ইউজার লগইন

সোয়াচ অফ নো গ্রাউন্ড - ক্যাসপার ম্যাগনুসেন

[এক বন্ধুর মেইলে লেখাটা পেয়ে মন ভরে যায়। আমাদের দেশের জন্য ভালো কোনো সংবাদ এখন দুষ্প্রাপ্য। না সমাজ না পরিবেশ না রাষ্ট্র। কোনো খানেই আশাবাদী হওয়ার মত কিছু নাই। সেখানে বঙ্গোপসাগরে এখনও এমন যায়গার অস্তিত্ব আছে সত্যি অবিশ্বাস্য। ডলফিনদের এই আবাস স্থল নিয়ে বিবিসিতে বেশ কয়েক মাস আগে প্রতিবেদন দেখেছিলাম। সোয়াচ অফ নো গ্রাউন্ড বঙ্গোপসাগরের ১৪ কিমি দীর্ঘ গভীর সমূদ্র। এই জায়গাটার গভীরতম স্থানটার গভীরতা হচ্ছে ১৩৪০ মিটার। লেখাটা পড়ার পর অনুবাদের ইচ্ছা জাগে। যে ব্লগে এটা প্রকাশ হয়েছিলো সেখানে বললে রাজী হয় লিংক উল্লেখের শর্তে। অন্য কাজে ব্যস্ত থাকায় প্রকাশ করতে দেরি হল কিছুটা]

শুরুটা হল ঢাকা থেকে মংলা পর্যন্ত ক্লান্তিকর ভ্রমন ও রাতে পর্যটনের মোটেলে রাত্রিবাসের মাধ্যমে।

সন্ধ্যাবেলায়, রাঁতের আঁধারের ছায়া ঘনিয়ে আসার আগেই গবেষণা জাহাজটিকে দেখলাম। খুব সকালে খানিকটা উত্তেজনা নিয়ে আমরা হোটেল ছেড়ে জাহাজের বোর্ডিং নিলাম। সপ্তাহ দুয়েক আগে ঢাকায় 'গাইড টুরস' থেকে জাহাজের বেসিক কন্ডিশন সম্পর্কে পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে জানানো হয়েছিল, মানিয়ে নেয়ার জন্য। আর এখন আমরা এক রোমাঞ্চকর যাত্রা শুরু করার প্রক্রিয়ায়। শিউর, ব্রিং ইট অন।

ছবি: কাজি শাকিল আহমেদ

নাউ, দেয়ার উই আর, এই সাত সকালে আমরা জাহাজের ভিতর এবং নিশ্চিত ভাবেই অনুভব করছি আমরা অভিযানের জন্য প্রস্তুত। আমাদের গন্তব্য সুন্দরবনের সীমা ছেড়ে প্রায় ৫০ কিলোমিটার দুরে বঙ্গোপসাগরের অভ্যন্তরে এক স্থান, যার নাম 'সোয়াচ অফ নো গ্রাউনড'(Swatch of no ground)। ঢাকার এক তুমুল বন্ধুর মাধ্যমে আমরা 'সিটাসিন ডাইভারসিটি প্রযেক্ট' দলটির কথা শুনি; এবং কয়েক মাস পূর্বে ঢাকায় এক প্রদর্শনীর মাধ্যমে এ সম্পর্কে জ্ঞান ও উৎসাহ লাভ করি। এই দলটি বঙ্গোপসাগরে তিমি, ডলফিন ও porpoise নিয়ে গবেষণা করছে। অবশ্যই এইসব ম্যামল আমাদের আমাদের ভ্রমনের প্রধান কারণ। বাংলাদেশে দুই বছর অবস্থানের পর আমি অনেক ধরনের অবশ্যম্ভাবী গন্তব্যস্থল দেখে ফেলেছি, সুতরাং আমার শ্বশুর মশায়ের আগমন উপলক্ষে টার্গেট ছিল বাংলাদেশের অনাবিস্কৃত ভাগ আবিষ্কার করা।

