শহিদুল আলমের ক্রসফায়ার।
শহিদুল আলম ক্রসফায়ার নিয়া যে প্রদর্শনী করতে চাইছিলেন তা কাদের জন্য। এই প্রশ্নটা মাথার মধ্যে ঘুরতেছে। একটা শিল্প প্রদর্শনীর নাম ক্রসফায়ার। আমাদের দেশের বাংলা সিনেমার এমন নাম হইতে পারে, কিন্তু আলোকচিত্র প্রদর্শনীর এমন নামে খানিক অবাক হইলাম। নামের এই চটকদার ভাবটা হাস্যকর। শহিদুল আলম নিজেই বলেছেন- 'তথ্য-প্রমাণ হাজির করা এই প্রদর্শনীর উদ্দেশ্য নয়। আমি বরং মানুষের আবেগকে
স্পর্শ করতে চাই। হিমশীতল সড়ক ধরে হাঁটতে চাই। শুনতে চাই সেই আর্তনাদ; চোখ চেয়ে দেখতে চাই সেই বোবা আতঙ্ক। নিথর হয়ে পড়ে থাকা শীতল একটি লাশের স্বজনদের পাশে নিরবে বসে থাকতে চাই। এই প্রদর্শনীর প্রতিটি ছবির অন্তরালে রয়েছে গবেষণা। আছে প্রকৃত ঘটনার প্রতিফলন। যা করা হচ্ছে তথ্য প্রমাণ যাচাই সাপেক্ষে। খণ্ডচিত্রে সমগ্রচিত্র ধরা পড়ে। শ্বাসরুদ্ধ সত্যের উপমাচিত্র। তাইলে এই প্রদর্শনীর নাম ক্রসফায়ার ক্যান। অন্য কোন নাম দিলে কি হইত। এই প্রদর্শনীর আমন্ত্রিত অতিথিরা বাইরের দেশের। দেশের আভ্যন্তরীন সংকটে বাইরের দেশের বুদ্ধিজীবিদের ডাইকা আনার কাজ দেখি সবাই করে। আমাদের দেশে নিরপেক্ষ আর র্যাব বিরোধী মানুষের কী অভাব আছে। নিউ ইয়র্ক টাইমস এই নিয়া বেশ চিন্তিত।
এর আগে তিব্বতিদের নিয়া করা প্রদর্শনীতে তিব্বতীদের কোন ছবি ছিল না বইলা জানা যায়। এবারও প্রদর্শনীতে কি কি ছিল তার কিছু এখানে পাবেন।
এখানে ক্রসফায়ার বা এই সংক্রান্ত বিষয় কতটা আছে। শহিদুল সাহেব যা বলেছেন তার সাথে ছবিগুলারে মিলাইতে পারলাম না। ক্রসফায়ার একটা রাজনীতি, রাষ্ট্র থাকলে তার নিজস্ব বাহিনী থাকবে। এখানে আলাপটা সরকার এবং তার জনগন অথবা জনগনের কোন সংস্থার । শহিদুল আলম সেই সংস্থা হইতেও পারেন কিন্তু সেখানে বিদেশীদের ডাইকা আনার মানে কি। তাছাড়া শহিদুল আলম যারে ছবি ভাবেন তা এই দেশের মানুষের বাস্তব জীবনের ঘটনা। ক্রস ফায়ার নিয়া আমাদের মানুষেদের প্রদর্শনীর প্রয়োজন নাই, তারা ক্রস ফায়ারের শিকার। বাকি আলাপ পরে হবে।





লিংক আসে না কেন-
http://opinion.bdnews24.com/bangla/2010/03/16/%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%B8%E0%A6%AB%E0%A6%BE%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%...
