বেঁচে থাকা, না থাকা ( ছোট গল্প )
কত বছর কেটেছে জানিনা । বছর গোনা আমাদের হয়ে ওঠেনা । এমনকি সপ্তাহের দিনগুলিরও আমরা হিসেব রাখিনা । মা চাল শেষ হয়ে এলে দু একদিন কাইকুই করে তারপর বাবাকে বলে , বাবা চোখ বড় বড় করে চেয়ে থাকে মায়ের দিকে , তারপর কিছুটা অনিশ্চিত ভাবে বলে " গেলো শুক্রবার না এনেছি "। বাবার মনেই থাকেনা চাল সে এনেছে মাস পেড়িয়ে গিয়েছে । মা'ও মনে করায় না । কিছুটা দয়াপরবশ হয়ে বা কিছুটা বিরক্তিতে । এভাবেই চলছে আমাদের সংসার ।
মাসে যে কয়টা টাকা আসে ঘরে , দেখে লজ্জা হয় । কাউকে বলতে পারিনা আমাদের ঘরে চা’ও খাওয়া হয় হিসেব করে । মাত্র একবার । মা কোত্থেকে যেন মিনিয়েচার কটা কাপ জোগাড় করেছে । তাতে করে আমরা চা খাই ভোর বেলায় । আমার মাকে আগে কখনো মনে হয়নি এই মহিলা দুনিয়া বোঝে । চিরটাকাল দেখে এসেছি , ছড়িয়ে ছিটিয়ে হেসে খেলে দিন পার করতে । মায়ের ফর্সা হাসিখুশী মুখখানা আমার বন্ধুদের খুব প্রিয় ছিল , তাদের প্রিয় খালাম্মা । আজ হয়তো দেখে তারা অবাক হবে , মায়ের চোখ দুটিতে আঁধার জমে থাকে । মা তার শীর্ণ হাত থেকে খুলে ফেলেছে শৌখিনতার সব চিণ্হ । না বল্লেও আমি জানি ওগুলো জমা আছে বাজারের কোন এক শ্যাকরার দোকানে ।
মাঝে মাঝে আমার ভীষন অস্বস্তি হয় মা বাবার সামনে দাঁড়াতে । কোনদিন তারা বলেনি যদিও , আমি তো বুঝি , তারা আমাকে ঘিরেই যা একটু পজিটিভ কিছু চিন্তা করে । আমিও কি কম চেষ্টা করলাম । একটা চাকরীর জন্য হন্যে হয়ে ঘুরে বেড়িয়েছি । এমন কেউ নেই যাকে বলিনি চাকরীর কথা । একসময় নিজের সার্টিফিকেট গুলোর উপর ঘেন্না ধরে যায় । এতোটা অযোগ্য আমি !! যে একটা পিওনের চাকরী পেতেও টাকা দিতে হবে ।
এরপর থেকে টিউশনি করাতে শুরু করি , মফস্বলে কেউ স্কুল কলেজের শিক্ষক ছাড়া পড়াতে চায় না । তাও আমি লেগে থাকি , অন্তত বাবার ইন্স্যুলিনটা তো জোগাড় করতে পারি তাতে ।
বাবা কখনো কিছু বলে না আমাকে , সেই সুদূর শৈশবেও যখন বায়না ধরে মাথা ঝাকাতাম প্রবলভাবে । বাবা তখনো শুধু হাসতেন । তার হালকা পুরু ঠোঁটের আড়াল থেকে উকি মারতো ঝকঝকে দাঁত । আমি তখন সে দৃশ্য দেখে এতই মুগ্ধ হতাম যে, ভুলে যেতাম আমার চাওয়া গুলো । বাবাকে জড়িয়ে ধরে বসে থাকতাম । বাবার মুগ্ধ করার ক্ষমতা ছিল ।
আমার বন্ধুরা বলত , আমি নাকি ভীষণ ভাগ্যবান । দুটি মহান মানব মানবীকে পেয়েছি বাবা মা হিসেবে । তখন আমি জানতাম না এই পৃথিবী কত রহস্যময় । আমি আসলে কোন কিছু জানতে চাইতাম না । দুনিয়ার মাঝে একটুকরো আশ্রয় আছে আমার , আছে সমুদ্রসম দুটি স্নেহের আধার । এই যথেষ্ট , তাই ভাবতাম আমি ।
