আজ আমার মনটা ভীষন ভালো
মুসা ইব্রাহীম। আমাদের বন্ধু। সেই অনেক কাল আগে থেকে ওকে চিনি। যখন মুসা ছাত্র ছিলো। সে সময় থেকে প্রথম আলোতে লেখালেখি করতো। আরেকটি মেয়েকেও চিনি। রিমি যার নাম। ওর সার্টিফিকেট নামটা খুব বিটকেলে টাইপের। উম্মে সরাবন তহুরা। এই নিয়ে আমরা ওকে ক্ষেপাতাম। ডাকনাম রিমি। রিমিও একদিন লেখালেখি শুরু করলো প্রথম আলোতে। তারপর বুড়িগঙ্গার আশে পাশে কত দখল হলো। মুসা আর রিমির প্রেম হলো। একদিন ওদের বিয়েও হলো। ঠাকুরগাঁয়ের মুসাদের বাড়িতে আমরা দল বেঁধে বেড়াতে গিয়েছিলাম। সেই মুসা একদিন খুব বিখ্যাত হয়ে গেলো। বাংলাদেশের প্রথম মানুষ হিসাবে এভারেস্ট জয় করলো। সেটা ২০১০ সালের ২৩ মে।
মুহিত আমাদের বন্ধু। পুরো নাম এম.এ.মুহিত। একসময় আমরা কত ট্যুর করেছি। রাঙ্গামাটি, বান্দরবান, সেন্টমার্টিন থেকে কত যায়গায় যে গিয়েছি একসাথে ! আমাদের প্রথম দিককার সূর্য উৎসবগুলোতে মুহিত ছিলো নিয়মিত আমাদের সহযাত্রী। একসময় ও জীবন জীবিকার তাগিদে ব্যস্ত হয়ে পড়লো। চাকরী করতে ইকোনো বল পেন কোম্পানিতে। ট্র্যাকিংয়ে ওর খুব আগ্রহ ছিলো। একদিন শুনলাম, মুহিত এভারেস্টের পথে...। তারপর মুহিত এভারেস্ট সামিট করলো ২০১১ সালের ২১ মে। মুসার ১ বছর ১ দিন পরে। দ্বিতীয় বাংলাদেশি হিসাবে।
নিশু। ছোটবেলা থেকে ওকে চিনি। যখন ও ২/৩ ক্লাসে পড়ে। আমরা একই পাড়ায় থাকতাম। ইদানীং নিশুরা পাশের পাড়ায় বাসা নিয়েছে। ওরা ৪ ভাই বোন। দুটো ভাই, দুটো বোন। ওর মুক্তিযোদ্ধা বাবাকে দেখতাম, কী কষ্ট করে ছেলেমেয়েদের বড় করছেন। ওদের বাসা আমাদের বাসার নিচে। আমরা চারতলায় আর নিশুরা নিচতলায়। রোদ্দুরকে কী ভীষন আদর করতো ওরা। আমাকে মামা ডাকতো। সেই নিশু মানে নিশাত মজুমদার গতকাল এভারেস্ট সামিট করলো। যাবার ঠিক ৪ দিন আগে বড়াপার বাসায় নিশুর সাথে দেখা। বললো, মামা দোয়া করবেন... এভারেস্টে যাচ্ছি। সেই নিশু ২০১২ সালের ১৯ মে এভারেস্টের চুড়ায় উঠলো। প্রথম বাংলাদেশি নারী হিসাবে। এত আনন্দ কোখায় রাখি। বাংলাদেশ থেকে সোনার টুকরো তিনটি ছেলে-মেয়ে এভারেস্ট সামিট করলো। আর গর্বের সাথে আজ কেবলি মনে হচ্ছে- ওরা তিনজনই আমার খুব কাছের মানুষ।
একটা মজার ব্যাপার হচ্ছে- মুসা ২০১০ সালের ২৩ মে, মুহিত ২০১১ সালের ২১ মে, নিশু ২০১২ সালের ১৯ মে... খেয়াল করুন, ঠিক ১ বছর ১ দিন পরপর ঘটনাগুলো ঘটছে...