http://lens.blogs.nytimes.com/2010/03/16/showcase-137/?scp=1&sq=drik&st=cse
http://lens.blogs.nytimes.com/2010/03/23/behind-39/
তাতে তো আর পুলিশি আগ্রাসন টা জায়েজ হয় না শুভ্র ভাই । বাক স্বাধীনতার জায়গা ভিন্ন , যা বলছি তা কতটা গভীর সে বিচার আলাদা ।
ছবি গুলা দেখলাম ।
হুমম নাম টা চটকদার মনে হচ্ছে । অবশ্য তার রাইট আছে যে কোনো নাম দেওয়ার
নাহ পুলিশ কাজটা ঠিক করে নাই। পুলিশ যদি এখন দেশের নাটক সিনেমা প্রদর্শনী বন্ধে হাত দেয় তাইলে ভবিষ্যতে তা আরো খারাপ কিছু হবে। কিন্তু তারা যে অভিযোগ তুলছে অনুমতি নেয়ার। আসলেই কি অনুমতি নিছিলো।
আর পুলিশের বা সরকারের পক্ষে বিষয়টা এমন না। বিষটা হিওতাছে শহিদুল আলম কি করতে চান।
শহিদুল আলম কি করতে চান , উনি যে বিদেশি আনছেন সে যে বিড়িখোড় বুড়ি সেকথা এইখানে অন্য এক পোস্ট থেকে শুনলাম কিছু আগেই । যেটা বুঝি নাই শহিদুল আলমের আকাজ গুলার কথা এই ঘটনার পরেই কেন বলা হচ্ছে । সরকাররে ঢাকার কি আর কোন রাস্তা নাই
আমাদের বিভাগে প্রায়ই সেমিনারে অন্য দেশের প্রফেসর ডেকে এনে বাংলাদেশের ট্রেড হেন তেন পলিসি নিয়া আলোচনা চলে - বলাই বাহুল্য তাতে দেশের নাম ঊপ্রে উঠে না - এখন ভয় পাইতেছি কবে এদের পুলিশ ধরে আর সবাই সেইটা রাষ্ট্রযন্ত্রের বিরুদ্ধে বলে পক্ষেও থাকে ।
পোস্ট পছন্দ হয় নাই শুভ্র ভাই । আপনি হয় একাংশ বলছেন আপনার কথার অথবা একতরফা চোখে দেখছেন । জানি না ।
এইডা আমাগো স্বভাব। শহিদুল সাহেবরে নিয়া আমরা আগে পরে কিছু বলি নাই। এখন বলতেছি। বলার কারণ একটা ঘটনা ঘটছে। এইটা সেই ঘটনার বিশ্লষণ। এবং ঘটনার নায়ক অবশ্যই শহিদুল সাহেব। ফলে তারে নিয়া এখনকার এই আলাপে দোষ নাই।
বিদেশী লোক মানেই আমি মহাশ্বেতা দেবীরে বুঝাই নাই। ওনারে প্রতিবেশী বলা যায়। তাছাড়া তাঁর লেখনির বিষয়ে আমার শ্রদ্ধা আছে। তাঁর সম্পর্Aকে আমার কোন অভিযোগ নাই। কিন্তু এখানে প্রশ্নটা রাজনৈতিক বইলাই বাইরের মানবতাবাদীদের উপস্থিতি চোখে পড়ে। সেমিনারের আলাপ এইখানে না। এখানে একটা অনুষ্ঠান বাতিল হইছে, বাতিল করছে রাষ্ট্র। ক্রসফায়ার নিয়া অনেক আলাপ-সংবাদ-বিশ্লষণ আমরা পাইছি। কাউরে শুনি নাই এসব আলাপে বিব্রত হইতে। শহিদুল সাহেব এমস কি ছবি তুলছেন যে তা বাতিল করতে হবে। প্রশ্নটা এইখানে।
ফটোগ্রাফি এখন অনেক বড় রাজনীতি করে। এইটা বুঝতে হবে।
মন্তব্যে ঝাঝাজাজাজাজাজাজা
ক্রসফায়ার নিয়া রাজনীতি না হোক। মনে প্রাণে কামনা করি ক্রসফায়ার বন্ধ হোক।
এইটাই গুরুত্বপুর্ণ ক্রসফায়ার বন্ধ হোক এবং বিষয়টা রাজনীতির, দেশের আভ্যন্তরীন। এর সমাধান ও রাজনৈতিক।
"এইটাই গুরুত্বপুর্ণ ক্রসফায়ার বন্ধ হোক এবং বিষয়টা রাজনীতির, দেশের আভ্যন্তরীন। এর সমাধান ও রাজনৈতিক।"
সহমত ১০০%
একমত।
মানুষ কিছু জিনিষ অনেক সময় ভুলভাবে নেয়। যেমন শহিদুল আলমের বিপক্ষ বুঝাইলে বুইঝা নিব আমি সরকার দলীয় কেউ।
শহিদুল আলমরে ভুল কওয়া মানেই যে ক্রসফায়ারকে ঠিক কওয়া না, এইডা অনেকেই বুঝতে চায় না।
শাশুড়ি বউ ঝগড়ার মধ্যে বাইরের লোক মাথা ঘামাইলে ক্ষতিটা শাশুড়ি বউ দুইজনেরই হয়, মাঝখানে বাইরের লোক মাতব্বরের পাট লয়।
দালালরা হইলো ঘরের শত্রু বিভীষন। আমরা বিভীষন চাই না।
হ গোটা দুনিয়া ভালো খালি আমাদের দেশ খারাপ। বিচার চাইতে হইলে বাইরের কাউরে ডাইকা আনতে হয়।
ভাবমূর্তি নষ্ট হয়ে যাওয়ার ভয়ে তাইলে রাষ্ট্র-সন্ত্রাসের প্রতিবাদ করা যাবে না!!
যাবে, প্রতিবাদ যথাযথ হইতে হবে। কারো কিছু একটা খেয়াল হইলেই সেটারে প্রতিবাদ বইলে মাইনা নেয়া ঠিক না।
এই প্রদর্শনীর সাথে আমাদের যোগাযোগটা কোথায়?
তাইলে একটা "প্রতিবাদ নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর" খোলা যায়, যারা নিয়ন্ত্রণ করবে প্রতিবাদের ধরণ ধারণ। কে কে প্রতিবাদ করতে পারবে, কে কে পারবে না। কীভাবে প্রতিবাদ করা যাবে আর কীভাবে করা যাবে না, সেসব নিয়ন্ত্রণ করবে এই অধিদপ্তর।
মনে প্রাণে কামনা করি ক্রসফায়ার বন্ধ হোক।
কোনডা? প্রদশর্নী "ক্রসফায়ার" নাকি আসলি "ক্রসফায়ার"??
