ইউজার লগইন

আমাদের ভারত ভ্রমন- ৩

সকালে হোটেল কোহিনুর থেকে বেরিয়ে সবাই মিলে নাস্তা করে নিলাম পাশের এক দোকানে। যেখানে গত রাতে আমরা খাবার খেয়েছিলাম। পরোটা, লুচি, আলুরদম, জয়পুরের মিষ্টি আর চা। ভরপেট খেয়ে বেরিয়ে পড়লাম সবাই। একজন গিয়ে একটা গাড়ি ঠিক করে আনলো। ৪ টা জায়গা ঘুরিয়ে আনবে আমাদের। ভাড়া ঠিক হলো ১২০০ রুপি। প্রথমে গেলাম যন্তর মন্তর দেখতে। যেখানকার টিকেট ভারতীয়দের জন্য ২০ রুপি আর আমাদের জন্য ৫০। কোলকাতার বন্ধুর কারনে ২০ রুপি করেই টিকেট কেটে আমরা ভেতরে গেলাম। জয়পুরের এত্ত এত্ত হেরিটেজ...। প্রতিটির গায়ে লেখা রয়েছে বিস্তারিত। আমরা মুগ্ধ হয়ে দেখলাম সেগুলো। ছবি তুললাম শয়ে শয়ে। প্রচুর বিদেশি লোকজনের দেখা পেলাম। আমাদের মত না ওরা। খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে প্রতিটি জিনিস দেখছে। ঘন্টা খানেক ঘুরে বেরিয়ে পড়লাম। বাইরে এক সাপুড়ে বীণ বাজিয়ে সাপের নাচন দেখাচ্ছে। যে যত খুশি ছবি তুলছে। তবে নিরাপদ দুরত্ব থেকে। সাপুড়ে যতই বলে, ভয় নেই। আমরা সবাই ততই ভয়ে দুরে সরে যাই। এই বার আমাদের গন্তব্য হাওয়া মহল।

1_0.jpg
2_0.jpg

মিনিট বিশেক পরে আমরা ঢুকলাম হাওয়া মহলে। রাস্তার পাশেই এই মহল। এখানে ঢুকতে অবশ্য টিকেট কাটতে হয়নি। হাওয়া মহলের অনেকগুলো বৈশিষ্ট রয়েছে। এমনভাবে ভবনটি তৈরি করা, আপনি যতই উপরে উঠুন না কেনো, ক্লান্ত লাগবে না। সিঁড়ি নেই। রাস্তার মত করে বানানো ধাপগুলো। প্রায় ৭/৮ তলা ভবনের সমান উঁচু এটি। ভবনের একদম উপর থেকে পুরো জয়পুর শহর দেখা যায়। যেটা আর কোথাও থেকে দেখা যায়না বলে দাবী করলো এলাকার লোকজন। গেটের বাইরে কয়েকটি দোকান। যারা রাজস্থানের পোশাক ভাড়া দেয়। যা পরে আপনি ছবি তুলতে পারবেন। এজন্য আপনারে কাছে চাইবে ১০০ রুপি। কিন্তু সেটা দাম-টাম করে কমানো সম্ভব। মানে ৫০ রুপিতে আপনি সালোয়ার-কুর্তা-পাগড়ি আর তলোয়ার হাতে নিয়ে ছবি তুলতে পারবেন- যদি আপনি চান। আমাদের কেউ অবশ্য সেটা করেনি। এই হাওয়া মহলে ১১০০ ছোট ছোট খিড়কি/জানালা আছে। যেগুলো দিয়ে হাওয়া যাওয়া-আসা করে। আর সেকারনেই এর নাম 'হাওয়া মহল'। আমাদের একজন মজা করে বললো- এই ১১০০ জানালা দিনে খুলতে এবং রাতে বন্ধ করতে কয়জন মানুষ লাগতো ? দু একজন মোবাইলের ক্যালকুলেটরে হিসাব করা শুরু করে দিলো। নাই কাজতো খৈ ভাজ ! অনেক ছবি তোলা বেরিয়ে এলাম বাইরে। হাওয়া মহলের বাইরের গেটে পাওয়া গেলো ছোট ছোট এক ধরনের পেয়ারা। খেতে গিয়ে দেখা গেলো, যার ভেতরটা একদম লাল। খেতেও বেশ মজার। তো, পেয়ারা খেয়ে আবার আমরা রওয়ানা হলাম। এবারের গন্তব্য 'জলমহল'। জলমহলের সামনে এসে আমাদের গাড়ি দাঁড়ালো। অথচ নামার উপায় নেই আমাদের...

