতি গাই, আধুনিক গাই, সিনেমার গান গাই, রবীন্দ্র গাই, লালন গাই, নজরুল গাই, দেশাত্ব বোধক গাই। যেইটা মনে আসে সেইটাই গাই। আবার অনুরোধেও গাই। আমরা বুরকা পরা মেয়ে, ডাক্তারের ছেলে, আমার রানীরে হা আ গাই। আবার তীর হারা এই ঢেউএর সাগর, শুকনো পাতার নুপুর গাই। এইভাবে খুব দ্রুত সময় কেটে যেতে থাকে আমরা টেরই পাইনা।

আইরিন এই পিকনিকে আসতে গাইগুই করছিল। তারে রাজী করায় বিমা। আইরিনকে কথা দেয় সারা পিকনিকে ছায়ার মত পাশে পাশে থেকে আগলায় রাখবে। কিন্তু সেদিন বিমা পালটি মারে। বিমা কার ছায়া হওয়ার চেষ্টায় জীবনিপাত করেছে সেইটা আপনারা ছবি দেখে অলরেডি জেনে গেছেন। মনের দুঃখে আইরিন গান ধরে তুমি আর নেই সে তুমি। আমরা সমস্বরে বলি বিমা তো সবসময়ই এমন!

বাস তখন অর্ধেক পথে। বিমা তখন জানায় তার ব্যার্থতার কথা। সেই অনেক দিন থেকে ফারজানার কাছে আকুলি বিকুলি করেছে; কিন্তু ফারজানার প্রধান ক্রাইটেরিয়া সামরিক বাহিনীতে যেমন নির্দিষ্ট হাইট লাগে এইখানেও হাইট প্রধান। এখেত্রে তার রিকোয়ারমেন্ট ৬ ফুট। বিমা বলে অনেক ঝুলাঝুলি করেও পাঁচ ফুট সাতের বেশি হতে পারে নাই। আমরা এই সব শুনি আর দেখি ৬ ফুটি সাঈদ মুচকি মুচকি হাসে। আমরা ভাবি সাঈদের কপাল এইবার খুলল। কিন্তু কী অবাক ব্যাপার আমরা বিমার আশা যখন ছেড়ে দিয়েছি তখন দেখি বিমা প্রায় পটায় ফেলছে। মেয়েরা চাপাবাজি পছন্দ করে আর বিমা এইটা ভালো করেই জানে। সেইটার প্রয়োগ যায়গামত করতেও পারে। যেমন একটা গল্প বলছে ইন্ডিয়াতে গেছিলো সেইটা নিয়ে, তার মাঝেই সে বলে ফেলবে মোট ১৫ বার ইন্ডিয়া গেছে। এই রকম আই ফোন অমুক তমুক এইসব বলে ফারজানার সাথে খাতির জমায় ফেলল। আন্তরিক রোমান্টিক কথা বার্তার পর বাড়ি ঘরের খবর জানার জন্য বিমা কোথায় থাকে জিজ্ঞাস করছে ফারজানা। এতক্ষণ সব ঠিকঠাক মত আগাইতেছিল। যেই বিমা জানায় তার বাড়ি ফার্মগেইট এতক্ষণ ঘাপটি মাইরা বইসা থাকা মেসবা লাফ দিয়া সামনে গিয়া বলে আমার বাড়িও ফার্মগেইট। ফারজানা বিমা বিরক্ত হয়। আমরা সবাই চরম বিরক্ত হই। একমাত্র সাঈদ হাসতে থাকে। আমরা বলি আরে বয়াটা তোর বউ বাচ্চা আছে, তোর বাড়ি ফার্মগেইটে হোক না হয় কামরাঙির চর হোক তাতে কার কি? আর তোরে কেউ জিগাইছে তোর বাড়ি কৈ, তুই মাঝখানথিকা চিক্কুর দিয়া জিনিসটা নষ্ট করলি ক্যান? এর পরে যদিও বিমা চেষ্টা চালায় গেছে, তাল কেটে গেলে সেটা ঠিক করা কঠিন।

