আমাদের ভারত ভ্রমন -১
এই বার ঈদে লম্বা ছুটি। তাই স্বপন, অঞ্জন, মুসা আর কোলকাতার বন্ধু ছোটনের পীড়াপীড়িতে ভারতে যাবার একটা পরিকল্পনা করলাম। ৬/৭ দিনের জন্য। এর আগেও ভারত গেছি। তবে সেটা শুধু কোলকাতা, শিলিগুড়ি আর দার্জিলিংয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিলো। এই বারের পরিকল্পনা দিল্লী, আগ্রা, আজমীর আর জয়পুর। সেই কারনেই ভিসার জন্য আবেদন করা। তিনবার যখন আমাকে ফিরিয়ে দিলো, তখন ভাবলাম- যাবোনা এই ট্যুরে। শুধুমাত্র অঞ্জনের জন্যই আরেকবার আবেদন করলাম। ও সোজা বলে দিলো, আমি না গেলে সে যাবেনা। বাকী বন্ধুরা সবাই রভিসা পেলো। অঞ্জনের ছিলো মাল্টিপল ভিসা। শুধু আমারটাই বাকী। অবশেষে চতুর্থবারের মত ভিসার জন্য আবেন করলাম গুলশান অফিসে। এইবার আবেদন পত্র নিলো ওরা। পাসপোর্ট দেবার তারিখ দিলো ১৯ আগস্ট। মানে ঈদের আগের দিন। আর যদি সেদিন ঈদ হয় তাহলে ২০ তারিখ। এদিকে আমাদের বাসের টিকেট করা ২০ তারিখ রাতে। আবার ২২ তারিখ করা আছে কোলকাতা টু দিল্লী বিমানের টিকেট।
বৌ- বাচ্চারা ১৫ তারিখ ঢাকা ছেড়ে গেছে ঈদ করতে। আমার অফিস ছিলো ১৮ তারিখ পর্যন্ত। ১৯ তারিখ পর্যন্ত আমাকে থাকতে হলো ঢাকায়। মনে মনে চাচ্ছিলাম আমার ভিসাটা না হোক। তাহলে এই কয়টা দিন বৌ-বাচ্চার সাথে অলস সময় কাটানো যাবে। কিন্তু শত্রুর মুখে ছাই দিয়ে ১৯ তারিখ বিকাল ৫ টায় যখন পাসপোর্ট হাতে পেলাম- দেখলাম, আমাকে ভিসা দিয়েছে এবং সেটা ৩ মাসের জন্য। খুশি হবার বদলে মেজাজ ক্ষাণিকটা খারাপই হলো। অঞ্জনকে একটা এসএমএস করে জানালাম। তারপর মোটর সাইকেল ছুটালাম গুলশান থেকে নারায়ণগঞ্জের পথে। রাস্তা ঘাট একদম ফাঁকা। এক ঘন্টার ভেতর পৌঁছে গেলাম নারায়ণগঞ্জ। সেখানে গিয়ে ইফতার করলাম। ও, বলতে ভুলে গেছি- ১৯ আগস্ট ছিলো আমার একমাত্র বৌয়ের জন্মদিবস। ইফতার শেষে বৌকে নিয়ে বেরুলাম কিছু শপিং করতে। সেটা মাত্র হাজার দুয়েকের উপর দিয়ে গেলো। আল্লাহ ভরসা। বাসায় ফিরে বৌ জানতে চাইলো, ইন্ডিয়া যে যাচ্ছি, টাকা আছে নাকি ? বললাম, সব খরচ বন্ধু অঞ্জন দিবে। বেচারি কিছু না বলে ব্যাগ থেকে ৫ হাজার টাকা বের করে দিলো। বললো, এটা রাখো...
ঈদের দিন। সকাল থেকে টিপটিপ বৃষ্টি। বড় ছেলেকে নিয়ে নামাজে গেলাম। নামাজ পড়ে এসে নাস্তা। তারপর টানা ঘুম দিলাম। ঊঠলাম বেলা ৩ টায়। দুপুরের খাবার খেলাম সবাই এক সাথে। তারপর টিভির রিমোর্ট নিয়ে ঘন্টা দুয়েক এটা সেটা দেখে ছেলেদের কাছে বিদায় নিয়ে ঢাকার দিকে রওয়ানা হলাম। রাত ১১ টার বাস আমাদের। হালকা ভিজে ঢাকায় এলাম। ছবির হাটে বন্ধুদের সাথে আড্ডালাম কিছু সময়। তারপর বাসায়। বাসা থেকে মোটর সাইকেল রেখে বড় অাপার বাসায়। সেখানে রাতের খাবার খেয়ে সাড়ে ১০ টা নাগাদ বাস স্টপেজে। আমাদের বাস পান্থপথ থেকে ছাড়বে। সৌদিয়া। সেখানে অন্য বন্ধুরা অপেক্ষা করছিলো। ব্যাগ গাড়ীতে রেখে শেষবারের মত ২ টা সিগারেট পুড়িয়ে বাসে উঠলাম। যথাসময়ে বাস ছাড়লো। পথে একবার শুধু পাটুরিয়া ফেরিতে নামলাম। সিগারেট খেতে। তারপর বাসে উঠে দিব্যি ঘুম দিলাম।


