ইউজার লগইন

সোহেল কাজী'এর ব্লগ

সন্ধান

নিজের সাথে দেখা হয়না অনেক দিন। নিজেকে ছাড়া বেঁচে থাকতে গিয়ে আজ কাল নিঃশ্বাসে অক্সিজেনের ঘাটতি অনুভূত হয়, প্রতিবাদে কামারের দোকানের হাপরের মত ফুঁসে উঠে ফুসফুস জোড়া, হাতুড়ি পেটায় হৃদয় নামক একটা লহুশোধক প্রকোষ্ঠে।

প্যারানরমাল গল্পঃ আলোকিত দ্বার – (শেষ পর্ব)

লোকটা যেমন অদ্ভুত ভাবে এসেছিলো তেমন অদ্ভুত ভাবেই চলে গেল। হারুন প্রথমে একটু চিন্তিত বোধ করলেও কিছুক্ষনের মধ্যেই ব্যাপারটা মাথা থেকে একদম ঝেড়ে ফেলেছে। তার মাথার উপর এখন অনেকগুলো গুরু দায়িত্ব। ট্রেনের খোলা জানালায় হারুন ভবিষ্যতের ভাবনাগুলো গুছিয়ে নিচ্ছে। ট্রেনের জানালায় ওপাড়ে নিশুতি রাত, নক্ষত্রের আলোয় সমস্ত চরাচর আলো-আধাঁরি খেলায় মেতেছে, ঘুমিয়ে পড়েছে জনজীবন, প্রকৃতি কোন এক অচিনলোকের ধ্যানে মগ্ন। রা

প্যারানরমাল গল্পঃ "আলোকিত দ্বার" – পর্ব এক

এই যে ভাই একটু আগুন হবে?
কানের একদম কাছে কথাটা শুনে চমকে উঠল হারুন। ঘাড় ঘুরিয়ে পাশে তাকাতেই তার সিটের পাশে একজন মধ্যবয়সী লোক আবিষ্কার করলো। লোকটি একদৃষ্টে হারুনের দিকে তাকিয়ে আছে, ক্ষিন আলোতেও স্পষ্টতই লোকটার চোখের শুন্যতাটা ধরা পড়ছে। হারুনের অস্থি বেয়ে ভয়ের একটা শীতল ধারা নেমে গেল কারণ কিছুক্ষন আগেও তার পাশের সিটটি খালি ছিলো।

অসম্পুর্ণ

তুমি এসেছিলে সঙ্গী হয়ে
আমার দেয়ালবন্দী অন্ধকারে।
ছুঁয়ে ছিলাম তোমায়
মাঝ রাত্রির একাকিত্বে ।

তোমার প্রতিটি অঙ্গে ছিলো
আমার অবাধ বিচরণ।
অক্ষরগুলো আজো চিৎকার করে
প্রমান দেয় আমার গভীরতম স্পর্শের।

তুমি এসেছিলে বৃষ্টি হয়ে
আমার উত্তপ্ত শরীর উন্মুখ ছিলো
তুমি ফোঁটায় ফোঁটায় আছড়ে পড়েছিলো আমাতে।
জুড়িয়ে ছিলাম শরীর, মজে ছিলাম তোমাতে।
(অসম্পুর্ণ একটি উপাখ্যান-ফেসবুক নোট থেকে পরিমার্জিত)

নিশি কথন

বিকেলের আলোটা খোলা হাওয়ায় রাখা কর্পুরের মতই উবে গিয়ে ধেয়ে আসে তরল আধাঁর। এই মহেন্দ্র ক্ষনে কিছুটা ব্যাকুলতা নিয়েই শুরু হয় আমার নিত্যনৈমিত্যিক দিন, আজো তার ব্যাতিক্রম কিছু নয়। টাইগারের চায়ের দোকানে কখন যে ল্যাম্পপোষ্টগুলো সূর্য্যকে প্রতিস্থাপন করে একদমই বুঝা যায়না যতক্ষন না সন্ধ্যাবাতির ঝাঁজালো ঘ্রান নাকে না আসে। আলসেতে পাওয়া কুকুরের মত আমিও গা ঝাড়া দিয়ে হাত-পা টেনেটুনে চায়ের বিল মিটিয়ে বেড়িয়ে পড়ি।

নীল থাবায় রক্তাক্ত লজ্জা

বিজয়ের মাস এলে একটা অব্যক্ত ব্যাথা জানিনা কেন জানি খামচে ধরে। আমি ভালো বক্তা নই, আবার তথাকথিত কোন রাজনৈতিক দলের অনুসারীও নই। সেজন্যই হয়তো হাত পা ছুড়ে গলা কাঁপিয়ে মাঠ গরম করা কথাবার্তা আমার গলা কিংবা আঙ্গুল দিয়ে প্রসব হয়না।

আইয়ো আই গেছি

নয়া মাটিতে নয়া ঘর বানতে আইলাম। প্রতিবেশী কেঠা কেঠা আছেন জানান দেন।
ইয়াহু এবিতে দৌড়ায়া কুলাইতে না পাইরা এক সময় পেছনে পইরা গেছি। এতোক্ষনে ধরলাম।