দিন ফুরিয়ে যায় , সময় চলে যায় আপন নিয়মে । জীবন যে আসলে একটা সংকীর্ণ বেলাভুমি , কে জানত । সেই ছায়া ছায়া অতীতে বাবা বলতেন , জীবনটা ঠিক সরকারী চাকুরীর মত , দশটা পাঁচটা । বাবার চোখের হাসি বাকিটুকু বলে দিত , ঘটনা সত্য । আমি একবার গাজাখোর বাচ্চুকে জিজ্ঞেস করেছিলাম , জীবন কি রে ? সে বিটলেমি হাসি দিয়ে বলেছিল , “ওটা তুই বুঝবিনা , জীবনটা হল কচিপুরের যাত্রাপালা , যাত্রার বিউটি কুইন পারমিতা । এইসবই জীবন “। ও হ্যা , সে আরো বলেছিল জীবন নাকি এক গ্লাস নির্জলা হুইস্কি । ওর কথা আমলে নেবার প্রশ্নই আসেনা । তাই হেসে বলেছিলাম , জীবন তোর বাপ ।
জীবন কি তা বুঝি আমাকে হাতে কলমে বুঝতে হয়েছে । এক ধাপ এক ধাপ করে বুঝেছি আমি একে । যেদিন বাবা প্রথমবার চাকরী হারিয়ে হতভম্বের মত বাসায় ফিরেছিল , আমি তখনো বুঝিনি কি দিন রয়েছে আমাদের সামনে । বাবার বদলে যাওয়াটা আমি সুক্ষভাবে খেয়াল করতে থাকি । যে লোক দু বার মারাত্বক এক্সিডেন্ট করেও এতটুকু ভেঙ্গে পড়েনি সেই লোক কি জানি এক গোপন ব্যাথায় গোঙ্গাতে থাকে দিন রাত । আমার অস্থির লাগতো খুব । দেখতে পারতামনা বাবার ওই ক্রমশ নিশ্ব হয়ে আসা মুখ । তাই ডুবে যেতাম মায়ের আঁচলের তলে । যা তখনো অব্দি আমায় লুকিয়ে রাখতো সব কিছু থেকে । আমাকে আড়াল করত সব ভয় থেকে ।
এরপর এলো আরো ভয়ঙ্কর দিন । বাবা সারাদিন বসে থাকে ঘরের মধ্যে । এতটা কর্কশ ভাবে কথা বলে যে , মাও যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলে তাকে । আর আমি গোপনে দেখি আমার প্রিয় বাবাকে । কাছে যেতে পারিনা । মেলাতে চেষ্টা করি অতীতের বাবার সাথে । বাবা আর ঠিক হয় না । এর মাঝেই ধরা পড়ে ডায়াবেটিস । বাবার ওষুধ কিনতে যেয়ে একে একে টান পড়ে জমানো টাকায় । খুব বেশী কিছু যে জমানো ছিল আমাদের তাও না । আর তাই মায়ের কপালের ভাজগুলো বৃদ্ধি পায় । দুনিয়ার সব নিকষ আঁধার এসে জমা হয় তার দুই চোখে ।
আমি সবকিছু দেখে যাই । মনে হয় , কোন এক ট্রাজেডি পড়ছি পাতা উলটে উলটে । অক্ষম পাঠক আমি শুধু ।
আমার ছোট বোন আহেলী । মা নাকি অনেক ঘেটে ঘেটে এ নাম পছন্দ করেছে ওর জন্য । আহেলী একরকম নীরবেই বড় হতে থাকে । আমার অজান্তেই ও বদলে যায় দিন দিন । ওর কোন বায়না নেই । কিচ্ছু চাওয়ার নেই । একদিন ওকে বলেছিলাম , কি চাস বল । তোর জন্মদিনে পেয়ে যাবি । আহেলী পড়া থামিয়ে আমায় জিজ্ঞেস করলো , কি দেবার সামর্থ আছে তোদের ? আমি আর কিছু বলতে পারিনি । আসলেই তো , কি দিতে পারি আমরা ওকে , আমি বা মা । বাবার কথা বাদই দিলাম । তাই আমি আহেলীকে এড়িয়ে চলি , বলা যায় ভয় পাই ওকে । এতটা চুপচাপ দিন কাটায় ও যে , মাঝে মাঝে মনে হয় ......... আমার কোন বোন নেই । আহেলী নামের কেউ কখনো জন্মায়নি এ সংসারে । সে পড়ে থাকে এক কোণে মুখ বুজে ।