ক্রসফায়ার বন্ধ হোক। কিন্তু এই মানবিক চাওয়াকে অন্য কোন উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা না হোক।
ঠিক।
কিন্তু এর যথাযথ উপায় আছে। এবং এটা আমাদের আভ্যন্তরীন বিষয় এবং সমাধানের পথটা রাজনৈতিক।
ক্রসফায়ার নামক রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসের বিরাধীতা করি
রাষ্ট্র মানেই তার নিজস্ব পেটোয়া বাহীনি থাকবে। ফলে এর সমাধান রাজনৈতিক।
সিরিয়াল কিলার ক্রসফায়ার নিপাত যাক
মানবধিকার -আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা পাক ।
মানিক ভাই সিরিয়াল কিলার বলতে কি বুঝালেন? সিরিয়াল কিলার বইলা এই সন্ত্রাসরে ইনোসেন্ট বানানোর কোন কায়দা নাই। সিরিয়াল কিলাররা ঝোকের বসে, অনেকটা অসুস্থ্য মানসিকতার শিকার হয়ে খুন করে। আজ বাংলাদেশের যে রাষ্ট্রসন্ত্রাস সেটি ভয়ংকর ঠান্ডা মাথার সন্ত্রাস। আমার হাতে ক্ষমতা আর বন্দুক আছে তাই আমি রংবাজ এমনই ঘটণা। এইটা অবিলম্বে বন্ধ হোক। আজ এক্ষুণি বন্ধ হোক।
সিরিয়াল কিলার =র্যাব এবং হালের পুলিশ
দুঃখিত সিরিয়াল কিলার বইলা আমি এই সন্ত্রাসরে ইনোসেন্ট বানানোর কোন কায়দা করি নাই বা চাই নাই । সিরিয়াল কিলার রসু খা'র নিন্দায় আমরা ব্যস্ত থাকি অথচ রাষ্ট্রীয় সংস্থা নামক সিরিয়াল কিলারের নিন্দায় সুশীলতায় আশ্রয় নেই । আমি চাই অবিলম্বে রাষ্ট্রসন্ত্রাস বন্ধ হোক। আজ এক্ষুণি বন্ধ হোক।
আমি মৃত্যুদন্ডের পক্ষে। ক্রসফায়ার অথবা বিচারক যার মাধ্যমেই হোক না কেন এইসব সমাজবিরোধী নরকের কীটগুলারে দুনিয়া থেকে সরাতে পারলেই হল।
কে সমাজ বিরোধী আর কে তারে সরাবে। সরানোর উপায় কী? ক্রসফায়ার যদি সমাধান হয় তাইলে বিচার-আইন এসবের মূল্য কি?
সরানোর উপায় মেরে ফেলা, যে কোন উপায়ে।
বলতেছেন বিচার-আইন এইসবের মূল্য কি? আমাদের মাঝে কয় জনের বুকের পাটা আছে গলাকাটা কাফরুলের খুনের সাক্ষী হবার? এক হাজার জনের মধ্যে একজনরে পাবেন কি না সন্দেহ। সব্বাই লেজ গুটাইয়া ঘরের মধ্যে বিছানায় শুইয়া নাক সিটকাইবে, "ইস! তাজা তাজা প্রাণ বিনা বিচারে মারা গল!" একজনও বিচারকার্যে সহায়তা করবে না। আর সত্যি বলতে কি, এইসব হারামজাদাদের যদি সুষ্ঠু বিচার হয় তাহলে এমনিতও ফাঁসি হবে।
বলতে পারেন এইসব হারামজাদারাও কারো সন্তান কারো ভাই, ওয়েল .... তারা আমার ভাই না। বরং আমার আপন ভাইয়ের প্রাণ, আমার-আপনার সবার প্রাণ এদের হাতে জিম্মি। এদের কারণে আমরা রাতে শান্তির ঘুম ঘুমাইতে পারি না।
আমি ক্রসফায়ার চলুক, আমাদের সাথে সাথে হারামজাদাগুলারও রাতের ঘুম হারাম হোক। অথবা চলেন আমরা সবাই সত্যিকার অর্থে সচেতন হই।
মানুষ... আপনার নিকটা 'অমানুষ' হইলে বেশি মানাইতো
কমেন্টটা পছন্দ হইলো না।
দুক্ষিত। কমেন্টটা আমারও পছন্দ হচ্ছে না। করতেও ভালো লাগেনি।
দুক্ষ প্রকাশ করছি। স্যরি 'মানুষ'...
কোনো মানুষ যে নির্বিচার এবং বিচার বহির্ভূত হত্যাকে সমর্থন দিতে পারে, তা জানলাম
আর নিরপরাধ যাদেরকে হত্যা করা হোল ক্রসফায়ার এর নাম এ??যদি তা হয় একটি মায়ের সন্তান?আর পুলিশ যত দোষ ই করুক বিচার হোল ক্লোজড করা।
তবে আর আইন,বিচার এসব কি?
