ইউজার লগইন

আবেগী বালক'এর ব্লগ

জীবনের গল্প

আমার জীবনের কিছু কথা আজ আপনাদের সাথে শেয়ার করব।আমি যখন প্রথম গ্রামের প্রাইমারি স্কুল ছেড়ে হাই স্কুল এ যাব তখন বাবা বলেছিলেন “যখন তুমি বাসে যাতায়াত করবে তখন বয়জৈষ্টদের শিশুদের নারীদের বসার জন্য নিজের আসন ছেড়ে দেবে।কারোর সাথে কখনো খারাপ ব্যবহার করবে না।মাদক নিবে না”।আরো অনেক কিছু বলেছিলেন সব মনে নেই।
তখন এই কথা গুলো বাবা কেন বলেছেন বুঝিনি।বাবার কথা গুলো তখনি বুঝলাম যখন চাকরি জীবন শুরু করলাম।আগেই বলে নিই আমি বেশিদূর পড়ালেখা করতে পারিনি।কোন রকম ইলেট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং এ ডিপ্লোমা শেষ করে চাকরি জীবনে শুরু করেছি।
বাবার কথা মত জীবনে কারোর সাথে খারাপ ব্যবহার করিনি।মাদক গ্রহন করিনি।বাসে,ট্রেনে যখনি যাতায়াত করেছি বড়দের নিজের সিটে বসতে দিয়েছি।এভাবেই যাচ্ছিলো আমার দিনকাল।

স্বপ্ন

কথা ছিলো থাকবে সাথে
যে ক’টা দিন দেহে আছে প্রাণ বায়ু
কথা তুমি রাখোনি তোমার,
তাই দিনে দিনে কমে যায় আয়ু?

কথা দিয়েছিলে জীবনে এনে দিবে সূখ,
এনে দিবে শান্তির সুবাতাস,
বিপরীতে দিয়ে গেলে যাতনা,
তবে কেন করো আমায় উপহাস?

যত ভাবি ভূলে যাবো,
আরো বেশি মনে পরে যায়,
গোপনে কি যাদু করেছো আমায়?
তবে কেন এমন হয়?
উতলা হয়ে যায় মন,
দুচোখের কোণে অশ্রু জমে,
চঞ্চল হয় মন,
এই বুঝি ভালবাসা
এই বুঝি আপন জন।

দুচোখে ঘুম নেই,
পেটে নেই খিঁদে,
দিন রাত্রি কেটে যায়
তোমার অপেক্ষাই।

কবে তুমি দেখা দিবে?
কবে তুমি কল্পনা থেকে বাস্তব হয়ে ধরা দিবে?
স্বপ্ন আমি তোমারই অপেক্ষাই,
দিনকে করেছি রাত আর রাতকে করেছি দিন।
গুণেছি শত অপেক্ষার প্রহর।
তোমার অপেক্ষাই জেগেছি রাত ভর
তুমি আসোনি।
আমি শুধু শুধু পথ চেয়ে থেকেছি,
তুমি আসবে বলে।
ভাঙা মন আরো ভেঙেছে
তবুও আমি তোমারি অপেক্ষাই
তুমি ঠিক আসবেই।

অশ্রু বিনিময়

খুব বৃষ্টি হচ্ছে বাইরে, মনে আর দুচোখের কোণে,
গভীর রাত বসে আছি জানালার পাশে দৃষ্টি আকাশ পানে,
এইতো সেই জানালা;
যার সামনে বসে কত কথা বলেছি প্রিয়ার সাথে মনের সুখে,
আজ সেই জানালার কাঁদছি মনের সীমাহীন দুখে,
টিপ টিপ পড়ছে বৃষ্টির জল সিক্ত মাটির বুকে,
আর আমার চোখের জল পড়ছে আমার মরু বুকে,
আকাশ তুইও কাঁদিস আমিও কাঁদি দুজনার মাঝে আদ্ভুত মিল,
আমিও কাঁদি দুখে তুইও কাঁদিস দুখে,
আমার প্রিয়া যাবে অন্যের ঘরে তোর বৃষ্টি যাবে সাগরের বুকে,
ওরে আকাশ তোর কান্না সবাই দেখে রে,
অথচ আমার কান্না কেউ দেখে নারে,
ওরে আকাশ তুই কেমনে পারিস এত করে কাদতে?
তোর চোখে এত জল কেন রে?
আমি আর পারিনা কাঁদতে,
আমায় এক শ্রাবণ জল ভাগ দেনা রে,
আমি এমন কাঁদতে চাই;
যেন প্রিয়ার হৃদয় ভিজে যায়,
আমি এমন কাঁদতে চাই;
যেন তার মা বাবা ভাই ভোনের চোখে স্নেহের অশ্রু ঝড়ায়,
যদি আমায় দিতে না পারিস তোর একটু জল,

