ইউজার লগইন

আবারো পেচ্ছাপেচ্ছি

১.
আজকাল খুব বেশি টিভি দেখা হয় না। যত বেশি চ্যানেলের সংখ্যা বেড়েছে, টিভি দেখা তত কমেছে। তার মানে এই নয় যে, টিভির সামনে বসে থাকি না। অনেক সময় টিভি চলে, চ্যানেল থেকে চ্যানেলে যাই কিন্তু টিভি দেখি সেটা বলা যায় না। এর চেয়ে বরং মুভি দেখাই বেশি পছন্দের।
এর মধ্যে অবশ্য গত ঈদের চারটা নাটক অখন্ড মনোযোগ দিয়ে দেখেছিলাম। তাও আবার সমালোচক হওয়ার লক্ষ্য নিয়ে। প্রথম আলোর আনন্দ পাতায় ঈদের অনুষ্ঠান নিয়ে একটা বিশেষ আয়োজন ছিল। আর তা হচ্ছে ঈদের নানা অনুষ্ঠানের মধ্য থেকে ভালগুলো নিয়ে লেখালেখি করা। আমার ভাগ্যে পড়েছিল চারটি নাটক।
গতরাতে বিটিভিতে ইত্যাদি দেখতে গিয়ে গত ঈদের এই নাটক দেখা ও সমালোচনার কথা মনে পড়ে গেলো। একা বাসায় ছিলাম বলেই হয়তো আধাঘন্টা ইত্যাদি দেখতে হল। সেখানে দেখলাম নাট্যাংশের ছলে সমালোচকদের সমালোচনা করলেন হানিফ সংকেত। একটা অংশে দেখা গেল একজন ঠিক করেছে সে নতুন একটা ব্যবসা করবে আর তা হল সমালোচনা করার ব্যবসা। হানিফ সংকেত মানুষকে শিক্ষা দিতে পছন্দ করেন। এই অংশের শিক্ষা হল, ‌যা কিছু ভাল তাকে যেমন হ্যা বলতে হয়, তেমনি যা কিছু খারাপ তাকেও না বলতে হয়। না বুঝে সমালোচনা করা যেমন খারাপ, সুতরাং এই সমালোচনাকেও না বলুন।
কারো মনে হতে পারে বেশ ভাল শিক্ষা। প্রথম আলোর আগের শ্লোগানটার সাথে মেলে।
আসলে এটা ছিল প্রথম আলোর সঙ্গে একাত্মতা না, বরং প্রথম আলোকে খানিকটা সমালোচনা করা।
গত ঈদের ম্যাগাজিন অনুষ্ঠানগুলো নিয়ে লিখেছিলেন অরুণ বসু। সেখানে শেষে একটা লাইন ছিল অনেকটা এরকম, 'গতানুগতিক হয়ে গেছে ইত্যাদি। ইত্যাদি কি জনপ্রিয়তা হারাচ্ছে?'
ব্যস আগুন লাগিয়ে দিল হানিফ সংকেত। অফিসে ফোনের পর ফোন। হানিফ সংকেত নিজে করেই ক্ষ্যান্ত হননি, নানান লোকজনকে দিয়ে ফোন করাতে লাগলেন। সাথে গালাগালি ফ্রি। কেউ কেউ ফোন করে বললো টাকা খেয়ে এভাবে লেখা হয়েছে। আরও অনেক কিছু। অনেকে ফোন করে গালাগালিও করলো। এমন আচরণ যে, পারলে এসে অরুণ বসুকে মারই দিতেন।
সামান্য এক লাইনের সমালোচনায় যে প্রতিক্রিয়া দেখালেন হানিফ সংকেত তা অবিশ্বাস্য। নিজে অনেক বড় বড় কথা বলেন। কিন্তু সামান্য সমালোচনা সহ্য করার ক্ষমতা নেই।

ভাল কথা, ইত্যাদি কেউ কি দেখেন?

২.
অনেক জনপ্রিয় একজন লেখক। কিশোরিদের তিনি ব্যাপক পছন্দ করেন। একবার তাকে নিয়ে একটা সংবাদ ছাপা হয়েছিল। খারাপ কিছু না, তার একটা নতুন প্রজেক্ট নিয়ে অগ্রীম সংবাদ। কেন তাকে না জানিয়ে প্রকাশ করা হল এই অভিযোগ তুলে তিনি সম্পাদককে ফোন করলেন ঐ রিপোর্টারকে চাকরি থেকে বাদ দিতে হবে। তা না হলে তিনি এই পত্রিকায় আর কখনো লিখবেন না। সম্পাদক রাজি না হওয়ায় তিনি এই পত্রিকায় লেখাই বাদ দিয়েছিলেন।
সেই জনপ্রিয় লেখকই এখন অবশ্য লেখা দেওয়ার জন্য উদগ্রীব।

