বিদায় ব্লগ, বিদায় নেট, বিদায় ঢাকা !
ঢাকা ছাড়ছি আমি। আজ হাফ বেলা অফিস করে তারপর চলে চাচ্ছি। কাল থেকে অফিস করবো না। আমার একমাত্র বৌয়ের দুইমাত্র ছোট ভাইয়ের শাদী মোবারক হয়ে গেছে গত শুক্রবার। আগামী শুক্রবার বৌভাত অনুষ্ঠান। সে পরিবারের একমাত্র জামাই হিসেবে বৌভাত অনুষ্ঠানে আমার উপস্থিত থাকাটা ফরজে আইন। তাই আজকেই চলে যাচ্ছি ঢাকা ছেড়ে। সঙ্গী হিসাবে আমার হলুদ মোটর সাইকেল। আশা করছি, পথে কোনো সমস্যা না হলে বিকেল নাগাদ শ্বশুরবাড়িতে পৌঁছাবো। সঙ্গত কারনে আগামী তিনদিন ঢাকা, কম্পু, নেট, ব্লগ থেকে দুরে থাকবো। সুতরাং হে বন্ন্ধুরা, বিদায়...





ব্যাপক খানিদানি হোক, মাস্তি শুভ হোক-----
মাস্তি নারে ভাই, বাঁশ !!!
মেসবাহ ভাই , স্যালাইন নিয়েছেন তো সাথে ?
সব খাবার কী মিরপুরের মত নাকী যে, স্যালাইন নিতে হৈবে ?
আপনারে একরাশ হিংসা দিলাম। আমি যদি পারতাম তিনটা দিন ইন্টারনেট, মোবাইল, ব্লগ, অফিস আর টেলিফোন থিকা দূরে থাকতে! ভালো লাগে না আর এই যান্ত্রিক জীবন
সব ঠিকই ছিলো। সব্বোনাষ করলো মোবাইল ফোনে।
খুদাপেজ।
আঃ কয়দিন শান্তি।
হ, ৩/৪ দিন শান্তিতেই ছিলাম...
বিয়া তে কি উপহার দিলেন?
মোটরসাইকেল এ যাবেন,সাবধানে যাইয়েন।শ্বশুরবাড়ী কই?
মনে হয় হলুদ মোটরসাইকেল
উপহার ? নগদ নারায়ণ...
হ, মোটর সাইকেলেই গেছি...আইচ্ছা...
নারায়ণগঞ্জ...
ভাবলাম বিদায় ব্লগ কইছেন, খুদাপেজ কমু, একন দেখি ছুটিতে যাইতাছেন। হিংসা।আপনের ঘুরা আর খাওয়া আর শেষ হইবো না।
ব্লগেরেও একদিন হুট কৈরা খুদাপেজ কৈয়া ফালাইতে পারি...
জয়িতা বলেছেন........।হিংসা।আপনের ঘুরা আর খাওয়া আর শেষ হইবো না।
এক্মত
আমিও একমত...
হলুদ মোটরসাইকেল, হ্লুদ মোবাইল, হ্লুদ রেইন কোট!!
ভাল.।.।.।। হ্লুদ শুভেচ্ছা জানালাম!!
ক্যানরে ভাই, হলুদ ক্যাপ আর হলুদ টি-শার্টের কথাটা কৈলেন্না...!
নিরাপদ জার্নি এবং নিরাপদ ব্যাক টু হোম হোক। শুভ কামনা
থ্যাংকু ব্রাদার...
টিফিনকারীতে কইরা খাওন দাওন নিয়াইসেন আমগো লাইগ্গা
দিলেনতো দুঃখটা বাড়াইয়া... টিফিন ক্যারিয়ারে কৈরা কী জানি দিছে বৌয়ে... মোটর সাইকেলের পাছায় বাইন্ধা লৈছিলাম... বাসায় আইসা দেখি, সাদা কালোর প্রিয় পাঞ্জাবীর পেছনটা মোটর সাইকেলের মতন হলুদ হৈয়া গেছে...
মাস্তি বেশি রকমের হোক।
নারে, একদম ভালো হয় নাই। বিষ্যুদবার সন্ধ্যায় খবর পেলাম, কাজিনের হাজব্যান্ড হঠাৎ করে মারা গেলেন রাজবাড়ীর পাংশাতে।
রাতে টিভি দেথে শিওরে উঠলাম... নীমতলী ট্যাজেডি... কী আর বলবো... এতগুলো মানুষের জ্বলন্ত শরীর... যারা মরেছে, তারা বেঁচেছে... যারা পোড়া শরীর নিয়ে টিকে আছে... তাদের ভবিষ্যৎ বড় বেশি ভয়াবহ... বেড়াতে আসা বাসার ছোট ছেলেমেয়েরা টিভিতে এইসব দেখে ভয় পেয়েছে...
আলবিদায়। তিন দিন কেন রে ভাই আরও দুই দিন থাকেন। আরও শালা নাই যে আবার একটা উপলক্ষ পাইবেন সহসা।
অরেকখ্যান শালা এবং এখ্যান শালীও আছে... সো, নেক্সট টাইম...
আপনাকে আমি এমনই ভেবেছিলাম। শ্বশুরবাড়ি পেলে যে আমাদেরকে ভুলে যাবেন
কী করুম কন, ব্যস্ত থাকতে হয়েছে... শত হলেও পরিবারের বড় জামাই বলে কথা...
আমি দাওয়াত পাই নাই। তাই মাইনাস!
কও কী, সবাতে দাওয়াত পাইলো আর তুমি পাইলা না... ? তোমারে কওনের দায়িত্ব ছিলো- বিমা, না জয়িতা, না না রায়হান ভাই.... দুর মনে পড়েছে... মাসুম ভাইয়ের...
সহি সালামতে ফিরে আসেন
আসছি, থ্যাংকু
শ্বশুরবাড়ি জিন্দাবাদ ......
একমাত্র জামাই! খাইছে।
আদর যত্নের ভারে দাড়াইয়া থাকতে পারেনতো মেসবাহ ভাই।
আদর যত্নের ভারে দাড়াইয়া থাকতে পারেনতো মেসবাহ ভাই।
ভালো কথা কৈছেন ! মাঝে মাঝে শুইয়া পড়তে হয়...
আফটার অল, একমাত্র জামাই বলে কথা...
মন্তব্য করুন