পিকেটার

থাম এখুনি থাম,
তোরা থাম ভাঙিসনে বাস টেম্পো রিক্সা আর টেক্সি,
তোরা আগুন জালাসনে গরীবের দোকানে,
তারা ও তোদের মতো দিনে খায় দিনে এনে,
তোরা কি জানিসনে?
একদিন না চললে বাস চুলো জ্বলে না হেল্পারের ঘরে,
একদিন না চললে টেম্পো খেতে দেয় না হেল্পার ছৌট ছেলেটারে,
একদিন না চললে রিক্সা খাওয়া হয় না রিক্সাওয়ালাটার,
তোরা কি দেখিসনি বাস হেল্পার ছেলেটা সারাদিন ঝুলে বেড়ায়,
ঘামে শরীর তার ভিজে যায়,
তবুও সে যাত্রীদের বসতে দিয়ে নিজে দাড়িয়ে যায়,
কিছু টাকা বেশি পাবে বলে,
তার ছৌট ভাইটারে স্কুলে পড়াবে বলে,
বুক ভরা স্বপ্ন তার সে ড্রাইভার হবে,
একটা সুন্দর জীবন একটা সুন্দরী বউ পাবে,
তোরা দেখিসনি ১২ বছর বয়সী বালক টেম্পো হেল্পার,
গায়ে ছিন্ন ময়লা জামা বুক ভরা স্বপ্ন যার,
রুক্ষ তার চুল শরীর গেছে শুকিয়ে,
টেম্পোর পা দানিতে দাঁড়িয়ে স্কুলগুলোর দিকে যায় তাকিয়ে,

বুক ভরা ব্যথা

ঢাকা পারলিনারে তুই মোর রাঙ্গামাটিরে ভূলিয়ে দিতে,
পারলিনারে মোর নিঃসঙ্গ জীবনে ছন্দ ফেরাতে,
পারলিনারে মোর ধূসর হয়ে যাওয়া স্বপ্নগুলোকে রঙিন করতে,
তুই দিলেনা কিছু বরং কেঁড়ে নিলি মোর অনেক কিছু,
আজ গড়াগড়ি খায় মোর স্বপ্নগুলো তোর পথের ধূলোয়,
আজ মিশে গেছে মোর স্বপ্ন গুলো তোর উড়ন্ত ধোয়ায়,
ভালো লাগে না তোর এসি এর শীতল হাওয়া,
ভালো লাগেনা তোর উচ্চ উচ্চ দালানের ছায়া,
মনে পড়ে যায় মোর রাঙ্গামাটির মায়া,
মনে পড়ে যায় মোর সবুজ গাছের ছায়া,
আমি যাবো আমি যাবো যাবো ফিরে তোরে রেখে,
কাঁদিস না তুই মোরে হারানোর শোকে,
আমি বুঝিরে তোর কষ্ট তুই এমন ছিলি না,
নিষ্টুর মানুষেরা এমন বানিয়েছে তোমায় তুই কাঁদিস না,
এটাইতো বড় মিল তোর আর আমার মাঝে,
হায়রে কি দিলাম আর কি পেলাম,
মানুষ বড় নিষ্টুররে,
তুই কাঁদিস না শুধু দিয়ে যা দিয়ে যা আমার মত করে,

