মিডিয়ার অনিশ্চয়তা আর অস্থিরতা
আমি একবার কোনো প্রতিষ্ঠান ছেড়ে দিলে সে প্রতিষ্ঠানে আর চাকরী করি না। এটা আমার নিজস্ব সিদ্ধান্ত। আমি মনে করি কোনও কিছু বা কাউকে বা কারো সাথে সম্পর্কচ্ছেদ করার আগে ভাবা দরকার। হুট করে সম্পর্ক গড়া যায়, তবে খুব সহজে সম্পর্ক শেষ করা যায় না বা যাওয়া উচিৎ না। স্কয়ার ছাড়লাম। অ্যারোমেটিক ছাড়লাম। ছাড়লাম এসিআই। এরপর ছাড়লাম প্রথম আলো, ছাড়লাম ল্যাবএইড। বেকার জীবন কাটালাম কিছুদিন। তারপরও সাবেক কোম্পানি প্রধান বলা স্বত্তেও জয়েন করিনি। ওই যে বললাম, দ্বিতীয়বার কোনও কোম্পানিতে ফিরে যাওয়া আমার ইথিক্সে নেই।
আজকাল দেখি লোকজন আজ এই কোম্পানিতে তো কাল অন্য কোম্পানিতে। পরশু আবার আগের কোম্পানিতে। মনে হয়, এক কোম্পানির ভিজিটিং কার্ড ছাপা হওয়ার আগেই আরেক কোম্পানিতে বা অফিসে। অস্থির প্রজন্ম। পেশাদারিত্বের চেয়ে টাকা আর পদের গুরুত্ব এদের কাছে বেশি। ফলে অল্প বয়সে টাকা আর পদের ভারে এরা ন্যুজ হয়ে পড়ে। সব কিছুর একটা শেষ আছে। একটা সময় এই সব নন প্রফেশনালরা টাকা আর পদের সমন্বয় করতে পারেন না। ফলে দেখা দেয় হতাশা আর অস্থিরতা।
এক্ষেত্রে আমাদের মিডিয়াতে কাজ করা প্রজন্ম এক ধাপ এগিয়ে। গত একুশের বই মেলাতে আমি এক রিপোর্টারকে দেখেছি, অল্প দিনের ব্যবধানে দুটো বেসরকারি টেলিভিশনের বোম হাতে। সম্প্রতি তার সাথে দেখা হয়েছে। বললো, "নতুন হাউজ" খুঁজছে। মানে আবারও সে স্টেশন পাল্টাতে চাচ্ছে। আমাদের খুব কাছের এক ছোট ভাই। দীর্ঘদিন দেশের বদলে যাবার দৈনিকে কন্ট্রিবিউটার হিসাবে কাজ করেছে। স্থায়ী চাকরী মেলেনি তার সে পত্রিকায়। তারপর অন্য একটি দৈনিকে কাজ নিলো ছেলেটি। কদিন বাদে সে দৈনিক ছেড়ে নতুন আরেকটি দৈনিকে। তারপর একটি ইংরেজি দৈনিকে। তারপর নতুন একটি বেসরকারি টিভিতে। ইদানীং বাতাসে ভেসে বেড়াচ্ছে- সেই ছেলেটি আবার ফিরে আসছে বদলে দেবার অঙ্গীকার করা সে দৈনিকে। রাজনীতির ভাষায় যাকে বলে, ঘরের ছেলে ঘরে ফিরে আসা...।