আইপিএল দেখি শুধুমাত্র সাকিবের জন্য্। সঙ্গতভাবে আমি আর আমার ছেলে কোলকাতা নাইট রাইডারের সাপোর্টার। যেদিন ওকে নামায় না, সেদিন খেলা দেখতে মজা পাই না। কাল সাকিবকে নামালো। কাল ছিলো কোলকাতা নাইট রাইডারের শেষ খেলা। যথারীতি আমাদের সাকিব ৪২ রান মানে দলীয় সর্বোচ্চ রান এবং ২ টি উইকেট নিয়ে 'ম্যান অব দ্য ম্যাচ' হলো। এত আনন্দ আর ভালো লাগছিলো....। অন্যদিকে কোলকাতার 'দাদা' খ্যাত সৌরভ গাঙ্গুলি একবারের জন্যও তামীম কে মাঠে নামায়নি। সৌরভ বুঝিয়ে দিলো- ও আসলে ভারতীয়। যারা মুখে মুখে যতই বলুক না কেনো, কোনোদিনই বাংলাদেশ, বাংলাদেশের ভালো কিছু কে মেনে নিতে পারেনা। ওরা আমাদের ভালো চায়ও না। বাংলাদেশের সাথে হারের কথা ওরা যে ভুলতে পারেনি, সেটা তামীমের ঘটনায় সৌরভ আরেকবার প্রমাণ করে দিলো। ধিক্কার আর তীব্র নিন্দা জানাই ভারতীয়দের এই আচরনের।





শরাবন তহুরা মানে তো মদ। উম্মে মানে মা না? তাইলে দাড়াইল গিয়া মদিরার মা। এরম নাম কেমনে রাখে বাপ মায়?
ওদের সবাইকে অনেক অভিনন্দন!
কে কবে কিভাবে করছে, কে কার আগে কিবা পরে, এমনকি কারটা সোজাপথ কারটা কঠিন এইসব তথা তুলছেন- এমনসব আচারবিচার করার চেয়ে ওরা সবাই এভারেস্ট জয় করছেন এটাই কি মূল কথা না?
কারে কৈলা জেবীন ?
ভাইরে আপ্নেরে কিচ্ছু কই নাই! আমাদের নিজেগোরে কিছু বলতে হইলে এম্নেই বলতাম।
আর এই কথা অনেকখানে দেখলাম যে,কেউ আগে গেছেন তার কৃতিত্ব বেশি, কেউ ২দিক দিয়েই উঠছেন উনারটাই বেশি - এমনি কথা। তাই বললাম।
হ, ওই সব কথা আর না বলি
আমার প্রথম কমেন্টটা পড়ে বুঝলাম, লেখার ভুলের কারনে মেসবাভাই অই প্রশ্ন করছেন। বলার ভুল হইছিলো ভাইয়া। ম্যান ইজ মর্টাল = মানুষ মাত্রই ভুল করার অধিকার রাখে!
মন ভাল তাই মন ভাল করা পোস্ট সেই সঙ্গে আমাদের ও মন ভাল হয়ে গেল। শুধু আপনার পোস্টটা পড়ে আপনাকে ধন্যবাদ দেবার জন্য লগইন হলাম। ধন্যবাদ আমার মন ভাল করে দেবার জন্য।
আমি কৃতার্থ
ভালো থাকুন
ভাল লাগছে।।, এভারেষ্ট বিজয়ীদের কাহিনী পইড়া.........
ওনাগো লগে পরিচিত হইতে মঞ্চায়...
আপনার লগে পরিচিত হৈতে আমারো মঞ্চায়
আরে ধুরু, এই নাদানের লগে পরিচিত হইয়া কি করবেন ?