আপনি বলতেছেন আক্ষেপের কথা। এখানে রাষ্ট্র জড়িত। ব্যক্তির প্রতিক্রিয়া আর রাষ্ট্রের আয়োজন গুলায়া ফেললে হবে না। এমনি এমনি সন্ত্রাসী গজায় না। সন্ত্রাসীদের পিছনে কাদের হাত। তাদের মারে কোন র্যাব। ক্রসফায়ার পরিষ্কার ভাবেই অসুস্থ্য সমাজের প্রতিফলন। এর মানসিকতাটাই খারাপ।
ক্রসফায়ারের ঘটনাগুলো কি বিশ্বাস করেন?
নাহ বিশ্বাস করি না। তবে ক্রসফায়ারে এখন পর্যন্ত কোন ধোয়া তুলসী পাতার নিহত হবার খবর শুনি নাই।
হুম। এখানেই বিষয় কে ধোয়া আর কে আধোয়া তার বিচার আমাদের হাতে নাই। আগে সেই বিচার। তারপর রায়।
ঐখানেইতো কবি নীরব। বিচার কিন্তু শুধু পুলিশ আর হাইকোর্ট করতে পারে না, ঐখানে পাবলিকেরও প্রত্যক্ষ সহায়তা লাগে, আমার পয়েন্টটা এইখানেই। একতরফা রাষ্ট্রব্যবস্থার সমালোচনা করে নাকে তৈল দিয়া ঘুমাইয়া লাভ নাই।
পাব্লিকের হাতেতো ক্ষমতা নাই। তাছাড়া মাইরা ফেলা কোনো সমাধান না। একটা লোক কেনো সন্ত্রাসী হইলো তার বিচার না কইরা মাইরা ফেললে আখেরে লাভ হয় অন্য কারো।
শুভ্র
রাজনৈতিক সংগ্রাম আসলে প্রয়োজনীয় জিনিস তা মানি, কিন্তু নিজে সংগ্রামে না থাইকা ব্যক্তির সমালোচনা করা যে রিস্কি ভেঞ্চার হয় সেইটা তোমার আলাপের ধরণেও প্রতিভাত হইলো। তুমি শহীদুল আলমের সমালোচনা করতে গিয়া রাষ্ট্রের ভূমিকারে জায়েজ করনের চেষ্টাও কইরা ফেলতে বাধ্য হইছো দেখলাম কয়েক জায়গায়।
আমি নিজেও রাজনৈতিক সংগ্রামে নাই, কিন্তু এই থিন লাইনটা নিয়া শংকিত থাকার চেষ্টা করি। শহীদুল আলমের প্রদর্শনী আমার কাছেও অথর্হীন লাগছে, হয়তো এইখানে তার অংশগ্রহণের সাথে কোন কন্সপিরেসীর যোগ থাকনেরও সম্ভাবনা থাকতে পারে...তাই বইলা পুলিশের হস্তক্ষেপে একটা প্রদর্শনী বন্ধ হওয়া রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসেরই নামান্তর...
আমি সবধরণের রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসের বিরোধীতা করি...
ভাস্কর দা,
আমার অবস্থান নিরপেক্ষ কিছু আমি লিখি নাই। এখানে রাষ্ট্র এবং তার বাহিনীর আলাপ ভিন্ন। আমি সেই আলাপে যাই নাই। আমি লেখনের শুরুতেই ভাবতেছিলাম যে পুলিশ কাজটা ঠিক করে নাই এটা উল্লেখ করি। কিন্তু পরে মনে হইলো এই আলাপ বাদ দেই। পুলিশ আমাদের দেশে ঠিক কাজ খুব কম করে। এখানেও সে তার মতোই কাজ করছে। ফলে আমি বিষয়টা লিখি নাই।
রাষ্ট্রের পক্ষ নেয়ার বিষয়টা জটিল। শহিদুল আলম রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে কতোটা সক্রিয়। এবং তার মাধ্যম কি? আপনি যে বললেন সংগ্রাম এর কথা, শহিদুল আলমের কাজকে আপনি সংগ্রাম বলতেছেন কিনা আমি বুঝতে পারলাম না।
সংগ্রামে থাকার বিষয়টা নিয়া আমিও ভাবনায় আছি। কিন্তু কথা হইলো এখানে আমি ব্যক্তি শহিদুল আলমের সমালোচনা মনে হয় করি নাই। করছি তার একটা প্রোগ্রাম নিয়া। আমি যদি তার সংবাদের পাঠক হইতে পারি তাইলে সমালোচনাও করতে পারি। এটা আসলে একটা পতিক্রিয়া।
আমাদের দেশে পুলিশ কি কোন কাজ করে? রাষ্ট্র তারে যা নির্দেশনা দ্যায় সে কেবল তা পালন করে। পুলিশ তার ব্যক্তিগত সম্পত্তি অর্জন ছাড়া নিজের সিদ্ধান্ত নিয়া কোনকিছু বন্ধ বা খুলতে পারে না। এইটারে পুলিশের কাজ কইলে রাষ্ট্রের ভূমিকারে ছোট করা হয়...
