ইউজার লগইন

আত্মজা ও একটি করবী গাছ- তেতো গল্পের স্বাদ।

এই গল্পের শিরোনামটা মাথায় করে বয়ে নিয়ে যেতে হবে শেষ পর্যন্ত। আর সেই বয়ে নিয়ে যাওয়ার পথটা কন্টকময়, ঘটনাময়, বিচিত্র স্বভাবের মানবগল্পের গলী ঘুপচি অন্ধকার পেরিয়ে সেই যাওয়া।  শিরোনামের আত্মজা এর অর্থ উদ্ধারে গভীর অন্ধকারে হাতড়ে বেড়ানো কঠিন হবে। কিন্তু করবী গাছের মানে বুঝা যায়। এই গাছের বীজে বিষ হয়। জীবন বিনাশি বিষ। তেতো। হাসান আজিজুল হক এই করবী গাছ নিয়েই গল্প লিখতে গিয়ে কতোকিছু যে লিখেছেন। অথচ আসল ঘটনা বুঝতে হলে এতো কিছু পড়ার দরকার হয় না। আসল ঘটনা হল জনৈক ডাক্তার বাবু কোন এক শুকনার দেশ থেকে বিতাড়িত হয়ে ইনাম, সুহাস আর ফেকুদের এলাকায় আসেন। এই এলাকায় অন্তরীণ ডাক্তার বাবু তার সংসার ছেলে মেয়ে বাঁচিয়ে রাখেন উঠতি বয়েসি এই ছেলেদের বদান্যতায়। তারা দুই টাকার বিনিময়ে ডাক্তার বাবুর দশ বছরের মেয়েটাকে ভোগ করে, জোর করেই তা করে। কারণ ইনাম যখন টাকা দিতে না পারায় গল্পের শেষ দৃশ্যে ডাক্তার বাবুর সাথে বাইরের ঘরে আড্ডা দিচ্ছিল তখন সে তার বাকি দুই বন্ধুর হাসি, মেয়েটার কান্না আর শাড়ি খুলবার শব্দ পায়। এই সময়েই ডাক্তার বাবু ইনামকে জানান যে তিনি এখানে আসার আগে একটা করবী গাছ নিয়ে এসেছিলেন। ফুলের জন্য নয়, বীজের জন্য। এই একটা বিষবৃক্ষ মানব হন্তারক, অথচ ডাক্তার বাবুর বেঁচে থাকার অবলম্বন। এই গাছের ছাল বাকল ফুল সবই বিষ-বীজের বিষ সবচাইতে বেশি। এই বিষ সঙ্গে করেই নতুন করে বাঁচতে এসেছেন তারা। এইখানে আসলে গল্পটার মানে বুঝতে পারা যায়। অনেক অন্ধকার, কুয়াশা, লতা, নানা ঘটনা, চাঁদ, হিম ঠান্ডা পেরিয়ে এইখানে এসে পাঠককে স্তব্ধ হতে হয়। করবী গাছের সভ্যতায় বাস করা মানুষেদের বুঝতে দেরি হয় না, শিরোনামের মানে কি। এই আত্মজা হয়তো নারী-বেঁচে থাকা। অথবা প্রকৃতি-দেশ। মানব জন্মের প্রক্রিয়া, নারী দেহ সবই করবী গাছের সভ্যতায় এসে পণ্য হয়ে যায়। নিজের মূল ভিটায় টিকে থাকতে না পেরে নতুন দেশে এসেছেন ডাক্তার বাবু, সঙ্গে নিয়ে এসেছেন করবী গাছ। দারিদ্র তার শরীরের ভেতরে শ্লেষ্মার মতো জমে আছে। শ্লেষ্মা দূর না হোক পেটের ভাত যোগাড় হয় যদি টাকা থাকে। সেই টাকার যোগানদার ইনামরা, দশ বছরের রুকুর শরীর সম্ভোগের বিনিময়ে দুই চার টাকা ডাক্তার সাহেবকে দেন। এই টাকার সভ্যতা-সমাজ করবী গাছের গোড়ায় পানি দিয়ে গাছটাকে তাড়িয়ে তাড়িয়ে বড় করবার অনুপ্রেরণা দেয়। হাসান তার নিজস্বতায় এখানে রাত, টাকা আর ডাক্তার বাবুর গলায় শ্লেষ্মা হয়ে যে অনুষঙ্গ লাগিয়েছেন, যে রজনীতিকে যুক্ত করেছেন , তা করবী গাছকে, গল্পকে, দশ বছরের মেয়েটাকে, ইনাম সুহাস আর ফেকুদের, হিম ঠান্ডা রাতকে, যে গড়ন দিয়েছেন, শেষে এসে পাঠক তা থেকে বের হতে পারেন না। জড়িয়ে পড়েন, অন্ধকারে আর ইতিহাসে।