সকাল ৬ টা নাগাদ বেনাপোল নামলাম আমরা। লাগেজগুলো বাস কর্তৃপক্ষের দায়িত্বে দিয়ে আমরা চলে গেলাম অঞ্জনদের বেনাপোলের বাড়িতে। ওখানে ওর মেজদা থাকেন। ঈদের ছুটিতে তিনি ঢাকায়। পুরো বাড়িতে কেয়ারটেকার ছাড়া আর কেউ নেই। আমরা সেখানে যেয়ে হাত-মুখ ধুয়ে ফ্রেশ হয়ে আবার সৌদিয়া কাউন্টারে চলে এলাম। ততক্ষণে বর্ডারের কাজকর্ম শুরু হয়েছে। কোনো রকম ঝামেলা ছাড়াই বর্ডার পেরুলাম আমরা। কিছু বাংলাদেশি টাকা ভারতীয় রুপিতে বদলালাম। ওইপাড়েও সৌদিয়ার আরেকটা বাস ছিলো। সেখানে গিয়ে বাসে ঊঠলাম সবাই। আমাদের প্রায় সবার কাছেই ভারতের সিম কার্ড ছিলো। যার যার মোবাইল থেকে বাংলা সিম খুলে ভারতেরটা ভরে নিলাম। বর্ডার থেকে কোলকাতার দুরত্ব ৮৫ কিলোর মত। যেতে সময় লাগবে ৩ ঘন্টা। পথে এক জায়গায় নেমে নাস্তা করলাম। গরম লুচি, সবজী, ডিম আর চা। তারপর আবার বাসে। বাইরে ঝিরঝিরে বৃষ্টি। ভালোই লাগছিলো। কোলকাতায় আমরা নামলাম ১১ টা ৪৫ মিনিটে। সেখান থেকে টেক্সি নিয়ে গড়িয়া তেতুল তলায়। এখানেও অঞ্জনদের একটা ফ্ল্যাট আছে। সেখানে ঊঠলাম আমরা। ২ রুমের ফ্ল্যাটে আমরা ৭ জন। এইবার দারুন একখান গোসল দিলাম। তারপর খাবারের সন্ধানে আমরা বেরিয়ে পড়লাম। এলাকাটা অঞ্জনের মুখস্থ। ও আমাদের নিয়ে গেলো। ভরপেট দুপুরের খাবার খেয়ে আবার ওদের ফ্ল্যাটে। ঘন্টা দুয়েক বিশ্রাম নিলাম সবাই। তারপর বেরিয়ে পড়লাম... গন্তব্য, নিউমার্কেট।