আরেকজনের কথা না বললেই নয়। এই ছেলেটিও তার সাংবাদিকতার জীবন শুরু করে বদলে যাবার দৈনিকে। সেখান থেকে আরেকটি দৈনিকে। তারপর বন্ধ হওয়া একটা টেলিভিশন স্টেশনে। সেখান থেকে এফএম রেডিওতে। এরপর ২৪ ঘন্টার সংবাদভিত্তিক টেলিভিশনে। তারপর কমাসের মাথায় আবার আরেকটি টেলিভিশনে। সেটা অনএয়ারে আসার আগে আবার সাবেক সংবাদভিত্তিক টেলিভিশনে ফিরে আসা তার। ইতিমধ্যে ১০/১২ বছরে সে ৬/৭ টি মিডিয়াতে কাজ করেছে। পদের ভারের পাশাপাশি মাস শেষে পকেট ও ভারী হয়েছে ছেলেটির। কিন্তু তার সে পরিমানের যোগ্যতা অর্জন হয়েছে কিনা- সেটাই বিবেচ্য বিষয়। এইরকম উদাহরণ একটি বা দুটো নয়, অসংখ্য আছে।
পেশাদারিত্বের ক্ষেত্রে এই অস্থিরতার কারনে মূলত ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে আমাদের মিডিয়া হাউজগুলো। ছোট একটা বাজার আমাদের। সেখানে দরকারের চেয়ে অনেক বেশি টেলিভিশন স্টেশন। মোট বাজার ১০০ টাকা হলে- আগে সেটা ভাগ হত ৩/৪ টেলিভিশনের মধ্যে। সেটা এখন ভাগ হচ্ছে ১৮/১৯ টি টেলিভিশনে। তার উপর আগে যে ছেলে বা মেয়েটির সম্মানী ছিল ১৫/২০ হাজার টাকা, সকাল বিকাল হাউজ বদলে সেটা এখন দাঁড়িয়েছে ৩০/৪০ হাজার টাকাতে। যে ছেলে বা মেয়েটি শুদ্ধ করে ৩ টা বাক্যও লিখতে পারে না, সে এখন বার্তা সম্পাদক। পদ আর সম্মানী বাড়লেও সে অনুপাতে বাড়েনি গণমাধ্যমকর্মীদের ব্যক্তিগত যোগ্যতা। হাতে গোনা কয়েকজন ছাড়া অনেকের মধ্যেই নেই সংবাদ সেন্স। কাকে, কীভাবে, কী প্রশ্ন করতে হবে- কার থেকে কী তথ্য নিতে হবে - এ ক্ষেত্রেও পিছিয়ে আছে আমাদের সংবাদকর্মীরা। এটা তাদের দোষ নয়। ওই যে বললাম, দ্রুত হাউজ পাল্টানো আর টাকার অংকের কাছে হেরে যাচ্ছে ওরা। অনেক কটি মিডিয়া হাউজ গড়ে উঠলেও তেমন কোনও প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেনি আজও; যাদের বা যেখানে কিছু শিখতে পারবে এরা। হাউজগুলোতে নেই নিজেদের কোনও প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা। কোনও স্টেশন চালু হবার আগে ১৫ দিন থেকে ১ মাসের একটা ট্রেনিং করানো হয়। সেটাও করে বাইরের দেশ থেকে ভাড়া করে আনা বিভিন্ন মিডিয়া প্রতিষ্ঠানের লোকজন। সঙ্গত কারনে সেটা হয় ইংরেজিতে। আর আমাদের ইংরেজির দৌড়তো মাশাল্লাহ ! এমন অনেক রিপোর্টার/ সিনিয়র রিপোর্টার টিভির পর্দায় রিপোর্ট করতে দেখি, যাদের বাংলা উচ্চারণ শুনে লজ্জা পাই। শুদ্ধ বাংলায়, শুদ্ধ উচ্চারণে কথা বলতে পারেন না আমাদের অনেক রিপোর্টার বন্ধুরা। তারপরও দীর্ঘদিন ধরে তারা রিপোর্ট করে আসছেন। টেলিভিশন কর্তৃপক্ষও বেকায়দায় আছেন। এতগুলো স্টেশন আছে আমাদের মত ছোট একটা দেশে- সে তুলনায় যোগ্য লোকের সংখ্যা অনেক কম। ফলে বাধ্য হয়ে এই সব যোগ্য-অযোগ্যদের সম্মিলন ঘটাতে হয়।