শহীদুল আলমের কাজরে সংগ্রাম কওনের মতোন নির্বুদ্ধিতা আমার নাই বইলাই ধারণা করি...তার প্রোগ্রাম এখন পর্যন্ত কি আমার জানা নাই...তয় কন্সপিরেসী'র সম্ভাবনা আমি নাকচ করি নাই। আমার একটাই অবজার্ভেশন ছিলো সেইটা বলছি, আমার মনে হইছে তুমি শহীদুল আলমের সমালোচনা করতে গিয়া রাষ্ট্ররে কিছু জায়গায় ছাড় দিছো একটা কমেন্টে জায়েজ কইরা দিছো...
শহীদুল আলমের সমালোচনা করা না করা নিয়া আমার কোন নেতিবাচক বক্তব্য নাই...
আমি আসলে কেবল শহিদুল আলামরে নিয়া আলাপ করতে চাইছি। এখানে রাষ্ট্র প্রসঙ্গে পরিষ্কার কিছু বলি নাই। এটা ঠিক ধরছেন।
আলাপের জন্য ধন্যবাদ ভাস্কর দা
আপনার যেমন নামের চটকদার ভাব হাস্যকর লাগসে আমার আবার নাম নিয়া আপনার কিঞ্চিৎ মোড়লিপনার চেষ্টাটা হাস্যকর লাগলো; তার প্রদর্শনী সে ক্রসফায়ার রাখবো না মৃত্যুউপত্যকা রাখবো এইটা তার ব্যাপার।আপনার কথায় মনে হইতেসে ক্রসফায়ার নাম দেয়াটাই আসল সমস্যা।
সে কাদের ডাকসে কেন ডাকসে আমি জানিনা আপনি হয়তো জানেন কিন্তু খলসা কইরা কিছুই লিখেন নাই; চিত্র প্রদর্শনীতে বিদেশী অতিথী থাকার অজুহাতে সেইটা বন্ধ কইরা দেয়ার কি কোন আইন আছে; আর বাস্তবতা হইলো আমাদের দেশের রাজনৈতিক দলগুলা বিদেশী আনুগত্য মাইনা চলে সেইখানে সে যদি কিছু মানবাধিকার কর্মী রে ডাইকা থাকে সেটা আমার কাছে ততটা দোষের মনে হয় না যতটা দোষের মনে হয় তার প্রদর্শনী বন্ধ করে দেয়া।
"তাছাড়া শহিদুল আলম যারে ছবি ভাবেন তা এই দেশের মানুষের বাস্তব জীবনের ঘটনা।
ক্রস ফায়ার নিয়া আমাদের মানুষেদের প্রদর্শনীর প্রয়োজন নাই, তারা ক্রস
ফায়ারের শিকার।" -- এইখানে কি বললেন কিছুই বুঝলাম না, ক্রসফায়ার নিয়া প্রদর্শনীর প্রয়োজন নাই কেন ? প্রদর্শনী কি খালি ফুল-পাখি লতাপাতা নিয়া হইবো? জয়নূল আবেদিন যে দূর্ভীক্ষের ছবি আকছিলো সেই দূর্ভীক্ষের শিকারও তো মানুষ ই ছিলো।
যাই হোক , আমার শহিদুল আলম বা তার উদ্দেশ্য বিধেয় সম্পর্কে কোন ধারনা নাই কিন্তু এই ঘটনায় সব ছাপায়া রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসটাই হয়ে ধরা পড়ছে।
ভালো থাকুন
আমি বিরোধটা এখানেই রাখতে চাইলাম। রাষ্ট্র কি করে না করে তার নানা মুখি আলাপ।একখানে রাষ্ট্র সন্ত্রাস করছে কি না এই আলাপের প্রয়োজন দেখি না। রাষ্ট্র মাত্রেই এধরনের কিছু করে। এটা তার নীতি। ফলে আলাপটা আসলে শহিদুল আলামরে নিয়া।
তার প্রদর্শনীর নাম কি হবে এটা তিনি ঠিক করবেন বটেই। কিন্তু সব দেইখা আমার কাছে তার সেই প্রদর্শনী কেমন লাগলো এটাও আমি জানাইতে পারি। আমি ভাবতেছিলাম একটা শিল্প প্রদর্শনীর নাম ক্রসফায়ার দেয়ার কোনো কারণতো আছেই। এমনি এমনি তা দেয়া হয় নাই। এটারে আমি চটকদার বইলা উল্লেখ করলাম। আপনি ছবিগুলা দেখছেন কি না জানি না। আমিও সবগুলা দেখি নাই। যেগুলা দেখছি তাতে ক্রসফায়ার খুইজা পাইলাম না। সহযেই এই প্রদর্শনীর নাম অন্য কিছু দেয়া যাইতো।
বিদেশীদের কারণে প্রদর্শনী বন্ধ হয় নাই। পুলিশ বলছে তারা যথাযথ অনুমতি নেয় নাই। পুলিশ কাজটা থিক করে নাই। যারা তাদের দিয়া কাজটা করাইছেন তারাও ঠিক করেন নাই। এর পরিণতি খুব একটা ভালো না।