আমরা মন খারাপ করি। এমন সময় লালদা বের করা শরাবন তহুরার বোতল। আমরা আবার আনন্দে খুশি হয়ে উঠি। গাড়ি চলতে থাকে। পিয়াল ভাই ঢালতে থাকেন। আমরা টানতে থাকি। তিন পেগের পর মাথু কাইৎ হইয়া পড়ে। বউএর ভয়ে টুটুল আর টানেনা। আমরা চালায় যাইতে থাকি। পিয়াল ভাই ঢালে আমরা টানি। পিয়াল ভাইইও টানে। এক সময় শরাবন তহুরা শেষ হয়ে আসে। তখন বাসও চলা বন্ধ করে। আমরা তাকায় দেখি বাস ল্যাব এইডের পাশে। আমরা তখন নামি। তারপর আমরা বিদায় নিয়ে যার যার বাসার ফিরে যাই।

ফেইসবুকে এলবামের লিংক:
http://www.facebook.com/album.php?aid=180867&id=528616978&l=306b6764fa
----------------------------------------------------------------------------------
ডিসক্লেইমার: শহিদুল জহিরের স্টাইল ইচ্ছাকৃত অনুকরণের চেষ্টা করা হয়েছে।

পোস্টটি ১৭ জন ব্লগার পছন্দ করেছেন

ভাঙ্গা পেন্সিল's picture


কিছুদূরে গেলেই দেখা যায় ফারযানার প্রিয় প্রাণী মহিষ। ফারজানা আনন্দে ছবি তুলতে যায়। সে ছবি তুলে, কিন্তু মহিষ দুইটা এত বড় যে সেগুলির ছবি তুলতে গিয়ে ক্যামেরার ব্যটারি শেষ হয়ে যায়

বিমাদার কাহিনী আনশিল্ড ভার্শনে বাইর হইল  আগে বাইর হয় নাইক্কা। এইটা নিয়া বিমাদার নিজ মুখে একটা পুষ্ট কিংবা গান হইয়া যাইতে পারে

হাসান রায়হান's picture


বিমাদা ভালো গান গায়

টুটুল's picture


কোলন ডি

হাসান রায়হান's picture


Laughing out loud

জ্যোতি's picture


পোস্ট পড়ে হাসতে হাসতে শেষ।এত মজা করে লিখছেন!রায়হান ভাই এর পোষ্ট পড়ার জন্য অপেক্ষা করি।ভাবছিলাম কবে লিখবে। তবে আরো অনকে চেপে গেলেন।বেচারা বিমা!মেজবাহ ভাই গরম ভাতে পানি ঢেলে দিলো।এইটা আসলে সাঈদ ভাই চায় নাই বলে আল্লায় মেজবাহ ভাই র মুখে বুলি দিয়া দিছে। সাঈদ ভাই এত ফটু তুলে দিলো আর বিমা গান গেযে মাঝি হয়ে মন জয় করবে!!তবে কারো অবদান কম না। ব্লগবাসী একটা ব্যবস্থা করুক।

আর আমরার দুলাভাই মাসুমীয় ভাব ধইরা থাকে।রায়হান ভাই নিজে যে মাইয়া মাঝি ছাড়া নৌকা চালাতে পারে না সেইটা বলে নাই।

হাসান রায়হান's picture


মজা পাইছ জেনে ভালো লাগল। পড়ার জন্য থ্যান্কু।

মেসবাহ য়াযাদ's picture


জব্বর, ফাটাফাটি, দারুন, ইস, রোমান্টিক, একশন, ড্রামা, মিথ্যা, সত্য, বানানো,

মজা, টক, ঝাল, মিষ্টি, কষ্ট, দুঃখ, ভালোবাসা, বিরহ, প্রেম, গান, সাকী, সুরা,

অভিমান..... কী নাই এই লেখায় ?