অভাগ ভালবাসা

সুভলং পাহাড়ের শীতল ঝর্ণা,
বয়ে যাওয়া কাচালং,কর্ণফূলী নদী,
পাহাড়ে ফুটে থাকা অজস্র ফুল,
সাড়ি সাড়ি সবুজ বৃক্ষ রাজি,
পুরী রাজকন্যার সাথে করে বাজি,
স্বগৌরবে সবাই বলে;
পুরী তোমার চেয়ে আমি বেশি সুন্দর,
পুরী কন্যা হেসে বলে;
দেখো আমার অপরূপ রূপের জ্যোতি,
মায়াময় মূখখানি অতি,
ফুল বলে দেখো আমার দেহের রং কত সুন্দর,
দেহখানি মোর যৌবন ময়,
তাই দেখে পাখি আর ভ্রমরের দল কত পাগল হয়,
আদরে হাত বুলায় পাহাড়ীরা এসে,
তারা আমায় সাথে নিয়ে যায় কতইনা ভালবেসে,
পুরী কন্যা হেসে বলে;
বলো নাখে এমন কথা দুঃখে বুক ফেটে যায়,
কেমন তাদের ভালবাসা তোমাকে মেরে ফেলায়,
তার চেয়ে দেখো আমি কত পাই যত্ন,
ভালবেসে প্রিয় মোরে দিয়েছে হীরা মুণি মুক্তো রত্ন,
আর তুমি কি পেলে?
ফুল হেসে বলে;
হোক আমার জীবন অতি ক্ষণিকের,
আজীবন ভালবাসা পাই আমি অনেকের,
পুরী তুমি কর ছটফট ভালবাসা নিতে,

কান্না

আজ আকটা স্বপ্ন দেখলাম । এটা আমার জীবনের সবচেয়ে সুন্দর স্বপ্ন।দেখলাম আমার পরানি আমাকে কল করে বলছে "জানু sorry তোমাকে অনেক দুঃখ দিলাম।আমি আসলে একটা প্রোগ্রামে ইন্ডিয়া গেছিলাম।আর বাড়িতে বলে গেছিলাম আমাকে ভূলে যাওয়ার জন্য তোমাকে বলতে।আসলে তোমাকে চমক দিতে চেয়েছিলাম।দেখ তোমার পরানি তোমার কাছে ফিরে এসেছে।শুন একটা সুখবর আছে আমার মাবাবা তোমাকে মেনে নিয়েছেন।আমি খুশিতে কেঁদে ফেললাম" ঘুম ভেঙে দেখলাম আমার বালিশটা চোখের পানিতে ভিজে গেছে।আর দেখলাম আমি যে স্বপ্নটা দেখেছি তা সত্য নয়।মনটা কেঁদে উঠলো।বুঝতে পারলাম আমি একা পড়ে আছি আমার সামনে পিছে কেউ নাই।

"মা"

মাগো তুমি শুধু গর্ভধারিনী নও,
অসুখে মোর নির্ঘুম রাত্রি জেগে রও,
মাগো তুমি শুধু দশ মাস দশ দিন গর্ভে দাওনিকো ঠাঁই,
সারাক্ষণ ছায়া হয়ে থাকো আমি যেখানে যাই,
মাগো তুমি শুধু দুধ করোনিগো দান,
ভালবেসে আজও বাচিয়া রেখেছো মোর প্রাণ,
মাগো আমার এই দেহ মন তো তোমারি গরা,
এই দেহ মোর তোমারি রক্তে ভরা,
মাগো আমারি অনুভূতি তো তোমারি দান,
ভালবাসা দিয়ে তুমি কর তার প্রমাণ,
মাগো তুমিই তো প্রথম শিখিয়েছো কথা,
তুমিই তো বুঝিয়ে দিয়েছো জগতের যত ব্যথা,
মাগো তোমারি হাত ধরে শিখেছি প্রথম পথ চলা,
তোমারি মুখের মুধুর গানে কাটিয়েছি মোর শৈশব বেলা,
মাগো তুমিই প্রথম শিখিয়েছো শিষ্টাচার,
তুমিই করিয়েছো প্রথম আহার,
যে নারী সারাক্ষণ আমার চিন্তায় থাকে নির্ঘুম সে তো তুমি মা,
আমার দেহের রক্ত নিশ্বাসে মিশে আছে তোমারি মহিমা,
যে নারী আমার মঙ্গলের জন্য করে প্রার্থনা,
যে নারী আমার সুগের জন্য প্রভূকে করে আরাধনা,

বাংলা মা

যখন এ কবিতাটি লিখছি তখন জ্বলছিলো খাগড়াছড়ি ও বাঘাই ছড়ির আদিবাসীদের গ্রাম।না খেয়ে জীবনের ঝুকি নিয়ে কোন রকম বেচে আছেন আদিবাসীরা।খবরের কাগজে ছাপা হচ্ছিলো তাদের দুর্বিসহজীবনের কথা।যত দেখছিলাম তত খারাপ লাগছিল।যতজন পরিচিত ছিল সবাইকে কল করেছি কিন্তু কাউকে পাইনি।দুচ্ছিন্তায় যাচ্ছিল প্রতিটি মুহূর্ত।এমন সময়ে একটি রাতে লিখেছিলাম এ কবিতাটি।জানিনা আপনাদের ভাল লাগবে কিনা।তবুও লিখলাম।

মাগো তুমি কি শুনতে পাও তোমার সন্তানদের আর্তনাদ,হাহাকার আর কান্নার ধ্বনি?
মাগো তুমি কি জানে তোমার সন্তানদের হত্যা করছে নিষ্টুর খুনি?