আগেই বলা, জাহাজে বোর্ডিং নেয়া হয়েছে, তারপরই আমরা সোজা কেবিনে চলে যাই হোটেলে রাতে অল্প সময়ের ঘুম সম্পূর্ণ করতে। ভোর হলে আমরা ঘুম থেকে জাগি নতুন বানানো কফির গন্ধ, সূর্যোদয় এবং আমাদেরকে ম্যানগ্রোভ জঙ্গলের বাইরে নিয়ে যাওয়ার প্রচেষ্টায় রত ইঞ্জিনের শব্দে। ক্রুগণ আপ্রান চেষ্টা করে যাচ্ছিল জাহাজের সুযোগ সুবিধার ঘাটতি পূরণ করতে। প্রধান গবেষক মোগলি সারা দিনব্যাপী এই চমকপ্রদ জলজ স্তন্যপায়ীদের সম্বন্ধে তার জানা উল্লেখযোগ্য অংশ আমদের সাথে শেয়ার করছিল, যাদের আমরা আবিষ্কার করতে যাচ্ছি। এদিকে ক্রুগন একটা মাছ ধরার জাহাজের রান্নাঘর থেকে যতটা সম্ভব উন্নত মানের খাবার ও স্ন্যাকস তৈরী করা যায় তা বিরতিহীন পরিবেশন করে যাচ্ছিল।

সুন্দরবনের ভেতর দিয়ে চমৎকার ভ্রমন শেষে আমরা বঙ্গোপসাগের পৌছালাম বিকালের প্রথম ভাগে। এখানে আমাদের উত্তেজনা নতুন মাত্রায় পৌছালো কারণ এক ধরণের ডলফিন (হামব্যাক ডলফিন) দেখতে পাওয়ার সম্ভাবনা বাড়ছিল। এই প্রানীটা যদিও আমাদেরকে প্রদর্শনের জন্য অতি লাজুক মনে হচ্ছিল, কিন্তু তা আমাদের খোঁজাকে আরো তীব্রতর করছিল। আমরা বাইনোকুলার দিয়ে আশেপাশের পানিতে সর্বোচ্চ প্রচেষ্টায় খোঁজাখুজি অব্যাহত রাখি যন কোনো কিছুই অগোচরে না যেতে পারে।

ছবি: রুবাইয়াত মনসুর মোগলি

আরো কয়েক ঘন্টা পর আমরা পৌছে যাই সোয়াচ অফ নো গ্রাউন্ডে (SONG)। এ বিষ্ময়কর জলতলের ক্যানিয়ন সিটাসিনদের জীবনযাপনের জন্য সর্বোতকৃষ্ট আবাস্থল এবং এই সব সিটাসিনদের গবেষণার জন্য তাথাকথিত হট স্পট। বলা হয় এই পৃথিবীতে SONG ই একমাত্র যায়গা যেখানে এই তিন প্রজাতির সিটাসিন পাওয়া যায়। অচিরেই আমাদের উচ্চ-প্রত্যাশা পূরণ হয় যখন বটলনৌজ ডলফিনদের ভাসতে দেখা যায়। সেগুলো দূরে ছিল কিন্তু আমাদের ক্যামেরার সাটার টেপার জন্য যথেষ্ট নিকটবর্ত্তী ছিল, যা ফ্রেমে অল্প পিক্সেলের কিছু কালো ডট তৈরী করে। কিন্তু সে অবস্থায় আমরা কোনো কিছুই ছেড়ে দেয়ার পাত্র ছিলাম না কারণ আমাদের প্রমান দরকার আমাদের সংশয়বাদী বাংলাদেশি বন্ধুদের বিশ্বাস করানোর জন্য। ক্যাপ্টেন জাহাজটিকে ডলফিনগুলির কাছাকাছি নিয়ে গেলে দলটির আকারের সাথে সাথে আমাদের উত্তেজনাও বাড়তে থাকে। আমাদের ছবিগুলিতে এখন ছোট কালো ডট থাকেনা বরং ডলফিনের পিঠের সুন্দর বাঁক স্পষ্ট হয়ে উঠে। আমরা শীঘ্রই দলটির ভিতর পৌছে যাই, নৌকার চারপাশে ডলফিন ভেসে উঠছে, কাছে এবং দূরে দুজায়গায়ই আমরা তাদের নিবিড় পর্যবেক্ষণ করতে পারছিলাম, ওরা ছিল সাগরের স্বচ্ছ, পরিস্কার, সবুজাভ নীল জলের নীচে। ডলফিন গুলির কাছে গিয়ে এক আশ্চর্য্য অনুভূতি আমায় নাড়িয়ে দিল; যেন শিকারীর তার প্রথম গুলি করা বা এক মহান ছবির অনুভূতি যেটা কখনো ভুলে যাওয়ার মত নয়।