একদিকে দিন দিন বাড়ছে মিডিয়ার সংখ্যা। অন্যদিকে ক্রমাগত লসের বোঝা বইতে বইতে ধুঁকে ধুঁকে চলছে বেশ কটি মিডিয়া হাউজ। কর্মী ছাটাই চলছে প্রায় সব কটি মিডিয়া হাউজে। অনেকে আবার নিজেরা এক হাউজ ছেড়ে অন্য হাউজে যাচ্ছেন। অস্থিরতা কিন্তু কমছে না। বাড়ছেনা যোগ্যতাসম্পন্ন গণমাধ্যমকর্মীদের সংখ্যা। কিছু জানুক আর না জানুক, সবাই নিজের চেহারা বা নিজের নামটা দেখতে চায় মিডিয়াতে। লবিং করে ঢুকেও যাচ্ছে মিডিয়াতে। বেশিরভাগ মিডিয়ার মালিকরাই কোনও না কোনও রাজনীতির সাথে জড়িত। ফলে তাদের কোটি কোটি টাকা বিনিয়োগের পরও থাকছে অনিশ্চয়তা। পরের সরকার যদি নিজের দলের সরকার না হয় ? যদি আবার টিভি স্টেশন বা পত্রিকাটা বন্ধ করে দেয়- তাহলে কী হবে তার বিনিয়োগের ? কী হবে ওই প্রতিষ্ঠানের সাথে জড়িত ৩০০/৪০০ মানুষ এবং তাদের পরিবারের ? এখানেই সৃষ্টি হচ্ছে তাবৎ সমস্যার।
আমি শুধু মিডিয়ার বর্তমান অবস্থাটা তুলে ধরলাম। সমাধান কী হবে, সেটা আমার চেয়ে বোদ্ধা মানুষজনই ঠিক করুক... এভাবেই রাম-শ্যাম-যদু-মধু দিয়েই মিডিয়া চলবে, নাকী যোগ্য লোকজনরে সমন্বয় করে মিডিয়া হাউজগুলো চলবে ? এতটুকুন একটা দেশে এতগুলি টিভি চ্যানেলের আদৌ দরকার আছে কীনা ? শুনছি, আরো আসছে... একটা নির্ভর করার মত দৈনিক নেই যে দেশে, সে দেশে এত্তগুলি টিভি কেনো ? কারা এর মালিক ? কি তাদের মিশন আর ভিশন ? ব্যবসা আসলে কোথায় ? নাকী পিঠ বাঁচানো... আসলেই কী পিঠ বাঁচাতে পারছে ? অনিশ্চয়তা আর অস্থিরতা থেকে কবে আমাদের দেশের মিডিয়া মুক্তি পাবে ?





একজায়গায় বেশীদিন চাক্রি করতে বোর লাগে...
খিয়াল কৈরা দেখেন আপ্নে নিজেও অনেকগুলা বদলাইছেন
তা ঠিক। কিন্তু আমি আসলে মিডিয়ার বিষয়টা নিয়েই লিখতে চেয়েছি...
আমাদের মত যারা এক কোম্পানীতে বহুদিন আছে তাদের শুনতে হয়ঃ "এখনো ওই কোম্পানীতে ?!?" কিংবা ধারণা করে নেয় "যথেষ্ঠ যোগ্যতা না থাকায় অন্য কোথাও যেতে পারতেছে না"...
~
অন্য অফিসে চাকরীরর ক্ষেত্রে যতোটা প্রভাব পড়ে, মিডিয়ার ক্ষেত্রে অনেক বেশি পড়ে... আপনি যথেস্ঠ প্রস্তুতি নিয়ে হাউজ বদল করলে সমস্যা নেই। কিন্তু কেবলমাত্র টাকা আর পদের জন্য আপনার যথেষ্ট যোগ্যতা না থাকা স্বত্বেও অহরহ হাউজ বদল করাটাই সমস্যা...