এবার প্ল্যান হলো মেট্রোতে যাব। বাসা থেকে মেট্রো স্টেশন (কাজী নজরুল ইসলাম স্টেশন) ১০ মিনিটের পথ। সবাই হেঁটেই গেলাম। স্টেশনের কাছে এসে মাটির ভাড়ে করে চা খেলাম। টেক্সিতে এখান থেকে নিউ মার্কেট ভাড়া ১৫০ রুপি। সময় লাগে ১ ঘন্টার মত। মেট্রোতে আমাতের সময় লাগলো ১৬ মিনিট। ভাড়া সাকুল্যে জনপ্রতি ৮ রুপি। এসি মেট্রো... দুর্দান্ত। আমরা যখন পার্ক স্ট্রিটে নামলাম, তখন বাইরে মুশলধারে বৃষ্টি। ভিজেই নিউমার্কেট এলাম। এখানে আমাদের কোলকাতার বন্ধু ছোটন আমাদের জন্য অপেক্ষা করছিলো। ওকে সাথে নিয়ে সবাই ২০০ করে ডলার ভাঙ্গালাম। কোলকাতার বাইরে ডলারের দাম একটু কম। ডলার ভাঙ্গানো শেষ করে নিউমার্কেট এলাকায় ঘুরলাম কিছুক্ষণ। রাতের কোলকাতা দেখলাম। এটা সেটা খেলাম। সবচেয়ে মজা পেলাম কিংফিশার বিয়ার খেয়ে। দামও বেশিনা। ১ লিটারের ক্যান ৮০ রুপি করে। পানির বদলে সবাই বিয়ারই খেলাম। চার পাশে হাজার হাজার বাঙলাদেশি। ঈদের ছুটিতে সবাই কোলকাতায়। পেয়ে গেলাম কিছু পরিচিত মুখও। আফসানা মিমি, মডেল উপস্থাপিকা মুনমুন... আমার এক বন্ধুর সাথে দেখা হলো। পরিবার নিয়ে বেড়াতে গেছে ও। এক সাথে চাকরী করতাম এসিআইতে... এমন এক কলিগের সাথেও দেখা হলো। যেদিকে তাকাচ্ছি, শুধু আমাদের দেশের লোকদেরই দেখছি। রাত বাড়ছে... আমরা সবাই রওয়ানা হলাম গড়িয়ার পথে। অঞ্জনদের ফ্ল্যাটে। এবার আর মেট্রো পাওয়া গেলোনা। ৯ টার পরে মেট্রো বন্ধ। আমরা দুটো টেক্সি নিলাম। রাত ১০ টার পরে পৌঁছলাম। সেখানে অঞ্জনের এক আত্মীয়ের বাসায় আমাদের রাতের খাবারের দাওয়াত আছে। ১১ টা নাগাদ সে বাসায় খেয়ে ফ্ল্যাটে চলে এলাম। তারপর আড্ডা আর মাস্তি চললো... রাত ২ টার দিকে সবাই ঘুমাতে গেলাম। সকাল ৮ টায় আমাদের বিমাল উড়াল দেবে কোলকাতা থেকে দিল্লীর পথে। গো এয়ারের বিমান। যেতে সময় লাগবে ২ ঘন্টা ১০ মিনিট।


