আমার ধরা খাওয়া অথবা না খাওয়ার গল্প (এইটারও উৎস্বর্গ করলাম নুশেরা আর কাকনকে)
বিদ্যুৎ ভাই চমৎকার গান করেন। বিদ্যুৎ ভাই মানে সুজিত মোস্তফা, আবু হেনা মোস্তফা কামালের ছেলে। অনেকে যেটা জানেন না তা হল বিদ্যুৎ ভাই আসর জমাতে পারেন চমৎকার। সম্ভবত বাবার এই গুণটা তিনি ভালই পেয়েছেন। এই আড্ডা অবশ্য সুশীল না, বড়দের গল্প বলার ক্ষেত্রে এরকম দক্ষতা আমি অন্তত আর পাইনি। বড়দের গল্প না হয় অনেকে শুনুছেন, বড়দের গান? শুনতে হলে বিদ্যুৎ ভাইই ভরসা।
বিদ্যুৎ ভাইয়ের বাসা মোহাম্মদপুর। একরাতে, অফিস শেষ করে সবাই মিলে চললাম তাঁর বাসায়। আমি, ডেইলি স্টারের ইনাম ভাই, একুশে টিভির মোজাম্মেল বাবু ভাই, কবি ফরিদ কবির ভাই, আরেকজন ছিল নাম মনে নাই। সাথে যথেষ্ট পরিমান পানীয় ও আনুসাঙ্গিক জিনিষপত্র।
বিদ্যুৎ ভাইয়ের বাসাটা একটু পুরানা ধাচের। দরজা খুলে রুমে যেতে লম্বা একটা করিডোর পার হতে হয়। আমরা জুতা-টুতা খুলে রুমে চলে গেলাম। তারপর ম্যারাথন আড্ডা, গল্প আর গান। মাঝখানে আরেকজন এসে যোগ দিল আড্ডায়।
আড্ডা ভাঙ্গলো রাত প্রায় একটায়। গল্প ও গানের স্টক ছিল, বোতলের স্টক আর ছিল না। আর রাতও হয়ে গেছে। বাড়ি যাওয়ার পালা। বের হওয়ার দরজায় এসে দেখি সব ফকফকা। একটা জুতাও নাই। চোর এসে সব জুতা চুরি করে নিয়ে গেছে।

গভীর রাতে সবাই খালি পায়ে হা করে তাকিয়ে থাকলাম। কী আর করা, বিদ্যুৎ ভাই কোথা থেকে পুরান কিছু স্যান্ডেল এনে দিল। আমরা অবশ্য এতো পুরানা স্যান্ডেল রেখে দেওয়ার রহস্য জানতে চাইছিলাম। আমার ভাগে পুরান ছেড়া স্যান্ডেলও জুটলো না। আমি ভাবলাম হেঁটে তো আর যাবো না, গাড়ি নিজেই চালাই। খালি পায়ে গাড়ি চালানো যাবে।
সেই রাতে আমি খালি পায়ে বাসায় ফিরছিলাম। আমারে দেখে তো বউয়ের চোখ কপালে। বউরে শান্ত করতে আমি উপরের এই গল্পটা খুবই বিশ্বাসযোগ্য ভাবে তারে বলছিলাম।

সবার বউতো আর আমার বউয়ের মতো লক্ষী না, তাই সব বউরা গল্পটা মেনে নেয় নাই। একজনের বউয়ের তো দৃঢ় বিশ্বাস, কোনো এক নারীর স্বামী হঠাৎ করে চলে আসায় সেই রাতে তার জামাইকে খালি পায়েই পালিয়ে আসতে হয়েছিল।
কথা না থাকলেও কারো কারো জামাই যে হঠাৎ করে চলে আসে সে নিয়ে যে অসংখ্য গল্প আছে, তা তো সবাই জানে। ব্যান হওয়ার ভয়ে সেসব গল্প নাইবা বললাম।






ভাবি ভালু মানুষ বুঝাই যায়।
আমার জনও ভালু, তবে অনেক বুঝ দিতে হয় সৃষ্টিশীল হৈতে হয়,এইটাই সমস্যা।
এইবার বুঝছি পুষ্ট নাদিয়া খালি কমেন্টানোর নিগুঢ় তত্ব

সব সৃষ্টিশীলতা ঘরেই খরচা হইয়া যায়, খিকজ
এইজন্যই তো আমার আপনার মতো বিবাহিত মানুষ বেশি সৃষ্টিশীল হয়।
ব্যাচেলারদের সৃষ্টিশীল হওয়ার প্রয়োজনই পড়ে না।
ভাবি ভালু মানুষ বুঝাই যায়।

