এই নগরের প্রেসক্লাবে যেতে চেয়েছিলেন কোটালীপাড়ার নির্মল সেন...
সূর্য সেনের সহযোগী, আপসহীন সাংবাদিক, মুক্তিযোদ্ধা, সারা জীবন মানুষের জন্য কাজ করে যাওয়া বাম রাজনীতিবিদ নির্মল সেন। কৃষক-শ্রমিক সমাজবাদী দলের প্রধান এ মানুষটির সাংবাদিকতার জীবন শুরু হয় ইত্তেফাকের সহকারী সম্পাদক হিসেবে। ১৯৬৪ সালে দৈনিক পাকিস্তানে যোগ দেন তিনি। দৈনিক পাকিস্তানের নাম একসময় হয়ে যায় দৈনিক বাংলা। সহকারী সম্পাদক নির্মল সেন। উপসম্পাদকীয় লিখতেন অনিকেত নামে। ১৯৭৪ সালে তাঁর আলোচিত উপসম্পাদকীয় ছিল 'স্বাভাবিক মৃত্যুর গ্যারান্টি চাই'। এ লেখার কারণে তৎকালীন সরকারের রোষানলে পড়েন তিনি। সরকার একসময় দৈনিক বাংলা বন্ধ করে দেয়। সাংবাদিক আর কর্মচারীদের বেতন-ভাতার জন্য তিনি একাই লড়াই চালিয়ে যান। টানা ৯ দিন অনশন শেষে দাবি আদায় করে তবেই মুখে খাবার তোলেন।
২০০৩ সালের নভেম্বরে হঠাৎ ব্রেন স্ট্রোক হয় তাঁর। বাঁ পাশ পা থেকে মাথা পর্যন্ত অবশ হয়ে যায়। মুখের কথা জড়িয়ে যায়। প্রথম প্রথম পড়তে পারলেও একসময় দৃষ্টিশক্তি কমে যায় তাঁর। পিজি হাসপাতাল আর মগবাজার কমিউনিটি হাসপাতালে চিকিৎসা নেন। অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে যান। মাত্র তিন মাসের মাথায় ফিরে আসেন সিঙ্গাপুর থেকে। আরো মাস দুয়েক চিকিৎসা নিলে অনেকটা সুস্থ হবেন বলে চিকিৎসকরা অভিমত দিলেও উপায় ছিল না। চিকিৎসা খরচ জোগাতে না পেরে দেশে ফিরে আসেন। সাভারের সিআরপিতে আট মাস ফিজিওথেরাপি নেন। একসময় সেটাও বন্ধ করে দিতে হয়। অর্থ সমস্যার কারণে ঢাকা ছাড়েন তিনি। ফিরে যান গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায়, দীঘিরপাড়ে। এটি তাঁর নিজ গ্রাম।
একপর্যায়ে ওষুধ খাওয়াও বন্ধ হয়ে যায়। কোথায় পাবেন ওষুধ কেনার টাকা? কেউ এ মানুষটির দায়িত্ব নিতে রাজি হয়নি। কোনো সরকার বা তাঁর কোনো সহকর্মী আর সহযোদ্ধাদেরও বিপদে পাশে পাননি তিনি। তাঁর একটিই অপরাধ ছিল, তিনি সারা জীবন সত্যের জন্য লড়েছেন। কাউকে ছেড়ে কথা বলেননি। কেউ তাঁর পাশে না দাঁড়ালেও ছোট ভাইয়ের ছেলে কঙ্কন সর্বক্ষণ ছায়ার মতো জেঠুর পাশে থেকেছেন। সাধ্যমতো চিকিৎসা, ওষুধ-পথ্য চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছেন। কিন্তু একসময় কঙ্কনেরও সাধ্য ফুরিয়ে আসে। চিকিৎসা বন্ধ হয়ে যায় নির্মল সেনের। বড় অসহায়ভাবে গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ার দীঘিরপাড় গ্রামে দিন কাটতে থাকে তাঁর। মাঝেমধ্যে গোপালগঞ্জ থেকে স্থানীয় কিছু সাংবাদিক এসে তাঁর খোঁজখবর নিয়ে যেতেন।
