ইউজার লগইন

হট যোগ হট সমান কোল্ড

mesbah
আজ থেকে প্রায় দুই বছর আগে জুন মাসে আমরা সাত জন রওয়ানা হলাম হানিফ এন্টারপ্রাইজের বাসে। আমি, রোদ্দুর, রোদ্দুরের মা, গিয়াস, শিপলু, অন্যতমা আর বর্ণমালা। বাস কল্যানপুর থেকে ছাড়লো বিকাল চারটায়। সব ভাল হলে রাত নয়টার ভেতরে পৌঁছে যাবার কথা গন্তব্যে। আমাদের বাস যখন যমুনা সেতুর কাছাকাছি অর্থাৎ টাঙ্গাইলের অ্যালেঙ্গা বাজার পার হবার পরই শুরু হলো- ঝুম বৃষ্টি। সন্ধ্যা হবে হবে। কী অসাধারন সে বৃষ্টি ! বৃষ্টির মধ্যেই যমুনা সেতু পার হলাম। কাকতালীয়ভাবে সেতুর অর্ধেকটা পার হবার পর বিপরীত দিক থেকে একটা ট্রেনও এল। হোকনা লোকাল ট্রেন ! তাতেও ছেলে মেয়েরা যা আনন্দ পেলো !
ggg
বনলতা সেনের নাটোর পার হলাম রাত নয়টার পরে। তখনও তুমুল বৃষ্টি। আমাদের থাকার ব্যবস্থা হয়েছে শাহেব বাজার এলাকায় একটা হোটেলে। ব্যবস্থাকারী ছোট ভাই সুমনকে বার বার করে বলে দিয়েছি- অবশ্যই যেনো এসি রুম নেয়। রাজশাহীতে এমনিতেই চরম গরম। তারমধ্যে সেসময় চলছিল আম পাকা গরম। সুমনের সাথে একটু পর পরই কথা হচ্ছিল। অবশেষে আমাদের বাস রেল স্টেশনের উল্টোদিকে যখন থামলো, তখন রাত প্রায় এগারোটা। সুমন আমাদের নিয়ে হোটেল রুম বুঝিয়ে দিল। ব্যাগ-ট্যাগ রেখে হাতে মুখে পানি দিয়ে বেরিয়ে পড়লাম খাবারের সন্ধানে। খেয়ে হোটেলে যখন ফিরলাম, তখন মধ্যরাত। এত বৃষ্টির পরও বেজায় গরম। রুমের ফুল এসি ছেড়ে শুয়ে পড়লাম। রাত একটার দিকে ঘুম ভেঙ্গে গেল। প্রচন্ড গরমে। বিদ্যুৎ নেই। এসিতো এসি, ফ্যানও চলছে না। জেনারেটর কাজ করছে না। গরমে দীর্ঘসময় এপাশ ওপাশ করে মেষ রাতের দিকে ঘুমিয়ে পড়লাম। ঘুম ভাঙ্গলো সকাল দশটায়, সুমনের ফোনে। এগারোটা নাগাদ নাস্তা সেরে মাইক্রো নিয়ে বেরিয়ে পড়লাম আমরা। গন্তব্য চাঁপাই...
d
মাইক্রোতে বসে সবার সেদ্ধ হবার যোগাড়। আজ শুক্রবার, তাই এসি মাইক্রো পাওয়া যায়নি। সুমন কৈফিয়তের সুরে বললো। ওকে কী বলবো ! গরমে আমাদেরই যা-তা অবস্থা। বাচ্চাদের কষ্ট সহ্য হচ্ছিল না। মাইক্রো চললে বাইরে থেকে লু-হাওয়া আসে। না চললে ভেতরে মনে হয়- ইটভাটায় আছি। কোনো রকমে চাঁপাইতে পৌঁছলাম। আগে থেকেই উপস্থিত ছিলেন- দেশ টিভির মালেক ভাই আর প্রথম আলোর দিলু ভাই। দিলু ভাইয়ের জরুরি কাজ থাকাতে