ইউজার লগইন

কবিতারা

মাঝে মধ্যে কবিতায় পায় আমাকে। সেল্ফ থেকে কবিতার বই বার করি, বার বার পড়া কবিতা বার বার পড়ি। উপন্যাস বা প্রবন্ধ বারবার পড়া যায় না। কবিতা যায়।

আঞ্চলিক ভাষায় লেখা কবিতা কেমন লাগে? আমি তো মুগ্ধ হয়ে পড়ি।
কাকে দিয়ে শুরু করবো? সৈয়দ শামসুল হক?

জামার ভিতর থিকা যাদুমন্ত্রে বারায় ডাহুক,
চুলের ভিতর থিকা আকবর বাদশার মোহর,
মানুষ বেকুব চুপ, হাটবারে সকলে দেখুক
কেমন মোচর দিয়া টাকা নিয়া যায় বাজিকর ৷
চক্ষের ভিতর থিকা সোহাগের পাখিরে উড়াও,
বুকের ভিতর থিকা পিরীতের পূর্ণিমার চান,
নিজেই তাজ্জব তুমি - একদিকে যাইবার চাও
অথচ আরেক দিকে খুব জোরে দেয় কেউ টান৷
সে তোমার পাওনার এতটুকু পরোয়া করে না,
খেলা যে দেখায় তার দ্যাখানের ইচ্ছায় দেখায়,
ডাহুক উড়ায়া দিয়া তারপর আবার ধরে না,
সোনার মোহর তার পড়া থাকে পথের ধূলায় ৷
এ বড় দারুন বাজি, তারে কই বড় বাজিকর
যে তার রুমাল নাড়ে পরানের গহীন ভিতর ।

এইটা পরানের গহীন ভিতরের প্রথম কবিতাটা। তবে আমার পছন্দ ১১ নম্বরটি।

কি আছে তোমার দ্যাশে? নদী আছে? আছে নাকি ঘর?
ঘরের ভিতরে আছে পরানের নিকটে যে থাকে?
উত্তর সিথানে গাছ, সেই গাছে পাখির কোটর
আছে নাকি? পাখিরা কি মানুষের গলা নিয়া ডাকে?
যখন তোমার দ্যাখা জানা নাই পাবো কি পাবো না,
যখন গাছের তলে এই দেহ দিবে কালঘুম,
যথন ফুরায়া যাবে জীবনের নীল শাড়ি-বোনা
তখন কি তারা সব কয়া দিবে আগাম-নিগুম?
আমার তো দ্যাশ নাই, নদী নাই, ঘর নাই, লোক,
আমার বিছানে নাই সোহাগের তাতের চাদর,
আমার বেড়ায় খালি ইন্দুরের বড় বড় ফোক,
আমার বেবাক ফুল কাফনের ইরানী আতর।
তোমার কি সাধ্য আছে নিয়া যাও এইখান থিকা,
আমার জীবন নিয়া করো তুমি সাতনরী ছিকা।

আরেকটা পছন্দের কবিতা শুনাই। এটা পূর্ণেন্দু পত্রীর সোনার মেডেল

বাবু মশাইরা
গাঁ গেরাম থেকে ধুলো মাটি ঘসটে ঘসটে
আপনাদের কাছে এয়েছি।
কি চাক্ চিকান শহর বানিয়েছেন গো বাবুরা।
রোদ পড়লে জোছনা লাগলে মনে হয়
কাল-কেউটের গাঁ থেকে খসে পড়া
রুপোর তৈরী একখান লম্বা খোলস।
মনের উনোনে ভাতের হাঁড়ি হাঁ হয়ে আছে খিদেয়
চালডাল তরিতরকারি শাকপাতা কিছু নেই
কিন্তু জল ফুটছে টগবগিয়ে।

বাবু মশাইরা,
লোকে বলেছিলো,ভালুকের নাচ দেখালে
আপনারা নাকি পয়সা দেন।
যখন যেমন বললেন, নেচে নেচে হদ্দ
পয়সা দেবেন নি?
লোকে বলেছিলো ভানুমতির খেল দেখালে
আপনারা নাকি সোনার মেডেল দেন।
নিজের করাতে নিজেকে দু খান করে
আবার জুড়ে দেখালুম,
আকাশ থেকে সোনালী পাখির ডিম পেড়ে
ভেজে খাওয়ালুম গরম ওমলেট,
বাঁজা গাছে বাজিয়ে দিলুম ফুলের ঘুঙুর
সোনার মেডেল দিবেন নি?

বাবু মশাইরা
সেই ল্যাংটোবেলা থেকে বড়ো শখ
ঘরে ফিরবো বুকে সোনার মেডেল টাঙিয়ে।
আর বৌ বাচ্চাদের মুখে
ফাঁটা কার্পাসতুলোর হাসি ফুটিয়ে বলবো-
দেখিস! আমি মারা গেলে
আমার গা থেকে গজাবে
চন্দন গন্ধের বন।

সোনার মেডেল দিবেন নি?