সেই আহেলীই একদিন অদৃশ্য হয় বাসা থেকে । সে যে কখন চলে গেছে কেউ বলতে পারেনা । মা চিন্তিত মুখে আমাকে জানায় , আহেলী ঘরে ফেরেনি স্কুল থেকে । সত্যি বলতে কি আমি অবাক হইনা । রাগও করিনা । এ সব বোধ তখন আমার ভোঁতা হয়ে এসেছে । আমি শুধু চুপচাপ বেড়িয়ে পড়ি খুঁজতে । বাবাকে বলা হয়না এ কথা । সে শুধু এখন আকাশ দেখতে ভালোবাসে । আকাশের কালো মেঘ তার চোখে পড়েনা ।
কোথাও পাওয়া যায়না আহেলীকে । ছোট্ট গ্রাম্য শহরের আনাচে কানাচে খুঁজি আমি গাজাখোর বাচ্চুকে নিয়ে । অবশেষে বাচ্চু যখন বলে , “তোর বোন ফুটেছে “ । আমিও রায় দিই , আহেলী পালিয়েছে । আসলে আমি প্রথম থেকেই জানতাম ও কারো হাত ধরে পালিয়েছে । কিন্তু মাকে বুঝ দেবার জন্য ওই খোঁজাখুজিটা চালাই ।
বাচ্চু আমাকে ঘরে রেখে যায় । মাকে কিছু সান্ত্বনা দেয় সে । কিন্তু আমি নিশ্চিত , মা বিন্দুমাত্র বিচলিত হয়নি এতে । বরং সে খুশীই হয় যখন দুদিন পরে আহেলী ফোন করে জানায় যে , সে ভালো আছে । বাবাকে আমাদের বলতে হয়না । বাবা যেন জেনে গিয়েছে , এ জীবনে আর ভালো কিছু তার পাওয়ার নেই । জীবন এখন দয়াপরবশ হয়ে যা কিছু দেবে তাই গ্রহন করতে হবে । তাই বাবা জিজ্ঞেসও করেনা ............ আহেলী কই ।
এরপর দিন , মাস , বছর চলে যেতে থাকে । বাবার চাকরী আর ফেরত আসেনা । আমিও ক্রমশ বুঝে যেতে থাকি , এই আমাদের তিন জনের সংসার এখন একটা সুতোয় ঝুলে আছে । মা বাবা চলে গেলেই সুতোটা হারিয়ে যাবে । আমি যতই চেষ্টা করি আর কোন পরিবর্তন হবেনা আমাদের । কিছু কিছু মানুষ থাকে যারা শত চেষ্ট করেও জীবন থেকে সামান্যতম নির্যাস পায়না । আমরা তিনজন সেই শ্রেণির মানুষ । মা এভাবে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে চলবে যতদিন পারে । বাবাও তার নিজস্ব জগত নিয়ে ডুবে থাকবে মৃত্যু অবধি ।
আর আমি হয়তো আমাদের বুড়ো কালিদাশের মত মৃত্যু বেচে খাবো । বুড়ো কালিদাশ তার সংসারের সব হারিয়ে একা বেঁচেছিল বহু বছর । সে খনখনিয়ে বলত , বুঝলি রাফিউদ্দিন , আমি মৃত্যু বেচে খাই । বলে সে হাসত জগত কাঁপিয়ে । আমার মনে হত এর মত কৌতুক আর হয়না । কালিদাশ লোক হাসায় । কিন্তু এখন তো আমি জানি এও জগতের একটা নিয়ম । কাউকে না কাউকে সে নিয়ম মানতেই হয় । আমি বুঝি পড়ে গেছি সে নিয়মের পদতলে ।





গল্প উমদা হৈসে। কিন্তু আপ্নে গাজাখোর বাচ্চুরে খুইজা পাইলেন কৈত্থিকা?