বিদেশীদের প্রসংগ আনলাম এই জন্যে যে এটা আমাদের দেশের আভ্যন্তরিন বিষয়। এখানে তারা থাকলে বিষয়টা অন্য রকম হয়। না থাকলে আরেক রকম হয়। রাজনীতির বাইরে এই প্রদর্শনী অবস্থান করে না। এইটা সোজা আলাপ। ক্রস ফায়ারের সমাধানটাও তাই রাজনৈতিক।
আরেকটা আলাপ যেইটা তা হইলো। ধরেন দুর্ভিক্ষ আর ক্রসফায়ার এক না। দুইটার আবেদন ভিন্ন। সংগ্রাম ভিন্ন। দুইটার ফলাফলও ভিন্ন। কিন্তু ক্রসফায়ার নিয়া প্রদর্শনী করা যায়। শুধুমাত্র প্রদর্শনীর জন্য প্রদর্শনী কে করে। আজকাল রাজনীতির বাইরে কিছু নাই। আলাপটা এইখানে।
রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসের বাইরের সন্ত্রাসরে দিকেও আঙুল তোলা দরকার।

তফাত্টা এখানেই, রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসের বাইরের সন্ত্রাস নিয়ন্ত্রণের জন্যই র্যাব পুলিশ। কিন্তু বেড়া নিজেই এখানে ঘাস খাচ্ছে। অতএব, আগে বেড়ার মুখেই ঠুলি পরাতে হবে।
ভৌগলিক সীমানায় যেই সন্ত্রাস হয় তাতে রাষ্ট্র কোন না কোন ভাবে ইনভল্ভ্ড থাকেই...কখনো প্রত্যক্ষ, কখনো পরোক্ষ ভাবে। এই দেশে জঙ্গীবাদও দাঁড়াইছে রাষ্ট্রীয় অনুপ্রেরণাতেই। আজকালতো শুনি শ্রেণী শত্রু ক্ষতমের রাজনীতিও নিয়ন্ত্রিত হয় রাষ্ট্রের সুবিধাভোগী লুম্পেন অংশের দ্বারাই।
আর যেই রাস্ট্রের অগোচরে সন্ত্রাস দানা বাঁধে, সেইটা ব্যর্থ রাষ্ট্র। এই ব্যর্থতার দায়ও রাষ্ট্ররেই নিতে হইবো বইলা মনে করি। র্যাব পুলিশের ঘাড়ে চাপাইয়া রাষ্ট্রের ব্যর্থতা কমান যায় না...বরং বাড়ে...
একমত।
ইন্টারেস্টিং! প্রদর্শনীতে ক্রসফায়ার সংক্রান্ত বিষয়বস্তুর উপস্থিতি নিয়ে আপনি সংশয় প্রকাশ করেছেন, এতে আপনি উনাদের প্রতিবাদের ধরনে খুঁত খুঁজে পেলেন, ভালো।
তবে বিনীতভাবে যে প্রশ্নটা করতে হচ্ছে, তা হলো, আপনার কি একবারও মনে হয়নি রাষ্ট্রযন্ত্রের নিপীড়নের ভয়ে আগে থেকেই হয়তো আয়োজকরা এর চেয়ে বেশী "সরাসরি" সম্পর্কযুক্ত আলোকচিত্র প্রদর্শনের সাহস পায়নি?
আমার তো ছবিগুলোকে দেখে বরং সেটাই মনে হয়েছে যে, খুব পরোক্ষভাবে তাঁরা রবের অপকর্মের একটা চিত্র ফোটানোর চেষ্টা করছেন ... ছবিগুলো দেখে কেমন শূণ্যতাবোধ হয় ... এটা তো আলোকচিত্রের প্রদর্শনী, এখানে আমি রয়াবের লোকেরা গুলি করে মানুষ মারছে এমন কোন ছবি আশা করিনা ... চিত্রপ্রদর্শনী হলে কথা ছিলো
তবে এর চেয়েও বড় যে কথা,
র্যাবের অন্যায় মানুষহত্যা চলছে, যেটা প্রচন্ডভাবে অগণতান্ত্রিক
সেটা নিয়ে আলোকচিত্র প্রদর্শনীর উপর পুলিশি হস্তক্ষেপের মতো আরেকটি অগণতান্ত্রিক ঘটনা ঘটেছে
এহেন পরিস্থিতিতে অত্যাচারীকে নিয়ে কিছু না বলে বরং এই ঘটনার অত্যাচারিত/শোষিত পক্ষ দ্ৃকের সমালোচনার এই পোস্টটি দূর্ভাগ্যবশতঃ কেমন যেন অত্যাচারী রাষ্ট্রের পক্ষে কথা বলা শুরু করেছে (সেটা আপনার উদ্দেশ্য হোক বা না হোক)
আরেকটা ব্যাপার প্রসঙ্গক্রমে, বিদেশীদের কাছে রাষ্ট্রের ভাবমূর্তি বিষয়ক বিতর্ক আমাদের মধ্যে চিরন্তন, এবং প্রক্ৃতগতভাবে সেটা আধার বভা ইস্যুভিত্তিক ... অর্থাৎ ভিন্ন আমলে বা ভিন্ন ইস্যুতে ভিন্ন ভিন্ন লোকেরা রাষ্ট্রের ভাবমূর্তি নিয়ে চিন্তিত হয়ে পড়ে ... এই ব্যাপারটাও শেষ হিসেবে ইন্টারেস্টিংই বটে!
