আমাদের রশীদ ভাই
কিছুক্ষণ আগে মারা গেলেন রশীদ ভাই। বিখ্যাত ফটো সাংবাদিক রশীদ তালুকদার। অত্যন্ত প্রিয় মানুষ। চাইলে অনেক কিছু পেতে পারতেন। স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধুর কাছ থেকে পেট্রোল পাম্প বা পরিত্যক্ত বাড়ি নিয়েছেন তার একটা লম্বা তালিকা আছে। ব্যতিক্রম আলম ভাই ও রশীদ ভাই। আমার সৌভাগ্য দুজনের সাথেই কাজ করেছি।





রশীদ ভাই, অনেক অনেক শ্রদ্ধা।





রশীদ ভাইয়ের জন্য শ্রদ্ধাঞ্জলি।
নিরহঙ্কার, নিঃস্বার্থ ও উদারচিত্তের মানুষ ছিলেন রশীদ তালুকদার। এ মহান গুণী আলোকচিত্রীর সহযোদ্ধা হিসেবে (৯০-এর দশকে) আমারও কাজ করার সুযোগ হয়েছিল। অমায়িক রশীদ ভাইয়ের কথা এখন ভীষণ মনে পড়ছে। থাকতেন সচিবালয়ের উত্তরের একটি বাড়িতে। রশীদ ভাই, এ জাতি আপনার প্রাপ্য সম্মান কি দিতে পেরেছে? না। আমরা বড়ই কৃপণ জাতি। আপনার ইন্তেকালে অনেক বড় বা গভীর শোক এলেও আপনার আর কোনো কিছু যাবে-আসবে না। তবে জাতি যে একজন গুণী লোক হারালো, এ ক্ষতি পূরণ হওয়ার নয়।
রশীদ ভাই, আপনি স্বর্গবাসী হন- মহান রাব্বুল আলামীনের কাছে এ প্রার্থনা করি। আপনার শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের এ শোক বহন করার শক্তি আল্লাহ দান করুন। আমিন।
আর একজন গুণী-কে হারালাম আমরা...
শ্রদ্ধাঞ্জলি।
বিনম্র শ্রদ্ধাঞ্জলি
বিনম্র শ্রদ্ধা।

ছোটবেলায় ইত্তেফাক পত্রিকার প্রায় সকল ছবির নিচে এই নামটা থাকতো ...
ছবি : রশিদ তালুকদার
উনি মারা যাবার দিন প্রথম উনার ছবি দেখেছি, অথচ নামটা কত আপন ছিলো সেই ছেলেবেলা থেকেই।
শ্রদ্ধাঞ্জলি
পাবলিক লাইব্রেরিতে তার ছবির একটা বই দেখছিলাম মুগ্ধ হয়ে তখন ভাবতাম মানুষটা দেখতে কেমন?কি করে?
তিনি চলে গেলেন সেই উসিলায় চিনলাম!
বিনম্র শ্রদ্ধা!
ছোটবেলা থেকে পত্রিকার অনেক ছবির নীচে এই নামটা দেখেছিলাম।
শ্রদ্ধাঞ্জলি।
এই ছবিগুলো কতবার দেখেছি, এগুলোযে ওনার তোলা জানতামনা।
বিনম্র শ্রদ্ধা, এই গুণী মানুষটির জন্য।
মন্তব্য করুন