3_0.jpg
4_0.jpg
5_0.jpg

বাইরে তুমুল বৃষ্টি। নামবো কী করে ? ড্রাইভারকে বললাম, এসিটা ছেড়ে রাখতে। বেটা যেনো আমাদের কথা শুনলোই না। গাড়ির স্টার্ট বন্ধ করে সামনের দুপাশের দুটো জানালা খুলে দিলো। সামনে যারা বসেছে- তারা বৃষ্টিতে ভিজে যাচ্ছি আর পেছনের লোকজন গরমে সিদ্ধ হচ্ছে। অনেক করে বলার পরও ড্রাইভার এসি ছাড়লো না। আমাদের সাথের একজন হাসি হাসি মুখে বিশুদ্ধ বাংলায় গালী দিলো ড্রাইভারকে। ড্রাইভার তার দিকে তাকালো একবার। তারপর যা করলো- সেটার জন্য আমরা কেউ প্রস্তুত ছিলাম না। আমাদের সেই সফরসঙ্গীর দিকে তাকিয়ে বললো-
' দাদা, আপনি নেমে যান গাড়ি থেকে। নাহলে সবাইকে নামিয়ে দেবো...'।
বেটা হারামজাদা বলে কি ! ওতো দেখি বাংলা বুঝে ! আমাদের তখন ছেড়ে দে মা, কেঁদে বাঁচি- টাইপ অবস্থা। কোলকাতার বন্ধুটিকে চেপে ধরলাম-
'ওই ব্যাটা, তুই না বলেছিস এরা বাংলা বুঝেনা...?'
বন্ধুটি কিছু বলার আগে ড্রাইভারই জবাব দিলো-
'দাদা, আমরা বাংলা, হিন্দী আর ইংরেজি ৩ টা ভাষাই জানি। আমাদের জানতে হয়... ট্যুরিস্ট নিয়ে ঘুরিতো...'
কী বলবো তাকে। শেষে বললাম-
'স্যরি দাদা, ভুল হয়ে গেছে। আমরা আপনাদের মেহমান না ? এই বৃষ্টিতে আমাদের নামিয়ে দিলে আমরা সবাই ভিজে যাব। আমাদের সাথের ক্যামেরা, মোবাইলও ভিজে যাবে। আর গাড়ির ভেতরে অনেক গরম। তাই ওর মাথাটা গরম হয়ে গেছে। আপনার এসি ছাড়তে হবেনা। আমরা বৃষ্টি না থামা পর্যন্ত গাড়িতে বসে থাকি' ?
অনেক লম্বা লেকচার দিয়ে দম নিলাম। একটা সিগারেট ধরালাম। ভয়ে ভয়ে ড্রাইভারকেও একটা সাধলাম। কিছুক্ষণ তাকিয়ে রইলো আমার দিকে। তারপর কী মনে করে নিলো সিগারেটটা। দুজনে ধরালাম। মিনিট ৪/৫ গাড়িতে কোনো কথা নেই। আমরা ৮ জন চুপচাপ বসে আছি। ড্রাইভার সিগারেট টানা শেষ করে বললো-
'দাদা, আপনার হলো...? মানে, সিগারেট টানা হলো...?'
হাতের অবশিষ্ট সিগারেটটা ফেলে দিয়ে বললাম-
'শেষ দাদা...'
বেটা বললো-
'জানলার গ্লাসটা তুলে দিন...'
