ভালবাসা
চারটি ধ্বনির মিলনে তোমার অমোঘ উৎপত্তি
সীমাহীন আকাশের কোলজুড়ে তোমার আবির্ভাব
তোমার সাহচর্যে সিন্ধুগর্ভে ফোটে যত আশ্চর্য কুসুম
রহস্যের অতীন্দ্রিয় ইন্দ্রজাল বোনা নর-নারীর হৃদয়ে
উন্মাদ বিলাসী খেলা খেলে তোমারই আনন্দভৈরবী
তবেই চৈতন্য ঘটে নিঃসঙ্গ রক্তমাংসের এই অধম কবির।
আজও প্রত্যেক নর তার নারীকে স্পর্শ করে তোমার বাহুডোরে
যেন জোয়ার-ভাটার সন্ধি নদীবক্ষে উল্লসিত ভাবচ্ছবি
আলিঙ্গনে সৃষ্টি হয় নতুন পাহাড়ে সদ্য তোলা কুটিরের
পলিসিক্ত মাঠে রচিত হয় কোন অলৌকিক সাঁকোর
তোমার অমর রূপের প্রখর আবেগে বিশ্ব হারায় দিশা
ভেসে চলে হাস্যচপল পানসী তোমারই ঢেউয়ে ঢেউয়ে
তখনই চৈতন্য ঘটে নিঃসঙ্গ রক্তমাংসের এই অধম কবির।
তুমি সারাজীবন থেকেছ আমার কাছে অপরিচিত
তোমাকে দেখেছি আমি সবসময় অন্য নরনারীর হৃদয়ে
দেব-দেবীর মত পূজা কর তুমি তাদের
শুধু আমাকেই করেছ তুমি চিরকাল অবহেলা
সারাজীবন নাগালের বাইরেই রয়ে গেলে তুমি
তবু গাঁয়ের নদীর তীরে কোন বাউলের মুখে শুনি তোমার কথা
হ্যাঁ, চৈতন্য ঘটে নিঃসঙ্গ রক্তমাংসের এই অধম কবির।
আমি সারাজীবনই তোমাকে খুঁজেছি, এখনো খুঁজে চলেছি
ফুটপাতের প্রতিটি ইঞ্চিতে, ঘর্মাক্ত এই শার্টটি পড়ে
অপেক্ষায় থেকেছি, কবে হবে আমাদের মিলন অনুষ্ঠান?
আজও অধরাই থেকে গেছে আমার বকুল ফুলের মালা
দিনগুলো টুকরো টুকরো করে খেয়েছে আমার বোবা শব্দগুলো
তবুও আমি প্রতিটিক্ষণ তোমাকে খুঁজেছি উন্মত্ততায়
সিন্ধুর জল পান করা সেই সব নরনারীর হৃদয়ে
অজান্তে চৈতন্য ঘটে নিঃসঙ্গ রক্তমাংসের এই অধম কবির।
তোমাকে পাইনি বলে কোন দুঃখ নেই আমার
কিন্তু কেমন করে সহ্য করি তোমার অবহেলা
অহরহই যখন দেখি তোমাকে নিয়ে ছিনিমিনি খেলা
সেই সব উন্মাদগ্রস্ত নরনারীর ছায়ায়
যাদের অবলম্বন শুধুই কামড়ে ধরা কালো পিঁপড়ে
মর্মাহত হয়ে আমি তোমার দিকে তাকিয়ে থাকি
আর তখনই চৈতন্য ঘটে নিঃসঙ্গ রক্তমাংসের এই অধম কবির।





এবিতে স্বাগতম
ধন্যবাদ
পড়লাম
ধন্যবাদ
ঘটনা কি?
এই লাইনটা পাল্টায় দিব। ভাল লাগছে না।
আরে পাল্টাইবেন ক্যান... একটু মজা করলাম আর কি
টুটুল ভাই, আপনার ঘটনা কি! কবিরা কত কিছু মনে মনে ঘটাতে পারে!
"চৈতন্য ঘটে নিঃসঙ্গ রক্তমাংসের এই অধম কবির"। চারটি ধ্বনির মিলনে যার অমোঘ উৎপত্তি, তাকে পেতে হলে, তার অবহেলাকে আকর্ষণে পরিবর্তিত করতে হলে চৈতন্য চিরস্থায়ী করা না গেলেও দীর্ঘস্থায়ী করতেই হবে ।
ধন্যবাদ আপনার সুন্দর মন্তব্যের জন্য
সুন্দর
মন্তব্য করুন