ইউজার লগইন

১৯৭১ : অস্পষ্ট স্মৃতি থেকে

স্বাধীনতা যুদ্ধের দিনগুলোর কথা আমার স্পষ্ট মনে পড়ে না। কষ্ট করে স্মৃতি
রোমন্থন করতে গেলে মুছে যাওয়া কিছু স্মৃতি অত্যন্ত অস্পষ্টভাবে মানসপর্দায়
ধরা পড়ে।

কবে কখন কোথায় কিভাবে এবং কেন, আনুষ্ঠানিকভাবে কিংবা অতর্কিতে, যুদ্ধ শুরু
হয়েছিল পরে ইতিহাস পড়ে জানতে পেরেছি। কিন্তু সেদিন জানতে পারি নি, কারণ
জানার মত জ্ঞান এবং বোঝার ক্ষমতা তখনও আমার হয় নি। কেননা, তখনও আমি চালতে
কিংবা বটের শুকনো পাতার ঘুড়ি উড়িয়ে দল বেঁধে ছুটে বেড়াই মাঠ থেকে মাঠে।
প্রচণ্ড ঝড়েও সাথীদের সংগে আম কুড়োতে যাই, হাতে থাকে পাখি মারার গুলতি,
দিগম্বর হয়ে জলে ঝাঁপ দিই।

সদ্য শৈশবোত্তীর্ণ বয়সের এমনি একদিন। দুপুরের ঝাঁঝালো রোদে আমরা একদল কিশোর
বালক লাংগলচষা ক্ষেতের উপর দৌড়ে ঘুড়ি উড়ানোর মহোল্লাসে মেতে উঠেছিলাম।
হঠাৎ প্রলয়ংকারী শব্দে পশ্চিমাকাশ বিদীর্ণ করে প্রায় মাথা ঘেঁষে উড়ে গেলো
গোটা পাঁচেক বিমান, সম্ভবত বোমারু বিমান। আমরা অবুঝ কিশোরের দল ভয়ে প্রচণ্ড
চিৎকার দিয়ে দুহাতে কানবন্ধ করে বাড়ি অভিমুখে ছুট দিয়েছিলাম। কেউ কেউ
ঢিলায় হোঁচট খেয়ে মাটিতে পড়ে গেলো। সারা গ্রামে শোরগোল পড়ে গেলো। হন্যে হয়ে
আমার মা বাড়ি থেকে ছুটে এলেন, এলেন আরো অনেকে। শক্ত ঢিলার উপর আছাড় খেয়ে
পড়ে গিয়েছিলাম আমিও। ফলে বুক ছুলে গিয়ে রক্ত বেরুচ্ছিল। মা আঁচলে বুক মুছে
দিয়ে ত্রস্ততার সাথে বাড়ি নিয়ে গেলেন। সবাই তখন কী এক আতংকে ভুগছিলাম।

সেদিন থেকেই শুনতে পেলাম এবং কিছুটা বুঝতে পারলাম দেশে গণ্ডগোল চলছে। তবে
কিসের গন্ডগোল চলছে সে বিষয়ে ততটা স্পষ্ট না। কেবল শুনতাম, মিলিটারিরা
গ্রামের পর গ্রাম, হাঁটবাজার পুড়ে ছারখার করে দিচ্ছে, নির্বিচারে মানুষ
মেরে শহরগ্রাম উজাড় করে দিচ্ছে। এই মিলিটারির লোকেরা যে কারা সে বিষয়ে আমি
কিছুই বুঝতে পারতাম না। এবং কেনই যে তারা শহরগ্রাম জ্বালিয়ে দিচ্ছিল, কেনই
যে হত্যাযজ্ঞ চালিয়ে যাচ্ছিল তা কিছুতেই আমার ধারণায় আসতো না।

একদিন সন্ধ্যার কিছু পূর্বে এক মাইল দুরবতী পাশের গ্রামে গোলাগুলির শব্দ
শোনা গেলো। সমস্ত কাজকর্ম ফেলে বাবা ও চাচা আমাদের সবাইকে নিয়ে বাড়ি ছেড়ে
চলে গেলেন একটা ঘন জংগলের ভিতর। সবাইকে এক জায়গায় জড়ো করে বসিয়ে কোনো রকম
টু শব্দটি পর্যন্ত করতে নিষেধ করে দিলেন। গোলাগুলির শব্দ ক্রমেই নিকটতর হতে
লাগলো। বাবা আমার শরীর জড়িয়ে ধরে রেখেছিলেন এবং তাঁর সর্বাংগ থরথর করে
কাঁপছিল। কী জানি কেন, আমার তখন একটুও ভয় পাচ্ছিল না । গোলাগুলির শব্দটাকে
ঈদের পটকা ফোটানোর মতই রোমাঞ্চকর মনে হচ্ছিল।

