সালাহ উদ্দিন শুভ্র'এর ব্লগ
আমার প্রথম বই।

গল্প লিখছিলাম মনে মনে। ভাবছিলাম লেখব কি না। মনে মনেই গল্প জমাই না হয়। কিন্তু লেইখা ফেললাম। ব্লগ থাকায় সুবিধা বেশি হল। একই সাথে লেখা আর মতামত জমাইতে থাকলাম। ভাবতে থাকলাম। সমসাময়িক গল্প-উপন্যাস পড়তে থাকলাম। সময়রে বুঝতে থাকলাম। এই করতে করতে আইজ আমার বই প্রকাশের সংবাদ আপনাদের সাথে শেয়ার করতে পারতেছি। বইয়ের ফ্ল্যাপ লিখছেন রুবাইয়াৎ আহমেদ।
---
একদিন খুব হাপুস হুপুস গ্রামের বাড়ি।
একদিন হাপুস হুপুস গ্রামের বাড়ি চলে যাবো। হুট করেই, যেদিন মনে হবে ঠিক সেদিন। মানে যদি অফিস বন্ধ থাকে পরদিন বা সেদিন বা অফিস খোলা থাকলেও যাবো-ই। কোন পিছুটান থাকবে না, কেউ বলবে না যাস নে, দায় থাকবে না, মনে হবে না এই কাজ সেই কাজ। খালি মনে হবে একদিন হাপুস হুপুস গ্রামের বাড়ি চলে যাবো। মনে হওয়া মাত্রই একটা ব্যাগ, না না ব্যাগ নিয়ে কি হবে, ব্রাশ, হা হা নিমের ডাল আছে না। ফলে ব্যাগ ছাড়াই, এক পোশাকে, হাপুস হুপুস গ্রামের বাড়ি। যদি সেদিন বাস পাই, বাস না পেলেও অন্য কোনভাবে যাবো-ই, ট্রাকে চেপে কি ট্রেনের ছাদে, একদিন খুব হাপুস হুপুস করবো। একেবারে লাস্ট ট্রিপের বাসের শেষ টিকিটটা কেটে, পেছনের কোণার জানলায় দুচোখ বেঁধে নিয়ে, আহ- এবার তবে গ্রামে যাবো। সেদিন যদি বৃষ্টিও থাকে, সিএনজি ভাড়া যদি হয় তিনগুণ, বলা যায় না, হয়তো কোন গাড়ি-ই আমি পাবো না, হেঁটে হেঁটে সায়দাবাদ, যার&
কানামাছি ভোঁ ভোঁ
কেমন আছেন সবই-অনেকদিন পর এই ব্লগে আসলম। একট সদ্য লেখা গল্প পোস্টাইলাম। সময় পাইলে পড়বেন। আর সবাই ভালো থাকবেন।
এই বর্ষায় প্রেম করুন সকলে
মাটির কঠিন বাধা হল ক্ষীণ দিকে দিকে হল দীর্ণ
নব অঙ্কুরও জয় পতাকায় ধরাতল সমাকীর্ণ।
ছিন্ন হয়েছে বন্ধন বন্দীর
হে গম্ভীর।
দুধ বিবি
দুধ বিবি এই দালানের দোতলায় কখনো যান নি। নিচ তলায় মানে দালানের বাইরে বাঁ দিকের কোণায় পাঁচিল ঘেঁষা হেঁসেল ঘরেই দুধ বিবি থাকেন। নিচ তলায় বিশাল ফাঁকা ঘর। সাতটা সিঁড়ি ভেঙ্গে সেই ঘরে ঢুকলেই কার্ণিশ থেকে ঝুলে থাকা অন্ধকারের নিচে খরখরে মেঝের ফাঁকে ফাঁকে লাল খোয়া বিছানো চাতালের মতো জায়গাটায় নীরবতারা খাঁ খাঁ আওয়াজ তোলে। সেই নীরবতার তিন দিকে কপাটহীন তিনটা ঘোলা অন্ধকার। আগের কালে হয়তো কামলা পরিচারিকা
সেক্স ইন দা সিটি। (গল্প)
: আমি এইহানে বইসা আছি তাতে কার বালডা ছিরা গেছে শুনি।
: আপনিই বা কোন বালডা ফালাইতে এইহানে আহেন।
: আমি আসি আমার ইচ্ছা-এইহানে আমি আইজ নতুন আহি নাই, যুগ যুগ ধইরাই আইতাছি। কুনুদিন পেটের ফিকির কুনুদিন চেটের ফিকির। তোমাদের এতো গায়ে লাগে ক্যান-হু।
: আপনে বাজে বকতাছেন-আপনে আর এইহানে আইবেন না। এইডা আমাগো পাড়া , আমরাই এই ডিসিশান নিছি।
আত্মজা ও একটি করবী গাছ- তেতো গল্পের স্বাদ।
এই গল্পের শিরোনামটা মাথায় করে বয়ে নিয়ে যেতে হবে শেষ পর্যন্ত। আর সেই বয়ে নিয়ে যাওয়ার পথটা কন্টকময়, ঘটনাময়, বিচিত্র স্বভাবের মানবগল্পের গলী ঘুপচি অন্ধকার পেরিয়ে সেই যাওয়া। শিরোনামের আত্মজা এর অর্থ উদ্ধারে গভীর অন্ধকারে হাতড়ে বেড়ানো কঠিন হবে। কিন্তু করবী গাছের মানে বুঝা যায়। এই গাছের বীজে বিষ হয়। জীবন বিনাশি বিষ। তেতো। হাসান আজিজুল হক এই করবী গাছ নিয়েই গল্প লিখতে গিয়ে কতো