লেখাটা খুবই ভাল লাগলো দাদাভাই।
অথচ একসময় টিভি দেখে শুদ্ধ উচ্চারণ শিখতে বলা হতো আমাদের। মিডিয়াতে সামহাউ ঢুকে পড়া মনেহয় সোজা দ্যান আদার জবস
যৎকালে তৎবিচার। এখন এই সব আর স্বপ্নেও ভেবোনা ক্যাপ্টেন !
তাহলে জীবনে যা শিখেছো, তাও ভুলে যাবা...
জব চেঞ্জ করার অনেক কারন হয়ত আছে। আমার মনে হয় প্রধান ও অন্যতম কারন তাদের ডিসস্যাটিস্ফেকশন। তারা নিজেরা কিছুতেই তৃপ্তি পায় না। সব সময় পদ মর্যদা , অর্থনৈতিক অতৃপ্তি তাদের ছুটে চলায়। আসলে তারা খুব বেশি আইডেন্টিটি ক্রাইসিস এ ভোগে।
না বুঝে মেলা কথা বললাম। আমি মোট ৫টা জব চেঞ্জ করছি । তবে এখন স্থীর।
তানবীরা শুদ্ধ উচ্চারণ আমাদের মিডিয়ার লোকদের তাও আছে কিন্তু মন্ত্রীদের যে কি অবস্থা।
আসলে জব সেটিশফেকশন বলে কোনো বিষয় নাই। মানুষের চাহিদার শেষ নেই, নেই সন্তুষ্টিরও। তাহলে কী করে সেটিশফেকশনের পরিমাপ করবেন ? বনিবনা না হলে চাকরীতো আপনি ছাড়তেই পারেন। কথা সেটা না, কথা হচ্ছে- অল্পদিনের মধ্যে মিডিয়াতে যথেষ্ট যোগ্যতা অর্জন না করেও বার বার মিডিয়া চেঞ্জ করা নিয়ে আমার এ লিখা। তাতে আপনার পদ আর পকেট ভারী হয় ঠিকই, সে অনুপাতে মগজটা ভারী হয়না প্রায় সব ক্ষেত্রেই...
মিডিয়াতে যে যোগ্য লোকের যথেষ্ট অভাব তা খবর থেকে শুরু করে সবধরনের বিনোদন মূলক অনুষ্ঠান দেখলেও বেশ টের পাওয়া যায়।
যে ছেলে বা মেয়েটির সম্মানী ছিল ১৫/২০ হাজার টাকা, সকাল বিকাল হাউজ বদলে সেটা এখন দাঁড়িয়েছে ৩০/৪০ হাজার টাকাতে। যে ছেলে বা মেয়েটি শুদ্ধ করে ৩ টা বাক্যও লিখতে পারে না, সে এখন বার্তা সম্পাদক। পদ আর সম্মানী বাড়লেও সে অনুপাতে বাড়েনি গণমাধ্যমকর্মীদের ব্যক্তিগত যোগ্যতা। হাতে গোনা কয়েকজন ছাড়া অনেকের মধ্যেই নেই সংবাদ সেন্স।
সব জায়গাতেই অস্থিরতা।সব জায়গাতেই রাতারাতি বড় হয়ে যাওয়ার তোড়জোড় বলেই হয়তো এত সমস্যা।
ভাল একটা বিষয় নিয়ে লিখছেন মেসবাহ ভাই। কর্তা ব্যক্তিদের নজরে এই লেখাটা পড়লে ভাল হইত।
কর্তা ব্যক্তিরা আমার মত নিম্নমানের লেখকের লেখা পড়বেন না। পড়লেও তাতে তাদের কিছু যাবে আসবে না। কেননা, অন্যের ভালোটা নেবার মত মানসিকতা আমাদের তথাকথিত কর্তা ব্যক্তিদের নাই...