কিছুক্ষণ পর প্রধান গবেষক মোগলি এই পর্যবেক্ষণ সমাপ্ত ঘোষনা করল। আমাদের আবিষ্কারের জন্য আরো কিছু ছিল, সুতরাং বাইনোকুলারের সাহায্যে খোঁজা শুরু। আমরা একটা বড় কিছুর অপেক্ষায়, সত্যিই বিশাল। এটা সত্যযে বন্যপ্রানী খুঁজে পাওয়ার নিশ্চয়তা নাই, সেজন্য আমাদের নির্ভর করতে হয় ক্রুদের দক্ষতা, তাদের এই এলাকায় আগের ট্রিপ এবং সাইটিং এর ডিটেল্ড ম্যাপিং এর উপর। অল্পক্ষনেই খোঁজার ফল মিলল, কিছু দূরে অপূর্ব সুন্দর বড় বাঁকের অবয়ব ভেসে উঠল, একটা Bryde তিমি। এটা দেখা গেল এর সাত থেকে দশ মিনিটের ডুব দেয়ার ভিতর তিনবার সংক্ষিপ্ত নিশ্বাস নেয়ার প্রক্রিয়ায়। আমাদের সবাই দেখতে না দেখতেই এটা চলে গেল এবং ক্যাপ্টেন নৌকা ঘুরিয়ে তিমিটা শেষবার যেখানে দেখা গিয়েছিল সেদিকে নিয়ে গেল। ৫-৬-৭, মোগলি উচ্চস্বরে তিমিটার ডুব দেয়ার পর মিনিট গণনা করছিল, আর আমরা আমরা সবাই বিভিন্ন দিকে খোঁজাখুজি করছিলাম।

ঐ তো ওটা।

পুনরায়, নয় মিনিট ডুবে থাকার পর ওটা ভেসে উঠল, এবার নৌকার অনেক কাছাকাছি কিন্তু নৌকা বা নৌকার যাত্রীদের জন্য বিপদজনক হওয়া থেকে যথেষ্ট দূরে। এটা তিনবার অল্প সময়ের জন্য ভেসে উঠে আবার ডুব দিল। আমরা চাচ্ছিলাম আবার ভেসে উঠার সময় আরো কাছে যেতে, সুতরাং ক্যাপ্টেন আবার নৌকা ঘুরিয়ে দিল স্পটের দিকে। আমরা গণনা অপেক্ষা ও কামনা করছিলাম যেন আমরা ঠিক যায়গতেই খুঁজছি। সূর্য ডুবছিল তখন মোগলি আমাদের জানায় কীভাবে ওরা সাধারণত দেখা পাওয়া তিমির চামড়ার নমূনা সংগ্রহ করে। হঠাৎ এই বিশাল তিমিটা আবার ভেসে উঠল, সূর্যাস্তের আলোয় আমাদের শেষ প্রদর্শনী দেখাল। এইবার নৌকার অনেক কাছে এবং আমরা এর সত্যিকারের বিশালত্বের প্রমান পেলাম। ওটার মাথা তখনো পানির নীচে কিন্তু আমরা এর ব্লোহোল থেকে পেছনটা (ডরসাল ফিন) দেখতে পাচ্ছিলাম, পেছন থেকে পানির ঢেউ দেখা যাচ্ছিল যেখানে ওটা ল্যাজ নাড়িয়ে প্রয়োজনীয় বেগ তৈরী করছিল আরেকটি ৭-১০ মিনিটের ডুব দেয়ার জন্য।