জাকির তালুকদারের মুসলমান দর্শন-মুসলমানমঙ্গল উপন্যাসের পাঠ থেকে।
একটা উপন্যাসের নাম মুসলমানমঙ্গল-লেখক জাকির তালুকদার। আগ্রহী হইলাম নাম শুইনা। জাকির তালুকদারের আলাপ সালাপ কিছু শোনা আছে, লেখাপত্রও পড়ছি কিছু। তাছাড়া মুসলমানমঙ্গল নামটা উপন্যাসের নাম হিসেবে দারুন পছন্দ হইছে। বার কয়েক কেনার চেষ্টা কইরাও পারলাম না। এইবারের বই মেলা থেকে কিনলাম। পড়তে শুরু করলাম, আর প্রচন্ড রকম বিরক্ত হইলাম। প্রথমত গ্রন্থখানাকে উপন্যাস বলিবার কোন সুযোগ আমি
এবার ফিরাও মোরে – চিত্রা – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
সংসারে সবাই যবে সারাক্ষণ শত কর্মে রত ,
তুই শুধু ছিন্নবাধা পলাতক বালকের মতো
মধ্যাহ্নে মাঠের মাঝে একাকী বিষণ্ন তরুচ্ছায়ে
দূরবনগন্ধবহ মন্দগতি ক্লান্ত তপ্তবায়ে
সারাদিন বাজাইলি বাঁশি । ওরে তুই ওঠ্ আজি ;
আগুন লেগেছে কোথা ? কার শঙ্খ উঠিয়াছে বাজি
জাগাতে জগৎ-জনে ? কোথা হতে ধ্বনিছে ক্রন্দনে
শূন্যতল ? কোন্ অন্ধকারামাঝে জর্জর বন্ধনে
অনাথিনী মাগিছে সহায় ? স্ফীতকায় অপমান
নিপীড়ণের বিরুদ্ধে জাহাঙ্গীরনগর।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌননিপীড়ক শিক্ষক আব্দুল্লাহ হেল কাফী এবং ছানোয়ার হোসেন সানীকে যথাযথ শাস্তি প্রদান এবং আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের বহিষ্কার আদেশ বাতিলের দাবিতে জাবি'র প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে মানববন্ধনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।
৩০ এপ্রিল শুক্রবার সকাল ১০.৩০টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হবে।
আমার মনে হয় ডারউইন মানসিক চাপের কারণে অসুস্থ্য হয়ে পড়েন- পল বিটানি।
ডারউইনের অরিজিন অব স্পিসিস বইটার জগতময় আলোড়ন আজো থামেনি। একজন গবেষক হিসাবে না। একজন মানুষ হিসাবে ডারউইনরে যে পরিমাণ মানসিক সংকট আর শারীরিক দূরাবস্থা কাটাইতে হইছে তার ইতিহাস কেউ মনে রাখে না। নিজের বড়ো মেয়েক হারিয়ে, অনেক সংগ্রাম আর প্রতীক্ষার পরো মেয়েটাকে বাঁচাতে না পেরে, ঈশ্বর মানতো না যে ডারউইন সে-ই কি না মেয়ের সুস্থ্য হবার কামনায় চার্চে গিয়া মেয়ের জন্য প্রার্থণা করে। এসকল ঘটনা আসলে মানবিক
চোত মাস। গল্প
চোত মাস-
আহমাদ মোস্তফা কামালের আধপেটা উপন্যাস।
অন্ধ জাদুকর উপন্যাসটা আগে একবার পড়ছিলাম। পুরষ্কার পাওয়ার খবর শুইনা আবারো পড়লাম। উপন্যাসের শুরুর দিকটা পড়তে পড়তে মাহমুদুল হকের কালো বরফের কথা মনে হইতেছিল। অন্ধ জাদুকরেও মাহমুদুল হক আছেন বেশ ভালো ভাবেই। আছেন ইলিয়াস, ভিটগেনস্টাইন, ছফাসহ অন্যান্যরা । কিন্তু মাহমুদুল হক আছেন বড়ো একটা অংশ জুইড়া। তার মৃত্যুর পরে লেখকের অনুভূতির অংশ বর্ণনাটা দারুণ। এই অংশটুকু কাব্যময়তায় আর চিত্রনে অসামান্য আবেগের ফুল হয়ে
ফারুকি একজন রকমারি পণ্য বিক্রেতা।
মোস্তফা সরওয়ার ফারুকি (নাম ভূল হইছে কি না জানি না) বিষয়ক সবচেয়ে বড়ো যে সমালোচনা সবাই ভূইলা যায় বইলা আমার মনে হয় তা হইলো আদতে তিনি একজন বিক্রেতা। রকমারি পণ্য বিক্রেতা। মূলত বিজ্ঞাপনচিত্র নির্মাণের মেধা নিয়া তিনি নাটক এবং লম্বা নাটকের নামে সিনেমা বানাইতেছেন। তার হাত ধইরা বাংলা নতুন ধারার সাহিত্য কোনদিন বাইর হয়া আসে সেই আতংকে আছি। তার নাটকে হোক আর সিনেমায় হোক