মারহাবা ! সোবহানাল্লাহ !! আলহামদুলিল্লাহ !!!  Laughing

হাসান রায়হান's picture


শুকরান এ গুজার।

শাতিল's picture


১০

হাসান রায়হান's picture


Smile

১১

জ্যোতি's picture


ইয়ে মানে একটা কথা.....নূড়ার ছবিটা যে জোম হইছে এইটা একটু কইতে চাইছিলাম।কমু নাকি বুঝে আইতাছে না।অনেক দিন পর নূড়া দেইখা আবেগাপ্লুত হইয়া চোক্ষে পানি আইযা পড়লো।

১২

অরিত্র's picture


ভাল লাগলো আপনাদের আন্তরিকতা, ভালোবাসা, বন্ধুত্ব। পোস্টের মাঝেই পিকনিক খুজে পেলাম। কিছুক্ষনের জন্য হারিয়ে গেলাম পোস্ট পড়তে পড়তে।

অনেক কিছু জানা গেল।

ধন্যবাদ আপনাকে

১৩

হাসান রায়হান's picture


আপনাকেও ধন্যবাদ।

১৪

মানুষ's picture


হিংসায় পেট ফেটে যাচ্ছে। সবাইরে অভিশাপ দিলাম। Cry

১৫

বিষাক্ত মানুষ's picture


এমুন জম্পেশ পিকনিক লাইফে কম আসছে .... ম্যালা ভাল্লাগছে । Laughing out loud

শরাবন তহুরা সেইরম আছিলো Tongue

১৬

হাসান রায়হান's picture


হ্যা ঠিক, এমন মজার পিকনিক কহুব কমই করেছি। সময় কীভাবে কেটে গেছে টেরই পাই নাই।

১৭

মাসরুর's picture


পুরানা চাল ভাতে বাড়ে।

আর পুরানা ব্লগারের হাত কিরকম হইতে পারে সেটা আজকে রায়হান ভাই দেখায়া দিলেন।
 

পিকনিকে  যাইতে পারি নাই বইলা খুবই আফসোস লাগতেছিল। কিন্তু আজকে আপনার পোস্ট পইড়া সেই দু:খ কিছুটা হইলেও ভুলতে পারছি! Smile

১৮

হাসান রায়হান's picture


থ্যান্কু থ্যান্কু Smile

১৯

ভাস্কর's picture


সারাদিনে মাতো তিনটা নতুন লেখা দেখলাম তার মধ্যে দুইটাই মারদাঙ্গা...

শহীদুল জহিরের স্টাইল অনুসরণ করতে গিয়া আপনের নিজেরো একটা স্টাইল দাঁড়াইছে বইলা আমার মনে হইছে।

অনেক ভালো লাগলো অচেনা বাঙালী ভাই...

২০

ভাস্কর's picture


মাত্র*

২১

হাসান রায়হান's picture


আপনার কমেন্টও আমার মন ভরিয়ে দিয়েছে। অসংখ্য ধন্যবাদ বস।

২২

নীড় _হারা_পাখি's picture


ধিক্কার জানাই লেখক কে…আমরা পরবাসিরা দোয়া করা তেই তোমরা সদেশিরা সহি সালামতে ঘরের ছেলে আর মেয়েরা ঘরে ফিরছ…আর আমাদেরী কিনা বলছ শকুন…লানত লেখক কে…চরম প্রতিবাদ জানাচ্ছি…তানবীরা কই তুমি বুনডি…কও কিছু…সবাই যে ভাবে টায়ার পাংচার… হওয়ার পর ডাউন লোড আর আপলোড দিছেন… তাতে পোলাও মাংস, রোস্ট , পিঠা এই গুলো রাখার জন্য কি পরে ফ্রী স্পেস ছিল…না পোরটেবল স্পেস নিয়া গেছিলেন…?সে যাই হোক আপনারা পিকনিক এ অনেক মজাইছেন আর আমরা পরবাসীরা অনেক মিসাইছি পিকনিক টা .।

২৩

জ্যোতি's picture


আবার হবে।চিন্তাইয়েন না।

২৪

হাসান রায়হান's picture


@নীড় _হারা_পাখি, খেতে খেতে ৪টা বেজে যায়। সো আগে যেগুলি ডাউনলোড করেছিলাম ঘুরাঘুরি, নৌকা চালনা ইত্যাদি করতে করতে হজম হয়ে যায়।

২৫

মুকুল's picture


অচিনদা তো ফাটায়া ফেলছেন! শরাবান তহুরাটা জুশ ছিলো। Laughing out loud
আরেকটা কথা, নূড়া ভাইয়ের পোজ দিতে চশমিশটা সাঈদ ভাই থেইকা দুই মিনিটের লাইগা ধার নিছিলাম। ভাবছিলাম সাঈদ ভাই নূড়া ভাইয়ের সম্মানে চশমিশটা গিফট করবো আমারে! কিন্তু উনি সম্ভবত নূড়া ভাইয়ের ঐতিহাসিক গুরুত্বটা বুঝতারেনাই! Wink

২৬

হাসান রায়হান's picture


ত হুরার গুণেই তোমারা এত সুন্দর গান গাইলা। Smile

২৭

মাসরুর's picture


এখন আমার মনে হইতাছে মুক্লাই নূঢ়া আছিল!!!!!