পরানের গহীন ভিতর ধারার কবিতা হচ্ছে রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহর মানুষের মানচিত্র। হাতের কাছে বইটা পাচ্ছি না। আরেকটা আছে মোস্তফা মীরের একটা কবিতা। সেটা আমার এক ডায়েরিতে লেখা আছে। সময় করে দিয়ে দেবো।

তাহলে বরং একটা সাধু ভাষার কবিতা শুনাই

আত্মকথন / পার্থপ্রতিম কাঞ্জিলাল

চলিত ক্রিয়াপদের বাংলা আর লিখিতে ইচ্ছা হয় না। এই বাংলা বড়ো সাহিত্যিক। যদিও আমার বয়স ত্রিশ বৎসর ও ২মাস পূর্ণ হইয়াছে এবং এক্ষণে আমি রবিবারের মধ্যাহ্নে, ত্রিতলে, খাটে বসিয়া আছি, চারিদিক বেশ শান্ত, একটি কাক ডাকিতেছে—কেমন ধারণা হইতেছে যে ইহার মধ্যেই মিশিয়া আছে আমারই মরণোন্মুখতা। কোনো-না কোনো একটি সত্য বলিতে ইচ্ছা করিতেছে। আমার ব্যক্তিগত সত্য। জীবন এপর্যন্ত যতোটা যাপিত হইয়াছে, তাহার তথ্য ও চিত্রের ভিত্তিতে কিন্তু এই সত্য প্রস্তুত নয়। কেবলি মনে হইতেছে আঁটপুর বা ঐরকম কোনো একটা গ্রামের বাড়িতে বসিয়া থাকিতে পারিলে বিলক্ষণ শান্তি হইত। না, যে থাকিত সে কোনো ত্রিশবয়সী লোক নয়। তাহার বয়স কোনোমতেই সতেরোর বেশি হইবে না। সে ধুতি ও হাতকাটা গেঞ্জি পরিবে। এখন নির্জন দুপুর, কলাঝাড় পার হইয়া সে জামের বনে যাইতেছে। সেখানে কি একটি বালিকা থাকিবে না, যে তাহাকে আঁকাবাঁকা হরফে বহু সাধ্যসাধনায় একটি চিঠি দিয়াছে কিছুদিন আগে—‘কেমন আছ। আমার প্রণাম নিবে।’ তাহার মুখ ও হাবভাবের বর্ণনা, আমি, ওই সতেরো বছরের হাতকাটা গেঞ্জি ও ধুতি পরা যুবা, দিতে মনস্থ করিতেছি না; শুধু পাঠকের সঙ্গে কথা বলিতে ভাল লাগে তাই বলিব, তাহার নাম পূর্ণশশী। কতবার ভাবিয়াছি—ঐ তো সে এখনো ভাবিতেছে আজ হয়তো তাহার হাত তাহার বশ মানিবে না, আলিঙ্গন করিবে; আজ হয়তো তাহার মুখ চুম্বনে চুম্বনে পূর্ণশশীকে জানাইয়া দিবে সে ডাগর হইয়াছে, সে শহরে গিয়া জানিয়াছে; কিন্তু ঐ তাহাকে দেখা যায়, পূর্ণশশীর হাত হইতে জাম খাইতেছে যেভাবে পোষা ঘোড়ায় মানুষের নিকট হইতে দানা খায়, শুধু একটি করতল পূর্ণশশীর পদমূলে। জামবনে হাওয়া অতি ধীরে বহিতেছে। পাঠক, আপনাকে ভগবান জানিয়া বলিতেছি, আমি এ-ই।

আরেকটা অন্যরকম কবিতা

জবানবন্দী
তারাপদ রায়

সত্য বই মিথ্যা বলিব না।
হুজুর, ধর্মাবতার,
প্রয়াতা শান্তিলতার সঙ্গে মদীয়ের
কোনো রকম থারাপ সম্পর্ক ছিলো না্
ইহা সত্য যে, একবার মৌরিগ্রাম হইতে
তাহাকে থলকমলের চারা আনিয়া দেই।
আমাদের বংশে স্থলপদ্ম, বকফুল ইত্যাদি
কিছু কিছু গাছ লাগানোর আস্য নাই।
হুজুর, ধর্মাবতার,
আস্য কথাটির অর্থ বলা কঠিন,
সোজা করিয়া বলা যাইতে পারে
ঐ সব গাছ লাগানোর নিষেধ আছে।
যাহা হউক, আশা ছিল প্রতিবেশিনী শান্তিলতা
তাহার পিছনের বাগানে ঐ গাছ লাগাইবে,
প্রতিদিন সকালে আমার দক্ষিণের জানালা দিয়া
থলকমলের শোভা দেখিব্
শান্তিলতা তাহাই করিয়াছিল।
আমিো নিয়মিত শোভা দেখিতাম্
মনের অগোচরে পাপ নাই,
দুই-এক দিন শান্তিলতাকেো দেখিতাম।
হুজুর, ধর্মাবতার,
ইহা অপেক্ষা খারাপ সম্পর্ক
তাহার সঙ্গে আমার ছিলো না।