তবে বিনীতভাবে যে প্রশ্নটা করতে হচ্ছে, তা হলো, আপনার কি একবারও মনে হয়নি রাষ্ট্রযন্ত্রের নিপীড়নের ভয়ে আগে থেকেই হয়তো আয়োজকরা এর চেয়ে বেশী "সরাসরি" সম্পর্কযুক্ত আলোকচিত্র প্রদর্শনের সাহস পায়নি?
আপনার এই প্রশ্নটা আমাকে আরো একটা বিষয়ে সচেতন করে তোলে। যদি তাদের সাথে আলাপ করেই এবং কিছু ছবি বাদ দিয়েই প্রদর্Aশনীর আয়োজন করা হয় তাইলেতো বন্ধ করবার দরকার ছিল না। ক্রস ফাযার বিচ্ছিন্ন কোন ঘটনা নয়। রাষ্ট্র মাত্রেই তার নিজস্ব বাহিনী থাকবে এবং এই সকল বাহিনী রাষ্ট্র তথা নির্Aদিষ্ট অংশের মানুষের স্বার্Aথ রক্ষা করবে। রাষ্ট্র তার অভ্যন্তরে প্রতিনিয়ত যে খুন ধর্Aষণ সন্ত্রাসের পাহারাদার হয়ে উঠেছে সেখানে এটাকে ব্যার্Aথ রাষ্ট্রই বলা যায়। পুলিশ থেকে শুরু করে রাষ্ট্রের বিভিন্ন বাহীনি এসকল কাজে যুক্ত। ফলে ক্রসফায়ার বিচ্ছিন্ন কোন ঘটনা নয়। এবং প্রতিনিয়ত বিভিন্ন মাধ্যমে যেভাবে ক্রসায়ারের বিরোধীতা চলছে সেখানে এই নিরিহ দর্Aশন প্রদর্Aশনী বন্ধ করার কারণ বোধগম্য নয়। সেজন্যেই ছবিগুলো দেখতে বললাম। র্যাবের খুনের ছবি, প্রতিদিন পত্রিকায় আসে তার চাইতে গুরুতর কিছু ছিল না ওই ছবিগুলো।
এহেন পরিস্থিতিতে অত্যাচারীকে নিয়ে কিছু না বলে বরং এই
ঘটনার অত্যাচারিত/শোষিত পক্ষ দ্ৃকের সমালোচনার এই পোস্টটি দূর্ভাগ্যবশতঃ
কেমন যেন অত্যাচারী রাষ্ট্রের পক্ষে কথা বলা শুরু করেছে (সেটা আপনার
উদ্দেশ্য হোক বা না হোক)
এখানে যা বললেন তা একটু পরিষ্কার করি। আপনি বলছেন আকাঙ্ক্ষার কথা। মানুষের এই সরল আকাঙ্ক্ষাকে পুজি করার বিষয়টাই আমি এখানে উত্থাপন করেছি।
তাছাড়া ফটোগ্রাফি এখন রাজনীতির গুরুত্বপূর্Aণ মাধ্যম। একে নিরীহ এবং কেবলই ফটো হিসেবে দেখার দুনিয়া এখন আর নাই।
কলহ করার কোন উপায় না পেয়ে রেজি করতে হল
বাছা তুমি কি বলিতে কি বলিতেছ? শহিদুল আলমের স্ট্যান্ড বিষয়ে তোমার বক্তব্য অভিজ্ঞ লোকমাত্রেই জানে কিন্তু এই পোস্টের একজন নতুন পাঠক কি ভাববে
মাঝখান থেকে বিদেশিদের নাম নিয়ে আরেকখানা প্যাঁচ বাধালে
গোপালের গল্প মনে পড়িল অগত্যা
(হতাশ হবার ইমো কৈ....)
আপনার এটা ফটু দিলেই তো ইমো হয়ে যায়
ভস্ম করিবার ইমো কৈ..........
কবি আন্টিরে শুভেচছা-স্বাগতম। ইমেইলের উততর না দিলেও পোস্টে কমেন্ট দিয়েন।
হ
জনাব সালাহুদ্দিন শুভ্র,
আপনার আপন কেও কি ক্রসফায়ার এ মারা গেছে?
যদি যেত তবে আপনি বুঝতেন " ক্রসফায়ার" নাম দেয়া,প্রদরশনির উদ্দেশ্য ,বিদেশীদের ডাকার কারন কি!
