ঐতিহাসিক কাইব্যাঘাত...
দেশে পুরাদমে শীত নাইমা পর্ছে। সইত্য মিথ্যা প্রবাহ জারি হইয়া গেছে
সেই সইত্য মিথ্যা প্রদাহ দেখি ব্লগেও তার বাড়ি দিতেছে। ব্লগের লুকজন সব ল্যাপ কাথা মুড়ি দিয়া কুনুমতে হাত দুইটা বের কইরা এক্টুস্খানি লিখে। তারপর লগফ কইরা ঘুমাইতে যায়। আমগো আছিলো দুইখান বিনুদুন। যাগো রক্ত গ্রম। তাগোরেও পাপিষ্ঠ মডু তাড়াইয়া দিলু। আর যেই বেটারে এদ্দিন ধইরা মিস কর্তেছি সেই বেটার এক্কান অবশ্য পাঠ যোগ্য কবিতা এইখানে কপি পেস্টাইতেছি। এক্কান নিয়ম কইরা দেওন দর্কার, যেই এবিতে রেজিস্টার কর্বো তারেই এই ঐতিহাসিক কাব্য খান পাঠ কইরা সের্পর ব্লগে নয়া লেখা দিতৈবো। পরিশেষে পামর ডেভু আর ফর্সা মডুর কালো মাউস ভেঙ্গে দেউয়ার আন্দুলুন করনের লাইগা সব্বেরে ডাক দিয়া ভাষণ শ্যাষ কর্তেছি। সুম্মা আমিন।
গুলনাহার সাহাবউদ্দিন নামা
১।
একটা জন্মদিনের অনুষ্ঠানে,
কুটকে বসে আছি এক কোনার সোফায়।
পত্রিকা পড়ছিলাম, আশে পাশে খেয়াল নেই
হঠাৎ ছুঁড়ির শব্দে পত্রিকা থেকে দুইচোখ সামনাসামনি-
একটা গাট্টা মেয়ে বসে আছে
ভীষন রিস্টপুস্ট দেহ, গোলগাল মুখ, চোখে মায়াবি হাসি,
ছুঁড়ি গুনছিলেন, দুই হাতে মেহেদির উল্কি,
সাজগোজ আহামারি নয়, আমার দিকে নজর নেই।
.............
২।
পরদিন সকালে, অফিস পথে রিকশায়
অপরিচিত নাম্বার থেকে হাতে থকা মোবাইল বাজে,
হ্যালো শুনছেন! আমি গুলনাহার, ছুড়ির শব্দে তাকিয়ে ছিলেন গতরাতে!
আপনি কি সাহাবুদ্দিন? ইথারে আমার প্রথম জবাব - হ্যাঁ।
আসলে আমিও গতকাল রাতে গুলনাহারকে ভেবেছি,
পাশে আমার প্রিয়তমা পত্নী রেখেও,
কি চমৎকার গুলনাহারের চোখ, শরীর -
এও ভেবেছি বহুবার - গুলনাহার যদি আমার বউ হত!
..............................
গুলনাহার রিকশা থামালেন রোকেয়ার সামনে,
হাকিম মিয়া চত্তরের খোলা দোকান থেকে
কিছু ভুজিয়া কিনলেন - ডানে এগুলেন
রাস্তায় ঠং মেলে বসতে বলেন ফুটপাতে।
সুবোদ বালক হলাম আমি!
তিনি যেন আমার প্রিয় দেশনেত্রি, জননেত্রি
তিনি টানা বলেই চলছেন- আমি নির্বাক শোতা
মাঝেমাঝে অঙ্গ দুলাছেন, যেন বাংলাসিনেমার উর্থি নায়িকা!
..............
৪।
একদিন মামা হালিম খেতে খেতে
গুলনাহার বলেন - আপনাকে জানা হল না পুরো!
আমি বলি - আর কি থাকল বাকি?
আমি শুধু আপনাকে ভালবাসি ভালবাসি।
গুলনাহার পেয়ালা খালি করে বলেন,
আপনাকে বিছানায় জানতে চাই-
মুখে তার নিমছে হাসি, মনে হচ্ছে পুর্নচাঁদ
কপালে কাচা মরিচের ঝাল, বিঁন্দু বিঁন্দু।
.............
একটা কস্টে আমার দিন কাটে, রাত আসে
আমার পত্নী বলেন- কি হল মিস্টার, এমন জুবুতুবু!
সব কথা সবাই কে বলা যায় না,
বিশেষত- পত্নী এবং পুলিশ, একই কাতারের!
...........
সেলফোনটা হারিয়ে ফেলেছিলাম,
এছাড়া চলছিল মাসের বিশেষ দিন!
একটুও সুযোগ হয়নি তাই-
বিশেষ ভাবে ক্ষমাপ্রাথী।
.............
৭।
গুলনাহারকে বিকালে বনশ্রীর খোলা মাঠে!
