ইউজার লগইন

সোহেল কাজী'এর ব্লগ

বরিষ ধারা মাঝে - সমাপনী

ছেলেবেলা থেকেই তন্ময় বাবা মাকে এক সাথে পায়নি, তার ছয় বছর বয়সে তারা সেপারেশনে যান। নতুন করে সংসার না করলেও এখনো যে যার মত আলাদাই থাকেন। তন্ময় বাবার কাছে মানুষ। তবে সপ্তাহান্তে নিয়ম করে মায়র সাথে দেখা হতো। স্বাভাবিক একটা পারিবারিক পরিবেশ কখনোই পাইনি সে। ধীরে ধীরে পৃথিবীকে যখন বুঝতে শুরু করল তখন থেকেই মা-বাবার প্রতি চাপা অভিমানটা জমাট বাঁধতে বাঁধতে অগোচরেই চূরান্ত ঘৃণায় রূপ নিয়েছে।

বরিষ ধারা মাঝে

কাকের শোরগোল শুনে ঘুম ভাঙ্গলে সাত সকালেই যে কারো মেজাজ বিগড়ে যাবার কথা, কিন্তু কুয়াশার মোটেও খারাপ লাগছে না। জানালার ওপাশে ইলেক্ট্রিক তারের উপর বসা কাকগুলো কিছু একটা নিয়ে তুমুল ঝগড়া করছে। অনেক্ষণ কান পেতে থেকেও কোন মানে উদ্ধার করতে ব্যর্থ হচ্ছে কুয়াশা।

কুড়িয়ে পাওয়া হাততালি আর খুঁচরো পয়সার জলসায়

ভ্রান্ত সময় পাড়ি দিতে দিতে মাঝেমাঝেই থমকে দাঁড়াই। ধোঁয়াশার ভেতর দিয়ে চলছে এই পথ। সম্মুখে সব কিছুই ধোঁয়ায় ঢাকা, অজানা গন্তব্যটাও ঢাকা পড়ে আছে ঘোর অনিশ্চয়তায়। পাড়ি দেয়া পথের দিকে ফিরে তাকালে সেখানেও ধোঁয়া ছাড়া কিছুই দেখা যায় না। মাঝেমাঝেই লু-হাওয়ার দমকে ধোঁয়া কেটে যায়। কুৎসিত দৃশ্যপটগুলো নগ্ন হয়ে ধরা দেয়। ক্ষণিকেই আবার ধোঁয়াশায় সব ঢেকে যায়, আমি উদ্ভ্রান্তের মত চলতে থাকি ভ্রান্ত পথে। ধোঁয়াটা কখন যে আ

ফটুক টেস্টিং (সাময়িক পুস্ট)

ঢাকার কিছু ফটু দেখলে মনটা কেমন আনচান করে। শ্যায়ার করার করার কোন ইচ্ছাই
ছিলো না তবু মানুষ নিজের ইচ্ছার বিরুদ্ধে বহুত কাম কার্বার করে।

01
ফটু দুই
02

ফটু তিন

ধরা খাওয়ার কাহিনীনামা (নুশেরা'বু ও কাকনা'দিকে)

সবগুলো ঘটনাই মাতুলবাসের ঘটনা।

১) সে বছর প্রাইমারী থেকে নতুন হাই স্কুলে উঠছি মাত্র। কাঞ্চন ভারতচন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্র এটা ভাবতেই কেমন গর্বিত গর্বিত ফিল হইয়া সিনা কয়েক ইঞ্চি উঁচু হইয়া যাইতো। ক্লাস সিক্সের ঘটনা।

জহির রায়হান - এক উজ্জ্বল নক্ষত্রকে যেভাবে হত্যা করেছে পাকি দোসররা

সন ১৯৫২, ২০শে ফেব্রুয়ারী সন্ধ্যায় ১৪৪ ধারা জারী করা হয়, উদ্যেশ্য ২১শে ফেব্রুয়ারীর হরতালকে পন্ড করা। ছাত্ররা সেদিন রাষ্ট্র ভাষা উর্দু করার ষড়যন্ত্রকে ঘৃণা ভরে প্রত্যাখ্যান করেছিলো। ২০শে ফেব্রুয়ারীর রাতেই ফজলুল হক হল, ঢাকা হল ও সলিমুল্লাহ হলের ছাত্ররা মিটিং করে জানিয়ে দিলো যে সরকার রক্ত চক্ষু দেখিয়ে উর্দুকে রাষ্ট্রভাষা করতে চাইলে তারা একতিলও ছাড় দিতে রাজী নয়, তারাও গর্জে উঠতে জানে, চেলেঞ্জ ছুড়ে দিলো

নিশি কথন-৩

সেদিনও রোজকার মতোই বিকেল ছিল। শীতলক্ষার ঘাটে বসে ছিলাম আমি। কোন এক মন্ত্রী সাহেব নাকি ঘাটটাকে পাকা করে বাঁধাই করেছিলেন। তাকে ধন্যবাদ না দিয়ে পারলামনা। নয়তো বিকেলটা এতো সুন্দর হতো কি করে?