সূর্য্য অস্তমিত হলে মোগলি মৃদু সংগীত চালিয়ে দেয় আর একজন ক্রু সেইরকম গন্ধযুক্ত ধোঁয়া দিয়ে মশা দূর করে, ইঞ্জিন বন্ধ করে দেয়া রাতের বিরতির জন্য, অনন্য সাধারণ অভিজ্ঞতা দিয়ে দিন শেষ হয়।

ছবি: রুবাইয়াত মনসুর মোগলি

দ্বিতীয় দিনে আমরা তাড়াতাড়ি উঠি, আগের দিনের দর্শনের স্পিরিটে আরো পাওয়ার আগ্রহী হই। যখন আমাদের আরামদায়ক বিশ্রাম ছাড়ি সূর্য্য তখন পরিস্কার আকাশে উদয় হচ্ছিল আরেকটি দিনের জন্য, ক্রুরা জাহাজ চালু করে এবং ডলফিনের সন্ধানে খোঁজ শুরু করে। ওরা জানত যে জায়গাটা বেশি দূরে নয় যেখানে আমরা গতদিনে দেখা ডলফিনের চেয়ে ভিন্ন প্রজাতির ডলফিনের সন্ধান পেতে পারি। আমরা কফি ও ডেকের নিচে তৈরি হতে থাকা নাস্তা তৈরির অগ্রগতরি মাধম্যে ঘুম ঘুম শরীর চাঙা করি, তখনই ক্যাপ্টেন প্রথম ডলফিনের দেখা পেল, আমরা এটার কাছকাছি হতেই নিশ্চিত হওয়া গেল যে এটা ভিন্ন প্রজাতির, পৃষ্ঠভাগ ছিল ছোট এবং অনেক ধীরগতিতে ভেসে উঠছিল। মোগলির ভাষ্যানুযায়ী আমরা স্পটেড ডলফিন অবলোকন করছি। দলটি ছিল বড়, খুবই বড়। ক্রুদের যুক্তিসই ধারণা অনুযায়ী একশটির মত। ক্যামেরার সাটার আক্রমনাত্মকভাবে ক্লিক হচ্ছিল, কিন্তু সাইটের অনুভূতি এবং ৩৬০ ডিগ্রি ডলফিনের ভিশন ক্যামেরার এক ফ্রেমে বন্দী করা অসম্ভব।

লাঞ্চের আগেই সময় এসে গেল নৌকা ঘুরিয়ে মংলার দিকে রওনা হওয়ার। জায়গাটি প্রজাতির বৈচিত্র এবং আমাদের পর্যবেক্ষণের বিশালতায় আমাদের বিষ্ময়াভূত করে রেখেছিল। আমরা প্রস্তুত, ত্যাগ করার জন্য নয় বরং ঢাকা ফিরে গিয়ে পর্যবেক্ষণ টি আপনাদের সাথে শেয়ার করার জন্য যা আপনারা বা আমরা কেউই কখনো দেখার আশা করি নাই।

মূল লেখার লিংক: http://www.beautifulbangladesh.org/2009/07/swatch-of-no-ground/

পোস্টটি ২০ জন ব্লগার পছন্দ করেছেন

নুশেরা's picture


চমৎকার!
এই অনুবাদটা না হলে হয়তো জানাই হতো না। শেয়ার করার জন্য সাধুবাদ, ঝরঝরে অনুবাদের জন্যও।

হাসান রায়হান's picture


ধন্যবাদ। টেনশনে ছিলাম অনুবাদ নিয়া।

ভাস্কর's picture


অচীন্দা যদি আপনে না লিখতেন এইটা অনুবাদ কর্ম তাইলে ভাবতাম মেসবাহ য়াযাদ ভাইয়ের লগে সুন্দরবন গেছিলেন song-এ ডলফিন দেখতে, সুর্য উৎসব দেখতে না। তয় কিছু মনে হয় টাইপো আছে ঐগুলি না থাকলে ভালো লাগতো। আমার এক বন্ধু ফটোগ্রাফার গেছিলো এই গ্রুপের লগে ওর ঐখান থেইকা কিছু ছবি পাই কী না দেখি...সে আবার পেশাদার, ভালো ছবি দিবো না...