ডাক্তার বাবুরা দেশভাগের কবলে পড়ে স্বভূমি ছাড়া হয়েছেন। এসেছেন জলা জংলাময় এই গ্রামে। এই গ্রামের রাতে শীত নামে, মুরগির ঘাড় কামড়ে ধরে শেয়াল পালায়, চাঁদমণির বাড়ির লোকেরা সেই শেয়াল তাড়া করে। হিস হিস সর সর নানা শব্দে আর দৃশ্যে বাতাস বয়। বিলের বাতাস, গাছের বাতাস। অন্ধকার জমে। থকথকে অন্ধকারে ট্রানজিস্টার বগলে চেপে তারা তিন বন্ধু অভিসারের পথে যায়। সেই অভিসারের পথও বিচিত্র আর খরখরে, উষ্ঠা খেতে হয় বার বার, অন্ধকারে আর কুয়াশায় চাঁদের আলো গলে গলে পড়লে সেই আলোতে যেমন কোন কিছু ঠাহর করা দুষ্কর, চোখ কুঁচকে তাকাতে হয়, সেই কোঁচকানো চোখের শিরায় ব্যাথা উঠে গেলে অন্ধকার ফুঁড়ে হারিকেন হাতে এসে হাজির হন ডাক্তার বাবু। তাকে বুঝতে গিয়ে, এতক্ষণের অন্ধকারের পরে, ওই এক চিলতে হারিকেনের আলো হাতে লোকটা তিন বন্ধুসহ পাঠককে মূল গল্পে হাজির করান। সেখানে তার ঘরের ভিতরে একটা বসবার চেয়ার আর একটা কালো চৌকিতে ছেলেদের বসিয়ে তিনি সম্ভাষন জানান আর নিজের দারিদ্রতার কাহন শোনান। 'বুড়ো বলছে বাড়ির বাগান থেকে অন্ন জোটানো আবার আমাদের কম্ম- হ্যাঃ। ওসব তোমরা জানো। আমরা শুকনো দেশের লোক, বুইলে না? সব সেখানে অন্যরকম, ভাবধারাই আলাদা আমাদের। এখানে না খেয়ে মারা যেতাম তোমরা না থাকলে বাবারা! ছেলেমেয়গুলো তোমাদের কি ভালোই না বাসে! এই দ্যাখো না, বড় মেয়েটা, রুকু এখন চা করতে যাচ্ছে তোমাদের জন্যে- ' উন্মূল মানুষদের দুঃখ কথন এমন আরো আছে। কিন্তু হাসান আজিজুল হক অনন্য হয়ে ওঠেন। তার নিরাবেগ, নিরুত্তাপ অবলোকনে। চিত্রায়নে। তিনি লেখার পটে ছবি আঁকেন, কেমন এক ধূসরতার ছবি। সেই ছবি শব্দময়, তীক্ষ্ণ-ধারালো শব্দ। তার বয়ানের তলায় কোন গল্প থাকে এই বিশ্বাস যার নাই তার পক্ষে পুরো গল্প পড়া কষ্টকর হবে। সেই গল্পই ইনামকে শোনান ডাক্তার বাবু-তবে তারো আগে আরো কতো কতে গল্প। লোকটার আবির্ভাবকেও নাটকীয় করে তোলেন লেখক। ' সমস্ত উঠোনটায় বিরাট ছায়া, খাটো লুঙ্গির নিচে শুকনো দুটো পা। গেটের পাশে করবী গাছটার কাছে এসে দাঁড়ায়। আলোটা মুখের কাছে তুলে ধরে লোকটা। বোশেখ মাসের তাপে মাটিতে যেন ফাটলের আঁকিবুকি এমনি ওর মুখ।' এখানে এসেই পাঠক প্রথম করবী গাছের দেখা পান, বুড়োর মুখের ফাটল দেখতে পান। ভাগ, সীমনায় ভাগ হয় মানুষ দেশ আর তাদের বেঁচে থাকা। পায়ের নিচেই পড়ে থাকে যে গাছ, তাকে উপরে তুলে আনেন না হাসান। উপড়েও ফেলেন না, মাটিতেই রাখেন, শেকড় বাকড়ে জড়িয়ে। ডাক্তার বাবু আবার শেকড় ছাড়া। তার শেকড় হয়ে উঠেছে এই করবী গাছ-অবলম্বন। তিনি যখন তার ঘর থেকে বেরিয়ে আসেন তিনি আসলে ইতিহাস আর মানব জীবনের গল্প থেকেই উঠে আসেন। তার ঘরে যে দারিদ্র, দেশ ভাগের যাতনা, আর নারী বাস করে। সেই ঘর থেকে ঠান্ডায় কেবল একটা লাল হারিকেনের আলো হাতে ওই যে গল্পের শুরুতে শেয়াল যেমন মুরগী মুখে নিয়ে পালায় তেমনই কিছু শেয়ালকে তিনি আমন্ত্রণ জানান। আর এতোক্ষণ একগাদা কুয়াশা-অন্ধকার আর লতা পেঁচানো পথ মাড়িয়ে পাঠক করবী গাছের সাক্ষাতে স্বস্তি পেতে পারেন। সেই স্বস্তি যদি হাসান আজিজুল হকের হাত ধরে আসে তাহলে তা নিরাবেগ বোধ তৈরি করে। সেই স্বস্তির তলায় থকথকে বেদনা লুকানো থাকে। ' এসো, বড্ড ঠান্ডা হে'- বলে যেতে থাকে লোকটা। ' কিন্তু ভেতরে কি ঠান্ডা নেই? একই রকম, একই রকম। দেশ ছেড়েছে যে তার ভেতর বাইর নাই। সব এক হয়ে গেছে।'

