এলেবেলে
অনেকদিন ধরে লিখব লিখব করে কোনো কিছু লিখা হয়না। মানুষ কত কিছু লিখে, অথচ আমি কিছু লিখতে পারি না। এক প্রকার ইনফেরিওরিটি কমপ্লেক্স এ ভুগি। না জানি লিখা কেমন হয়। সবাই কত সুন্দর লিখে। আমার লিখা কি সেই রকম হবে? তারপরেও মাথায় কতকিছু ঘুরে, তাই আমি নিচের লিখাটি লিখলাম।
আমার এক ছোটভাই আমার উদ্দেশ্যে একটা গল্প লিখল। সেই গল্পটিতে দুইজন বন্ধুর কথা উল্লেখ করল। তারা দুইজন একটা দোকানে ঝাড়বাতি কিনতে গেল। তারা সেইখানে যেয়ে একটি বাতিও কিনতে পারলোনা। কারণ ঝাড়বাতিগুলো তাদের ঘরের সাথে মানানসই হচ্ছিলনা। গল্প শেষ হয়ে যায় ঝাড়বাতি না কেনার দুঃখ পর্য্ন্ত। এই রকম কত শত গল্প আমার মাথায় ঘুরতে থাকেয় কিন্তু কিছুই আমি লিখতে পারিনা। কারণ গল্প গুলোর শেষ রূপান্তর আমি কি দিব তাই বুঝতে পারিনা।
ঝাড়বাতির গল্পটির কথা আমি কেন বলছি? কারণ এই ঝাড়বাতি মধ্যে লুকিয়ে আছে আমাদের না করতে পারার বেদনা। আমার অনেক বন্ধু আছে, যাদের জীবনের অনেক কিছুই আমি দেখেছি। আমার নিজের জীবনেরও অনেক কিছু আমি দেখছি এবং দেখেছি।যানিনা আরো কতকিছু দেখতে হবে। এই বন্ধুগুলোর গল্পগুলোর মধ্যে একটা খুব কমন জিনিষ দেখা যায়। যা হচ্ছে তাদের প্রত্ত্যেকেই চায় তাদের একটা মনের মানুষ থাকুক। যে তাদের মনের দুঃখ গুলো ভাগাভাগি করে নিবে, এবং একসাথে তাদের শারিরিক এবং মানষিক দিক থেকে শান্তিতে রাখবে। কিন্তু কেউই এই বেপারে সফল হতে পারেনি। আমার একজন কলিগ ছিল, যে ৪০ বছর বয়সে এসে বিয়ে করেছে। সে তার আশেপাশের সবাইকে বলে বিয়ে করতে। কারণ সে এতদিন বুঝে নাই বিয়ে করলে কি মজা। নইলে সে আরো অনেক আগে বিয়ে করত। এইখানে আমার মনে হয়েছে, সে তার পছন্দ মতো ঝাড়বাতি ঘরে নিয়ে ফিরতে পেরেছে। আমার অনেক বন্ধুই ঝাড়বাতি নিয়ে ঘরে গেছে, কিন্তু কোন ঝাড়বাতি মনের মতো হইনি। কেউবা ঝাড়বাতি এখনো খুজেইই পাই নাই। কেউবা অন্যের ঝাড়বাতি আলো উপভোগ করেছে। আর কেউ কেউ তাদের পছন্দের ঝাড়বাতি ঘরে নিয়ে যাওয়ার জন্য সারা পৃথিবীর সাথে মারামারি করছে। কেন এই ঝাড়বাতি কমপ্লেক্সিটি। তাদের এই অবস্থা দেখে আমি ঝাড়বাতি নামক শব্দটিকে আমার ডিকশনারি থেকে মুছে ফেলছি। তাও নাটক, সিনেমা আমাকে প্রলুব্ধ করছে। আমার মনের একদিক বলছে, জীবনে আর কি আছে, আরেক মন বলছে, তুমি মিস করছ।
আপনারাই বলেন কি করা উচিত? আর লিখতে ইচ্ছা করছেনা। পরবরতীতে এইরকম বস্তা পচা কিছু লিখবনা, ভাল কিছু লিখব আশা করছি।





যদিও বুঝি নাই বিষয় কি ..................
স্বাগতম, লিখতে থাকেন একদিন নিশ্চয় বুঝতে পারবো
দোয়া কইরেন, যাতে আপনার মতো লিখতে পারি। যদিও আপনার মতো অনূভুতিগুলো এতো সূক্ষভাবে কাজ করে না।
এবি'তে শুভেচ্ছা স্বাগতম। লিখেন হাত-পা খুলে। শুভকামনা।
এবিতে স্বাগতম
এবিতে স্বাগতম
স্বাগতম এবিতে
... হাত খুইলা লেইখাজান... 

আম্রা তো আছিই
হাত খুললে লেখবো কেমনে, কন তো!!... :p এমন উষ্ণ অভিবাদন মানে হাতপাও খুলনের কথা কইলে ক্যামনে কি!!...
ঝাড়বাতি পাইলে জানাইয়েন।
স্বাগতম ব্রাদার।
লিখতে থাকো। জানোইতো , খেলতে খেলতে খেলোয়াড়, জানতে জানতে জানোয়ার আর লিখতে লিখতে লেখোয়াড়।
ধন্যবাদ সবাইকে। এই রকম উষ্ঞ অভিবাদন কখেনা পাইনি, এইজন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। সাইদ ভাই, কথাটি ভালোই বলেছেন।
স্বাগতম ও শুভেচ্ছা।
পার্থ ভাই, 'ঝাড়বাতি' গল্পটি লেখার পর থেকে দুইদিন আমি খুব বিজি ছিলাম তাই আপনার লিঙ্কে আস্তে দেরি হয়ে গেল।
আমার গল্পের মর্মার্থ ধরতে পারার জন্য অনেক ধন্যবাদ।
আমি এখানে লিঙ্কটা দিয়ে দিচ্ছি। ঝাড়বাতি
কি বলেন ভাই ঝারবাতি!
ভাগ্য ভাল হইলে
দেখবেন দিন রাত লাগবো না,
সবসম ঘরের ভিতর চান্দের আলো..
হগল আন্ধাইর দুর করুনি জোছনা!
শুভকামনা রইল,
ভাল থাকুন..
মন্তব্য করুন