রম্য গল্পঃ চামচাম বুদবুদ (হাসান রায়হান ভাইকে)

বিদেশ থেকে বিনোয়োগকারী এসেছে বাংলাদেশে। ইনভেষ্ট করার আগে দেশের অবস্থা সরেজমিন সার্ভে করতে চান। গভীর রাতে বিমান বন্দর থেকে সরাসরি ৫তারা হোটেলে পৌঁছে যান। তখন লোড শেডিং থাকায় বাইরে অন্ধকার ছাড়া কিছুই চোখে পড়েনি। বিনোয়োগকারীর নাম মিষ্টার মাইক।

একাত্তরের চিঠি - কৃতজ্ঞতা নিঝুম মজুমদার

ফেস বুক খুলেই প্রথমে চোখে পড়ল নিঝুমের স্টাটাস, ৭১ এর চিঠি বইটির ডাউনলোড লিঙ্ক দিয়েছেন।
নিঝুম মজুমদারে অনুমতি ছাড়াই আপনাদের সাথে শ্যায়ার করলাম।
71

ডাউনলোড লিঙ্কঃ http://www.mediafire.com/?n9zm2lsmnnm

নিশি কথন - ২

ঘাস বুনটের বাবুইয়ের বাসার মতই আঁধারের ঠাস বুনটে জমাট বাঁধছে রাত। সর্পিনীর তীক্ষ্ণ লকলকে জিহ্বার মতই হিসহিসিয়ে নগরীর তলানিকে ছুঁয়ে যাচ্ছে ঝিরঝিরে বাতাসের বহর। রাতের সাক্ষী ঝিঁঝিঁ পোকারা সেই সন্ধ্যা থেকেই বিরামহীন সমন পাঠ করে যাচ্ছে। শুভ্র মেঘের বণিকেরা মত্ত স্বপ্নের দর কষাকষিতে। অতল উদরা নগরী হাঁ করে আছে স্বপ্নের ক্ষুধায়। ঘোর লাগা মানুষেরা সেধে যাচ্ছে কুকুরের মত কুণ্ডলী পাকানো দালানের উদরে। শুধ

জোছনার ধবল পাড়- পর্ব ২

হেমন্তের সোনালী বিকেল, ফুরফুরে হাওয়ায় ভর করে দুপুরটা উড়ে গিয়ে কখন যে বিকেল নেমে আসে একদম টের পাওয়া যায়না। চন্দনা রোদের কোমল পরশ শরীরে জাগায় আলসে উষ্ণতা। রোদ লেগে হলদেটে হয়ে যাওয়া পাতাগুলো আরো একটু হলুদ সেজেছে, হেমন্তের ঝিরঝিরে বাতাসে কেঁপে কেঁপে উঠে ফিসফিস করে গাইছে যেনো অপার্থিব কোন গান। দিদার সাহেব তখনো বারান্দায় বসা, একটু আগে জর্দা দিয়ে পান খেয়েছেন তিনি। অনভ্যস্ত ভঙ্গিতে থুকতে গিয়ে সাদা পাঞ্জাব

জোছনার ধবল পাড়- পর্ব ১

আকাশের ছাদ ছুঁয়ে থাকা মেঘের প্রান্ত বেয়ে উড়ে চলছে একটা চিল, চক্রাকারে ঘুরছে বিশাল একটা বৃত্ত এঁকে। আপাত দৃষ্টিতে চিলটা আকাশ দখল করে রেখেছে দেখা গেলেও কিছুক্ষণ সেদিকে তাকিয়ে থাকলেই চিলটার একাকিত্ব স্পষ্ট হয়ে উঠে। রোদ ঝলমলে উদাসী দুপুরে অলস বারান্দায় বসে অনেক্ষন ধরে চিলটাকে লক্ষ্য করছেন দিদার সাহেব। কেন জানি হঠাতই একটা বিষন্নতা ঘিরে ধরেছে দিদার সাহেবকে। চিলের সোনালী ডানায় ভর করে অজস্র অকারণ স্মৃতি য

ভবিষ্যত নিয়ে চিন্তিত কিছু আব্জাব কথাবার্তা

ডারউইন সাহেব খুব সহজেই প্রমান করে দিলেন আমরা বিবর্তনের ধাপ পেরিয়ে বাঁদর থেকে মানুষ হয়েছি। মানবের ২ মিলিয়ন বছরের ইতিহাসে তার জিনে বাঁদরের অস্তিত্ব খুঁজে পায় বিজ্ঞানীরা।

প্রলাপ

স্মৃতির স্ফটিক দানাগুলো প্রতিনিয়তই বিবর্ণ হচ্ছে, পরিচিত মুখগুলো ঝাপসা। ছিঁড়ে যাওয়া সম্পর্কগুলো এখন আর জোড়াতে ইচ্ছে করেনা একদম। সম্পর্কের টানাপোড়েনে ভাটা পড়েছে অনেক কাল, মুঠোতে রয়ে গেছে কিছু শুষ্ক বালিকণা। আঙ্গুলের ফাঁক গলে সেগুলোও ঝুরঝুর করে ঝরে যায়, উড়ে যায় মৃদু বাতাসেই।

আগামীকাল রাত কয়টা বাজে বারোটা বাজবে?

সাঈদ ভাইর খোমা কিতাবের স্টেটাসে শিরোনামের কথাটা দেখে টেন্সিত হয়ে পড়লাম।

আগামী পরশু অনেকেরেই দেশে হয়তো নয়া বছরের শুভেচ্ছা জানিয়ে SMS পাঠাবো, কিন্তু ঘটনা অন্য জায়গায় গিট্টু লাগছে। শুনছি ৩১ তারিখ পর্যন্ত ডিজিটাল টাইমের হায়াত আছে(শিউর না)। মানে ৩১ তারিখ রাইত ডিজিটাল বারোটার পর এনালগ সময় শুরু।