সেই দেশ ছাড়া মানুষের গল্প বলতে গিয়ে এতো কিছু কেন বলছেন লেখক। সুহাস কেন তার ছোট মামার বিয়ের গল্প শোনায়। ধোপার কাছ থেকে সিল্কের পাঞ্জাবি ধার করে তার ছোট মামা বিয়েতে গিয়েছিলো। সেই বিয়েতে মেয়ের কাকার সাথে সুহাসের বাপের ঝগড়া-এসব বলার প্রয়োজন কি। ইনাম স্কুলে যায় না। ভালো লাগে না। ' ইস্কুলি যাতিছিস না আজ কাল? সুহাস জিগগেস করে। না- ইনাম জবাব দেয়। পড়বি না আর? না, পড়লি আমারে কেউ সিন্নি দেবে ক! চাকরি করবি। হয়, চাকরি গাছে ফলতিছে!' এই যে স্কুলে না যাওয়ার বিষয়ে তার অনাগ্রহ এর সাথে সেই বুড়ো-রুকু আর করবী গাছের সম্পর্ক কী। তারপর এই যে চাঁদ মণিদের বাড়িতে এক বৃদ্ধা ঠান্ডায় জমে যাচ্ছে, তার ছেলে বউয়ের কাছে একটা কাঁথা চাচ্ছে, আবার ফেকু কোন বাসে কার যেন পকেট মারতে গিয়ে মার খেল এসব প্রসঙ্গের-ই বা কি প্রয়োজন। এই যেমন এই দৃশ্যটা পড়লে কি মনে হয়- ' ফেকু মন্তব্য করল এবং কেন তার জীবন নষ্ট হলো, কে কে নষ্ট করল আর পকেট মারা কৌশল, তার নিজস্ব নৈপুণ্য, সাফল্য আর পিটুনি খাওয়ার অভিজ্ঞতা বলেই যেতে লাগল। করবটা কি কতি পারিস? লেহেপড়া শীখলি না হয়-। লেহাপড়ার মুহি পেচ্ছাব-ইনাম বলল। আবার অসহ্য লাগল ওর। তাহলি- ফেকু ভেবেচিন্তে বলল, উঁচা জায়গায় দাঁড়োয়ে সবির ওপর পেচ্ছাপ। কাজ কোয়ানে? জমি নেই, ট্যাহা নেই ব্যবসা করি- কি কলাডা করবানে?