জ্বলছে গ্রামের পর গ্রাম শতশত বাড়ি,
প্রাণে বাচার তরে মানুষ ছেড়ে যাচ্ছে প্রিয় বাড়ি,
কালো ধোঁয়া মিশে গেছে আকাশে,
কান্নার ধ্বনি মিশে গেছে বাতাসে,
চারদিকে ছুটাছুটি চারিদিকে খোজাখুজি কোথায় আপন জন,
মাতা হারিয়ে ছৌট ছেলেটা কাঁদতে কাঁদতে অচেতন,
মা তুমি কোথায় আমাদের ও সাথে নিয়ে যাও,

ব্যবধান

তোমার পৃথিবী আমার পৃথিবী এ দুয়ের মাঝে বিশাল ব্যবধান,
তোমার পৃথিবীতে স্বর্গের নির্মল মৃদু হাওয়া আর আমার পৃথিবীতে তীব্র তাপে যায় যায় প্রাণ।
তুমি থাকো মহা সুখে চারিদিকে পুষ্প গন্ধময়,
আমি থাকি মহা দুঃখে নিত্য মৃত্যু ভয়।
তুমি শুন পাকপাখালির মিষ্টি মধুর গান,
আমি শুনি হিংস্র দানবের চিত্‍কার হীম হয়ে যায় প্রাণ।
তোমার চারিপাশে রঙিন প্রজাপতি দানা মেলে উড়ে,
তোমার পাশে শুকুনেরা দল বেধে ঘুরে।
তোমার বুকে শান্ত নদী ধীরে ধীরে বয়,
আমার বুকে অশান্ত সাগর নিত্য গর্জে গর্জে রয়।
তোমার আকাশে সাদা মেঘ দেখতে লাগে ভালো,
আমার আকাশে কালো মেঘ দেখিনা চন্দ্রসূর্যের আলো।
তোমার আকাশে রাতে তারার মেলা আলো ঝলমল,
আমার আকাশে বজ্রের তান্ডব কম্পিত হয় সারা ভূতল।
আমি থাকি মৃত্যু ভয়ে,
তুমি থাকো দুর্ভেদ্য নিরাপত্তা বলয়ে।
আমার এ পৃথিবী ছেড়ে তোমার কাছে আসতে বড় সাধ হয়,
কবে তুমি ডাকবে আমায়?

প্রিয়া তুমি কার?

যদি জীবন মৃত্যুর মাঝ পথে দাড়িয়ে,
জীবনের সব কিছু হারিয়ে,
তোমার কাছে এসে যদি বলি প্রিয়া তুমি কার?
বলবে কি আমি শুধু তোমার।

যদি দুরারোগ্য কোন রোগে প্রহর গুনি মৃত্যুর দুয়ারে,
তবে কি বলবে আমায় সত্যি করে?
আমি শুধু তোমার,
আপন করে নাও আমাকে,
ভালবেসে জায়গা করে দাও তোমার বুকে,
আজীবন থাকবো পাশে সূখে আর দুঃখে।
তবে;
আমি হয়ে যাবো ভাষাহীন,
তোমার দুচোখে যাবো হারিয়ে,
অপলক নয়নে শুধু দেখবো তোমাকে মনের যন্ত্রনা সড়িয়ে,
দুচোখে বয়ে যাবে অশ্রুর বন্যা,
সেই অশ্রু ধারা বলবে আমার মনের ভাষা,
বলবে মনের আকুতি,
খুশিতে হবো আত্মহারা।

যদি মানষিক ভারসাম্য হারিয়ে পাগল হয়ে যায়,
তবুকি চিনবে আমায়?
আমি যদি তোমাকেও না চিনি,
তবুও কি চিনবে আমায়?
পাগল বলে ধিক্কারে তাড়িয়ে দেবে নাতো?
তখন কি বলবে ও পাগল নয় ও আমার প্রিয়?