একসময়ের নির্ভীক সাংবাদিক ও কলামিস্ট নির্মল সেন টাকার অভাবে চিকিৎসা নিতে পারছেন না_এমন সংবাদ কোনো কোনো পত্রিকায় ছাপা হয়। তা কারো নজরে পড়ে, কারো পড়ে না। একসময়ের অনেক কাছের মানুষজনও খবরটি দেখে বা দেখে না। অবশেষে নির্মল সেনের চিকিৎসার একটা ব্যবস্থা করা হয়। ৭ এপ্রিল থেকে ৪ মে পর্যন্ত নিউরো মেডিসিনের অধ্যাপক সিরাজুল হকের অধীনে ল্যাবএইডে তাঁকে চিকিৎসা দেওয়া হয়। তাঁর শারীরিক অবস্থার উন্নতি হচ্ছিল। তবে তা খুব ধীরে। দীর্ঘদিন শরীরে প্রয়োজনীয় ওষুধ পড়েনি। মেলেনি ঠিকমতো পথ্যও। অথচ সুস্থ হওয়ার জন্য তাঁর প্রয়োজন ছিল ফিজিওথেরাপি আর নিয়মিত ওষুধ সেবন। এর কোনোটিই তিনি সঠিকভাবে নিয়মিত পাননি। অবশেষে আজীবন নির্বিরোধী এ মানুষটির মনোবলের কাছে ধীরে ধীরে হার মানতে থাকে তাঁর পঙ্গুত্ব। চলতে থাকে তাঁর ফিজিওথেরাপি। পাশাপাশি প্রয়োজনীয় ওষুধ। ক্রমেই তাঁর শারীরিক অবস্থার উন্নতি হতে থাকে। এক মাসের মধ্যে তিনবার মেডিক্যাল বোর্ড বসানো হয়। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা তাঁর চিকিৎসা নিয়ে পরামর্শ দেন। চিকিৎসক শোনান আশার বাণী। আমরা আশায় বুক বাঁধি। আবার হাঁটতে পারবেন, নিজ হাতে লিখতে পারবেন শোনার পর ডান হাতটা মুষ্টি করে ওপরে তোলেন তিনি। ফিক করে হেসে ফেলেন। আমরাও হাসি।
৩ মে তাঁর শারীরিক অবস্থা নিয়ে আরেকবার মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করা হয়। এতে অংশ নেন বিভিন্ন শাখার বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা। এর মধ্যে নিউরো মেডিসিনের অধ্যাপক সিরাজুল হক, জেনারেল সার্জন অধ্যাপক খাদেমুল ইসলাম, অর্থোপেডিক সার্জন অধ্যাপক এম আমজাদ হোসেন, ইউরোলজিস্ট অধ্যাপক জাহাঙ্গীর কবীর, গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজির ডা. স্বপন চন্দ্র ধর প্রমুখ। মেডিক্যাল বোর্ডের সদস্যরা নির্মল সেনের শারীরিক অবস্থা এবং বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার রিপোর্ট দেখে যা সিদ্ধান্ত দেন, তা
হচ্ছে :
০ তাঁর যে শারীরিক নিউরোলজিক্যাল সমস্যা আছে, তা সারতে লম্বা সময় লাগবে। এ লম্বা সময় ধরে নিয়মিত ফিজিওথেরাপি, ওষুধ সেবন এবং নার্সিং-সেবা প্রয়োজন।
০ এ মুহূর্তে তাঁর ভাঙা ডান পায়ের অস্ত্রোপচার করা যেতে পারে। অস্ত্রোপচারের পর তিনি লাঠিতে ভর দিয়ে আস্তে আস্তে হাঁটতে পারবেন। কিন্তু এতে সমস্যা হচ্ছে, অস্ত্রোপচারের কারণে পুনরায় তাঁর ব্রেন স্ট্রোক হওয়ার ৯০ শতাংশ আশঙ্কা রয়েছে।
০ আর যদি পায়ের অস্ত্রোপচার না করা হয়, তাহলে তাঁকে আর হাসপাতালে থাকার প্রয়োজন নেই। তাঁর প্রয়োজন মুক্ত জায়গায় মুক্ত বাতাস।