তিনি বিদায় নিলেন। মালেক ভাই রয়ে গেলেন আমাদের সাথে। তার নির্দেশনায় আমরা শহর ছেড়ে বেরিয়ে পড়লাম। আমরা তার কোনো এক আত্মীয়ের আম বাগানে যাব। রাস্তার দুই পাশে সব আম বাগান। ছোট ছোট গাছে শয়ে শয়ে বিভিন্ন প্রজাতির আম ঝুলে আছে। অবাক বিস্ময়ে দেখছি। ছোটরা চিৎকার দিয়ে দেখাচ্ছে- একজন আরেক জনকে। ঘন্টাখানেক চলার পর গ্রামের ভেতরে এক আম বাগানে নামলাম আমরা। ছায়া যদিও মিললো, মিললোনা এক ফোটাও বাতাস। অসহ্য গরম আর ঘামে আমরা একাকার। সাথের গামছা আর তোয়ালে ভিজিয়ে বাচ্চাদের হাত-মুখ-গলা মুছে দিচ্ছি। ওদের অবশ্য গরমের দিকে খেয়াল নেই। বিশাল আম বাগানের মাঝে দৌড়াচ্ছে ওরা। হাত দিয়ে ছুঁয়ে দেখছে আম। ছোট ছোট গাছগুলো আমের ভারে এক্কেবারে নুয়ে পড়েছে। হাত বাড়ালেই আম। বাচ্চাদের জন্য এ এক বিশাল অভিজ্ঞতা !
z
দুপুর গড়িয়েছে অনেকক্ষণ। এতক্ষণে টের পেলাম, ক্ষুধা পেয়েছে। যদিও বাচ্চারা মহা আনন্দে আছে। আমরা ফেরার কথা বল্লাম মালেক ভাইকে। অবাক চোখে তাকালেন তিনি। চালা মতন একটা ঘরে গেলেন । মিনিট পাঁচেক পরে ফিরে এসে বল্লেন, খাবার রেডি। সেই চালা ঘরের সামনে (যেখানে রাতে আম পাহারা দেবার লোক থাকে) হোগলা পেতে আমাদের বসতে দেয়া হল। গরম ভাত, আলু ভর্তা, গরুর গোশত আর ডাল। কী যে মজার ছিল সে খাবার ! খেয়ে আবার দৌড়-ঝাঁপ শুরু করলো বাচ্চারা। এর মধ্যে দুপুর গড়িয়ে বিকেল। প্লেট ভর্তি করে আমাদের কাঁচা আম খেতে দিলেন। মুখে দিয়ে সবাই এ ওর মুখের দিকে তাকাচ্ছি । জীবনে অনেক আম খেয়েছি। কিন্তু এরকম সু-স্বাদু আম আমি অন্তত আমার জীবনে খাইনি। বাচ্চারা পর্যন্ত কচ কচ করে কামড়ে খেতে থাকলো। বাগানের লোকজন মিটি মিটি হাসছে। আরেক প্লেট নিয়ে এল ওরা। এর নাম কাঁচা-মিঠা আম। আম খাওয়া শেষ। ছবি তুললাম কয়েক শ। বিশেষ করে বাচ্চাদের। আগামীকাল বিকালে আমরা ঢাকার পথে রওয়ানা হব। তার আগেই আমাদের কেনা আমগুলো পৌঁছে দেবেন মালেক ভাই। আমরা বাগানের লোকদের কাছে বিদায় নিয়ে রওয়ানা হলাম। এবারের গন্তব্য- ছোট সোনা মসজিদ।
d
