৫ হাজার টাকার কমতো নয়ই....!!!
খুব বেশি দিন আগের কথা না। অনেকগুলো ব্রিজ তখনো হয়নি। ঢাকায় আসতে চাইলে লোকজনের পুরা দিন চলে যেত। সকালে রওয়ানা করলে মধ্যরাতে এসে ঢাকায় নামতো। বিশেষ করে ঈদ বা অন্য কোনো ছুটিতে মানুষের ভোগান্তির শেষ ছিলনা। ফেরি পারাপার ছিল। ফেরির জন্য ঘন্টার পর ঘন্টা লাইনে থাকতে হত। আহ, কত কষ্ট ছিল মানুষের !
বিশেষ করে যমুনার ওপারের লোকজনের অবস্থা ছিল বেশি খারাপ। ধরুন আপনার বাড়ি সিরাজগঞ্জ। বিশেষ প্রয়োজনে ঢাকায় আসতে হবে আপনাকে। সকালের বাসে রওয়ানা হলেন। নগরবাড়ি ঘাটে পোঁছে গাড়ীর লাইনে পড়লেন। ৫/৭ ঘন্টা পরে ফেরিতে উঠলেন। ফেরি চললো ২/৩ ঘন্টা। আরিচায় আসলেন। তারপর ঢাকায় আসতে আরো ২/৩ ঘন্টা। মানে বাড়ি থেকে বেরুনোর পর আপনার কমপক্ষে ১০/১২ ঘন্টা লাগলো। একইভাবে বৃহত্তর রংপুর, বগুড়া, দিনাজপুর, রাজশাহীর লোকজনের অবস্থা ছিল।
একদিন যমুনা সেতু চালু হলো। এখন এসব অঞ্চলের মানুষেরা খুব সকালে রওয়ানা করে ইচ্ছে করলে ঢাকায় ১/২ ঘন্টার জরুরি কাজ সেরে মোটামুটি রাত ১০/১১ টার মধ্যে আবার ফিরে যেতে পারেন বাড়িতে। এতো গেল যমুনার ওপারের মানুষের কথা। এবার দেখা যাক, ঢাকার আশেপাশের লোকজনের অবস্থা।
আপনার বাড়ি নারায়ণগঞ্জ জেলার কোনো এক উপজেলায়। মনে করি সে জায়গার নাম আড়াই হাজার বা তিন হাজার । আপনাকে ঢাকায় আসতে হবে। আল্লার নাম নিয়ে রওয়ানা হলেন আপনি। তখনো কাঁচপুর ব্রিজ হয়নি। ডেমরা ফেরি ঘাটে এসে আপনি ঘন্টার পর ঘন্টা বসে রইলেন। একসময় ফেরিতে উঠলো আপনার বাস। এপারে আসলেন। ঘড়ির দিকে তাকিয়ে দেখলেন, ইতোমধ্যে ৬/৭ ঘন্টা শেষ।
আবার মনে করুন আপনার বাড়ি গোড়ান, বাসাবো, মাদারটেক (আমি বলতাম কাদারটেক) এলাকায়। সেখান থেকে ঢাকায় আসাও একটা বড় হ্যাপা । প্রথমে হেঁটে, তারপর রিকশায়, কখনো কখনো নৌকায়, তারপরে টেম্পু বা বাসে...। নাগরিক সুবিধার বাইরে ছিল এসব এলাকার মানুষজনেরা। বড় মায়া হত এসব মানুষদের জন্য। আহহারে ! এই সেদিনও বাড্ডা এলাকার মানুষজনেরা কত কষ্ট করে মুল ঢাকায় আসতো। গ্যাস, কারেন্ট এসব কিছুই ছিলনা। রামপুরা - সদরঘাটে চলা মুড়ির টিন জাতীয় একধরনের বাস ছিল। সেসব চলাচল বন্ধ হল। রামপুরা টিভি সেন্টারের সামনে একটা ব্রিজ হল। বাড্ডা এলাকার মানুষেরা নাগরিক সুযোগ সুবিধা পেতে থাকলো। এই সেদিনও উত্তরা আর মিরপুরের বাসিন্দারা বলতো- ঢাকায় যাচ্ছি। আর এখন ? এই সকল ঘটনা ১০ থেকে ১৫ বছর আগের।