তুলে দিলাম। গাড়ি স্টার্ট করে বেটা ড্রাইভার আমাদের অবাক করে দিয়ে এসি ছেড়ে দিলো। কী থেকে কী হলো, বুঝতে পারলাম না। ১০/১৫ মিনিট ঝিম মেরে বসে রইলাম সবাই। কোনো কথাও বলতে পারছিনা। যে ভাষাতেই বলিনা কেনো ড্রাইভারতো বুঝে যাবে। আমরা ৭ জন যেনো বোবা সবাই। এর মধ্যে বৃষ্টি কমে এসেছে। ড্রাইভারের কথায় চেতন আসলো সবার।
'দাদা নামুন সবাই। বৃষ্টি নেই...'
নামলাম। সিগারেট ধরালাম প্রায় সবাই। সবার নজর এড়িয়ে ড্রাইভারের হাতে আরেকটা সিগারেট গুঁজে দিলাম... তেল দিলাম আর কি ! পাশেই একটা ছেলে উট নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। ওর উটের সাথে ছবি তুললাম। রাস্তার উল্টোদিকে জলমহল। যার অর্ধেকটা ডুবে আছে পানিতে। বাকী অর্ধেক পানির উপরে ভেসে আছে। কাছাকাছি যাওয়া যায়না। ফলে রাস্তার উপর দাঁড়িয়েই দেখতে হলো আমাদের। ছবি তুললাম। এদিকে ঝিরিঝিরি বৃষ্টি। তবে সহনীয়। মনে হয়না আজ সারাদিনেও থামবে। ১০/১২ মিনিট কাটিয়ে আমরা আবার গাড়ির কাছে। আমি যথারীতি গাড়ির সামনের সিটে। ড্রাইভারের সাথে টুকটাক কথা বলছি। জানতে চাইলাম, কোথায় গেলে কিছু কেনাকাটা করা যাবে। ড্রাইভার কি জানি একটা জায়গার নাম বললো। 'বিশুদ্ধ বাংলায় গালি দেয়া' আমাদের সেই বন্ধুটি মুখ ফসকে বলে ফেললো-
' বেটা নিশ্চয়ই কমিশন পাবে সে মার্কেট থেকে...'
আর যায় থোয়! ওর কথা শেষ হবার সাথে সাথেই ড্রাইভার কষে ব্রেক করলো। খুব মোলায়েম গলায় জানতে চাইলাম-
'কি হয়েছে।'
ড্রাইভার বললো-
'সবাই নামুন। গাড়ি আর যাবেনা।'
সবাই নামতে বাধ্য হলাম। নামার পর আমার কাছে এসে হাত বাড়িয়ে দিয়ে ড্রাইভার বললো-
' আমার টাকা দিন।'
বললাম- 'দাদা, আমাদেরতো ঘুরা শেষ হয়নি..,'
'সে আমি জানিনা, আপনারা আমার টাকা দিয়ে দিন...'
তার সাথে তর্ক করে লাভ নেই। আমাদের কোলকাতার বন্ধুটিকে বললাম, কি করবো। ও বললো, টাকা দিয়ে দে...। ড্রাইভারের ১২০০ রুপি দিয়ে দিলাম। এবার সবাই মিলে ঝাঁপিয়ে পড়লো 'বিশুদ্ধ বাংলায় গালি দেয়া' বন্ধুটির উপর। এক চোট হয়ে গেলো নিজেদের মধ্যে... পাশের একটা চায়ের দোকানে যেয়ে মাটির ভাড়ে চা খেলাম। দোকানীর কাছে জানলাম- আমরা পিংক সিটির কাছেই। হেঁটে যেতে ১০/১২ মিনিট লাগবে। সবাই হাঁটা ধরলাম। গন্তব্য পিংক সিটি।