২৮

মুকুল's picture


খামোশ মাসলুল ! 

২৯

মাসরুর's picture


আমারে খামোশ কইয়া লাভ নাই.... সব ফাঁস কইরা দিমু!!!!!

৩০

মুকুল's picture


পিকনিকে যাইবা কৈয়া শেষ টাইমে পল্টি খাইয়া এখন দেখি পার্ট নিতাছেন! Yell

৩১

মাসরুর's picture


আমি প্রথমে যাওয়ার জন্য রেডীই ছিলাম! কিন্তু পরে অনিবার্য কারণে যেতে পারি নি!!! কারণগুলো টুটুল ভাই আর জয়িতারে কইছি! কিন্তু পরে ঐ কারণেও যাওয়া হয় নি। অন্য একটা কাজে ময়মনসিং গেছিলাম! Sad

৩২

জ্যোতি's picture


কিচ্ছু কমু না।তালা লাগাইলাম মুখে।

৩৩

মাসরুর's picture


হাসতে হাসতে গড়াগড়ি খাওনের মত তো কিছু হয় নাই! Yell

৩৪

মানুষ's picture


শ্রদ্ধেয় নূরে আলম ভাইকে এই ব্লগে দাওয়াত দিয়ে আনা যায় না?

৩৫

মাসরুর's picture


বক্তব্যের সাথে পুরোপুরি সহমত!!!!!!

৩৬

জ্যোতি's picture


নূড়ারে মিস করি।নুড়া ভাই কুথায়য়য়য়য়য়য়য়য়য়য়য়য়য়য়য়য়

৩৭

কাঁকন's picture


যদি একান্তই ওনারে আনা না যায় তাইলে ব্লগার মুকুলরেই নূরা চশমা পরাইয়া নূরা বানয় দেয়া হোক অবশ্য এইখানে মানুষ তার জোর প্রতিদন্দি Cool

৩৮

মামুন ম. আজিজ's picture


এক্কেরে পুরা কাহিনী ফুটি উঠেছে

৩৯

হাসান রায়হান's picture


Smile

৪০

কাঁকন's picture


পোস্ট উমদা হইছে; কানু গ্রুপ টায়ার ফাটার বদদোয়া করে নাই; কানু গ্রুপ জানতি য়াযাদ

ভাই সম্প্রতি ফ্রেন্ড & ফ্যামিলি নাটক দেইখা অনুপ্রানিত হইয়া একখান লক্কর ঝক্কর

বাস ই বাইছা বাইছা জোগার করবো; যে বাসের টায়ার ফাটবোই; কানু গ্রুপ দোয়া করসে

টায়ার যেন জায়গামতন ফাটে Laughing; এই শরাবান

তহুরাটা কি মুকুলের শিখা?; এই পোস্ট সামুতে দি
লে 

তো কারো কারো সম্রাজ্য টইলা যাইতো' নতুন সম্রা

জ্যের সম্রাট হইতো মাসুম্বাই;প্রথম থিকা 

৩ নম্বর ছবিটা জটিল হইছে য়াযাদ ভাই ককিসের পানিশমেন্ট খাইতেসে

৪১

জ্যোতি's picture


ইয়াযাদ ভাইরে মুকুল বলছিলো কি মিয়া আপনের না আমার লিগা সুন্দরী কাজিন লইয়া আসার কথা!!এত কষ্ট কইরা নোয়াখালীর গ্রাম খেকে ভরসা নিয়া আসলাম এখন দেখি বাসে আপনি ডেকচি পাতিল নিয়া আইছেন।যামু না পিকনিকে।ইয়াযাদ ভাই বেচারা রাগে, দুঃখে কান ধইরা কয় মাপ করো আমারে।আমি আর এইসবে নাই।কেউ কাম করে না। আমি একলা কি থুইয়া কি করছি!!!!!!