পোস্টটি ১৩ জন ব্লগার পছন্দ করেছেন

নজরুল ইসলাম's picture


মানুষের মানচিত্র ১
রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

আহারে বৃষ্টির রা, সোহাগি লো, আমি থাকি দূর পরবাসে।
কান্দে না তোমার বুকে একঝাঁক বুনোপাখি অবুঝ কৈতর?
কেমনে ফুরায় নিশি? বলো সই, কেমনে- বা কাটাও প্রহর?
পরাণ ছাপায়ে নামে বাউরি বাতাস, দারুণ বৃষ্টির মাসে।

যে বলে সে বলে কথা, কাছে বসে, হাতে খিলিপান দিয়ে কয়-
এতো জল ঝরে তবু পরান ভেজে না কেন, কও তো মরদ?
দুয়ারে লাগায়ে খিল যদি কেউ থাকে তারে কে দেবে দরদ।
শরীরের মোহনায় দেখি তার বুনো ঢেউ রক্ত-মাংসময়।

শরীর গুটায়ে রাখি, শামুকের মতো যাই গুটায়ে ভেতরে।
অন্ধকার চিরে চিরে বিজুলির ধলা দাঁত উপহাসে হাসে,
আমি বলি- ক্ষমা দাও, পরান বন্ধুয়া মোর থাকে পরবাসে,
দেহের রেকাবি খুলে পরানের খিলিপান কে খাওয়াবে তোরে।

গতবার আষাঢ়ও পার হয়ে গেলো তাও নামে না বাদল,
এবার জ্যোষ্ঠিতে মাঠে নেমে গেছে কিষানের লাঙল-জোয়াল।
আমাদের মাঝে দেখো জমির ভাগের মতো কতো শত আল্,
এই দূর পরবাস কবে যাবে? জমিনের আসল আদল।
কবে পাবো? কবে পাবো আল্ হীন একখণ্ড মানব-জমিন?
পরবাস থাকবে না, থাকবে না দূরত্বের এই রীতি-নীতি।
মহুয়ার মদ খেয়ে মত্ত হয়ে থাকা সেই পার্বনের তিথি
কবে পাবো? কবে পাবো শর্তহীন আবাদের নির্বিরোধ দিন?

শওকত মাসুম's picture


ব্যাপক ধইন্যা। পুরাটা আছে নাকি? তাইলে কষ্ট কমতো

মুকুল's picture


মনে পড়লে আমিও দুই এক্টা কপি করুম মন্তব্যের ঘরে।

শওকত মাসুম's picture


মনে পড়লে মানে কি? নিজের কবিতাই দেন।

নীড় সন্ধানী's picture


চারখানা লেখা পড়ে আরো আটখানা বই খুঁজতে ইচ্ছে হচ্ছে... ... লেখাটা সেজন্য ভালো লাগলো।

জ্যোতি's picture


নীড়দার সাথে একমত হইলাম।
কবিতাগুলি পড়ে ভালো লাগলো।

শওকত মাসুম's picture


ধইন্যা আপনারে। কবিতা পড়ায় কোনো ক্লান্তি নাই।

সাঈদ's picture


যাক কবিতা গুলো পড়া হয়ে গেল।

শওকত মাসুম's picture


কবিতা তো পড়ার মধ্যেই আনন্দ।

১০

প্রণব আচার্য্য's picture


চমতকার পোষ্ট। বেশ কয়েকটি ভালো লাগার কবিতা পুনরায় পড়া গেল

১১

পুতুল's picture


অনেক ভালো লাগ্লো।

১২

সামী মিয়াদাদ's picture


সোজা প্রিয়তে

১৩

রুমন's picture


২ নং কবিতাটা খুব সুন্দর

১৪

বাতিঘর's picture


দুইটা পিয়(২নং,৩নং) কবিতা পড়বার সুযোগ করে দেবার জন্ন মাসুমভাই রে ব্যাপক ধইন্যা ।

১৫

শাতিল's picture


কবিতা লেখালেখি নিয়ে অভিজ্ঞতা খুব একটা সুখকর না। শেষে গদ্যে পরিণত হয়। কবিতা গুলো খুব সুন্দর। মাসুম ভাইকে ধন্যবাদ সেই সাথে নাজু ভাইকেও