এক সময় গোলাগুলির শব্দ হঠাৎ থেমে গেলো। আমরা জংগলের ভিতর গুঁটিসুটি করে বসে
- চারদিকে এক ভয়ংকর রহস্যময় স্তব্ধতা। অনুভব করতে লাগলাম, বাবার শরীরের
কম্পন আগের চেয়ে বেড়ে গেছে। এরপর আমি ঘুমিয়ে পড়েছিলাম। বাবার ডাকে যথন ঘুম
ভাংগলো তখন সকালে সূর্য উঠে গেছে। অত্যন্ত ভয়ে ভয়েই সবাইকে বাড়ি নিয়ে আসা
হলো।

এরপর প্রতিদিনই খবর আসতো, আজ এ গ্রামে মিলিটারিরা আসবে। অতএব, সকাল সকাল
রান্নাবান্না, খাওয়াদাওয়া, অতঃপর সপরিবারে জংগলের ভিতর আত্মগোপন ও
রাত্রিযাপন। অবশেষে এ কাজটি আমাদের দৈনন্দিন কার্যকলাপের একটি অংশ বিশেষে
পরিণত হয়ে গেলো। প্রতিদিনই সন্ধ্যায় কিংবা সন্ধ্যার কিছু পরে পার্শ্ববর্তী
গ্রাম সমূহে গোলাগুলি শুরু হতো। সে শব্দ ক্রমশ নিকটতর ও প্রচন্ডতর হতে
থাকতো, আবার এক সময়ে তা ধীরে ধীরে মিলিয়েও যেতো। আল্লাহুর কী আশ্চর্য রহমত,
আমি ভাবতাম, আমাদের গ্রামটিতে কখনো মিলিটারিদের আক্রমণ সংঘটিত হয় নি।

একদিন সকাল থেকেই গ্রামময় হৈহৈ রৈরৈ রব পড়ে গেলো, আজ মিলিটারিদের সাথে
মুক্তিবাহিনীর লড়াই হবে। লড়াইটা হবে গ্রাম থেকে আধমাইল উত্তরে দোহারের
খালে। দোহারের খাল পার হবার জন্য বানাঘাটা গ্রাম থেকে আমাদের ডাইয়ারকুম
গ্রামে আসার একটাই মাত্র বাঁধ আছে। সেটি হামিদ মোল্লার ভিটা বরাবর। ঐ বাঁধ
পার হয়ে আমাদের গ্রাম আক্রমণ করতে আসবে মিলিটারিরা। আর তখনই তাদের উপর
ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে।

আমি সেদিনই প্রথম জানতে পেরেছিলাম গেদা ভাই, রজব মামা, তোতা কাকা, এঁরা
হলেন আমাদের গ্রামের মুক্তিবাহিনীর নেতা। আর সেদিনই এসব নেতাদের আমি প্রথম
দেখি এবং সেদিনই প্রথম একটা স্পষ্ট বিভাজনরেখা চিহ্নিত করতে পেরেছিলাম -
মিলিটারিরা আমাদের শক্র, মুক্তিবাহিনীরা আমাদের নিজস্ব মানুষ।

আক্রমণ স্থানে যাবার রাস্তাটি আমাদের বাড়ির কাছ থেকেই শুরু হয়েছে। ক্রমে
ক্রমে সেখানে মানুষের ভিড় জমতে লাগলো। কেউ বড়, কেউ ছোট - সকল শ্রেণীর সকল
পেশার মানুষ। কারো হাতে দা, রামদা, কারো ঢালশুর্কি, কারো হাতে লাঠি ও বাঁশ।
কেউ হাতে নিয়েছে জুঁতি, কেউ কুঁচি, কেউবা কাঁচি। কুড়াল, খুন্তি এসবও।
দুপুর হতে না হতেই আমাদের বাড়ির উত্তর দিকসহ মাঠটি জনে জনারণ্য হয়ে গেলো।
এত মানুষ আমি এর আগে দেখি নি। আমার আনন্দ আর ধরে না।