এমনিতেই আমাদের দেশে মিডিয়া মালিকরা ঠিকমতো টাকা দিতে চায় না, তার উপরে আপনের এই লাইন -
পড়ার পর তো একেকজন এখনই খুশিতে অস্থির হয়ে অফিসের দিকে দৌড় লাগাবে এবং অফিসে গিয়েই গোটা পাঁচেক কর্মচারীর চাকুরী খাবে।
কয়দিন আগে দেখলেন না, সরকারের পক্ষ থেকে সংবাদকর্মীদের জন্য ৫০ শতাংশ মহার্ঘ্য ভাতা ঘোষণা করার সঙ্গে সঙ্গেই ওরা ডগদের মতো বার্ক করতে করতে ছুটে এসে বলেছিলো, আগে পত্রিকার আয় বাড়ানোর ব্যবস্থা করতে হবে।
আর "৪০ হাজার টাকা" কি এমন টাকা যে এটা ২৮-৩০ বছরের একটা ছেলে বা মেয়ে আয় করতে পারবে না, সেটাও আমার বোধগম্য না। মানুষের জীবনের এটাই সবচেয়ে কর্মক্ষম সময়। এ সময় সে যত পরিশ্রম করতে পারবে সেটা আর কখনোই পারবে না। এ সময় একজন পরিশ্রমী ছেলে/মেয়ের জন্য এর চেয়ে বেশি আয়ের সুযোগ খোলা থাকা উচিত।
সংবাদকর্মীদের বেতন ভাতা নিয়ে আমার কোনও সমস্যা নেই। যোগ্যতাসম্পন্ন একটা ছেলে বা মেয়ে ২৮-৩০ বছরে ৪০ হাজার টাকা মাসে আয় করতেই পারে। যদি সেটা তার যোগ্যতার কারনে পায়।
১০/১২ বছর আগেও সংবাদকর্মীরা ঠিকমত মাসে বেতন পেতো না। পেলেও সেটা বলার মত ছিলো না। এখন দিন পাল্টেছে। আমি ব্যক্তিগতভাবে চিনি- এমন অনেক সংবাদকর্মী এখন নিজের গাড়ীতে চড়ে। অনেকের আবার ফ্ল্যাট ও আছে এই ঢাকা শহরে। অনেক মিডিয়া হাউজ থেকেও কর্মীদের গাড়ী দিচ্ছে। সমস্যা হচ্ছে, সেটা যোগ্যতাসম্পন্ন না হলেও পাচ্ছে অনেকেই। শুধু লবিং (বা সহজ করে বললে তেল মেরে) করে অনেককেই দেখেছি কম যোগ্যতা থাকা স্বত্বেও বড় পদ, বেশি সুবিধা নিচ্ছে। আমার কথাটা সেটাই।
আমি কী আপনাকে বুঝাতে পেরেছি জনাব ?
নাউজুবিল্লাহ মিন.....
আশ্চর্য!!! শান্তিমতো একটা চুমুও দেয়ার উপায় নাই এই দেশটাতে।
মীর কি মনে করিয়ে দিচ্ছেন যে, আপনার জীবনের অনেক সময় চট্টগ্রামে কেটেছে...
বেশরম
চিটাগাং একটা ভালো জায়গা। এই স্টেরিওটাইপ লোকগুলোর যন্ত্রণায় আর টেকা গেলো না।
লেখাটা খুবই ভালো লাগলো দাদাভাই। সময়টাই অস্থিরতার।
লেখাটা খুবই ভালো লাগলো দাদাভাই। সময়টাই অস্থিরতার।
ঈদে টিভি দেখা হয় বেশী, বিভিন্ন অনুষ্ঠান দেখে মনে হয় এরা কি ফাইজলামী করে? অনন্ত জলিলের সাথে মুন্নী সাহার ইন্টারভিউ দেখে যে রাগটা লাগছে সেটা এখনও ভুলতে পারি না।
আমি আর কী বলবো বল ?
এসব এখন অহরহই ঘটছে...
রাসেল কি বুঝো নাই ?
নাকী এইটাও বুঝো নাই যে, কী বুঝো নাই ??
বইয়ের মধ্যে কী খুঁজতেছো ???
মিষ্টি খোজে
মিষ্টিতো মিষ্টির দোকানে... বইয়ের মধ্যে খোঁজে ক্যান
সরকারি চাকরি ছেড়ে মিডিয়াতে আসতে চাই। কী বলেন মেসবাহ ভাই?