আমি বরং আপনার লগে পরিচিত হমু, দ্যান আপনি ওনাগো লগে পরিচিত করাই দিবেন
মানুষের লগে পরিচিত হৈতে আমার ভালো লাগে। কওয়া যায়না, কবে আপনি আবার বিখ্যাত হৈয়া যান। তখন কৈতে পারুম, আপনেরেও আমি চিনি
ওহ, তাইলেতো আমি আপ্নের লগে পরিচিত হইয়াই কইতে পারমু আমি বিখ্যাত মেসবাহ য়াযাদ ভাই'রে চিনি
আপনি কামেল লোক দাদাভাই। আপনার সাথে পরিচয় আছে বলেইতো এভারেষ্ট জয় করতে পারলো ওরা।
এই কারনে আপনারে হিংসাই।
মন ভাল থাকুক আজীবন।
দাদাভাই, আর কে কে আছে লিস্টে ? তাইলে পরে আর কে কে যাইবো এভারেস্টে, সিউর হইতে পারতাম।
অটঃ আম্রাও আপনার ফ্রেন্ড লিস্টে আছি, আম্রাও কি ইভারেস্টে যাইতে পারুম ?
জুলাই মাসেই তো যাচ্ছেন ।
আপনার আশেপাশের লুকজন সব এভারেস্টে উইঠা পড়লো, আর আপনে এখনো জাটকার মধ্যেই পইড়া রইলেন
কথা সৈত্য







ঝাটকা দেখলাম না। আপসুস।
দুষ্টু লোকের মিষ্ট কথায় কান দিয়োনা বেলি
হুমম...আপনার পরিচিত নেতা-টেতা, ঘুষখোর, চান্দাবাজ আছে নাকি?
তাগোরেও এভারেস্টে পাঠাইয়া দ্যান...ফিরা না আসলেও চল্পে
~
আপনারে ধইন্যবাদিকা।
কেনু, কেনু এই ধন্যবাদিকা- মহাশয় ?
কোনো কারণ ছাড়াই
তাগো তো আর কংগ্র্যাটস দিতে পারলামনা। তাই আপ্নেরেই কংগ্র্যাটস জানায় দিলাম। পৌছায়া দিয়েন।
আচ্ছা
আপনিও ফিট আছেন ভালো। চেষ্টা চরিত করলে আপনেও এই রকম একটা কিছু ঘটায় ফেলতে পারতেন।
ভাবতাছি
সেম সেম!
তাগো তো আর কংগ্র্যাটস দিতে পারলামনা। তাই আপ্নেরেই কংগ্র্যাটস জানায় দিলাম। পৌছায়া দিয়েন।
মুখে যতই ফেনা তুলুক না কেনো- ভারতীয়রা কখনো বাংলাদেশের বন্ধু নয়, বাংলাদেশের ভালো চায়না... এ ব্যাপারে আমার কোনো সন্দেহ নেই
সহমত।
১ বছর ১ দিন পার্থক্যের ব্যাপারটা আশ্চর্য কাকতাল। খবরটা শুনে আমারও ভীষণ গর্ব হয়েছে। আরো মজার ব্যাপার প্রতিবছর একজন করে এভারেষ্ট ঘুরে আসছে এবং তাদের সবাই মেজবাহ ভাইয়ের আশেপাশের মানুষ।
আসলেই ব্যপারটা আশ্চর্য কাকতাল !
এটাও আমার জন্য গর্বের বিষয়
আইপিএল দেখি নাই এইবার। শুধু সাকিব যেগুলা ম্যাচ খেলছে সেইগুলাই একটু একটু করে দেখছি।
তামিমকে একটুও সুযোগ না করে দেওয়াটা খুব আপত্তিকর। তবে আমার মনে হইসে তামিমকে খেলালে সৌরভের জায়গাটাই অনিশ্চিত হয়ে যেতে পারতো। দাদা আর সেই রিস্ক নেন নাই।
এইটা আমার কাছে একটা মোরাল ভিক্টরি।
আর, তিন এভারেস্টজয়ীরে আপনার মাইধ্যমে শুভকামনা জানায়া দিলাম।
কাআআআশ!! আমিও মেসবাহ ভায়ের পরিচিত হতাম!!

২০১৩ সালের ১৭ মে দিন্টা হয়তো আমার হতো!!!!!!
মন্তব্য করুন