সকাল সাড়ে ছয়টার মধ্যে সবাই রেডি হয়ে বেরিয়ে এলাম। এবার যাব এয়ারপোর্ট। প্রায় ঘন্টাখানেকের রাস্তা। রাস্তায় বেরিয়েই টেক্সি পেলাম। ২০০ রুপিতে রাজি হয়ে গেলো ড্রাইভার। যদিও ভাড়া কম করে আড়াইশ রুপি। আমরা প্রথম যাত্রী বলে একটু খাতির করলো। সাতটা ২৫ এ দমদম এয়ারপোর্ট। আনুষ্ঠানিকতা শেষ করতে ১৫/২০ মিনিট লাগলো। বিমানে উঠে মনটা ভালো হয়ে গেলো। তিনটে কারনে। আমার সিটটা জানালার পাশে । আমার পাশের সিটে সুন্দরী এক বালিকর সিট। আমার সিটটা ঠিক প্লেনের ডানার উপরে...। ছোটখাট বিমান নয় এটি। এয়ার বাস। প্রায় আড়াইশ যাত্রী। বিমানে উঠে মোবাইলে ১০ টায় অ্যালার্ম দিয়েই ঘুমিয়ে পড়লাম। ঠিক ১০ টায় উঠলাম ঘুম থেকে। বাইরে তাকিয়ে মেঘের খেলা দেখলাম কিছুক্ষণ। বিমানের পাখার কাঁপুনি দেখলাম। সত্যি বলতে কি, একটু ভয়ও পেলাম। ১০ টা ২২ মিনিটে দিল্লী এয়ারপোর্ট নামলাম আমরা। এয়ারপোর্ট থেকে বেরিয়ে এলাম ১০ টা ৪০ এ। বাইরে এসেই সিগারেট ধরালাম। তারপর একটা এসি মাইক্রো নিয়ে ছুটলাম আমাদের হোটেলের উদ্দেশ্যে। রেল স্টেশনের কাছে হোটেল আসিয়ানাতে উঠলাম আমরা। আজ ঘুরাঘুরি ছাড়া আর কোনো কাজ নেই। কাল সকাল ৬ টায় আমাদের ট্রেন শতাব্দী এক্সপ্রেস। দিল্লী টু আজমীর। সময় লাগবে ৬ ঘন্টা। হোটেলে উঠে গোসল সেরে সবাই বেরিয়ে পড়লাম। দুপুরের খাবার খেলাম। তারপর প্রথমে গেলাম 'পালিকা বাজার'। মাটির নিচে এসি মার্কেট। কাঁচা বাজার ছাড়া সব কিছুই পাওয়া যায় এ মার্কেটে। সেখান থেকে কিছু কেনা কাটা সেরে ইন্ডিয়া গেট আর প্রেসিডেন্ট হাউজ দেখে আমরা যখন রেড ফোর্ট দেখতে যাব তখনই বাঁধলো বিপত্তি। আমাদের দলের একজন হারিয়ে গেছে। তার ফোনে ফোন করে দেখলাম বন্ধ। আরো ঘাবড়ে গেলাম সবাই। শেষে হোটেলে ফোন করে জানলাম সে আমাদের হারিয়ে অটো নিয়ে হোটেলে চলে এসেছে। যাক বাবা। নিশ্চিত হয়ে আমরা গেলাম রেডফোর্ট দেখতে। সেখানে একটা দারুন লাইট ও সাউন্ড শো হয়। সেখানে ভারতের পুরো ইতিহাসটা তুলে ধরা হয়। মুগ্ধ হয়ে দেখলাম। আর হোটেলে ফিরে যাওয়া বন্ধুটির জন্য আপসোস করলাম। শো শেষ হলো কি হলো না, এর মধ্যে তুমুল বৃষ্টি। আমরা মোটামুটি কাক ভেজা হয়ে টেক্সি নিয়ে হোটেলে ফিরলাম রাত নয়টা নাগাদ। রাতের খাবার সেরে সবাই যে যার রুমে। তাড়াতাড়িই শুয়ে পড়লাম। সকাল ছয়টায় আবার ট্রেন ধরতে হবে। যদিও আমাদের হোটেল থেকে রেল স্টেশনের দুরত্ব হেঁটে গেলে ৭/৮ মিনিট। সেটার নাম পাহাড়গঞ্জ স্টেশন... (চলবে)





ঝরঝরে লেখা-পড়লাম।

সাথে আছি-বেড়াতে আমিও ভালু পাই।
যাক, শেষমেশ আপনার বৈদেশ যাওয়া হল ! ভ্রমণকাহিনী চলুক, সাথে আছি।
থাকেন সাথে, কে নিষেধ করেছে
পড়ছি আর দেখছি কে বেশি ঘুরেছে দিল্লী, আগ্রা, আজমীর আর জয়পুর। আমি না আপনি

আমি আর ঘুরতে পারলাম কৈ ? তোমরা হচ্ছো গিয়ে বৈদেশি। তোমরাইতো ঘুরবা
ভালো লাগলো। ঘুরাঘুরির গল্প পড়তে ভালোই লাগে।
আরেকটা ভাল্লাগসে ভাবীরে।
এত রস-কসহীন, দায়সারা গোছের মন্তব্য অতীত জীবনে আমি আপনার কাছ থেকে পাইনি। আমি সেজন্য 'নিহতের কাছাকাছি আহত' হলাম
ভাবীকে ভালো লাগসে, এরচেয়ে বড় খুশির কথা আর কি হতে পারে
বিনা পয়সাতে ভারত ভ্রমন করতেছি...
চলুক...
আমিও..
টেকা ছাড়া আর পড়তে দিমুনা