হাসান রায়হান's picture


মহা যন্ত্রণা! মনে করছিলাম দুই একটা টাইপো আছে পরে ঠিক করে ফেলব। এখন দেখি প্রায় কোটি খানেক । Sad

নজরুল ইসলাম's picture


দারুণ কাজ রায়হান ভাই। অনেক ধন্যবাদ। জানাই ছিলো না। ছবিগুলো দেখে মনটা জুড়িয়ে গেলো। এরকম আরো কিছু পেলে শেয়ার করার অনুরোধ রইলো। কিছু টাইপো আছে, সেগুলো ঠিক করে রাখুন। ভবিষ্যতে কাজে লাগবে। অনুবাদ ভালো লেগেছে। তবে শিরোনামটার একটা মূর্চ্ছনীয় অনুবাদ হইলে ভালো হইতো আরো বেশি।

হাসান রায়হান's picture


টাইপোর জন্য স্যরি বস। পোস্ট লিখ্যা আর তর সয় না চেক না কইরাই প্রকাশ দিয়া ফেলি। অনুবাদ ভালো লাগছে জেনে রিলিফ পাইলাম। টেনশনে ছিলাম। শিরোনাম টা করতে পারলে ভালো হতো তবে আমার খেমতার বাইরে। আপনারা একটা দিলে পরিবর্ত্তন করে দিতে পারি।

লোকেন বোস's picture


অনেক ধন্যবাদ হাসান রায়হান ভাই। কষ্ট করে অনুবাদ করে আমাদের কাছে পরিবেশনের জন্য।

হাসান রায়হান's picture


পড়ার জন্য আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ লোকেনদা।

জ্যোতি's picture


রায়হান ভাইকে ধন্যবাদ এত সুন্দর অনুবাদ করার জন্য তা না হলে জানা হতো না....

ভ্রমন কাহিনী পড়লেই মনটা উদাস লাগে। এইটা একটা রোগ হইছে।

১০

হাসান রায়হান's picture


তোমারেও ধন্যবাদ।

১১

টুটুল's picture


এত্তা ভালা হৈছে যে আর কি কমু ...
একটা খাওন দেন বস... এরম সুন্দর অনুবাদ লগে খাওন থাকপে না ... এইটা কিরম জানি লাগে Wink

১২

জ্যোতি's picture


১৩

হাসান রায়হান's picture


হা হা। বইমেলায় আজকা পুরি, মাশরুম চপ , চা বিড়ি খাওয়াবো। Smile

১৪

শাওন৩৫০৪'s picture


....ওয়াও, ব্যাপক ভালো লাগলো পৈড়া....এইটার কথা কিছুই জান্তাম্না....এখন এইখানে ক্যাম্নে যাওয়া যায়?

১৫

হাসান রায়হান's picture


ধন্যবাদ, গাইড টুরস মনে হয় এরেঞ্জ করে।

১৬

মুকুল's picture


ওয়াও ! দারুণ অনুবাদ! থ্যাঙ্কস অচিন্দা।

১৭

হাসান রায়হান's picture


ধন্যবাদ। Smile

১৮

মাহবুব সুমন's picture


প্রথমে ভেবেছিলাম এটা আপনার নিজের ভ্রমন কাহিনী, বোঝাই যায় না যে অনুবাদ। মচমচে অনুবাদ। দারুন লাগলো।

১৯

হাসান রায়হান's picture


কৃতজ্ঞ হইলাম আপনার সুন্দর মন্তব্যে।

২০

সাঈদ's picture


দারুন জিনিস । দারুন অনুবাদ ।

ধন্যবাদ । ধন্যবাদ ।

২১

হাসান রায়হান's picture


তোমাকেও দুইটা ধন্যবাদ।

২২

ভাঙ্গা পেন্সিল's picture


জোসসস! এই জায়গায়ও দেখি যাওয়া লাগে Puzzled

২৩

হাসান রায়হান's picture


তারপর আইসা ফটু সহকারে পোস্ট দেন। Smile

২৪

ভাঙ্গা পেন্সিল's picture


যাওয়ার সিস্টেম আগে জানা দরকার Puzzled

২৫

নীড় সন্ধানী's picture


প্রথম আর দ্বিতীয় ছবিটা দেখে মাথাতো আউলা হয়ে যাবার দশা! বঙ্গোপসাগরের ময়লা পানি এত সুন্দর লাগে সেন্টমার্টিন বাদে আর কোথাও দেখিনি। তবে এরকম একটা সুন্দর জিনিস অনুবাদ করে খাইয়ে দেবার জন্য আপনারে ধন্যাপাতা পুদিনাপাতা কিছুতেই পোষাবে না। অনুবাদও সেইরাম মারাত্মক হইছে। মনে হচ্ছিল আপনিই মোগলী। প্রিয়তে নিলাম পোষ্ট। Smile