আধা ঘন্টার পথ। সূর্যের তেজ কিছুটা কমেছে, তবে গরম তেমন কমেনি। ছোট সোনা মসজিদে গেলাম। অনেক পুরানো স্থাপনা। কী যে সুন্দর ! সামনে মাজার। পাশেই বিশাল দিঘী। দিঘীর পানিতে সবাই হাত-মুখ ধুয়ে নিলাম। একটু সামনে ছোট একটি চা দোকান। গরুর দুধের চা আর গরম গরম পিঁয়াজু ভাজা খেলাম। অল্প দুরেই ভারতে যাবার বোর্ডার। সন্ধ্যা হতে বেশি বাকী নেই। আমরা আবার রওয়ানা হলাম। পথেই কানসাট বাজার। বৃহত্তর রাজশাহী অঞ্চলের সবচেয়ে বড় পাইকারী আমের বাজার এটি। এই কানসাট এলাকা আরেকটি কারনে বিখ্যাত। বেশ কবছর আগে পল্লী বিদ্যুতের দাবীতে এখানে হাজার হাজার মানুষ আন্দোলন করে। এর মধ্যে পুলিশের গুলিতে বেশ কজন নিহত হয়। এই আন্দোলনের অন্যতম নেতা ছিলেন- গোলাম রাব্বানী। সেই বিখ্যাত কানসাট বাজারে নামলাম আমরা। চারদিকে শুধু আম আর আম। আমরা এক দোকান থেকে খাবারের জন্য পাঁচমিশালী এক পাল্লা (৫ কেজি) আম কিনলাম। আম চাষীরা বিভিন্ন বাগান থেকে সাইকেলের দুই পাশে বেঁধে আম নিয়ে আসে বাজারে। সেখান থেকে পাইকাররা সে আম কিনে নেয় আর তা সারা দেশে ছড়িয়ে যায়। রাতে হোটেলে ফিরে কেনা আমগুলো খেলাম। কী অসম্ভব স্বাদ ! একেকটা আমের স্বাদ একেক রকম। হোটেলে ফিরতে ফিরতে রাত নয়টার মত। আমরা রুমে ঢুকার মুখে ম্যানেজার আশ্বস্ত করলেন, আজ আর বিদ্যুৎ যাবেনা। শান্তিতে ঘুমাতে পারবো। আজ শুক্রবার। সবাই খুবই টায়ার্ড। দশটায় খেয়ে শুয়ে পড়লাম। কী শান্তি ! ফুল এসি ছেড়ে দিয়েছি। কখন ঘুমিয়ে পড়েছি টেরই পাইনি।
s
পরদিন বেশ আয়েশিভাবে উঠলাম ঘুম থেকে। নাস্তা সেরে চলে গেলাম বরেন্দ্র যাদুঘর দেখতে। কত শত পুরো কীর্তি। সেখান থেকে বিসিকে। রাজশাহীতে এলাম রেশম শিল্প দেখবোনা, তাও কি হয় ! সিল্কের দোকানে গেলাম। সিল-গালা খেলাম। তারপর পদ্মার পাড়ে। মরা পদ্মা, শুকিয়ে গেছে। তবে প্রচুর ছেলেপুলেরা এ অঞ্চলে ডেটিং করে নিয়মিত। কিছুটা সেন্সরহীন ভাবে। বাচ্চা-কাচ্চাদের সামনে কী আর এসব দেখা যায় ? নিজেরা হলে নাহয় অন্য কথা ছিল। পদ্মার পাড় ছেড়ে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস। হাতে সময় বেশ কম। সামান্য সময় কাটিয়ে হোটেলে। ব্যাগ গোছানোই ছিল, নিয়ে হোটেলে ঢুকলাম। নাকে-মুখে খেলাম। তারপর ট্রেন স্টেশনের পথে ছুটলাম। আমরা স্টেশনে পৌঁছার মিনিট তিনেকের মধ্যে ট্রেন ছাড়লো। ইয়া বিরাট ট্রেন। আমাদের এ অঞ্চলের ট্রেনের মত না। ট্রেন ছুটছে ঢাকার পথে। আস্তে আস্তে স্পিড বাড়ছে। পেছনে পড়ে রইলো সুমন, মালেক ভাইরা...
dd