এ ব্যাপারে ল্যাবএইডের পক্ষ থেকে নির্মল সেনের সার্বক্ষণিক সাথি তাঁর ভাইপো কঙ্কনের সঙ্গে কথা বলা হয়। তিনি তাঁর আত্দীয়-পরিজনের সঙ্গে কথা বলে জানিয়েছেন, যেহেতু অস্ত্রোপচার করলে পুনরায় স্ট্রোক হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে, সেহেতু এ বয়সে এসে আবার অস্ত্রোপচারের ঝুঁকিতে যেতে কেউই রাজি নয়। সবার মধ্যে একটা ভয় কাজ করছে, যদি আবার কোনো অঘটন ঘটে যায়? অবশেষে সবাই মিলে আলোচনা করে ঠিক করা হয়, যেহেতু ঢাকায় তাঁর দেখভাল করার মতো কেউ নেই, সেহেতু নির্মল সেন আবার তাঁর গ্রামের বাড়ি ফিরে যাবেন। গোপালগঞ্জ শহর থেকে একজন ফিজিওথেরাপিস্ট প্রতিদিন কোটালীপাড়ায় এসে তাঁকে ফিজিওথেরাপি দিয়ে যাবে। ল্যাবএইডের পক্ষ থেকে ওষুধ, পথ্য, ফিজিওথেরাপিসহ আনুষঙ্গিক খরচের জন্য প্রতি মাসে নির্মল সেনের জন্য ১০ হাজার টাকা করে নিয়মিতভাবে পাঠানো হবে। এ ছাড়া যেকোনো জরুরি অবস্থায় প্রয়োজন হলে তাঁকে আবার ঢাকায় নিয়ে আসা হবে।
এ সংবাদটি নির্মল সেনকে দেওয়া হয়। বেঁকে বসেন তিনি। কোনোভাবেই ল্যাবএইড ছেড়ে যাবেন না তিনি। আধো আধো স্বরে তিনি জানান, তিনি পায়ের অস্ত্রোপচার করিয়ে ভালো হয়ে নিজে হেঁটে হাসপাতাল ছেড়ে যাবেন। কোটালীপাড়া গেলে তাঁর আর চিকিৎসা হবে না। চিকিৎসা করানোর মতো টাকা কঙ্কনের নেই। তিনি সুস্থ হতে চান। আবার নিজের পায়ে হাঁটতে চান। নিজের হাতে কলাম লিখে পত্রিকায় পাঠাতে চান। ছোট্ট শিশুর মতো জেদ ধরেন। কারো কোনো কথা শুনতে চাচ্ছেন না। ক্ষোভে আর অভিমানে একসময় শিশুর মতো কেঁদে ফেলেন। তাঁকে সান্ত্বনা দিই না, আসলে সান্ত্বনা দেওয়ার কিছু নেই। তাই অসহায়ের মতো চুপচাপ দাঁড়িয়ে দেখি। একসময় শান্ত হন তিনি। বুঝিয়ে বলি সব। তাঁর চিকিৎসার ব্যাপারে ল্যাবএইডের উদ্যোগের কথা বলি। তাঁর পরবর্তী চিকিৎসার ব্যাপারে নিশ্চয়তা দিই। এবার তিনি গ্রামে ফিরে যেতে রাজি হন। তবে একটি আবদার করেন। ঢাকা ছেড়ে যাওয়ার আগে তিনি শুধু একবারের জন্য প্রেসক্লাবে যেতে চান। তাঁর সতীর্থদের সঙ্গে একবার দেখা করতে চান।
আমি কিছু বলি না। কী বলব? কত শত দিন জাতীয় প্রেসক্লাবে সময় কাটিয়েছেন এ মানুষটি। প্রেসক্লাবে তাঁর কত স্মৃতি। তাঁর বয়সী খুব বেশি না হলেও তাঁর অনুজ অনেক সাংবাদিক এখনো কাজ করছেন। তাঁদের সঙ্গে দেখা হবে। কথা হবে। আড্ডা হবে। স্বপ্নময় হয়ে ওঠে তাঁর চোখ দুটি। ভাবনায় ছেদ পড়ে আমার। হঠাৎ খেপে ওঠেন কঙ্কন।
'জেঠু, কেন যাবে তুমি প্রেসক্লাবে? কোন মানুষের সাথে দেখা করতে? এতগুলো দিন তুমি হাসপাতালে, কয়জন মানুষ তোমাকে দেখতে এসেছে? এতগুলো বছর তুমি অসুস্থ। কে তোমার খবর নিয়েছে?'