৩.
হে ব্লগারগন, যারা দিনরাত ব্লগর ব্লগর করেন এবং সামনেও করবেন তারা কি জানেন আপনাদের নিয়ে গবেষণা শুরু হয়েছে। এ জন্য বিদেশ থেকে অর্থ আসছে। প্রকল্প তৈরি হচ্ছে। এ জন্য অন্য দেশ থেকে কনসালটেন্টও এসেছেন?
মার্কিন সাহায্যে এসব হচ্ছে। কাল রোববার এরকম একটি গবেষনা প্রতিবেদন আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে। সেখানে আমাকে যাওয়ার জন্য বলা হচ্ছে। দেখা যাক কি জিনিষ বের হয়!

৪.
যুদ্ধে যারা বিজয়ী হয় তারাই রচনা করে ইতিহাস। আর যারা হারে? নানা ধরণের প্রতিক্রিয়া হয়। পাকিস্তান কেন হেরে গিয়েছিল এ নিয়ে অনেক বই লেখা হয়েছে এবং পাকিস্তানি জেনারেলরাই লিখেছেন। তবে সেসব ছিল কার দায় বেশি কার কম সেসব নিয়ে।
কিন্তু যুদ্ধের সময় যারা গণহত্যা করে, বা কর্তৃপক্ষের আদেশে যারা সাধারণ মানুষের উপর নির্বিচারে গুলি চালান তাদের প্রতিক্রিয়া কি হয়? বিশ্ব সাহিত্যের খুব কম জিনিষই জানি বলে বলতে পারবো না অন্যান্য দেশের কেউ এ নিয়ে কিছু লিখেছেন কীনা।
তবে এ নিয়ে একটা সিনেমা হয়েছে। সেটার কখা বলি।
একজন সাবেক সেনা, কেবলই স্বপ্ন দেখে ২৬টা কুকুর তার বাড়ির সামনে এসে ঘেউ ঘেউ করছে। কারণ সে যুদ্ধের সময় ২৬টি কুকুর গুলি করে মেরেছিল।
এই গল্প পাবে বসে বলে তারই বন্ধুকে। সেই বন্ধু্ও সাবেক সেনা। কথাটা মাথায় ঢুকে যায় তার। কিন্তু তার তেমন কিছু মনে নেই। শুরু হয় স্মৃতি খুজে ফেরা। একে এক দেখা করে সঙ্গী সাবেক সেনাদের সাথে। কিভাবে গণহত্যার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা হয় পাওয়া যায় সেই গল্প।
১৯৮২ সালে লেবাননে সাবরা ও শাতিলা গণহত্যার কথা মনে আছে? সেই গণহত্যার সময় এরা সবাই ইসরাইলের সেনা ছিল।
ছবিটা ইসরাইলের। পরিচালক অরি ফোলম্যান নিজেও একজন সেনা ছিলেন। সেই লস্ট মেমোরি তুলে এনেছেন ছবিটাতে। ছবিটার নাম ওয়াল্টজ উইথ বশির।
২০০৮ সালের এই মুভিটা দেখার অনেক ইচ্ছা ছিল। কিন্তু আগে পাইনি। এখন পেলাম, ব্লু রে ভার্সন। দারুণ প্রিন্ট। ছবিটা মূলত এনিমেশন। শেষে খানিটা সত্যিকারের ফুটেজ আছে।
Waltz_with_Bashir_.jpg
যারা গণহত্যা করে তাদের ভবিষ্যত জীবন কেমন হয়, স্মৃতি কি তাড়া করে বেড়ায়-এটা নিয়ে আমি প্রায়ই ভাবি। আর তাই ছবিটা আমার কাছে গতানুগতিক ছবির ভিড়ে অন্যরকম লেগেছে।
পুরস্কারপ্রাপ্তির দিক থেকেও এটা অনেক বিখ্যাত মুভি।

পোস্টটি ৭ জন ব্লগার পছন্দ করেছেন

সাহাদাত উদরাজী's picture


১। হানিফ সংকেত - স্ববিরোধী! আমরা সবাই এমনই!

২। উক্ত লেখক - আমরা কর্ম সুত্রে তার সাথে পরিচিত। তার কিছু ব্যাপার স্যাপার দেখে আমরা ভাবি, কই যাই!

৩। আলহামদুলিল্লাহ!