আমি যে এলাকায় বড় হইছি সেই এলাকায় গাজাখোরের অভাব ছিলনা । আর বাচ্চু নামটা অতি পরিচিত আমার । এবিতেও কই জানি একটু দেখছিলাম বাচ্চু নামটা
। মনে আছে । 
খুঁজে-টুজে একটা বাচ্চু ধরে নিয়ে আসলাম। (২১ নঙ কমেন্ত দ্রষ্টব্য)
আমিও একটা বাচ্চু খুঁযে পেলাম http://www.amrabondhu.com/anamika/2425 এইখানে
বাচ্চু আরো খুঁজে পাবেন এবি'তে। নিশ্চয়তা দিচ্ছি।
গল্পটা পড়ে মনে হয়েছিলো, গাঁজাখোর বাচ্চু একটা পজিটিভ ক্যরেক্টার। কথকের বক্তব্য অনুযায়ী; সে জীবন সম্পর্কে অস্পষ্ট দর্শন ধারণ করলেও, বিপদ-আপদে আবার ঠিকই কথকের পাশে গিয়ে হাজির হয়।
বন্ধুচরিত্র তৈরী করার একটি ভালো আইডিয়া। তাই জিজ্ঞেস করছিলাম, ওরে কৈত্থিকা পাইছেন। এমন কারো সঙ্গে আসলেই পরিচয় আছিলো কি না।
বাচ্চু গাজাখোর এবং অবাস্তব চিন্তার ধারক বলেই হয়তো সে রাফিউদ্দিনকে ছেড়ে যায়নি । গল্পের মূল প্লট আরো বড় । সেখানে রাফি জীবন থেকে তার তথাকথিত বাস্তব্বাদী বন্ধুদের হারিয়েছে । আর গল্পে বাচ্চুদের আবির্ভাব দুএকটা হালকা দর্শন কপচানোর জন্যই । যেগুলো কথক নিজে বলতে পারেনা ।
আর বাচ্চু নামটা কেন দিলাম তা হয়তো ফেব্রুয়ারি তে জানতে পারবেন
মীরের নাম যে বাচ্চু তা অনেকেই জানে, তবে মীর মনে রাখতেই ভালো লাগে । বাচ্চু - বাচ্চা বাচ্চা মনে হয় ।
মীরের নাম বাচ্চু !! বিষমিত
আমি দুইজন বাচ্চু কে চিন্তাম , একজন বড়'দা টাইপ । আর একজন ছিল বখাটে টাইপ । মনে হয় দুইজনই গাজা খাইত । ফেব্রুয়ারির গল্পটা মনে হচ্ছে বলা যাবেনা
।
এখন আর তখন না রে, জীবন সবসময়-ই দয়াপরবশ হয়ে যা কিছু দেয়, তা-ই গ্রহন করতে, তা-ই মেনে নিতে বাধ্য থাকি আমরা!
কথাটা পছন্দ হইসে
কেউ জীবন বেঁচে খায়, কেউ মৃত্যুও বেঁচে?