পোস্টটি ৭ জন ব্লগার পছন্দ করেছেন

রাসেল আশরাফ's picture


রাজশাহী নিয়ে লেখা।ওয়াও।।

কমেন্টে আমি পয়লা। Big smile Big smile

হাসান রায়হান's picture


গত মাসের ফলাফল পর্কাশ হয় না কেন?

রাসেল আশরাফ's picture


খেলার মাঝখানে মেসবাহ ভাইতো ঘোষনা দিয়ে দিয়েছিলো উনি খাওয়াবেন তাই রেজাল্ট প্রকাশ করা হয় নাই। Smile Smile

মেসবাহ য়াযাদ's picture


খাওয়ামু মাইনে কী ! এর মধ্যে ২ বার খাওয়াইয়া লাইছি... মেলা লোক স্বাক্ষী কৈলাম !!

রাসেল আশরাফ's picture


শাহেব বাজার না ওটা সাহেব বাজার। Crazy Crazy

মেসবাহ য়াযাদ's picture


ওই হৈলো ! এইডাতো ব্লগ, নাকী বলো ?
আমিতো নিজেরে লেখার মানদন্ডে রবীন্দ্রনাথ, নজরুল বা নিদেনপক্ষে রায়হান ভাইয়ের মত মনে করিনা।
তাইলে ২/৪ টা বানাম্ভুল থাকলে কী এমন আইবো যাইবো কও ?

হাসান রায়হান's picture


হা হা য়াযাদ ভাই আপনের কমেন্ট রবীন্দ্রনাথের থিকা বেশি বুদ্ধিদীপ্ত হইছে।

মেসবাহ য়াযাদ's picture


রবীন্দ্রনাথ কে ? হেয় কি আপনের থেইক্যাও গিয়ানী ?

টুটুল's picture


ভাইস্তাও দেখি ভুল্ধরে Wink

১০

রাসেল আশরাফ's picture


সাহেব বাজার লিখতে ভুল হবে আর ম্যানে লিবো তা তো হয় না খো ভাই। Crazy Crazy

১১

হাসান রায়হান's picture


মেষ রাতে Wink

১২

হাসান রায়হান's picture


য়াযাদ ভাই, এইবার য়ামাদের য়াম খাওয়াইবেন্না?

১৩

রাসেল আশরাফ's picture


আম বানান ঠিক করেন। Crazy Crazy

১৪

জ্যোতি's picture


প্রোগ্রাম করেন মেসবাহ ভাই, য়াম খাইতে রাজশাহী যামু।

১৫

রাসেল আশরাফ's picture


আম বানান ঠিক করেন। Crazy Crazy

১৬

নাজ's picture


আপনাদের সবাইর নাম এর সামনে এখন "পিছলা" লাগাইতে হবে। সব যায়গায় খালি যামু যামু করেন, আর যাওয়ার কথা উঠাইতে চাইলেই সবাই পিছালায়া যান। কইলাম সুন্দরবন চলেন, এরপর আর কেউ কোন কথা কইলেন না Stare
আর এখন আবার বলতেছেন রাজশাহী যাবেন, না? মাইর

১৭

মেসবাহ য়াযাদ's picture


আগামী মাসের কোনো এক বৃহস্পতিবার রাতের বাসে করে চাঁপাই যাবো। শুক্রবার সারাদিন থেকে রাতের বাসে আবার ফিরবো। আম বাগানে ঘুরবো। আম খাবো। ছবি তুলবো। আসার সময় আম নিয়ে আসবো- এরকম একটা পরিকল্পনা করেছি। আম বাগানের মালিকের সাথে কথাও বলেছি। যারা যারা যেতে চায় যেতে পারবে। বাকীটা দেখা যাক, হক মাওলা !!