৪২

হাসান রায়হান's picture


কানু গ্রুপের উপর আস্থা হারায় ফেলতেছি। শিখা কুইজটা এদ্দিনেও সলভকরতে পারে নাই!

৪৩

জেবীন's picture


শিখা কুইজতো ওইদিনই সলভ করে দিছি... খেয়াল করেন নাই! Smile

৪৪

নুশেরা's picture


লেখা পইড়া অচিন্দা আপ্নের ফটুক কই?

========================================= ঢাকা শহর থিকা সেভেন্টিজের গাড়ীও তুইলা দিছে বইলা পেপারে পড়ছিলাম। ২য় বিশ্বযুদ্ধ মার্কা বাস কৈত্থে জুটায় আনছে, পিকনিকি লুকজন শোকর করেন যে খালি টায়ার গেছিলো... কানুগ্রুপসহ বৈদেশীদের শকুনি কওনের তেব্র নেন্দা জানাই Yell

৪৫

মেসবাহ য়াযাদ's picture


সবতের চোখ এড়াইয়া গেলো ক্যান, বুজতাছিনা...! বাসটার নাম কৈলাম

সেফটি...Wink

৪৬

নুশেরা's picture


দেখছিতো। মনে করছিলাম সেফটি ম্যাচের (দিয়াশলাই) বিজ্ঞাপন ঐটা। তা যেমন নাম তেমন কাম করছে বাস। মোটে একখান টায়ার গেছে Wink

৪৭

হাসান রায়হান's picture


@নুশেরা, এই ছবি গুলান আমি তুলছি তাই আমার ছবি নাই। অন্যদের এলবামে আছে।

ঈমানে  কই টায়ার ফাটার পর আমরা আপনাদের শিকর গুজরান করছিলাম। শকুনি কি এতই খারাপ সবাই খেপ্তাছে ক্যান? মহাভারতে একটা ক্যারেকটার আছে না এই নামে।

৪৮

সুবর্ণা's picture


যেমন ছবি তেমন বর্ণনা, খুব ভালো লাগলো। যতোই ভাবি পিকনিকের পোষ্ট পড়বো না, তারপরও পড়ি আর আফসুস করি। তাইলে সাঈদ ভাই/বিমা ভাইয়ের সুখবর খুব শিগ্রী পাচ্ছি আমরা। অপেক্ষায় থাকলাম। ঘটনা আরো বিস্তারিত জানতে চাই।

৪৯

হাসান রায়হান's picture


সাঈদ ভাই অথবা বিমা ভাইয়ের যে কোনো একজনের সুখবর হতে পারে।

অট: বিমা ভাইয়ের বিয়া মনে হয় সামনের মাসে। শিওর না যদিও। বিমার ক্লোজ ফ্রেন্ড জেবীন, জয়ি বলটে পারবে।

৫০

মেসবাহ য়াযাদ's picture


অট: বিমা ভাইয়ের বিয়া মনে হয় সামনের মাসে। শিওর না যদিও। বিমার ক্লোজ ফ্রেন্ড জেবীন, জয়ি বলটে পারবে...। একদম মনের কথা, কিন্তু...?

জেবীনের বান্ধবী ফারজানা  কি কিছুই বলতে পারবে না ? Wink

৫১

কাঁকন's picture


"যেই বিমা জানায় তার বাড়ি ফার্মগেইট এতক্ষণ ঘাপটি মাইরা বইসা থাকা মেসবা লাফ
দিয়া সামনে গিয়া বলে আমার বাড়িও ফার্মগেইট। ফারজানা বিমা বিরক্ত হয়। আমরা
সবাই চরম বিরক্ত হই।"--- আপনি বার বার বিমার বারা ভাতে ছাই দেয়ার তাল করতেসেন ক্যান? Undecided আপ্নার মৎলব কি?