দুপুরের একটু পরেই দেখা গেল গেদা ভাই এবং আরো কয়েকজন এসে হাজির। গেদা
ভাইয়ের কাঁধে কী একটা অস্ত্র ঝুলছিল। তাঁর নির্দেশে সমস্ত লোক আক্রমণ
স্থানের দিকে রওনা হলো। বাবার হাতে ছিল আমার মায়ের আনাজ কোটার একটা বটি।
পকেট বোঝাই মাটির গুলি এবং পাখি মারার গুলতিটি হাতে নিয়ে আমিও বাবার পিছু
নিলাম, আমিও লড়াইয়ে যাবো। কোত্থেকে এসে খপ করে হাত ধরে ফেললেন মা, আমাকে
টেনে বাড়ি নিয়ে এলেন। হুঁশিয়ার করে দিয়ে বললেন, খবরদার বাবা, ঐদিকে যাসনে।
আজ কী যে হবে আল্লাহই জানেন।

আমার মন চঞ্চল হয়ে উঠছিল; ঐখানে কী ঘটছে তা জানার জন্য ব্যাকুল হয়ে উঠছিলাম
আমি। ঘরের ভিতরে জানালার পাশে বসে দেখতে লাগলাম - খালপাড় ধরে কেবল মানুষ
আর মানুষ। তারা অপেক্ষা করছে মিলিটারিদের জন্য, একটা লড়াইয়ের জন্য, একটা
প্রতিরোধ গড়ার জন্য, তারা ডাইয়ারকুম গ্রামে শক্রর আগমন ঘটতে দেবে না।

আমিও ঘরে বসে একটা লড়াই দেখার প্রতীক্ষায় প্রহর গুনছিলাম। বিকেল গড়িয়ে
যাচ্ছে, তবুও লড়াইটা শুরু হচ্ছে না। এক সময় সন্ধ্যা হলো। অততদূরে আর কিছুই
দেখা যায় না। মা-ও একবার সদর বাড়ি, আবার ঘরের ভিতর চিন্তিতভাবে পায়চারি
করছিলেন এবং হয়তো ভাবছিলেন, বাবাকে যেতে দেয়া ঠিক হয় নি। আমাদের দু
ভাইবোনকে মা ভাত বেড়ে খেতে দিলেন। আগেভাগেই খেয়ে নেয়া ভালো, কখন কী হয় কে
জানে।

আমরা খেতে বসেছি এমন সময়ে প্রথমে একটা গুলির শব্দ হলো এবং সংগে সংগে অসংখ্য
গুলির আওয়াজে সমস্ত উত্তর দিকটা কেঁপে উঠলো। সবাই খাওয়া ছেড়ে তাড়াতাড়ি
হাতমুখ ধুয়ে জানালার পাশে গেলাম। মা আমাদের জড়িয়ে ধরে কাঁপতে কাঁপতে জপতে
লাগলেন, আল্লাহ, তুমি রক্ষা করো।

খালপাড়ে তুমুল গোলাগুলির শব্দ। মানুষজন দেখা যায় না, কেবল জোনাকির মত কিছু
আলো জ্বলে আর নিভে। মানুষের শোরগোল শুনতে পাওয়া যাচ্ছে । লড়াইটা বুঝি তুংগে
উঠেছে। একটু পরেই মনে হয়েছিল, এগুলো আমাদের মানুষের চিৎকার, আরো মনে
হয়েছিল, তারা দৌড়ে পিছু হঁটে ফিরে আসছে। অর্থাৎ মিলিটারিদের প্রতিহত করা
যায় নি। তারা সত্যিই এবং নিশ্চিতভাবে আজ এ গ্রামের উপর চড়াও হচ্ছে। আজ এ
গ্রামটিকে পুড়িয়ে দেবে তারা, মানুষগুলোকে গণহারে গুলি করে মারবে।

না, শেষ পর্যন্ত আমাদের গ্রামে মিলিটারিদের আক্রমণ হয় নি। দোহারের খালের ঐ
প্রতিরোধে বাঁধাপ্রাপ্ত হয়ে ভয়ে তারা আর অগ্রসর হয় নি। গোটাকতক
আগ্নেয়াস্ত্র সম্বলিত আপাত পরাজিত আপামর লেঠেল মুক্তিবাহিনী পিছু হঁটলেও
তাদের দুঃসাহসিক ও স্বতঃস্ফুর্ত প্রতিরোধের ফলে একটা গ্রাম শক্রর নিশ্চিত
আক্রমণের হাত থেকে রক্ষা পেয়েছিল। প্রকারান্তরে এটাই কি তাদের বিজয় নয়?
শক্র বাহিনীর কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায় নি। পরদিন বাঁধের উপর রক্তাক্ত
অবস্থায় মুখ থুবড়ে পড়ে থাকতে দেখা গিয়েছিল এক উলংগ যুবককে। সে আমাদের
গাঁয়ের বলাই পাগলা।