১৮

রাসেল আশরাফ's picture


বাসে যাওয়ার চাইতে ট্রেনে যাওয়া অনেক ভালো।আরাম করে যেতে পারবেন।

১৯

মেসবাহ য়াযাদ's picture


আমগো এক ছোড ভাইয়ের এসি বাস আছে। যেই গরম, অন্তত যাওয়া -আসাটা ঠান্ডায় করতে পারলেও ভাল। তাছাড়া বাস লৈয়া বাগানের কাছে যাইতে পারুম। ট্রেন লৈয়াতো আর পারুম না। তুমি কী কও ভাইস্তা ?

২০

জ্যোতি's picture


যামুই যামু।

২১

মেসবাহ য়াযাদ's picture


আইচ্ছা

২২

নাজ's picture


যাবো

২৩

মেসবাহ য়াযাদ's picture


ঠিকাছে

২৪

রাসেল আশরাফ's picture


প্রথম ছবিটা পদ্মা এক্সপ্রেসের।কেও আবার ভুল করে হানিফ এন্টারপ্রাইজ ভাইবেন না। Laughing out loud

২৫

মেসবাহ য়াযাদ's picture


ভাল কতা মনে করছো ভাতিজা। কেউ একজন ছবিটারে হানিফ এন্টারপ্রাইজের মনে করছে। কী করুম কও ! হিল্লী-দিল্লী ঘুইরা আসে মানুষ, নিজের দেশটাই ঘুরে না...
হেরা মনে করে, ঘুরা মানেই বিদেশ, অনেক বিলাসিতা, অনেক টেকা খরচ, মার্কেটিং... যত্তসব মূর্খের দল !!

২৬

জেবীন's picture


এতো সৌন্দর্য্য লেখায় এমুন ডিজুস নাম দিয়েন গো ভাই! সুন্দরমুন্দর নাম দেন প্লীজ লাগে, আপনের নেক্সট ২টা লেখার বানাম বুল ধরুম না কথা দিলাম।

নাম প্রত্যাহার করছে তো কি হইছে রাসেল তাও স্কোরটা দেন

২৭

হাসান রায়হান's picture


মুরগির সাথে প্রতিযোগিতায় নামাই ঠিক হয় নাই। Crazy

২৮

রাসেল আশরাফ's picture


হাসান রায়হান ==০৮

মেসবাহ য়াযাদ ==০৬
=======================================
মেসবাহ ভাই এই পর্যন্ত ৯৬টা পোস্ট দিসে আর রায়হান ভাই দিছে মাত্র ৪০ টা তার মধ্যে গতমাসেই ৮ টা থাক মানে আর কইলাম না। Tongue Tongue

২৯

হাসান রায়হান's picture


প্রতিযোগিতা শুরু হইছে গতমাসের থিকা। আপনে সারা বছরের হিসাব তুইল্যা ধইরা কী বুঝাইতে চাইতে লইছিলেন?

৩০

রাসেল আশরাফ's picture


আমি লেফারী কিছু বুঝাতে চাই নাই।

খালি আপনার পারফরমেন্স বুঝাইতে চাইছিলাম মানে আপনি এখন ফর্মের চুড়ান্ত পর্যায়ে আছেন মেসবাহ ভাইয়ের পোস্টের মতো সবচেয়ে হট আছেন। Big smile Big smile

৩১

নাজ's picture


খাওয়ার জন্য কবে কোথায় আসতে হবে? Party

৩২

জেবীন's picture


ছোট্টকালে কক-ফাইট দেখছিলাম স্কুলে থাকতে!!  রায়হানভাই'র মুরগি বলায় মনে পড়লো...
তাইলে খাওয়া মনে হয় ২জনই দিবে... একজন বছরওয়ারী, অন্যজন প্রতিযোগিতার কারনে...
নাজ, ডেইট বার করে রাখো... আসিতেছে মহা সমারোহে... ডাবল খানা!!