৫২

হাসান রায়হান's picture


কানু গ্রুপ ইন একশন! এইবার যদি বেটারে একটা শিক্ষা দেওন যায়

৫৩

মেসবাহ য়াযাদ's picture


মতলব নাই, কোতুহল ... @ কাঁকন

আপনি এত খুশি ক্যান ? @ রায়হান

 

৫৪

হাসান রায়হান's picture


ঠিকাছে আর হাসুম্না। এই দাঁত বন্ধ কর্লাম@ য়‌া‌্যাদ Sad

৫৫

সাঈদ's picture


আমার চরিত্র নিয়া এমুন ছিনিমিনি খেলার তেব্র পরতিবাদ।

 

আমি বিমা আর মুক্লার কাছে চান্স ই পাইলাম না। বিমা যেমনে আগলায় রাখছিল আর মুকুল যেমনে হা হুতাশ কইরা পিছে পিছে ঘুরতাছিল, আমি তো দূর কি বাত।

 

একটু ছুবি তুলছি তাও কত কথা। আর কোন নারির ছবিই তুলুম না কারো।

Sad :(  Sad Sad :( 

৫৬

হাসান রায়হান's picture


এত অল্পতেই হাল ছাইড়া দিলা। একবার না পরিলে দেখো শতবার। রবিদার উপদেশ শুনোনাই:

অলি  বার বার ফিরে যায়
অলি বার বার ফিরে আসে
তবেতো ...

৫৭

হাসিব's picture


পোস্টে ৫ । বহুত কিছু বায়রায় আসচে । আর এই সকাল বেলা নিজেরে খুব ভালু লুক মনে হৈতেছে ।

৫৮

নীড় সন্ধানী's picture


পিকনিকে না গিয়াও প্রায় অর্ধভ্রমন, অর্ধভোজন, অর্ধদর্শন হইয়া গেল......
...............পিকনিকে এ+, ছবিগুলা এ++ Smile

৫৯

জেবীন's picture


লেখা মারাত্তক হইছে কিন্তু আপনার সেই যে "আলমভাইয়ের বাড়িতে ঈদের খানা"  অই পোষ্টের লেভেলে যায় নাই...  Smile

শরাবন তহুরা'র কাহিনীতো সবার কাছে দারুন হিট করলো!!!

৬০

তানবীরা's picture


মারহাবা ! সোবহানাল্লাহ !! আলহামদুলিল্লাহ !!

৬১

আশরাফ মাহমুদ's picture


আমার মন্তব্য কই?
ফেইসবুকে দেখেছিলাম। কয়েকটার ক্যাপশন পড়ে হা হা প গে।

৬২

সোহেল কাজী's picture


হাঃহাঃহা বসের আরো একটা ক্লাসিক পোষ্ট পড়লাম।
তয় আনশিল্ড ঘটনাবলী আমি কিচ্ছুই বুঝি নাই

৬৩

বোহেমিয়ান's picture


ব্যাপক মজা পাইলাম ।
বুইড়া আঙ্গুল

কোন একদিন আম্মো যামু ।

৬৪

শওকত মাসুম's picture


কি বিষয়, এইটার মধ্যে আমার কোনো কমেন্ট নাই কেন?

মন্তব্য করুন

(আপনার প্রদান কৃত তথ্য কখনোই প্রকাশ করা হবেনা অথবা অন্য কোন মাধ্যমে শেয়ার করা হবেনা।)
ইমোটিকন
:):D:bigsmile:;):p:O:|:(:~:((8):steve:J):glasses::party::love:
  • Web page addresses and e-mail addresses turn into links automatically.
  • Allowed HTML tags: <a> <em> <strong> <cite> <code> <ul> <ol> <li> <dl> <dt> <dd> <img> <b> <u> <i> <br /> <p> <blockquote>
  • Lines and paragraphs break automatically.
  • Textual smileys will be replaced with graphical ones.

পোস্ট সাজাতে বাড়তি সুবিধাদি - ফর্মেটিং অপশন।

CAPTCHA
This question is for testing whether you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

বন্ধুর কথা

হাসান রায়হান's picture

নিজের সম্পর্কে

অথচ নির্দিষ্ট কোনো দুঃখ নেই
উল্লেখযোগ্য কোনো স্মৃতি নেই
শুধু মনে পড়ে
চিলেকোঠায় একটি পায়রা রোজ দুপুরে
উড়ে এসে বসতো হাতে মাথায়
চুলে গুজে দিতো ঠোঁট
বুক-পকেটে আমার তার একটি পালক
- সুনীল সাইফুল্লাহs