প্রাচীন পাণ্ডুলিপির প্রথম কয়েকটা পৃষ্ঠা পড়া যায় না - ধুলোবালি জমে থাকে,
পোকায় কাটে - লেখা অস্পষ্ট থাকে। আমার অস্পষ্ট স্মৃতিগুলোর কিছু কথা এতক্ষণ
ভাবছিলাম। এখন আরো অনেক কিছু মনে পড়ছে । মনে পড়ছে, যুদ্ধ শুরু হবার ক'মাস
পরই আমার একমাত্র চাচা চাকরির সন্ধানে বাড়ি থেকে বের হয়ে গিয়েছিলেন। আমার
বুড়ো দাদী ছেলের জন্য কেবলই কাঁদতেন। কাঁদতে কাঁদতে চাচীর চোখ সারাক্ষণ
ফুলে থাকতো।

আমার আরো মনে পড়ছে, যুদ্ধ শুরু হবার পরপরই ফুফা-ফুফু ঢাকা থেকে সপরিবারে
চলে এলেন আমাদের বাড়ি। সংগে নিয়ে এলেন দশ-বারো সদস্যের এক হিন্দু পরিবার।
সেই পরিবারকে এক প্রতিবেশীর ঘরে জায়গা করে দেয়া হলো। তাদেরকে টুপি,
জায়নামাজ দেয়া হল। ভেংগে ভেংগে তারা বলতে শিখলো, লাই ইলাহা ইল্লাল্লাহু
মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ।

আরো একটি দিনের কথা সবচেয়ে বেশি মনে পড়ছে। সেদিন দুপুরে এক মিছিল এলো।
ছেলেবুড়ো, যুবক সবাই সেই মিছিলে। তারা উদাত্ত শ্লোগান তুলছে - জয় বাংলা।
তাদের কারো কারো হাতে পতাকা। দৌঁড়ে যাচ্ছে মিছিল। বাঁশের কাড়ালের মাথায়
গামছা বেঁধে আমিও মুহূর্তে বানিয়ে ফেললাম পতাকা। দৌঁড়ে যোগ দিলাম মিছিলে।
প্রথম উচ্চারণ করলাম- জয় বাংলা ।

মিছিল গিয়ে জমায়েত হলো স্কুলের ময়দানে। চারদিক থেকে ছুটে আসতে লাগলো
মানুষের ঢল। বিরাট মাঠ মানুষে ভরে গেলো। মাইকে অনবরত বেজে চলছে আমার সোনার
বাংলা গানটি।

এটি ছিল বিজয় দিবসের আনন্দোৎসব, গণ জমায়েত।

চাচা বাড়ি ফিরেছিলেন যুদ্ধ শেষ হওয়ার কয়েকদিন পর। আমরা অবশ্য ধরেই নিয়ছিলাম
চাচা আর বেঁচে নেই।

সেই চাচা পুলিশের পোশাক পরে বাড়ি ফিরে এসে দাদীকে জড়িয়ে ধরে হাঁউমাঁউ করে
কেঁদে উঠলেন। চাচার গায়ে পুলিশের পোশাক দেখে প্রথমে ভয়ই পেয়েছিলাম পুলিশ
ভীতির জন্য। আসলে পুলিশ নয়, বাড়ি থেকে বের হয়ে চাচা আনসার বাহিনীতে যোগদান
করেছিলেন।

সন্ধ্যায় খাওয়া দাওয়ার পর পরই দুয়ারে বিছানা বিছিয়ে চাচাকে ঘিরে বসে পড়তাম
আমরা। চাচা যুদ্ধকালীন ভয়াবহ দিনগুলোর কথা বর্ণনা করতেন এক নাগাড়ে। তাঁর
কথা শুনে আমাদের গা শিউরে উঠতো।

বাড়িতে গেলে আজও কোনো কোনো অবসরপূর্ণ সন্ধ্যায় চাচার মুখে সেই যুদ্ধের
কাহিনী শুনি। এখনো তেমনি গা শিউরে ওঠে।