ভাবতে পারেন, আপনার মত প্রতিভাবানরা মিডিয়াতে আসলেতো ভালোই হয়
এত ছোট একটা দেশে এতগুলো টিভি চ্যানেল কি করে হতে পারে, এগুলো চলে কি ভাবে মালিক কারা আর দর্শকইবা কারা এসব ভেবে আমার সত্যি অবাক লাগে !
তবে সময়টা আসলেই অস্থির,বিষেশ করে এখনকার প্রজন্ম যেন স্থির হতেই জানে না ।
যাই হোক অফ টপিক একটা বিষয় জানতে চাইছি আশা করি আপনার ধারণা আছে এ ব্যাপারে, একটি ভাল মানের নাটক (টিভি) তৈরিতে খরচ কিরকম হতে পারে যদি জানান উপকৃত হব ।
সেটা নির্ভর করছে শিল্পী কাদের নেবেন, তার উপর।
কমপক্ষে ১ লাখ থেকে শুরু করে ৫/৭ লাখেও আপনি নাটক বানাতে পারেন।
যত বাজেটেই বানান না কেনো, কোন চ্যানেলে সেটা বিক্রি করবেন- সেটা মাথায় রাখবেন।
সব চ্যানেলেরই একটা নিজস্ব বাজেট থাকে।
তবে লাখ দুয়েকের মধ্যে বানাতে পারবেন, এক পর্বের নাটক।
ধন্যবাদ মেসবাহ ভাই,নাটক এক পর্বেরই হবে । শিল্পী বলতে তো অবশ্যই ভাল অভিনেতা/অভিনেত্রী চাইবো । চ্যানলের ব্যাপার এখনো কিছু ঠিক হয়নি ।
হ্যাঁ যত বেশী পত্রিকা বাড়ছে,টিভি চ্যানেল বাড়ছে এসবের গুনগত মান ততই কমে যাচ্ছে।স্বভাবতই এসব পেশায় জড়িত লোকজনের সুযোগ-সুবিধাও আগের থেকে বেশী ।যার ফলে পেশাদারী মনোভাব গড়ে উঠছেনা।
মেসবাহ য়াযাদ,
ভাইডি,
ভালো তো?
... অধমের নাম রাসেল ও'নীল। আপনার স্মরণশক্তির ওপর আমার ঈমান গভীর, তাই আশা করি অধমকে চিনতে পারবেন।
আমি এই মহল্লায় নতুন আমদানি। তাছাড়া আমার 'টেকনো/নেট/মেশিন-অজ্ঞতা' নিশ্চয়ই জানা আছে আপনার! আমি বহু খুঁজেও এই পাড়ায় কোনো 'পোস্টঅফিস' মানে চিঠি লেখার 'ইনবক্স' বা 'ম্যাসেজ' (ইতর অর্থে না!) পাই নাই। বাধ্য হয়েই তাই এইখানে 'আদাব আরজ' করলাম।
সকল কুশল তো?
ভালো থাকবেন।
বি:দ্র: ... বুঝিতে পারিতেছি, তাই কিঞ্চিৎ চিন্তাযুক্ত আছি, মন্তব্যটি কোথায় গিয়া মুখ দেখাইবে সেই বিষয়ে। তবে একান্ত প্রার্থণা- মন্তব্যটি যেন আপনার পদমূল, মানে আপনার রচনার, খুঁজে পায়! অন্যথায়, অন্য কোথাও প্রকাশিত হইলে বেইজ্জতির আর শেষ থাকিবে না। দোয়া রাখিবেন।
রাসেল, তোমাকে না চিনলে যে পাপ হবে ! সে পাপতো আমি জেনে শুনে করতে পারিনা।
কেমন আছো তুমি ? অনেকদিন দেখা নেই।
কলি আপার সাথে দেখা হলেই তোমার কথা জানতে চাই।
স্বাগতম, আমরা বন্ধু ব্লগে।
মন্তব্য করুন