এই অংশটি পুর্বানুমতি ছাড়াই রায়হান ভাইকে উৎসর্গ করা হল :
সদ্য যমুনা ব্রিজ চালু হয়েছে। যমুনা ব্রিজের ওই পাড়ের কোনো এক জেলার ২ ভদ্রলোক নতুন ব্রিজ দেখতে এলন। বলাবাহুল্য, এভারেজ লোকজনের মত ওই ২ জনেরও আয়োডিনের অভাব ছিল। আর অয়োডিনের অভাব মানেই হচ্ছে বুদ্ধি শুদ্ধি কম ( ভদ্র ভাষায় বললাম। রায়হান ভাই হলে হয়ত বলতেন- বলদ বা বে-আক্কেল ) । তো, ব্রিজ দেখা শেষ। একজন আরেকজনকে বললো- দেখছো, কত বড় পোল বানাইছে ! আচ্ছা কওতো দেখি, এই পোলটা বানাতে কত টাকা খরচ হয়েছে ? অন্যজন বললো, কত খরচ হয়েছে বলতে পারবো না। তবে ৫ হাজার টাকার কমতো নয়ই....!!!)






এইটা এই দশকের সেরা পোস্ট হইছে। আহ কি রসভোদ আপনার। জাঝা।
আহ কি রসভোদ আপনার। জাঝা।
=)
বছর খানেক আগেও রামপুরা দক্ষিন বনশ্রী যেতে সেই রকম কষ্ট হতো।
তয় পোস্ট পইড়া পুরান একটা প্রবাদ মনে পড়ল। পাছাত নাই ত্যানা ঘি ছাড়া বাত খায় না।
আমিতো জানতাম, পরনে কাপড় নাই, মাথার ওপরে ছাতা চাই
যাক গে, আমি ভালোবাসার ব্যাপার বুঝি নাই
আমার জানাটা হচ্ছে "পুঙায় নেই ত্যানা, নিত্যি হাটে তামুক কিনা*"।
(*কেনা-ক্রয়)
আমি শুনছি,... "ভাত পাইনা পোলাও খাই, মোটর সাইকেলে বাথরুম করতে যাই" (ভদ্রভাষায় কইলাম আর কি) :p
হলুদ মোটরসাইকেল?
"ভাত পাইনা পোলাও খাই, মোটর সাইকেলে বাথরুম করতে যাই" - সিস্টার জেবীন, আপনার এ মন্তব্য বাঁধাইয়া রাখার মত হয়েছে!
মেসবাহ ভাইকে পাঁচতারা দিলাম।
মন্টা খারাপ ছিলো, ভালো হইয়া গেলো।
ভদ্রমহোদয় এবং ভদ্রমহিলাগন,
কানাকে কানা বলিবেন না। কানাকে কানা বলিলে কানার মনে বড় ব্যথা পায়...
রায়হান ভাইকে কানা বলিয়া ছুট করার জন্য মেজবাহ ভাইকে তীব্র দিক্কার।
আপনি রায়হান ভাইকে কানা বললেন? চশমা পরে বলে কি চোখে দেখে না নাকি? আজব তো! ধিক্কার।
তাইতো চশমা পরে তো কি হৈছে! মেজবাহ ভাই কি বলেন?
বাদ দেন। বয়স্ক মানুষ একটা কথা বলে ফেলছে।
কিন্তু মেজবাহ ভাই পোস্ট দিয়া কই পলাইলো!
ফোন দেন।
এই লেখার ট্যাগিং হলো ভালোবাসা
ইয়াযিদ উদরাযি ২টারই ট্যাগ ভালোবাসা হরিহর আত্মা।
এইটা তো ভালোবাসারই পোস্ট।
হ। মেজবাহ ভাই আর রায়হান ভাইর ভালোবাসা।
লীনাপা, চ্যাটে আসেন
বাজে কথা বলেনা ।
আজব তো! মেসেন্জারে আসতে বলা কি বাজে নাকি?