৩৩

মেসবাহ য়াযাদ's picture


হালচালতো আর জানো না, এর মইধ্যে খাওয়াইয়া লাইছি। তোমারে তোমার রায়হান ভাইয়ে কৈছে আমার বানাম্ভুল ধরতে... আর এর ফাঁকে হেয় আর হের দোস্তেরা ঠিকই আমার কাছ থনে খাইয়া লৈছে...

৩৪

লিজা's picture


জেবীন আপু, আমারেও তোমাদের দলে নিও Big smile

৩৫

একজন মায়াবতী's picture


পার্টি নাকি?

মজা

৩৬

মেসবাহ য়াযাদ's picture


নাকী

ভাগন্তিস

৩৭

আরিশ ময়ূখ রিশাদ's picture


ম বৃষ্টি। সন্ধ্যা হবে হবে। কী অসাধারন সে বৃষ্টি ! বৃষ্টির মধ্যেই যমুনা সেতু পার হলাম। কাকতালীয়ভাবে সেতুর অর্ধেকটা পার হবার পর বিপরীত দিক থেকে একটা ট্রেনও এল। হোকনা লোকাল ট্রেন ! তাতেও ছেলে মেয়েরা যা আনন্দ পেলো !

আনন্দ-ই পাবার কথা

৩৮

মেসবাহ য়াযাদ's picture


বাচ্চাদের আনন্দ আর খুশি খুশি মুখের কাছে পৃথিবীর সব আনন্দই যেন ম্লান...

৩৯

মাহবুব সুমন's picture


সিল - গালা কিভাবে খায় ?

৪০

মেসবাহ য়াযাদ's picture


বৌ, পোলা, ২ ভাগ্নী, বইন জামাই আর বইনরে সপুরা শিল্ক মিল্স থেইকা জামা-কাপড়-শাড়ি এই সব কিন্যা দেওনের পর পকেটের যে হাল হয়, তারেই সিল-গালা কয়। এইডা খাইতে হয়না, খাওয়া হৈয়া যায়

৪১

নরাধম's picture


আপনি তো তখন বড়ই ইয়াং ছিলেন! SmileSmile য়াম খাইতে মুন্চায়।

৪২

মেসবাহ য়াযাদ's picture


২০০৯ সালে যদি বড়ই ইয়াং থাকি, ২ বছর পরে কি বড়ই বৃদ্ধ ?

৪৩

বাফড়া's picture


চাপাই (চন্দ্রবিন্দু মিসিং Smile ) যাওয়ার বিশাল খায়েস ছিল এককালে... অলস বন্ধু-বান্ধবের কারণে যাওয়া হয়নাই Sad ..।

২ আর ৩ নং ছবি কোন জায়গা?

আর, বস, ১ নং ছবিতে ঐটা কি আপনে Smile ?

৪৪

মেসবাহ য়াযাদ's picture


২ নং ছবিটা রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় মাঠে
৩ নং বরেন্দ্র যাদুঘরের ভেতরের
১ নং আমি আর আমার পোলায়, পদ্মা ট্রেনে।

৪৫

ভাস্কর's picture


য়াম খাইতে চাই...

৪৬

মেসবাহ য়াযাদ's picture


য়ামিও চাই

৪৭

লিজা's picture


ভ্রমন কাহিনী আর ছবি দুইটাই ভালো লাগ্লো । রাজশাহি যাওয়ার ইচ্ছা জাগ্লো ।

৪৮

মেসবাহ য়াযাদ's picture


দাওয়াত রইলো। আগামী মাসে যামু আমরা

৪৯

লিজা's picture


আহারে দাওয়াত পাই না কত দিন!!! দাওয়াতের জন্য ধন্যবাদ Smile Cool

৫০

মেসবাহ য়াযাদ's picture


Welcome

৫১

কামরুল হাসান রাজন's picture


য়ামিও য়াম খাইতে চাই

৫২

মেসবাহ য়াযাদ's picture


ওকে, য়াপনিও য়াম খাবেন...