এসব হাসান কেন বলেন। বলেন কারণ হাসান তার চরিত্রদের মাটিতে সমাজে আর রাষ্ট্রে স্থাপন করেন।

এমন একটা রোঁয়া ওঠা-বিস্বাদ-আঁধার ঘোলা পথ ধরে যেতে যেতে যে বিরক্তি পাঠকের ধরে তার দায় কি লেখকের। না কি হাসান এমন-ই। তিনি নিষ্ঠুর, আবেগহীন এক লেখক। বয়ানকারী। এই যে শেয়াল মুরগি ধরে নিয়ে যাচ্ছে তাতেও করুণা নাই- কেবল বর্ণনা আছে। 'ডানা ঝামরে মুমূর্ষূ মুরগি ছায়া ফেলে পথে, নেকড়ের মতো ছায়া পড়ে শিয়ালটারও, রাস্তা পেরোয় ভেবেচিন্তে, তারপর স্কুলের রাস্তার বাদাড়ে ঢোকে।' এই শেয়ালটার মতোই রুকুর পরিস্থিতিও তিনি বলে যান। তার আগে এই সমস্ত দৃশ্যকল্প পড়তে পড়তে পাঠকেরা করবী গাছকে খুঁজে বেড়ান। কোথায় কারবী গাছ। আছে, গল্পের শেষের দিকে এই করবী গাছ আছে। এই করবী গাছ বাকি সকল দৃশ্যকল্পকে তার বাকলে, পাতায়, আর বীজে যুক্ত করে। হাসানের লেখায় কেবল মানুষ না, প্রকৃতিও, চাঁদ, বাতাস, স্কুলের ঘন্টা, গরুর গাড়ি, সবাই নিরাবেগ। বয়ে চলে, একটা রাতের আগে দিন থাকে, পরেও দিন থাকে। এটা লেখক জানেন। ফলে রাতের ভেতরে দিনের ছায়াহীন অবস্থানের বর্ণনায় তিনি নিজেকে বিযুক্ত রাখেন। যারা এই করবী গাছওয়ালা বাড়িতে যাবে তাদের নাম পরিচয় জানান দেয়ার দায়িত্ব তিনি পালন করেন এমন না। বরঞ্চ, পালদের বাড়ির আলাপটুকুও তিনি সেরে নেন। কারণ আসলে সমকাল আর ইতিহাস, রাত আর দিন, মানুষ আর প্রতিবেশ- সব মিলিয়েই গল্প হয়। ' ডাইনে পালদের বাড়ি, মাটির হাঁড়িকুড়ি তৈরি করে, পরিচয় জিগগেস করলে রাস্তা থেকে হেঁকে জবাব দেয়, পালমশাই; তাদের বাড়ির পলেস্তরা-খসা দেয়াল, কারণ বাড়িটা আসলে সেনদের। ওরা চলে গেছে পঞ্চাশে।' এই যে চলে যাওয়া আর অভিভাসিত হওয়া মানুষেরা, এই যে যারা লেখাপড়া করে না, পকেট মারে, নারিকেল চুরি করে পেট চালায়, তাদের সাথে ছিন্নমূল ডাক্তারবাবুদের সম্পর্কের অবক্ষয় সেই অবক্ষয়কে সহজ করে তোলে করবী গাছের আশ্রয়। ফলে মিল আছে, এলোমেলো অথবা অযথা কিছু হাসান লেখেন না। লম্বা একটা বিরক্তির পথ পার হয়ে করবী গাছ এতো বিচিত্র ঘটনাবলীকে গল্প করে তোলে।