6_0.jpg
8_0.jpg

পিংক সিটি যেয়ে সবাই যে যার মত কেনাকাটা করলো। বেলা তিনটার কাছাকাছি। খেতে হবে। আশে পাশে ভালো কোনো হোটেলের সন্ধ্যান পেলাম না। অগত্যা ২ টা অটো নিয়ে চলে এলাম হোটেলে। বাজার-টাজার রেখে, হাত-মুখ ধুয়ে হোটেলের কাউন্টারে এসে পেলাম দুঃসংবাদটা। পেপার দেখালো হোটেল ম্যানেজার। গতকাল সারাদিনের প্রবল বর্ষণে জয়পুর থেকে আগ্রা যাবার রাস্তা ধ্বসে গেছে। বন্ধ হয়ে গেছে যানবাহন। আমাদের বিকালে মাইক্রো করে জয়পুর থেকে আগ্রা যাবার কথা। সেখানেই আমাদের আজকের রাত্রীযাপন। এখন কি করবো, জানতে চাইলাম ম্যানেজারের কাছে। তিনি যেটা বললেন তার সারকথা হচ্ছে- বিকাল ৫ টায় জয়পুর থেকে একটা সুপার এক্সপ্রেস ট্রেন আগ্রায় যায়। সেটায় করে আমরা যেনো চলে যাই। বাই রোড যাওয়া যাবেনা। তবে ট্রেনের রিজার্ভেশন মানে এসি টিকেট পাওয়া যাবেনা। 'তৎকাল' টিকেট পাওয়া যাবে। যেটা এসি নয় কিন্তু যাওয়া যাবে। দ্রুত সিদ্ধান্ত নিলাম, এই ট্রেনেই যাব। কিসের এসি। নো খাওয়া-দাওয়া। আবার সবাই যে যার রুমে গিয়ে ব্যাগ গোছালাম দ্রুত। তারপর ৪ টা নাগাদ হোটেল থেকে বেরিয়ে পড়রাম। অটো নিয়ে স্টেশন। খুব দুরে নয়। ১৫/২০ মিনিটে পৌঁছে গেলাম। দুইজন দৌড়ালাম টিকেটের জন্য। হাতে সময় ৩০/৩৫ মিনিট। ভাগ্য বেঈমানী করলো না। 'তৎকাল' ৭ টা টিকেট পেয়ে গেলাম। মাত্র ৫০৫ রুপিতে। যেখানে বাই রোডে যেতে আমাদের লাগতো ৩৫০০/৪০০০ রুপি। দুইজনকে পাঠালাম শুকনো খাবার, পানি, জুস আর ড্রিংকস কিনতে। ঠিক ৫ টায় ট্রেন এল। উঠলাম, সিটও পেয়ে গেলাম। সিট পেয়ে অবাক হলাম। এই 'তৎকাল সিট' আমাদের ট্রেনের প্রথম শ্রেনীর সিটের চেয়েও ভালো। ছিমছাম, পরিস্কার কামরা। ট্রেন ছাড়লো। আমরা ৭ জন দুপুরের খাবার খাওয়া শুরু করলাম ৫ টায়। বিস্কুট-পাউরুটি- জুস। ট্রেনের গতি ক্রমশ বাড়ছে। আমাদের গন্তব্য আগ্রা ফোর্ট স্টেশন। সহযাত্রীদের কাছে জানলাম, আনুমানিক ১০ টার দিকে আমরা আগ্রায় পৌঁছাবো। আগ্রায় পৌঁছালাম রাত ১০টা ২০ মিনিটে। স্টেশনের বাইরে বেরিয়ে ২ টা অটোতে রওয়ানা হলাম। আগে হোটেল। ২-৩ টা হোটেল ঘুরে পেয়ে গেলাম পছন্দমত একটা। হোটেল 'বাসেরা'। এটি আজমীর রোড, বালুগঞ্জে। সেন্ট অ্যান্থনীজ জুনিয়র কলেজের সামনে। রুম ভাড়াও তেমন বেশি না। বিরাট বিরাট রুম। তিনটা রুম নিলাম। হোটেলে ব্যাগ রেখে এইবার রাতের খাবারের সন্ধ্যানে আবার সেই অটোতেই চেপে বসলাম। একটু দুরের একটা হোটেলে যেয়ে খেয়ে নিলাম সবাই। তারপর আবার অটোতে আমাদের হোটেলে আসতে আসতে রাত ১২ টার উপরে। সবাই ক্লান্ত। তারপরও ঘুমাতে ঘুমাতে আরো ঘন্টাখানেক। সকাল ৬ টায় উঠতে হবে সবাইকে। ৭ টার মধ্যে দেখতে যাব তাজমহল। সকালের সোনালী রোদে নাকী অপূর্ব দেখায় তাজমহল। তাছাড়া সকালে মানুষজনের ভিড়ও থাকেনা তেমন। ১০ টার মধ্যে আমাদের আবার দিল্লীর দিকে ছুটতে হবে। আগ্রা টু দিল্লী ২৪৮ কিলোমিটার। রিজার্ভ গাড়ি নিয়ে যেতেও সময় লাগবে ৫ ঘন্টা। সেখান থেকে বিকাল ৫ টার 'রাজধানী এক্সপ্রেস' এ আমাদের টিকেট করা আছে। চোখের সামনে তাজমহর দেখতে দেখতে কখন ঘুমিয়ে পড়েছি, জানিনা...
(চলবে...)

পোস্টটি ১১ জন ব্লগার পছন্দ করেছেন

অনিমেষ রহমান's picture


আপনার সাথে ঘুরে এলাম।
Smile Smile

মেসবাহ য়াযাদ's picture


দেখা হয়েছেতো Wink

উচ্ছল's picture


পরের পর্বের অপেক্ষায়....... এবারের টায় ছবি নাই কেন ........ ড্রাইভার বেটার এক ছবি দিয়েন বস, বেটারে দেখতে মঞ্চায়.... Wink

মেসবাহ য়াযাদ's picture


ড্রাইভারের ছবি তোলার প্ল্যান ছিলো। পরে আর তুলতে পারিনি...
ছবি দেয়ার চেষ্টা করব

হাসান মাহদি's picture


১১০০ জানালার হিসাব পািলাম না

মেসবাহ য়াযাদ's picture


বুঝলাম না Sad
তথ্যটা সেখানে পাওয়া Wink

রন's picture


কত্ত ঘুরাঘুরি করেরে!