এই দুনিয়ায় কে যে আপন আর কে যে পর। যারে আপন ভাবি সেই দেখি পর আবার যারে পর ভাবতাম কিম্বা যারে নিয়া ভাবতামই না সে আইসা আপন হয়া যায়।
আপন পর বুঝি না। ক্রসফায়ার বন্ধ হোক।
মানুদা যেই কথাটা বললেন, ক্রসফায়ারে কোন ধোয়া তুলসীপাতা মরে নাই...কথাটা পুরোপুরি সত্য না। মরছে, কম মরে নাই; শুধু টাকার জন্য মরছে, টাকা দিয়ে ক্রস্ফায়ারের হাত থেকে বেঁচে গেছে এমন উদাহরণ অনেক। এমনকি এখন নাকি খোদ র্যাবের এক সদস্যকে ৮ মাস ধরে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না আর এ প্রসঙ্গে অফিসিয়ালদের বক্তব্য এলোমেলো ঠেকতাছে, র্যাবের ঐ সদস্য নাকি মানসিক ভারসাম্যহীন(এই পরিমাণ অন্যায় হত্যা করতে হলে আমিও তাই হইতাম), যেখানে সে পুলিশ বাহিনীর একজন সদস্য ছিল। পুলিশে মানসিক ভারসাম্যহীনদের কবে নিয়োগ দেয়া শুরু হইছে?
যাই হোক, পাড়ায় চাঁদাবাজি আর ছিনতাই এর আসামী, যারা অভাবে পড়ে এই পথ বেছে নিছে, তাদের বিচারে কয়েক বছরের কারাদন্ডের জায়গায় জীবন দন্ড দিয়া দিলে তো অবিচার হইয়া যায়...যেখানে লাখো খুনের সাথে জড়িত জামাতী কাউরে ক্রস্ফায়ারে মরতে দেখি নাই, জেমবির কাউরে মরতে দেখি নাই, পলিটিশিয়ান কাউরে মরতে দেখি নাই(পিন্টু, হাজারীদের কি খালি চোখে দেখা যায় না?)...সেখানে পাড়ার ছ্যাচড়া সন্ত্রাসীর এই অযাচিত মৃত্যু কেমনে মেনে নেয়া যায়?
পোস্ট সম্পর্কে বলি, চিত্রপ্রদর্শনীর দুই-তিনখানা চিত্র যা দেখলাম, এতে মনে হলো এইটাইপ কমেডিতে ছাড় দিলেও সরকারের তেমন কিছু আইতো যাইতো না। কিংবা আমি হয়তো শিল্পের বিমূর্ততা বুঝি না
প্রসঙ্গ- মানুর উক্তি- শুধু নামের মিল (বাপ্পী বোধহয়) থাকার কারণে কয়েক মাস আগেই সন্ত্রাসীর বদলে নিরীহ এক ছেলেকে ক্রসফায়ারে মেরে ফেললো ঢাকায়, সেটা ভুলে গেলে হবে? নাকি ঘটনাটা নিছক "মিসফায়ার"?
১০০ জন অপরাধী যখন আইনের ফাক গলে বেরিয়ে যায় তখন বিচারব্যাবস্থা যতটা ব্যার্থ তারচেয়ে অনেক বেশি ব্যার্থ সেই বিচার ব্যাবস্হা যেখানে একজন নিরপরাধ শাস্তি পায়।
আর এই ক্রস ফায়ারে যেসব আঙুলকাটা জগলুরা মারা যায় সেই আঙুলকাটা জগলুর যায়গা নেয়ার জন্য ১০ টা জগলু রেডি থাকে; যারা জগলুদের আঙুলকাটা জগলুতে রূপান্তরিত করে তারা ঢরা-ছোয়ার বাইরেই থেকে যায়
বাপ্পীই নাম।
এরকম উদাহরণ আরো আছে, আমার স্মৃতি দুর্বল দেখে মনে করে নাম উল্লেখ করতে পারছি না। রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসের উদাহরণ কিন্তু শুধু র্যাবই না, ডিবিরও ছিল। রাস্তার থেকে নিরীহ ছাত্র ধরে নিয়ে টর্চার করে হত্যা করার একটা ঘটনা আমার মনে পড়ে। পুলিশ পিটিয়ে হত্যা করেছ এমন উদাহরণের অভাব নাই। কয়েকদিন আগেও মনে হয় পুলিশ হেফাজতে একজন মারা গেছে। ব্যাপারটা এখন এতোই এক্সট্রিম হয়ে গেছে যে খোদ সেনাবাহিনীও এই কাজে নেমেছে, আর আমাদের অনেকেই এইসব একশন জাস্টিফাই করে নানা অজুহাতে। অপারেশন ক্লীনহার্টে অসংখ্য দুর্বল হার্ট মারা গেছিল, প্রশ্ন তুলে নাই কেউ। বিডিয়ারও অনেক মরলো, সংখ্যাটা কয়েকদিন আগে এই ব্লগেই একটা পোস্টে ছিল(ঐটাও মনে নাই
)। পুরো ব্যাপারটা এখন এমন যে নির্বিচারে খুন করে তারপর ইনডেমনিটি জারি!
আমার দুঃসাহস কিনা জানি না, পচাত্তরের সাথে আমি এসবের মিল খুঁজে পাই।
ভালো বলছেন।
আপনার মন্তব্যটা সত্যিই অনেক ভালো হয়েছে।
@ জ্বিনের বাদশাহ
আপনাকে লেখা জবাবের কিছু অংশ মিসিং। এর কারণ জানি না। আশা করছি আপনার বুঝতে সমস্যা হলে আমাকে জানাবেন।
হুমমম
মন্তব্য করুন