২৬

হাসান রায়হান's picture


মোগলি! হা হা হা।

ডিসকভারি, ন্যাশনাল জিওগ্রাফিতে বাংলাদেশ নিয়া কিছু দেখাইলে লম্বা চুলের মোগলিকে দেখা যায় ।

প্রিয়তে  নেয়ার জন্য শুকরিয়া।

২৭

রোহান's picture


বেশ কদিন আগে এক কলিগ তার বন্ধুর সূত্রে খবর দিছিলো... গাইড ট্যুরসই মনে হয় ব্যবস্থা করে... তখন খুব একটা ভরসা পাই নাই... এখন দেয়ালে মাথা ঠুকতাছি....

২৮

শওকত মাসুম's picture


এই এলাকার কথা জানা ছিল, তবে এতো ডিটেইলস জানতাম না।

কোথায়  যেন পড়ছিলাম, অনুবাদ হইলো পশমি শালের উল্টা পিঠ, একটু খসখসে, মূল লেখার ভাব পুরা আসে না যে তাই। তারপরেও সেটা পশমী শালই তো। (হুবহু না)। আপনারটা পশমী শালের আসল পিঠের মতোই হইছে।

২৯

হাসান রায়হান's picture


থ্যান্কু বস।

৩০

মুক্ত বয়ান's picture


চরম ব্যাপার। আপনি না শেয়ার করলে জানতামই না। ধন্যবাদ আপনাকে। Smile

৩১

হাসান রায়হান's picture


আপনারেও ধন্যবাদ পড়ার জন্য।

৩২

কাঁকন's picture


ভালো হইছে অনুবাদ টা;

৩৩

হাসান রায়হান's picture


ধন্যবাদ।

৩৪

বিষাক্ত মানুষ's picture


চলেন যাই ...

৩৫

তানবীরা's picture


চমৎকার!
এই অনুবাদটা না হলে হয়তো জানাই হতো না। ছবিগুলো ঝাকানাকা।

৩৬

সালাহ উদ্দিন শুভ্র's picture


দারুন।

৩৭

মীর's picture


অচিন্দা'র ব্লগ পড়ে উত্তরোত্তর মুগ্ধ হচ্ছি। ভাই অশেষ ধন্যবাদ গ্রহণ করুন।

মন্তব্য করুন

(আপনার প্রদান কৃত তথ্য কখনোই প্রকাশ করা হবেনা অথবা অন্য কোন মাধ্যমে শেয়ার করা হবেনা।)
ইমোটিকন
:):D:bigsmile:;):p:O:|:(:~:((8):steve:J):glasses::party::love:
  • Web page addresses and e-mail addresses turn into links automatically.
  • Allowed HTML tags: <a> <em> <strong> <cite> <code> <ul> <ol> <li> <dl> <dt> <dd> <img> <b> <u> <i> <br /> <p> <blockquote>
  • Lines and paragraphs break automatically.
  • Textual smileys will be replaced with graphical ones.

পোস্ট সাজাতে বাড়তি সুবিধাদি - ফর্মেটিং অপশন।

CAPTCHA
This question is for testing whether you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

বন্ধুর কথা

হাসান রায়হান's picture

নিজের সম্পর্কে

অথচ নির্দিষ্ট কোনো দুঃখ নেই
উল্লেখযোগ্য কোনো স্মৃতি নেই
শুধু মনে পড়ে
চিলেকোঠায় একটি পায়রা রোজ দুপুরে
উড়ে এসে বসতো হাতে মাথায়
চুলে গুজে দিতো ঠোঁট
বুক-পকেটে আমার তার একটি পালক
- সুনীল সাইফুল্লাহs