শওকত মাসুম's picture


ব্যাপার স্যাপারগুলা লেখেন। পড়ি।

মাহবুব সুমন's picture


১. না
২.হুমায়ুন নামা
৩. একটা পেট মোটা রিপোর্ট
৪. বজনিয়ান সার্বিয়ান প্যারা মিলিটারিদের নিয়ে একটা ডকু দেখলাম, এরা সবাই সাধারন মানুষ ছিলো। পরে পাকা খুনি

শওকত মাসুম's picture


এই খানে ডকু বেশি পাওয়া যায় না। আফসুস।

মেসবাহ য়াযাদ's picture


১. সংকেতের সাথে আমার পরিচয় অন্যভাবে। সেই ১৯৮৪ সালে। একবার একটা চিঠি লিখেছিলাম তাকে। চিঠিটা এরকম: ভাই সংকেত, আপনিতো মানুষের মুদ্রাদোষ খুঁজে বেড়ান। আপনার যে একটা মুদ্রাদোষ আছে সেটা কি আপনি জানেন ? আর সেটা হচ্ছে, কথা বলার সময় আপনি খালী ২ হাত কচলান। দেখে মনে হয় তেল দিচ্ছেন... ইত্যাদি ইত্যাদি। তারপরের ঘটনা আর না বলি।

২. ইয়ে, আপনি কি মিঃ হনুমানের কথা বলছেন ? তাকে নিয়েও আমার ভালো মন্দ দুধরণের অভিজ্ঞতা আছে... সেকথাও না বলি।

৩. আপনিতো ভাই দিন দিন জাতে উঠে যাচ্ছেন (ভাববেন্না, আপনি আগে বেজাত ছিলেন !)...

৪. অনুশোচনা ভালো জিনিস, বিশেষ করে তা যদি হয় সেনা কর্মকর্তার... তা হলেতো আর কোনো কথা নেই...

শওকত মাসুম's picture


পুরাই কন। কি কি হইছিল। শুনি

ভাস্কর's picture


গতোরাইতে আমিও ইত্যাদি দেখলাম প্রায় বছর ৬/৭ পর। কাকতালীয় মিল!

শওকত মাসুম's picture


কেন দেখলেন

জ্যোতি's picture


এখন আর ইত্যাদি দেখি না, আগ্রহ পাই না। একঘেয়ে।
ব্লগারদের নিয়ে গবেষণায় কি পাইলেন জানাইয়েন।
পেচ্ছাপেছি ভালু পাইলাম।

১০

শওকত মাসুম's picture


গবেষণার অনুষ্ঠানটায় যেতে পারি নাই।

১১

মীর's picture


ওয়ালট্জ উইথ বশির দেখার চেষ্টা করছি কয়েকবার। কিন্তু মনোযোগ দিতে পারি নি। গতানুগিতক অ্যানিমেশনের মতো না তো তাই। Smile

দেখি এবারে ধৈর্য্য নিয়ে বসবো। মাসুম ভাই কেমন আছেন?

১২

শওকত মাসুম's picture


ভাল আছি। দেখেন।

১৩

সাঈদ's picture


হানিফ সংকেত কে আমিও দেখতে পারিনা, তার স্ববিরোধিতার খবর অনেক আগেই জেনেছি কেননা মিরপুরে , আমার বাসার কাছেই তার বাসা, সেখানে আমার অনেক বন্ধুরা থাকে।

১৪

শওকত মাসুম's picture


কাহিনী শুনি, বলেন্

১৫

রাসেল আশরাফ's picture


যখন বড় বড় নীতি বাক্য ছাড়ে তখন তারা নিজেদেরকে মহামানব চিন্তা করে।কিন্তু তারা যে আমাদের মতো ম্যাঙ্গোপিউপিল সেটা তাদের কাজে কামে প্রকাশ করে।

সংকেত সাহেব সারাদিন বলে ''দেশীপণ্য কিনে হও ধন্য''কিন্তু নিজে বিদেশী ছাড়া কিনে না।

আর হুমায়ুন আর লেজেহোমো এরশাদের মধ্যে কোন তফাত নাই।

১৬

শওকত মাসুম's picture


আমি বহু বিখ্যাত মানুষের কাছে গিয়ে দেখছি তাদের দোষত্রুটি ভয়াবহ

১৭

রুবেল শাহ's picture


সংকেত ব্যাটা বহুত চালাক।
ইত্যাদির কোন এক পর্বে হোটেল সালাদিয়া গানটা প্রচার হয়েছিল যা হোটেল ক্যালিফোর্নিয়া'র গানটার সুর হুবহু নেয়া হয়েছে অথচ সংকেত ব্যাটা বলেছেন সুর করেছেন রিন্টু। তার পর থেকে আর ইত্যাদি দেখি নাই কখনো