হেঃহেঃহেঃ পুষ্ট মজারু হইছে
ঐদ্য জাতীয় ধরা দিবস

মদিনার গরে গরে আলন্দ
বিয়া করি নাই ধরা খাওয়ার চিন্তা ও নাই। বিয়া না কইরাও লুকে ক্রিয়েটিভ হইতারে ।
বিয়া করি নাই ধরা খাওয়ার চিন্তা ও নাই। বিয়া না কইরাও লুকে ক্রিয়েটিভ হইতারে ।
সাইদ ভাই, পরীক্ষা না দিয়া পাশ করতে চাচ্ছন কেনোরে ভাই?
মাসুম ভাই দারুন লাগলো। কিন্তু খালি পায়ে গ্যাস/ ক্ল্যাচ পিছলায় যাবে না? কিংবা পায়ে গরম লাগবে না? খালি পায়ে কখনো চালায় নাইতো, আমি আবার ড্রাইভের জন্য ইস্পিশাল জুতা / স্যান্ডেল পরি কিনা?
সাঈদভাই মনে হয় এই ফিল্ডে ওপেন ইউনিভার্সিটির ছাত্র
আমিও বড়দের গান গাইতে পারি...
ব্যান করার গল্পগুলা ক্যাম্নে শুনবো??
দুদিন আগে ল্যাবের সামনে থেকে আমার জুতা কে যেন পড়ে চলে গেছে, তারটা রেখে গেছে। জুতা বাটার একই জুতা...যে পড়ছে হয়তো খেয়ালও করে নাই। আমি খেয়াল করছি, তাই পায়ে কেমন যেন সূক্ষ্ণ বেদানা হইতাছে
আপনারে ধন্যবাদ। উৎসর্গে (থুক্কু উৎস্বর্গে ) নাম নিছেন সেইজন্যে না। আমার নামটা ঠিক বানানে লেখছেন এবং সঙ্গে আফা-খালাম্মা কিছু যোগ করেন্নাই সেইজন্যে।
আচ্ছা ঠিক আছে, আপ্নে ব্যান হয়েন্না, "টঙ্গী যাই" গপটা মনে মনেই মনে করলাম।
অ.ট. বিদ্যুৎভাইদের পরিবারে সবাই মনে হয় ভালো আড্ডাবাজ। অনেক বছর আগে শিখা আপার সাথে পুরা একটা দিন আড্ডা দিছিলাম, অসাধারণ একটা মানুষ। বিদ্যুৎভাইর ছোটভাই তো ইকনমিক্সের, উনি কি আপনার ব্যাচমেইট?
আশিরোনামে আমার নাম থাকার কারনে লাইক্কর্লাম অন্য কোন কারন নাই; বড়দের গান দুই একটা আমিও পারি; ভাবভাষ্কর্জের কারনে লিরিক্স লিখলামনা।
বস, পাবলিকরে ভালোই আবুল বানাইলেন। নিজের কাহিনী অন্যের উপর দিয়া চালাইলেন। বাড়িতথিকা বাইর কইরা দেওয়ার পর। সেই রাতে কই গিয়া উঠছিলেন?
আরেকটা কথা, বড়দের গান যে কয়টা শুন্ছি তার মধ্যে 'ডাক্তারের ছেলে রাত বারোটার পরে থাকিস আম গাছের তলে, চিপ্যা (নাকি টিপ্যা?) ....' সবার সেরা। পিকনিকে বিমা সেরম গাইছিল। পুরা মুখস্ত করছে বদমাইশটা।
কোলন ডি
আমার পোলার মায়ে আপনের মাইয়ার মায়ের থেইক্কা বেশি ভালা।
যা কৈ তাই বিশ্বাস করে। সেই কারনে মিছা কৈ না। এই জাতীয় মহিলাগোরে
ঠকাইতে মন চায় না। সমান সমান সেয়ানা না হৈলে খেইল্যা মজা পাওন যায়
না, তাই না দুলাভাই ??
পিকনিকে বিমার "ডাক্তারের ছেলে" শিরোনামে গানটা জুশ ছিলো।
হ, আপ্নেরা পিকনিক করবেন, আমগ গরীবদের দিকে তাকাইবেননা। @মুকুল, অচিনদা প্রমুখ
।
পোস্ট লাইক্কর্লাম।
গল্প বিশ্বাসযোগ্য হয় নাইক্কা ...আরো অনেক পরিশ্রম করিতে হইবে ...
মন্তব্য করুন