তোমানে ব্যান করলাম
আবারও বলি কপালগুণে পাইছিলেন বউটারে। নাইলে ঈদের দিন বউ-বাচ্চা ফেলে বন্ধুদের সাথে ঘুরার মজা বুঝতেন।আবার এটাও বলি আপনে এত ঘুরেন...আমার খুব হিংসা হয়।:( সত্যি বলছি।
( )
ভ্রমণকাহিনী ভালো লাগতেছে পড়তে।(
হক কথা বলসেন জয়িতা'পু। আমার তো মনে হয় উনার বডির পুরাটাই কপাল।
মীরের কমেন্টে ১০০টা লাইক দিতে চাই।
কমেন্ট পড়ে হাসতে হাসতে গড়াগড়ি খাচ্ছি।
হ, বডির পুরাটা না হৈলেও মাথার পুরাটা কপাল আমার

দেখেন্না, দিন দিন চুল কমে কপাল বড় হৈতাছে
মেসবাহ ভাইকে আবারো হিংসা।
হিংসা ভালু না

কবে যে বৈদেশ যাইতে পারুম, আফসুস !!
এইরকম ভ্রমনকাহিনী পড়তে খুব ভালো লাগে..
তাই বুঝি ?

পড়তে যতটা না ভালো লাগে, তারচেয়ে বেশি ভালো লাগে ঘুরতে
ভালই ঘুরাঘারি হইতেসে দেখি! আপনি পারেনও মেসবাহ ভাই! আপনার এইসব কাজ কারবার দেখে কনফিউসড হয়ে যাই, বয়স আমার কম না আপনার!
আমার বয়স কম। যা বয়স নিয়া আইছিলাম, বেশির ভাগই শেষ কৈরা ফালাইছি...

আর অল্প বাকী আছে বুঝলা...
কিছুই দেখা হৈলোনা এই জীবনে
কত কি দেখার আছে
ভারত ভ্রমন সফল ভাবে করার জন্য জাতির পক্ষ থেকে আপনাকে শুভেচ্ছা!
আমি আবার কি করলাম
ভারত ভ্রমন সফল ভাবে করার জন্য জাতির পক্ষ থেকে আপনাকে শুভেচ্ছা!
কলকাতায় গিয়াও মিমি আর মুনমুন? কোলকাতায় যায় তাইলে মাইনষে?
হ, গেলোতো দেখলাম হাজার হাজার বাঙালী। কোলকাতার রাস্তা-ঘাট আমগো দেশের মাইনসে গিজ গিজ করে...

তয় একটা কথা বস, আমগো দেশিরা না গেলে কৈলাম কোলকাতার মানুষ না খাইয়া মরবো...
লেখা বেশ গতিময়, মনে হচ্ছে আপনি মোটর সাইকেল চালাতে চালাতে বলে গেছেন আর ভাবী পিছনে বসে টাইপ করেছেন
পরের পর্বের অপেক্ষায়...
~
এই লাইনটা ভালা পাইলাম
দিল্লীকা লাড্ডুর দাবাত আশা করতেছিলাম
কেন, তুমি দাওয়াত পাও নাই ?
ভ্রমনকাহিনী পড়তে ভালো লাগলো। পরের পর্বের অপেক্ষায় রইলাম।
অপেক্ষায় থাকেন, পাইয়া যাইবেন
প্লেনে উইঠা যদি ঘুমই দিলেন তাহলে জানালার পাশে সিট পেয়ে খুশী হইসেন কেন
মীর ভাইয়ের কমেন্টে লাইক 'বডির পুরাটাই কপাল'
ঘুমাব না ? এত ক্লান্ত ছিলাম, আগের রাতে ঘুমাতে পারিনি। জানালার পাশে বসে ভালো লাগছিলো এ জন্য যে, আমার সিটটা ছিলো একদম ডানার উপরে। ফলে বিমান উঠা আর নামার সময় ডানার কাঁপুনি, এক অংশ খুলে বাতাস বের করে দেয়া... এইসব ছিলো এক্সাইটিং... অন্তত আমার জন্য
বডির না, মাথার পুরাটাই কপাল আমার
মন্তব্য করুন