আজিরা দিনপঞ্জী...৪
একটুকু ছোঁয়া লাগে, একটুকু কথা শুনি...
তাই দিয়ে মনে মনে রচি মম ফাল্গুনী।
অনেক অনেক দিন পরে আমি অনেক ভালো আছি, ভালো লাগবার আলাদা কোন কারণ নেই। কেবলমাত্র কোন মানুষের উপস্থিতি'র অনুভূতি কেমন করে এতো শান্তি'র হয়-তার ব্যাখ্যা আমার কাছে নেই, কখনও ছিলোনা। যাই হোক, আপাতত ব্যাখ্যা খোঁজা বাদ দিয়েছি, নিজের থেকে কিছু করবার চিন্তাও বাদ দিয়েছি... যেটুকু সময় ভালো লাগে সেটুকু ভালো লাগাতেই কাটুক। আজ হপ্তা শেষে ছুটির দিন... কেন জানিনা এখানে এলেই ভোর বেলায় ঘুম ভেংগে যায়... আজকেও সম্ভবত পাঁচটার দিকে ঘুম টুটে গেলো, নিজেকে অনেক ঠেলেঠুলে, মাথায় হাত বুলিয়ে আবার ঘুমুতে পাঠালাম... শেষমেষ যখন মনে হতো লাগলো বেলা বুঝি দুপুর গড়িয়ে এলো প্রায়... উঠে দেখি বাজে মোটে ন'টা। কি আর করার... উঠেই পড়লাম। উঠে মনে হলো অনেকদিন আমার দিনের হিসাব লিখে রাখা হয়না... তাই কোলের যন্তরটা'রে নিয়ে বসলাম।
এখন যেই বাড়িটায় আছি, সেইটা আমার অবস্থার সাথে তুলন করলে মোটামুটি একটা রাজপ্রাসাদ সমমানের... আমার ভারতীয় বান্ধবী বাহবা পাওয়ার যোগ্য, এতো সস্তায় এই বাড়ি কেমন খুঁজে পাইলো কে জানে। জানালার বাইরেই ঘাসে ছাওয়া উপত্যকা আর তার গা জুড়ে লাল টালির ছাদের বাড়ি। ঘুম থেকে উঠে বাইরে তাকালে আমার হঠাত হঠাত সময় আর জায়গা গুলিয়ে যায়... মনে হয় কোন ভিনগ্রহে এসে পড়েছি। একটা ব্যাপার আমার সব সময়েই চরম ফ্যাসিনেটিং লাগে, সেইটা হলো শীত আর গ্রীষ্মের এই চরম পার্থক্য... সম্পূর্ণ বিপরীত রং এর স্পেকট্রাম.... শীতের সাদা-কালো-ছাই রং এর এই শহরে এইরকম রং এর ছড়াছড়ি হইতে পারে সেইটা বিশ্বাস করা শক্ত ঠেকে।
একটু বাদে পড়াশুনো শুরুর কথা ভাবছিলাম... যদিও করতে মন চাইছেনা... কিন্তু সপ্তার মাঝখানে আসলে সময়ে কুলিয়ে উঠতে পারবোনা... তাই সপ্তাহান্তই একমাত্র ভরসা। আজকে আবার জার্মানীর সাথে আর্জেন্টিনা'র খেলা... কালকে ব্রাজিলের নার্ভাসনেস দেখে ল্যাটিন খেলোয়াড়দের সাইকোলজি'র উপরে খানিক অভক্তি জন্মে গিয়েছে... নার্ভের উপরে কন্ট্রোল না থাকলে এরা ফুটবল খেলবে কেমনে?





চলুক দিনপঞ্জী
আবার বলি আজিরা দিনপঞ্জী ভালো হচ্ছে।
আমার ভারতীয় বান্ধবী বাহবা পাওয়ার যোগ্য, এতো সস্তায় এই বাড়ি কেমন খুঁজে পাইলো কে জানে।
এ জিনিসটা ভবিষ্যতেও অনেক অনুভব করবেন। সস্তায় ভালো জিনিস খুঁজে বের করাতে ভারতীয়দের কোন জাতি মাত দিতে পারবে না
আমার লাইগা তো ভালো খবর....
মন্তব্য করুন