১৬

সোহেল কাজী's picture


ডাইরেক্ট প্রিয়তে নিলাম, শ্যারের ধন্য ধনিয়া পত্র।
এরাম কিছু কবিতা নিয়া আরো পোষ্টাইলে ভালা লাগে।

১৭

বিষাক্ত মানুষ's picture


অভিমানের খেয়া
----- রুদ্র মুহাম্মদ শহিদুল্লাহ

এতোদিন কিছু একা থেকে শুধু খেলেছি একাই
পরাজিত প্রেম তনুর তিমিরে হেনেছে আঘাত
পারিজাতহীন কঠিন পাথরে

প্রাপ্য পাইনি করাল দুপুরে,
নির্মম ক্লেদে মাথা রেখে রাত কেটেছে প্রহর বেলা_
এই খেলা আর কতোকাল আর কতোটা জীবন!
কিছুটা তো চাই- হোক ভুল হোক মিথ্যে প্রবোধ,
অভিলাষী মন চন্দ্রে না পাক, জ্যোৎস্নায় পাক সামান্য ঠাঁই
কিছুটা তো চাই, কিছুটা তো চাই।

আরো কিছুদিন, আরো কিছুদিন– আর কতোদিন?
ভাষাহীন তরু বিশ্বাসী ছায়া কতোটা বিলাবে?
কতো আর এই রক্ততিলকে তপ্ত প্রণাম!
জীবনের কাছে জন্ম কি তবে প্রতারণাময়?

এতো ক্ষয়, এতো ভুল জমে ওঠে বুকের বুননে,
এই আঁখি জানে, পাখিরাও জানে, কতোটা ক্ষরণ
কতোটা দ্বিধায় সন্ত্রাসে ফুল ফোটে না শাখায়

তুমি জানো নাই– আমি তো জানি
কতোটা গ্লানিতে এতো কথা নিয়ে, এতো গান, এতো হাসি নিয়ে বুকে
নিশ্চুপ হয়ে থাকি

বেদনার পায়ে চুমু খেয়ে বলি এই তো জীবন,
এইতো মাধুরী, এই তো অধর ছুঁয়েছে সুখের সুতনু সুনীল রাত।

তুমি জানো নাই– আমি তো জানি
মাটি খুঁড়ে কারা শষ্য তুলেছে,
মাংসের ঘরে আগুন পুষেছে
যারা কোনোদিন আকাশ চায়নি নীলিমা চেয়েছে শুধু,
করতলে তারা ধরে আছে আজ বিশ্বাসী হাতিয়ার

পরাজয় এসে কণ্ঠ ছুঁয়েছে লেলিহান শিখা,
চিতার চাবুক মর্মে হেনেছো মোহন ঘাতক
তবুও তো পাওয়ার প্রত্যাশা নিয়ে মুখর হৃদয়,
পুষ্পের প্রতি প্রসারিত এই তীব্র শোভন বাহু।

বৈশাখী মেঘ ঢেকেছে আকাশ
পালকের পাখি নীড়ে ফিরে যায়–
ভাষাহীন এই নির্বাক চোখ চোখ আর কতোদিন?
নীল অভিমানে পুড়ে একা আর কতোটা জীবন?
কতোটা জীবন?’

‘কিছুটা তো চাই– হোক ভুল হোক মিথ্যে প্রবোধ,
অভিলাষী মন চন্দ্রে না পাক, জ্যোৎস্নায় পাক সামান্য ঠাঁই
কিছুটা তো চাই, কিছুটা তো চাই… ‘

১৮

নুশেরা's picture


১৯

টুটুল's picture


প্রিয়তে

২০

তানবীরা's picture


আত্মকথনটা প্রথম পড়লাম। সরাসরি প্রিয়তে। সোনার মেডেলটা সব সময়ের পছন্দ সেই ভার্সিটি লাইফের আবৃত্তি ক্লাশ থেকেই

মন্তব্য করুন

(আপনার প্রদান কৃত তথ্য কখনোই প্রকাশ করা হবেনা অথবা অন্য কোন মাধ্যমে শেয়ার করা হবেনা।)
ইমোটিকন
:):D:bigsmile:;):p:O:|:(:~:((8):steve:J):glasses::party::love:
  • Web page addresses and e-mail addresses turn into links automatically.
  • Allowed HTML tags: <a> <em> <strong> <cite> <code> <ul> <ol> <li> <dl> <dt> <dd> <img> <b> <u> <i> <br /> <p> <blockquote>
  • Lines and paragraphs break automatically.
  • Textual smileys will be replaced with graphical ones.

পোস্ট সাজাতে বাড়তি সুবিধাদি - ফর্মেটিং অপশন।

CAPTCHA
This question is for testing whether you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

বন্ধুর কথা

শওকত মাসুম's picture

নিজের সম্পর্কে

লেখালেখি ছাড়া এই জীবনে আর কিছুই শিখি নাই।