আপনি গুলাছেন।
তারা দোস্তানা-২ তে অভিনয় করবে নাকি??

গুরু, দুনিয়াতে ভালবাসা ছাড়া আর কি আছে!
চুপচাপ পড়ে গেলাম।
সত্যিইতো, মন ভাল করা পোস্ট ! আরো চাই ।
পোস্ট পড়তে পড়তে যা মনে পড়সিলো সেইটা দেখি একবার টাইপ করা হয়ে গেছে।
মাথার উর্পে দিয়া গেল...
উপ্রেই তো, বড়ভাই কমেন্টে লিখে রাখসে। তাই দ্বিরুক্তি কর্লাম না।
সুন্দর লাগল!
মজারু পোস্ট।
শুভেচ্ছা, য়াযাদ ভাই।
হ মজার পোস্ট হইছে য়াযাদ ভাই
এদ্দিন বাদে ফেরির কষ্ট কেন মনে নিলেন বুঝলাম না, আদ্যিকালে কই কই রওনা দিতেন সেইসব কাহিনী মনে করেই কি?...
সত্যবচনঃ পোষ্টের মাজেজ বুঝি নাই, খালি রায়হানভাইরে খোচাঁনি দেয়ার চেষ্টা নেয়া হইছে এটা মালুম হইল! (কিন্তু উনি নূহ নবীর আমলের এটা নিজেই বলছেন, তাই স্বাভাবিক ভাবেই গভীর জলের এ্যানাকোন্ডা, ধরা ছোয়াঁ বাইরের)
এত দেরি কৈরা আলুপোড়া খাইতে !!!
আলু কি তাইলে আসলেই পুড়ছিলো?!... আমি তো ভাবছি এরা টেরাইয়ের সাথে চেষ্টা দিছিলো পুড়বার জন্যে!!... :)
হাহ আলু পোড়া! মেজবার মত ইয়েয় (বলদ না কিন্তু উনি, উত্তর বঙ্গের লোকদের বলে উনি ভাবে উনি অনেক .. ) দিব আলুপোড়া! মেজবায় আলু পঁচাইছে।
তাইলে কি বলতে চান, মেসবাহভাইয়ের আলু রাখার কোল্ড স্টোরেজ আছে?... যথাযথ বিদ্যুতের সরবরাহ না কইরা উনি আলু পচাঁছেন?... 8) কিন্তু এইখানে আপ্নেরে টানলো কেনু কেনু?
উনি মুরুব্বি মানুষ শখ হইছে। টানুকনা সমস্যা কী? টাইনা উন কি সুখী। উনার হাসি মুখ দেখতে খুব ভালো লাগে।
হ রায়হান ভাই।আল্লাহ সবুরকারীদের পছন্দ করে।
আর উনার অনেক দিনের আহ্লাদ আমার সাথে পেচ্ছাপেচ্ছি করবে।
তাইলে করেন পেচ্ছাপেচ্ছি।আমরা হাত তালি দেই।
পানি নিয়া গ্যালারীতে বসলাম।
গোড়ান এলাকা থেইকা নৌকা লাগতো খালি বড় বন্যায়, ধরেন ১৯৮৮, ১৯৯৮ আর ২০০৪

আপনে জনতা বিভ্রান্ত করছেন।
আর কৌতুকটার আমি যেই ভার্ষন শুনছি, সেডা হৈলো:
কয় ব্যাগ সিমেন্ট লাগছে!
উত্তর আছিলো, ১০০ ব্যাগের কম তো না!
মেনিপুলেটেড পোষ্টে রায়হান ভাইরে খুঁচানির ট্রাই করা হৈছে, ভ্রান্ত তথ্য দিয়া!
মাইনাস!
ঐদিন মাসুম ভাই বলছিলো: জানেন নাকি য়াযাদের বাবায় বাড়ির নাম রাখছে যন্ত্রণা।
আমিতো অবাক। এমন নাম কেউ রাখে নাকি!