৫৩

শওকত মাসুম's picture


পাঙ্খারে নিয়েন য়াম খাইতে

৫৪

মেসবাহ য়াযাদ's picture


পাঙ্খা লাগবোনা। আমরা এসি গাড়িতে যামু... Big smile Wink

৫৫

ফিরোজ কবীর's picture


আপনার গল্প পড়ে পড়ে চোখ টিপি হয়রান হইয়া পরছি এখন আম খাওয়ান । চোখ টিপি

৫৬

মেসবাহ য়াযাদ's picture


পাকতে দেন, এখনও কচি !
শেষে ঈভ টিজিংয়ের মামলায় পড়বেন। বড় শক্ত মামলা হৈবো ।

৫৭

নাহীদ Hossain's picture


একটা য়াম-উৎসব কইরা ফেলেন বস। যাতে সকল আম জনতার য়াম খাওয়ার সুযোগ হয় ....... Wave মজা

৫৮

মেসবাহ য়াযাদ's picture


কয়দিন আগে এক বালিকা আপনের সম্পর্কে জানতে চাইলো,
ম্যাসেঞ্জারে। ঘটনা কী ব্রাদার !

৫৯

নাহীদ Hossain's picture


আমার সম্পর্কে ! বালিকা ! কি জানি ভক্ত-টক্ত হইতে পারে Tongue

৬০

মেসবাহ য়াযাদ's picture


বিশ্বাস করেন, ঘটনা সইত্য
খালী জানতে চাইলো- নাহীদরে চিনি কিনা ? পোলাটা কেমন...

৬১

তানবীরা's picture


সবার নামগুলো খুবই সুন্দর। এই ভদ্রলোক খায় কত। সারা পোষ্ট জুইড়া খালি এই খাইলাম, সেই খাইলাম। বেড়াতে গেলে মাইনষে এতো খায়, উফফফফফ

মন্তব্য করুন

(আপনার প্রদান কৃত তথ্য কখনোই প্রকাশ করা হবেনা অথবা অন্য কোন মাধ্যমে শেয়ার করা হবেনা।)
ইমোটিকন
:):D:bigsmile:;):p:O:|:(:~:((8):steve:J):glasses::party::love:
  • Web page addresses and e-mail addresses turn into links automatically.
  • Allowed HTML tags: <a> <em> <strong> <cite> <code> <ul> <ol> <li> <dl> <dt> <dd> <img> <b> <u> <i> <br /> <p> <blockquote>
  • Lines and paragraphs break automatically.
  • Textual smileys will be replaced with graphical ones.

পোস্ট সাজাতে বাড়তি সুবিধাদি - ফর্মেটিং অপশন।

CAPTCHA
This question is for testing whether you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

বন্ধুর কথা

মেসবাহ য়াযাদ's picture

নিজের সম্পর্কে

মানুষকে বিশ্বাস করে ঠকার সম্ভাবনা আছে জেনেও
আমি মানুষকে বিশ্বাস করি এবং ঠকি। গড় অনুপাতে
আমি একজন ভাল মানুষ বলেই নিজেকে দাবী করি।
কারো দ্বিমত থাকলে সেটা তার সমস্যা।
কন্যা রাশির জাতক। আমার ভুমিষ্ঠ দিন হচ্ছে
১৬ সেপ্টেম্বর। নারীদের সাথে আমার সখ্যতা
বেশি। এতে অনেকেই হিংসায় জ্বলে পুড়ে মরে।
মরুকগে। আমার কিসস্যু যায় আসে না।
দেশটাকে ভালবাসি আমি। ভালবাসি, স্ত্রী
আর দুই রাজপুত্রকে। আর সবচেয়ে বেশি
ভালবাসি নিজেকে।