১৮

শওকত মাসুম's picture


আগে কিন্তু ভালই লাগতো। এখন বিরক্ত লাগে

১৯

জুলিয়ান সিদ্দিকী's picture


আজকাল কেউ সমালোচনা সহ্য করার ক্ষমতা রাখে না। আপনি বন্ধুর সমালোচনা করলে বন্ধুত্বে ছেদ পড়বে। হয়তো সে ক্ষেত্রে চির বিচ্ছেদও ঘটে যেতে পারে। সময় এখন এমন কারো ত্রুটি ধরা যাবে না। কারো মিথ্যাচারকে মিথ্যা বলা যাবে না। মানুষ পিঠ চাপড়ানীতে অভ্যস্ত হয়ে উঠছে আজকাল।

ব্লগ জনপ্রিয় হয়ে উঠবার সঙ্গে সঙ্গে এর ক্ষমতাও কিন্তু বাড়ছে দিনদিন। ভবিষ্যতে সমাজে, রাজনীতিতে এবং রাষ্ট্রেও এর ব্যাপক প্রভাব পড়বে। রাষ্ট্র এক সময় ব্লগারদের বিভিন্ন পোস্টকেও বিবেচনায় আনতে বাধ্য হবে। সংবাদপত্র আর সংবাদ মাধ্যমের চেয়েও শক্তিশালী ভূমিকা রাখতে পারে ব্লগ। আনতে পারে ব্যাপক সামাজিক পরিবর্তনও।

২০

শওকত মাসুম's picture


একমত। তবে ব্লগের অপব্যবহারটা মাথায় রাখতে হবে।

২১

নুশেরা's picture


পেচ্ছাপেচ্ছি নিয়মিত হোক

২২

শওকত মাসুম's picture


ব্যস্ততা দেয় না অবসর

২৩

শাওন৩৫০৪'s picture


৩. কাদের নিয়া গবেষনা হবে?
মাইকেল মেহেদী কিংবা নূড়া চশমিশ ক্লব কি ইতিহাসের অংশ হৈয়া যাবে?

২৪

শওকত মাসুম's picture


অনুষ্ঠানটায় যেতে পারি নাই। আফসুস

২৫

রশীদা আফরোজ's picture


চোখের সামনে পড়লে ইত্যাদি দেখি, কুমিরের এক বাচ্চাকে বারবার দেখানোর মত মনে হয়।

বেশির ভাগ বিখ্যাতদেরই কি সমালোচনা সহ্য করার ক্ষমতা নেই? আমাদের একজন নারী লেখকের একটা নাটক নিয়ে নরম ভাষায় বলেছিলাম, (বইটা আমার খুব পছন্দের বলেই) এতো অভাবী একটা মেয়ে কড়া ইস্ত্রি করা নূতন নূতন শাড়ি পড়ে, তারপর...উনি আমাকে ১৫/১৬ মিনিট ধরে বক্তৃতা দিলেন।

২৬

নাজমুল হুদা's picture


সমালোচনার আলোচনা/সমালোচনা ভাল লাগছে । সকলে অংশ নিলে আরও প্রাণবন্ত হবে । এ জাতীয় আরো রচনায় ভন্ডদের মুখোশ উন্মোচিত হোক, তাদের অন্ধকার থেকে আলোয় আসার পথ উন্মুক্ত হোক ।

২৭

অতিথি's picture


আমরা অন্যের সমালোচনা ভালোভাবে করতে পারি, অবশ্যই নিজের সমালোচনা গ্রহণ যোগ্য না।

২৮

তানবীরা's picture


এবারে পেচ্ছাপেচ্ছি কার সাথে? হানিফ সংকেতের সাথে? Wink

প্রথম আলোর বিরুদ্ধে কথা কইলেই ফোঁস? Tongue

২৯

হাসান রায়হান's picture


ফোঁস ! Crazy Crazy Big smile

৩০

শওকত মাসুম's picture


প্রথম আলোরে এরম বাঁশ দেয় প্রতিদিন সরকারের বহু লুক।

৩১

মেহরাব শাহরিয়ার's picture


প্রায় ৪/৫ বছর পর ইত্যাদি গত ঈদে পুরোটুকো দেখেছি । মাঝে অনেক গতানুগতিক লাগত বলে দেখতাম না । তবে , ঈদের পর্বটি বেশ ভাল লেগেছে। সমালোচনাকে সবসময় না বলার হানিফ সংকেতের ইংগিতকে সমর্থন করলাম না । তবে , লোকটাকে আমার ভাল লাগে