হঠাৎ নিজেকে আবিষ্কার করি, আমিও তো এক মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান। আমি
নিজেও একজন মুক্তিযোদ্ধা নই কি? হয়তো আমি আগ্নেয়াস্ত্র ধরি নি, কিন্তু আমি
আমার কৈশোরিক গুলি-গুলতি সমেত যুদ্ধে যেতে উদ্যত হয়েছিলাম, কেবল অবুঝ মায়ের
জন্যই ময়দানে নামা হয়ে ওঠে নি।

রাতে বিছানায় শুয়ে শুয়ে নিগূঢ় মনে এতোসব ভাবি।

(এটি ১৯৯৩ অথবা ১৯৯১ সনে লেখা; আমার মুক্তিযোদ্ধা চাচা দীর্ঘদিন ক্যান্সারে
ভোগার পর ২০০৬ সনের ১৪ এপ্রিল মৃত্যুবরণ করেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না
ইলাইহি রাজেউন)। আপনারা আমার চাচার রুহের মাগফেরাত কামনা করবেন প্লিজ। আর,
বাংলা ব্লগে প্রবেশ করার পর ২৬শে মার্চ আর ১৬ই ডিসেম্বরে এ লেখাটা আমি রিপোস্ট
করি
)

পোস্টটি ৯ জন ব্লগার পছন্দ করেছেন

হালিম আলী's picture


অনেক ভাল লাগাময় একটা লেখা । শব্দের ঝঙ্কারে অনুভূতির বিস্ফোরণ । ভাল থাকুন স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা ।

সোনাবীজ's picture


ধন্যবাদ দীর্ঘ লেখাটা পড়বার জন্য। স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা আপনার জন্যও।

লীনা দিলরুবা's picture


আপনি অনেক ভাগ্যবান, অবশ্যই।
রক্তাত্ব ইতিহাসের বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ প্রজন্ম যারা তাদের আমি ঈর্ষা করি।

সোনাবীজ's picture


এটা আমার জন্য এক বিরাট গৌরবের বিষয় যে আমি মুক্তিযুদ্ধ দেখেছি। এখনো অনেক ঘটনার কথা মনে পড়ে, মনে হয় এই গতকালের ঘটনা বুঝি।

 লেখাটি পড়বার জন্য ধন্যবাদ।

তানবীরা's picture


এটা আমার জন্য এক বিরাট গৌরবের বিষয় যে আমি মুক্তিযুদ্ধ দেখেছি। এখনো অনেক ঘটনার কথা মনে পড়ে, মনে হয় এই গতকালের ঘটনা বুঝি।

আমি নিজেকে নিয়ে খুব আফসোশ করি। কেনো পরে জন্মালাম। গৌরবময় ইতিহাসের অংশ হওয়া থেকে বাদ পড়লাম। আপনারা নিঃসন্দেহে ভাগ্যবান।

সোনাবীজ's picture


এই আফসোসটাই দেশপ্রেম।

বকলম's picture


আমি জানি না লেখাটি পড়ে কেন আমার চোখে পানি এসে গেল। প্রায় মনে হয়, কেন আমি সেই সময়টা পেলাম না, ইশ্ যদি দেশের জন্য যুদ্ধে যাওয়ার সুযোগ পেতাম! আপনার এই ভাগ্যে সত্যিই ঈর্ষান্বীত।

সোনাবীজ's picture


আপনার ঈর্ষার জন্য ধন্যবাদ; এটা লালন করুন।

মন্তব্য করুন

(আপনার প্রদান কৃত তথ্য কখনোই প্রকাশ করা হবেনা অথবা অন্য কোন মাধ্যমে শেয়ার করা হবেনা।)
ইমোটিকন
:):D:bigsmile:;):p:O:|:(:~:((8):steve:J):glasses::party::love:
  • Web page addresses and e-mail addresses turn into links automatically.
  • Allowed HTML tags: <a> <em> <strong> <cite> <code> <ul> <ol> <li> <dl> <dt> <dd> <img> <b> <u> <i> <br /> <p> <blockquote>
  • Lines and paragraphs break automatically.
  • Textual smileys will be replaced with graphical ones.

পোস্ট সাজাতে বাড়তি সুবিধাদি - ফর্মেটিং অপশন।

CAPTCHA
This question is for testing whether you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.