প্রশ্নগুলো অভিমানী স্বরে জেঠুর দিকে ছুড়ে দেন কঙ্কন। তারপর গলার স্বর একটু নরম করে বলতে থাকেন, 'তোমার প্রেসক্লাবে যাওয়া চলবে না। তার চেয়ে চলো, আমরা বাড়ি ফিরে যাই। সেখানে তোমার ফিজিওথেরাপি চলবে। তুমি নিয়মিত ওষুধ-পথ্য খেতে পারবে। আগে তুমি সুস্থ হয়ে উঠো, তারপর আমি নিজে তোমাকে প্রেসক্লাবে নিয়ে যাব।'
কঙ্কনকে মাসখানেক থেকে শান্ত আর নিরীহ হিসেবেই দেখে এসেছি আমি। হঠাৎ তাঁর এ আচরণে চমকে উঠি। নির্বাক শ্রোতা আর দর্শক আমি। কিছু বলি না। কয়েক মিনিট কঙ্কনের দিকে তাকিয়ে থাকেন নির্মল কাকু। তারপর কেঁদে ওঠেন বেশ শব্দ করে। নির্মল সেনের চোখ দিয়ে নির্মল জল গড়িয়ে পড়ে। আমার হাতটা আরো শক্ত করে চেপে ধরেন। আমি কাকুকে জড়িয়ে ধরি...। একসময় অবাক হয়ে দেখলাম, হাসপাতালের কক্ষে থাকা আমরা সবাই কাঁদছি। কেউ বাইরে, কেউ ভেতরে। কারোটা দেখা যায়। কারোটা যায় না।
কঙ্কনের নিষেধ করার কারণে, নাকি নিজের প্রতি অভিমানে, জানি না। এ যাত্রা আর নির্মল সেনের জাতীয় প্রেসক্লাবে যাওয়া হয় না। ৫ মে সকালবেলা অ্যাম্বুলেন্সে শুয়ে তিনি রওনা হন তাঁর গ্রামের বাড়ি কোটালীপাড়ার পথে। এই নগরের প্রেসক্লাব তাঁর জন্য বড্ড দূরে মনে হয়...।
(আজ কালের কন্ঠের ম্যাগাজিন রাজকূট এ প্রকাশিত)





শ্রদ্ধেয় নির্মল সেনের দর্ঘিজীবন এবং সুস্থতা কামনা করি।
খুব ভালো লিখেছেন মেসবাহ ভাই। সৃ্ষ্টিকর্তা আপনাকেও ভালো রাখুক। আপনার মতো ভালো মানুষদের খুব প্রয়োজন।
আমি ভালো মানুষ ! ভালো কথা মিথ্যে হলেও শুনে সুখ...

বরেণ্য সাংবাদিক শ্রদ্ধেয় নির্মল সেনের পরিপূর্ণ সুস্থতা কামনা করছি। মেসবাহ ভাইকে ধন্যবাদ চমৎকার এই লেখাটির জন্য।
ধন্যবাদ ভ্রাতঃ । বালিকাদ্বয় আছে কেমন ? ওদের জন্য আদর...
আমার নাম নাই, ফটুকটা যে আমার তুলা এইটা...