মেসবাহ য়াযাদ's picture


তোমারে ঘুরাঘুরি করতে কে নিষেধ করছে, শুধু তার নামটা বলো Crazy

তানবীরা's picture


শুধু ট্রেন না অনেক কিছুই আমাদের থেকে অনেক ভাল। সেলফ রেসপেকট তার মধ্যে একটা। দোকানদারদেরও দেখেছেন, বেশি দামাদামি করলে বেচে না Puzzled

১০

মেসবাহ য়াযাদ's picture


ঠিক বলেছো ক্যাপ্টেন
সেদিকে যাচ্ছিনা আমি, শেষে না কেউ আবার রাষ্ট্রদ্রোহী মামলা করে দেয় Wink

১১

মীর's picture


বাংলাদেশে কোনো ট্যাক্সিওয়ালা এরকম করলে নামায়ে থাপড়াইতাম।

১২

মেসবাহ য়াযাদ's picture


না থাপড়াইলেও কান ধরে ঠিক উঠ বস করাইতাম Crazy

১৩

আরাফাত শান্ত's picture


ভোগান্তি না হলে ভ্রমনের মজা কই? জয় বাবা ভোগান্তির জয়!

১৪

মেসবাহ য়াযাদ's picture


ঠিক বলেছো শান্ত। এক আধটু ভোগান্তি না হলে আর ট্যুর হয় নাকী ?

১৫

মোহছেনা ঝর্ণা's picture


মেসবাহ ভাই আপনার সাথে সাথে আমরাও ভারত ঘুরে এলাম।

১৬

মেসবাহ য়াযাদ's picture


বিনা খরচে ? পাসপোর্ট ভিসা ছাড়াই...?

১৭

জ্যোতি's picture


আপনার অফিস নাই?এত ঘুরেন কেন?আজব!
ফটুক দেন পোস্টে।

১৮

মেসবাহ য়াযাদ's picture


ফটো কেমনে দেয় Tongue

১৯

ঈশান মাহমুদ's picture


হুম, ছবি না থাকলেও এই পর্ব বেশ মজার হইছে। ছবি পোস্টান। Smile

২০

স্বপ্নের ফেরীওয়ালা's picture


ফটুক চাই Smile

~

২১

বিষণ্ণ বাউন্ডুলে's picture


ড্রাইভার রে সাইজ করা দরকার ছিল!

ফটুক কই?

মন্তব্য করুন

(আপনার প্রদান কৃত তথ্য কখনোই প্রকাশ করা হবেনা অথবা অন্য কোন মাধ্যমে শেয়ার করা হবেনা।)
ইমোটিকন
:):D:bigsmile:;):p:O:|:(:~:((8):steve:J):glasses::party::love:
  • Web page addresses and e-mail addresses turn into links automatically.
  • Allowed HTML tags: <a> <em> <strong> <cite> <code> <ul> <ol> <li> <dl> <dt> <dd> <img> <b> <u> <i> <br /> <p> <blockquote>
  • Lines and paragraphs break automatically.
  • Textual smileys will be replaced with graphical ones.

পোস্ট সাজাতে বাড়তি সুবিধাদি - ফর্মেটিং অপশন।

CAPTCHA
This question is for testing whether you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

বন্ধুর কথা

মেসবাহ য়াযাদ's picture

নিজের সম্পর্কে

মানুষকে বিশ্বাস করে ঠকার সম্ভাবনা আছে জেনেও
আমি মানুষকে বিশ্বাস করি এবং ঠকি। গড় অনুপাতে
আমি একজন ভাল মানুষ বলেই নিজেকে দাবী করি।
কারো দ্বিমত থাকলে সেটা তার সমস্যা।
কন্যা রাশির জাতক। আমার ভুমিষ্ঠ দিন হচ্ছে
১৬ সেপ্টেম্বর। নারীদের সাথে আমার সখ্যতা
বেশি। এতে অনেকেই হিংসায় জ্বলে পুড়ে মরে।
মরুকগে। আমার কিসস্যু যায় আসে না।
দেশটাকে ভালবাসি আমি। ভালবাসি, স্ত্রী
আর দুই রাজপুত্রকে। আর সবচেয়ে বেশি
ভালবাসি নিজেকে।