দু'জন হাটলাম অনেকক্ষন এক হয়ে
মাঝে নৌকা চড়লাম দুজন,
দুরগন্দে ভরা এক মরা নদী এ শহরে!
ভর সন্ধ্যায় চা খেলাম টং দোকানে
একটা খালি প্লট - সবুজ ঘাসে ঢাকা
ঠিক মদ্দখানে বসলাম, গুলনাহার আমার বুকে মাথা রাখেন
চিৎ হয়ে শুয়ে বলেন- আসেন আকাশের তারা গুনি।
এক ফাঁকে গুলনাহার আমার হাত
তার পেটের উপর রাখেন।
আমি শিহরিত, বুঝি দেড় ইঞ্ছি মেদে ডাকা
লিলামে উঠা- যেন কোন বৃহত নদীর পাঙ্গাশ!
...............
৮।
কিছুদিন পর গুলনাহার ফোন দিলেন
আজ রাতে সরাসরি চলে আসবেন- দাওযাত
আপনার জন্য নুতন কিছু থাকবে! আরো থাকবে
আপনার প্রিয় সাদাভাত, বানাবো টাকি ভর্ত্তা!
একটা উতলা বাসনা,
দুই দেহের কারশাজি
মুখোমুখি মাখামাখি
লাফালাফি ঝাপাঝাপি।
.............
পুরা কাইব্যখানা এই লিংকে টিপি দিলেই পাইয়া যাইবেন 
ফর্সা মডুর কালো মাউস ভেঙ্গে দাউ গুড়িয়ে দাউ






ওরজিনাল ভারসনে ছিল গাত্তা মেয়ে
মদ্দখানে
হ রে ভাই। সেইদিন এই লেখাখান আবার পড়তে গিয়া দেখি এডিট কর্ছে। তয় মাগার মদ্দখানে
=)) 
কাকারে ফেরত আনা হোক!! পাপীষ্ঠ মডুর ফর্সা হাত ভেঙ্গে দাও গুঁড়িয়ে দাও দাও দাও দাও

ফসসা মডুর কালো মাউস ভেঙ্গে দাউ জ্ঞহুরিয়ে দাউ।
আপ্নেরা নিজ নিজ আঈডিতে আন্ডুলুন ঘরে তুলেন। আমি আছি আপ্নেগোর পিছন পিছন :প
খাইসে!!! কাইব্যাঘাত মানে কাইব্যাঘাত!
একদম পারমানবিক লেভেল!
এই কাকা এখন এবিতে ল্যাখতে পারে না। এর জইন্নে দায়ি পাপিষ্ট মডু। নাইলে আমরা এদ্দিনে পারমানবিক শক্তিত সয়ংসম্পুরন হয়া যাইতাম। দলে দলে আওয়াজ তুলুন
কাকা তুমি আমার ভাই
কাকা তুমায় ফিরত চাই
কাকারে ফেরত আনার জর দাবী জানায়ে গেলাম।
কাকা তুমি আমার ভাই
কাকা তুমায় ফিরত চাই
এই লেখাটা কারো কারো কাছে কপি আছে যতদুর শুনছিলাম...
কাকা তুমি আমার ভাই
কাকা তুমায় ফিরত চাই
ফসসা মডুর কালু মাউস ভেঙ্গে দাউ ঘুরিয়ে দাউ
যাগো কাছে অজ্জিনাল কপি আছে তাগোরে জুর দাবী জানাইলাম সেডি প্রকাশের লাইগা
এই মহান কাব্যের লেখককে আবার এবিতে চাই।
লেখকেরে এবিতে আবার ফিরত চাই
উদরাজী ভাইকে এবিতে চাই
কাকা তুমি আমার ভাই
কাকা তুমায় ফিরত চাই
স্যরি, ৮ লাইন পড়ে আর এগোতে পারলাম না, ছুড়ির শব্দ...এতো কষ্ট করে পড়ার ঠেকা নাই কারণ আমি তো রেজিস্টেশন ম্যালাদিন আগে কইরা ফেলছি।
মাথা চুলকাইতেছে, কি নিয় া আফনেরা হাসিতেছেন জনাব, বেগমেরা? এই কাব্যের মাহাত্ম কি?
কি কৈতেছেন এগ্লা? আপনে এই মহান কাইব্য পর্তারেন্নাই?
ক্যান, এইটা পইল্যে কি ট্যাকা দেবেন?
এহ! আইছে
টেকা দিমু কিয়ারে?
এই মহান কাব্যের লেখককে আবার এবিতে চাই
কাকা তুমি আমার ভাই
কাকা তুমায় ফিরত চাই
কুটকে বসে আছি এক কোনার সোফায়। এই কুটকে মানে কি?
এই সব অ-সাধারণ বানামের মানে যদি এক্বারেই বুইঝা ফালান তাইলে কাইব্যখান ঐতিহাসিক হৈলো কেম্নে?
মহাকবি মাইকেল সাবরে ফেরত আনা হোক
মন্তব্য করুন