জীবন নাকি একটা মরন অনেকবার
মৃত্যু বেচে খায় ।
লিজার গল্পের হাত তো বেশ পাকা। আমি ভেবেছিলাম বুঝি এখানেই নতুন লিখতে শুরু করেছেন।
শেষাংশ বলেই, অথবা গল্পে ছোট ছোট কিছু নিখুঁত বর্ণনা আছে বলেই (মায়ের কপালের ভাঁজ, চোখের আঁধার ইত্যাদি), নিয়মের পদতলে পড়ে যাওয়াটা কেমন যেন লাগছে।
আপু সত্যি ওই পদতলে টাইপ করার আগে এরকম সমার্থক অনেক শব্দ চিন্তা করছি । মাথায় কিছু আসলোই না তখন
। বেমানান লাগতেছে । কি দেয়া যায় ভাবতেছি ।
আমারো ভাবনা তাই ছিল।
দারুন একটা গল্প পড়লাম আর আশা রাখছি এগুলো যেনো গল্পই হয়ে যায় এক সময় আমাদের দেশে।
বড্ড বেশী আবেগী গল্প । হৃদয়কে আপ্লুত করে টেনে নিয়ে যায় গল্পের মানুষদের একেবারে কাছাকাছি ।
লিজা গল্পটা মনটাকে ছুঁয়ে গেল। কেমন বিষন্ন সুন্দর।
আমার বাচ্চু গুলান তো েকটা সোনার টুকরা ছেলে, টাদের নিয়ে টানাটানি কেন? মীর, কি হয়েছে বাচ্চু?
এনি পবলেম

বাহ
আপনে কি অস্ত্রের বিজনেস করেন ভাইয়া? ভয় লাগে দেখলে

ভাল লেগেছে।
সুন্দর! গল্প বলার মাঝে ফাঁকে ফাঁকে আরো গল্পের আবছা মুখ উঁকি দিতে দেখি। চলমান গল্পের পেছনের ধূসর গল্পগুলো যেন আরো গভীরতা দেয়। কিন্তু শেষে মনে হলো লেখকের মনে হয়েছে- ধ্যাৎ আর কত লিখবো! তাই নিতান্তই অপ্রয়োজনে গল্পটা ফুরিয়ে গেল, অথচ গল্পের গতি জানাচ্ছে সে আরো বেশ কিছু পথ এগোতে সক্ষম ছিলো।
আমি আরো ভয়ে ছিলাম বেশী বড় হয়ে গেল কিনা । আপনাদের যে একটু হলেও ভালো লেগেছে , আমার জন্য এই যথেষ্ট ।
দাদা, ছোটগল্পের ধরন তো এইরকমই । একটা বিস্তৃত জীবনের সারসংক্ষেপ তুলে ধরা । পাঠককে চিন্তা করতে দেয়া । আমার মতে , ছোট গল্প এভাবেই থেমে যাওয়া উচিত ।
-কার কাছে পাইলেন এমন সংজ্ঞা? একটু বিস্তারিত বলতে পারেন যদি- আমার ঊপকার হয় দিদি।
(আপনার মতের কাছে বুড়া জমিদারও ফেল!)
কারো কাছে পাইনি । আমি নিজেই বলছি ।
আর
এই কথাটা বলে আপনি সত্যি আমাকে উপহাস করলেন ।
হ্যা , আমি স্বীকার করি 'সারসংক্ষেপ' শব্দ না বরং আমার বলা উচিত ছিল 'জীবনের খণ্ডাংশ' । ভুল ধরিয়ে না দিয়ে আপনি উলটো খোঁচা দিলেন আমাকে ।
শ্রীশচন্দ্র দাস এর একটি প্রবন্ধ আছে ছোটগল্প ও ছোট গল্পের শ্রেণীবিভাগ নামে । সেখানে একটা কথা আমার বেশ ভালো লাগে ,
মন্তব্য করুন