সভ্যতার আয়োজনকে ন্যাংটা করে দেয়। 

' বুড়ো গল্প করছে, ভীষণ শীত করছে ওর, আগাগোড়া চাদর জড়িয়েও লাভ নেই। শীত তবু মানে, শ্লেষ্মা কিছুতেই কথা বলতে দেবে না তাকে। আমি যখন এখানে এলাম, আমি যখন এখানে এলাম, হাঁপাতে হাঁপাতে, কাঁপতে কাঁপতে সে বলছে, বুঝলে যখন এখানে এলাম... তার এখানে আসার কথা কিছুতেই ফুরাচ্ছে না- সারারাত ধরে সে বলছে, এখানে যখন এলাম- আমি প্রথম একটা করবী গাছ লাগাই... তখন হু হু করে কে কেঁদে উঠল, চুড়ির শব্দ এলো, এলোমেলো শাড়ির শব্দ আর ইনামের অনুভবে ফুটে উঠল নিটোল সোনা রঙের দেহ- সুহাস হাসছে হি হি হি - আমি একটা করবী গাছ লাগাই বুঝলে? বলে থামলো বুড়ো, কান্না শুনল, হাসি শুনল, ফুলের জন্যে নয়, বুড়ো বলল, বিচির জন্য, বুঝেছ, করবী ফুলের বিচির জন্যে। চমৎকার বিষ হয় করবী ফুলের বিচিতে।' -হ্যাঁ এই বিষ বেঁচে থাকাকে সহজ করে তুলে। যে কোন সময়েই মরে যাওয়ার নিশ্চয়তা নিয়ে দেশ ভাগের পর তারা এই গ্রামে এসে হাজির হয়েছে। তাদের এই বেঁচে থাকবার জীবনে কান্না অযথা। এতক্ষণ করবী গাছ নিয়ে ব্যস্ত থাকা পাঠক এরপর আত্মজার কান্না শুনে ঠোক্কর খান। মেয়ের কান্নায় বিরক্ত হন লোকটা- কাঁদতিছ? এ্যাহন তুমি কাঁদতিছ? এ্যাহন কাঁদতিছ তুমি?

পোস্টটি ১৯ জন ব্লগার পছন্দ করেছেন

টুটুল's picture


কি মন্তব্য করবো বুঝতেছি না
এক কথায় অনবদ্য

সালাহ উদ্দিন শুভ্র's picture


কি কয়। 

শওকত মাসুম's picture


বহু আগে বইটা পড়েছিলাম। এখন মনে হচ্ছে আবার পড়তে হবে।

সালাহ উদ্দিন শুভ্র's picture


রিভিউ পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

মেঘ's picture


চমৎকার একটা রিভিউ। গতকাল পড়েছি কিন্তু আমিও বুঝছিলাম না কি মন্তব্য করব। Smile
ভালো থাকবেন।

সালাহ উদ্দিন শুভ্র's picture


ধন্যবাদ ভালো থাকবেন।

মুক্ত বয়ান's picture


অনেকদিন পরে একটা দুর্দান্ত রিভিউ পড়লাম ভাইয়া। এককথায় অসাধারণ। কথার টোনটা চমৎকার।
একের পর এক লাইন পড়ে যাচ্ছি, গল্পের ভেতরে ঢুকে যাচ্ছি।
হাসান সাহেব এমনই নিরাবেগ। কিন্তু, তার গল্পের রিভিউটাও যেভাবে দিলেন বইটা পড়ার আগ্রহ শতগুণে বেড়ে গেল।
ধইন্যাপাতা ভাইয়া। Smile

তানবীরা's picture


কতো বই পড়ার বাকি। রিভিউ চমৎকার হয়েছে

শিমুল সালাহ্উদ্দিন's picture


বাহ্...দারুণ লেখা ...ভালো লাগলো।

মন্তব্য করুন

(আপনার প্রদান কৃত তথ্য কখনোই প্রকাশ করা হবেনা অথবা অন্য কোন মাধ্যমে শেয়ার করা হবেনা।)
ইমোটিকন
:):D:bigsmile:;):p:O:|:(:~:((8):steve:J):glasses::party::love:
  • Web page addresses and e-mail addresses turn into links automatically.
  • Allowed HTML tags: <a> <em> <strong> <cite> <code> <ul> <ol> <li> <dl> <dt> <dd> <img> <b> <u> <i> <br /> <p> <blockquote>
  • Lines and paragraphs break automatically.
  • Textual smileys will be replaced with graphical ones.

পোস্ট সাজাতে বাড়তি সুবিধাদি - ফর্মেটিং অপশন।

CAPTCHA
This question is for testing whether you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

বন্ধুর কথা

সালাহ উদ্দিন শুভ্র's picture

নিজের সম্পর্কে

বিষয়টা খুব জটিল।