মাসুম ভাই মুচকি হাসি দিয়া বলেন, মেসবাহর মত ছেলে যেই বাড়িতে থাকে তার নাম তো যন্ত্রনাই সব থিকা এপ্রোপিয়েট।
আবার মনে করুন আপনার বাড়ি গোড়ান, বাসাবো, মাদারটেক (আমি বলতাম কাদারটেক) এলাকায়। সেখান থেকে ঢাকায় আসাও একটা বড় হ্যাপা । প্রথমে হেঁটে, তারপর রিকশায়, কখনো কখনো নৌকায়, তারপরে টেম্পু বা বাসে...।
ঢাকার কোন দিকে গোড়ান, বাসাবো, মাদারটেক (মেসবাহ ভাইয়ের ভাষায় কাদারটেক)???
এহ, য়াযাদ ভাই দেখি ঢাকাই চিনেনা,
শ্বশুর বাড়ি আড়াই হাজার
সেডাই মনে করলেন ঢাকার বাহার?
ওরে নয় ভাই নয়!

যেদিন ঢাকার ওভারব্রীজ গুইন্যা শেষ করতে পারবেন, সেইদিন ঢাকায় হুগনার দিনে নৌকার হিসেব করতারবেন!
হরে বিলাই, ঢাকায় নতুন আইছিতো... তেমন কিছু চিনিনা
আমার বৌয়ের বাপের বাড়ি আড়াই হাজার বা তিন হাজারে না, নারায়ণগঞ্জ শহরে...
য়াযাদ দাদাভাই শারুকখানের কনসার্ট নিয়া একটা পোস্ট দেন।
সিমলারে দেখছিলেন?
শোবিজ প্রতিবেদক
শাহরুখ উন্মাদনা রীতিমতো ঢাকাকে নাড়িয়ে দিয়ে গেল। কিন্তু শাহরুখের মঞ্চে না উঠে এদেশের চলচ্চিত্রাঙ্গনের এক নায়িকাও আসর কম মাতাননি। অনুষ্ঠানে চিত্রনায়িকা সিমলার স্বল্প পোশাকের কারণে উৎসুক দর্শকের ভিড় সামলাতে শেষ পর্যন্ত নিরাপত্তাকর্মীদের হস্তক্ষেপ করতে হয়েছে। বাংলাদেশি চিত্রনায়িকা সিমলা স্বল্প পোশাকে শাহরুখ খানের কনসার্টে ঢোকার পরপরই তাকে একনজর দেখতে উদগ্রীব জনতার ভিড় শুরু হলে সিমলা বেশ বিব্রতকর অবস্থায়ই পড়েন।
খোশ আমদেদ!
আমিতো ভাবছিলাম মল্লিকার শেরওয়াৎ এর পার্টনার!
খাইছে। বিপশা বসু টাইপ হইয়া গেছে।
গুরু, আপনার তারিফ করি।
নাউজুবিল্লাহ ! যাই অজু কৈরা আসি...
এই জিনিষ তো আগে দেখি নাই? গুডজব রায়হান ভাই
ফান হলেও শেষ প্যারাটা পড়ে কেমন যেন ধাক্কা খেলাম। কিরকম ভয়ংকর দরিদ্র এদেশের মানুষ!!!
নো মোর পেচ্ছাপেছি... আজ মনডা বহুত বালা। নতুন চাকরী কনফার্ম করলাম... এ সপ্তাহে চাকরী ছাইড়া দিমু....

কন কি? আমারে সাগরে ভাসাই! আমিও মনে হয় .।। আর একটা ইন্টারভিউ আছে মাত্র! আল্লাহ মালিক!
পেচ্ছাপেচ্ছি মিস করলাম। কি কাহিনী? কৈ যাইতাছেন?
আড্ডার জায়গার কী হবে?
আমিও মিস করছি।
ঢাকার বাইরে আই মিন আড়াইহাজার বা তিনহাজার কোনোখানে যাইতেছিনা।
তয় এমডি পাল্টাইতেছি... দোয়া রাইখেন শখত মামা
সময়ে সব বদলে যায়!
বাড্ডার কিছু অংশ তো এখনো ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের আওতার বাইরে শুনি!
মন্তব্য করুন