৩২

তায়েফ আহমাদ's picture


বাসার টিভির পিকচার টিউব গ্যাছে। নতুন টিভি কিনি-কিনি করেও কেনা হচ্ছে না!
ফলাফল তীভির সামনে যাই না- মাসদেড়েক!
আমি মাঝে মাঝে ভাবি, গঠনমূলক সমালোচনা বলে যে একটা ব্যাপার আছে- সেইটা আমরা হয় জানি না- নয় করি না-এবং পরিশেষে সহ্যও করি না!
নীতিবান হানিফ সংকেতের নীতিহীনতা আর সহজ-সরল হু আহমেদের অসরলতা তাই আর বিস্ময় জাগায় না।
ব্লগ নিয়ে কী হলো শেষপর্যন্ত জানতে ইচ্ছে হয়।
মুভীটা আমি পুরো দেখতে পারি নাই! Sad

৩৩

রন্টি চৌধুরী's picture


ছেলেবেলা থেকে প্রতি ঈদে ইত্যাদি ঈদের আনন্দ বাড়িয়ে ঈদের সাথে মিলেমিশে একাকার হয়েছে,ও দেখেছি। তাই ইত্যাদির প্রতি দারুন প্রেম আমার এখন ও অটুট আছে। তবুও গত কয়েকবছর আর ইত্যাদি দেখিনি। জানি বৈচিত্রের অভাবে ভুগবেই, একই ধরনের একটা প্রোগ্রাম এতবছর ধরে বৈচিত্রতা বাড়াতে পারে না। কিন্তু ওই প্রেমের কারনে ইত্যাদি না দেখে থেকেছি তাও ভেবে ভেবে রেখেছি ইত্যাদি মানেই আনন্দ। এক প্রকার ছেলেমানুষী আর কি।

তবে হানিফ সংকেত সম্ভবত খ্যাতির কারনে বেপরোয়া। এবং এটা অবশ্যই বিরক্তিকর একটা ব্যাপার।
আরেকটি ব্যাপারে অনেকেই আমার সাথে একমত হবেন না, তবু সাহস করে বলতে চাই। হানিফ সংকেতকে আমার কাছে মনে হয় তিনি উপস্থাপক হিসেবে একটু বেশী মুল্যায়িত। আমি স্বীকার করি তিনি বিচিত্র আইডিয়া বের করতে পটু। তার উপস্থাপনার স্ক্রীপ্টও দুর্দান্ত। কিন্তু এজ এ উপস্থাপক তাকে এত নাম্বার ওয়ান মন থেকে কোনদিন বলতে পারিনি ।

৩৪

আসিফ's picture


১. ইত্যাদি দেখি না অনেক বছর। বোরিং লাগে। আর ফুটবল খেলা ছাড়া টিভি গত কয়েকমাসে কয়দিন দেখছি আঙ্গুল গুণে বলতে পারবো।
২. আমার এক বস উনার আন্ডারে থিসিস (৮৪-৮৫) করেছিলেন। ঐদিন কথা প্রসঙ্গে বলছিলেন উনি শিক্ষক জীবনেও নাকি অনেক কিছু করেছিলেন। মেয়েরা তার পিছনে মাছির মত লেগে থাকতো আর উনিও সুযোগ নিতেন। মইন খান সম্পর্কেও কিছু জানলাম ঐদিন।
৩. ব্লগ তো এখনও শৈশবও পার করেনি। এখনই গবেষণা!!!
৪. ইদানীং ছবি দেখা হয় না একদম। Sad

পেচ্ছাপেচ্ছি চলতে থাকুক।

মন্তব্য করুন

(আপনার প্রদান কৃত তথ্য কখনোই প্রকাশ করা হবেনা অথবা অন্য কোন মাধ্যমে শেয়ার করা হবেনা।)
ইমোটিকন
:):D:bigsmile:;):p:O:|:(:~:((8):steve:J):glasses::party::love:
  • Web page addresses and e-mail addresses turn into links automatically.
  • Allowed HTML tags: <a> <em> <strong> <cite> <code> <ul> <ol> <li> <dl> <dt> <dd> <img> <b> <u> <i> <br /> <p> <blockquote>
  • Lines and paragraphs break automatically.
  • Textual smileys will be replaced with graphical ones.

পোস্ট সাজাতে বাড়তি সুবিধাদি - ফর্মেটিং অপশন।

CAPTCHA
This question is for testing whether you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

বন্ধুর কথা

শওকত মাসুম's picture

নিজের সম্পর্কে

লেখালেখি ছাড়া এই জীবনে আর কিছুই শিখি নাই।