কুসংস্কার লইয়া ভাবনা চিন্তা-২
কুসংস্কারঃ- পরীক্ষা দিতে যাওনের আগে আণ্ডা খাওয়া বারণ, তাইলে নিকি পরীক্ষায় আণ্ডা পাওন লাগে।
সাম্ভাব্য ব্যাখ্যাঃ- আণ্ডার একটু গুরুপাক দোষ বা গুন, যেইটাই কন, আছে। মানে টাইমলি আণ্ডা হজম না হইলে প্যাটের ভিতর ভুটভুটায়। আবার লুজ মোশান শুরু হইয়া যাওয়াও অস্বাভাবিক কিছু না। আর পরীক্ষার হলে বইসা বারবার টাট্টিখানায় দৌড়াইলে সাধারণ ভাবেই আণ্ডা পাইয়া যাওনের চান্স থাকে।
কুসংস্কারঃ- রাইতের বেলা সুই / চুন বিক্রিতে অনিচ্ছা।
সাম্ভাব্য ব্যাখ্যাঃ- এইখানে মনেহয় নিরাপত্তার। স্পেসিফিক ভাবে কইতে গেলে ব্যাক্তিগত নিরাপত্তার কথাই চিন্তা করা হইছে।
যেই লোক সুই লইবো এক হইতে পারে সূক্ষ্ম জিনিস বইলা সেডি হারাইয়া যাওনের সম্ভাবনা থাকে, আবার এই জিনিস ভুইলা বিছানা বা পাটিতে ফালাইয়া থুইলে শরিলে বিঁধা আহত হওনের ব্যাপারটারেও ফালায়া দেওন যায় না।
আর চুনের লগে দইয়ের চেহারায় মিল আছে। মানে হারিকেন বা কুপির আলোয় দুইটারেই একি সেম লাগে, আন্ধারে দই ভাইবা চুন খাইয়া ফালাইলে মুখের ভিত্রে ঝলসাইয়া যাওনের চান্স থাইকা যায়। এর লিগাই রাইতে সুই/চুন কিনা বেচা নিষেধের কুসংস্কার চালু হইছে।






হ
দারুন মজা পাইলাম
গুড
আগের পর্বে আমিও কিছু কুসংস্কার এর কথা উল্লেখ করেছিলাম। যদি সম্ভব হয়, তাহলে ওগুলোরও ব্যাখ্যা দিয়েন, জাইনা যদি মনেরে স্বান্তনা দিতে পারি
darun moja
ব্যাপক গবেষনা কিন্তু লাইক্করলাম
মন্তব্য করুন