এইটার জন্য আমি দায়ী নই। বাজকূটের বিভাগীয় সম্পাদকের সাথে কথা বলুন। প্রয়োজন মনে করলে আপনি তার নামে মানহানীর মামলা ঠুকে দিতে পারেন। জেনে রাখুন, প্রেস সংক্রান্ত মামলা করতে হয় প্রেস কাউন্সিলে... প্রেস কাউন্সিলের ঠিকানা লাগলে আওয়াজ দিবেন।
ভালো কথা, বন্ধুরা শুনে রাখুন- নির্মল কাকুর ছবিটা রায়হান ভাইয়ের তোলা
বেগতিক্রে খাইছি
শাস্তি স্বরুপ ওরে মুর্গা বানাইলে কিরাম হয় ?
ছবিটা তো রায়হান ভাইয়ের ... তাই না?
হ, হ এইডা আমি রায়হান ভাইয়ের মন্তব্যে কৈছি
ছবিটা রায়হান ভাইয়ের না, নির্মল সেনের। ছবিটা তুলছেন রায়হান ভাই
ইদানীং টুটুল চামে প্যাঁচ লাগাইয়া দেয়...
আপনিও আমার মতো পত্রিকা থেকে কপি পেস্ট শুরু করছেন?
হ, ঠিক... টুকলিফাই
আগেও নির্মল সেনকে নিয়ে আপনার লেখায় বলছিলাম, আবারো বলি - কঙ্কনকে স্যালুট। এইযুগে এইরকম কয়জন করে?
অনেকদিন আগে ভার্সিটির একটা প্রোগ্রামে এসছিলেন। হুইল চেয়ারে বসে। সে সময় তাকে কাছ থেকে দেখার ও জানার সুযোগ পেয়েছিলাম। বয়সে অনেক বড় হলেও আমাদের কাছে তিনি নির্মল দা। ভার্সিটিও ওই প্রোগ্রামের পরে ওই যে বললেন মাঝে মাঝে পেপারে খবর বের হয়, সেটুকু শুধু চোখে পড়েছে।
আপোষহীন কলমটির প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা। হৃদয়ের অন্তস্থল থেকে তার আরোগ্য কামনা করছি।
এইটা একটা প্রিয়তে নেয়ার মতো পোস্ট। য়াযাদ ভাইকে অসংখ্য ধন্যবাদ
প্রেসক্লাবে না গিয়া ভালোই করছেন। আগের প্রেসক্লাব আর নাই। প্রেসক্লাবের সভাপতি এখন জামাতি
কোথায় নাই জামাতি ? তয় ধর পাকড় শুরু হৈছে... আশায় আছি...
নির্মল সেনের প্রতি শ্রদ্ধা ।
নির্মল সেনের প্রতি শ্রদ্ধা জানাই। আমি তার কিছু ছবি তুলে ছিলাম আমার মোবাইল ক্যামেরা দিয়ে। একটা দেখুন।

তবে আমার ওস্তাদ হাসান ভাই সুন্দর ছবি তুলেছেন।
ফটুক ভালো হৈছে
সাহাদাত ভাই ছবি চমৎকার হয়েছে।
অনেস্টলি একটা কথা কই ওস্তাদ। আপনার ছবিতোলার হাত দুর্দান্ত। মোবাইলে আমার ডিএসএলআর থিকা অনেক ভালো ছবি তুলছেন।
ওস্তাদ,
কি যে বলেন! আজ আপনার পুরো ব্লগ পড়লাম, ছবি দেখলাম। দেশ কিছু ছবি কপি করে রেখে দিলাম। আপনি অনেক সুন্দর ছবি তুলেন। আপনার কথা শুনে বাংলা লিখতে শিখেছি, এখন মনে হয় আপনার দেখা দেখি ছবি তোলাও শুরু করি।
আমি প্রায়ই মোবাইলে ছবি তুলি। ক্যামেরার ছেয়ে মোবাইলে ছবি তুলতে আমার ভাল লাগে! হা হা।
(আসল কথা কই - অনেক টাকা হলে আমি আইফোন ৪ কিনবা এইচটিসি'র লেটেস্ট মোবাইল কিনুম কিন্তু ক্যামেরা কিনুম না!)
আপনার জন্য শুভ কামনা। পোস্ট দিন।
নির্মল সেনের প্রতি শ্রদ্ধা ।
মন খারাপ হইয়া গেল
মন্তব্য করুন