যদি চিন্ন বস্ত্র,অগোছালো চুলে তোমার সামনে এসে দাড়ায়,
যদি তোমায় দেখে স্মৃতি ফিরে পায়,

অসমাপ্ত প্রেম কাহীনি(শেষ থেকে শুরু)

(৩)
আজও ঘুমের ঘোরে স্বপ্ন দেখি,
তুমি ফিরে এসে,
আমার পাশে বসে,
অশ্রু সিক্ত চোখে বলছো আমায়,
তুমি কেমন আছো?
আমি নির্ভাগ নিরুত্তর হয়ে রই,
কাঁপা গলায় আমিও বলি,
সুখে আমায় রেখেছো কই?
যেমন চেয়েছিলে তেমনি আছি,
তুমি কেমন আছো?
কান্নার মতো মৃদু হেসে বলো তুমি,
তুমি যেমন আছো আমিও আছি তেমনি,
তোমার দিকে চেয়ে দেখি,
বদলে যাওয়া চুলে,
বদলে যাওয়া চেহাড়ায়,
বদলে যাওয়া গায়ের রঙে,
চোখের পাতায় জমানো কালো দাগে,
অশ্রু জলে সিক্ত চোখে,
খুজে পায় হাহাকার,
মনটা কেঁদে উঠে,
স্পর্শ করতে চাই আমি,
ঝাপছা হয়ে যাও তুমি,
মুহুর্তে মিলিয়ে যাও অন্ধকারে,
বুকটা বেদনায় যায় ছিড়ে,
ঘুম ভেঙে যায়,
কেঁদে ওঠে মন বেদনায়,
দুচোখ মেলে দেখি আছি তেমনি,
রেখে আমায় গেছো যেমনি,
একাকি .....

অসমাপ্ত প্রেম কাহী্নি (শেষ থেকে শুরু)

(দুই)

কেন??
আমি তোমায় করি আপন,
আর তুমি কর পর।
আমি টানি কাছে,
আর তুমি যাও দূরে।
আমি গরি,
আর তুমি ভাঙো
আমি সাজাই,
আর তুমি কর এলোমেলো।
আমি বাধি,
আর তুমি ছিড়ো
আমি তোমার সব সহ্য করি,
আর তুমি কর না।
আমি সব মানি,
আর তুমি মানো না।
আমি তোমায় খুজে মরি,
আর তুমি যাও লুকিয়ে।
আমি ভাবি তোমায় নিয়ে,
আর তুমি ভাবো অন্যকে।
আমি করি কান্না,

অসমাপ্ত প্রেম কাহী্নি (শেষ থেকে শুরু)

(এক)

দুজনে মিলে লিখেছিলাম প্রেম কাহীনি,
শুদু আমি জানি তুমি জানো আর কেউ জানেনি,
শুরু করেছিলে তুমি শেষ করে যাওনি,
অসমাপ্ত তাই প্রেম কাহীনি ।

জীবন পাতায় লেখা গুলো রয়েছে আজও আগের মতো,
শুধু বদলছে স্বপ্নের রঙ,
রঙ্গিন থেকে হয়েছে ধূসর,
তার বিরহে ভেঙ্গেছে হৃদয়,
জমছে মৃত্যু খেলার আসর ।।।

তুমি থেমেছো আমি থামিনি,

পিছু টান

দেহ বলে অনেক বড় হয়েছি ,
মন বলে আজও ছোট রয়েছি,
আকাশে চাঁদ উঠলে দেখতে যেতাম ,
বৃষ্টি হলে ভিজতে যেতাম,
পাড়ার ছেলেদের সাথে খেলতে যেতাম,
দৌড়ে এসে নদীর বুকে ঝাপ দিতাম,
মাকে না বলেকতবার আম কুরাতে গেছি,
বৃষ্টিতে ভিজে কত বার অসূখ হয়েছি ,
অসূখের ঘোড়ে কত প্রলাপ বকেছি ,
ঘুমের ঘোড়ে কত চমকে উঠেছি ,
মা মা বলে কত কেঁদেছি ,
মায়ের আদরে সব ব্যথা ভূলছি ,
হারিয়ে যায়নি সেই স্মৃতি সব ,
চোখের সামনে আজও হয় উদ্‌ভব ,
সেই কাচালং নদীর পাড় ,
জল স্রোতে ভেঙে যায় যার দুইধার ,
আবার ও ফিরে যেতে চাই সেই পাড়ে ,
শহর ছেড়ে
চলমান ..........