দ্য ফ্লাওয়ার্স অব ওয়ার
আচার, আচরণ ও ভদ্রতায় জাপানীদের সুনাম থাকলেও ইতিহাস তাদের বিপক্ষে। বিশেষ করে জাপানী সৈন্যদের কুখ্যাতি বিশ্বব্যাপী। উদাহরণ খুঁজতে খুব বেশি দূরে যেতে হবে না।
দ্বিতীয় সিনো-জাপান যুদ্ধ হয়েছিল ১৯৩৭ সালে। দ্বিতীয় সিনো-জাপানের যুদ্ধে চীনের নানজিংয়ে ভয়াবহ এক গণহত্যা ঘটায় জাপানি সৈন্যরা। জাপানি রাজকীয় সেনাদের হাতে নিহত ও ধর্ষিত হয়েছিল প্রায় ৩ লাখ সাধারণ চীনা নাগরিক। ইতিহাসে এটিকে নানকিং ম্যাসাকার বা রেপ অব নানকিং বলা হয়।
সেই সময়টি নিয়ে সিনেমা। চীনা চলচ্চিত্র ইতিহাসের অন্যতম সেরা পরিচালক ঝ্যাং ইউমু। এটি তার সর্বশেষ চলচ্চিত্র। 'দ্য ফ্লাওয়ার্স অব ওয়ার'।

জন মিলার একজন আমেরিকান মরটিসিয়ান (ফিউনারেল পরিচালক)। জন মিলার নানকিং-এ এসেছে স্থানীয় গির্জার প্রিস্ট মারা গেছেন, তাঁর ফিউনারেল পরিচালনার জন্য। কিন্তু এরই মধ্যে জাপানিরা ঢুকে পড়েছে নানকিং-এ। গির্জায় একটি কনভেন্ট আছে, সেখানে লেখাপড়া করে ১৩-১৪ বছরের মেয়েরা। সবার ধারণা অন্তত বিদেশীদের দ্বারা পরিচালিত কনভেন্টে জাপানিরা আক্রমন করবে না।
জন মিলার আশ্রয় নেওয়ার পর নিজে প্রিষ্টের পোষাক পড়ে ফাদার সাজেন। এরমধ্যেই সেখানে আশ্রয় নেয় স্থানীয় পতিতালয় থেকে পালিয়ে আসা ১৪ জন পতিতা। এদের মধ্যে ইয়ো মো, সবচেয়ে সুন্দরী, একসময় অন্য এক কনভেন্টে লেখাপড়া করেছে।

ইয়ো মো এবং অন্যান্যরা
এক ধরণের বিরোধ তৈরি হয় ছাত্রীদের মনে। এরই মধ্যে একদিন জাপানি সৈন্যরা গির্জায় ঢুকে পড়লে ছাত্রীরা লুকাতে পারে না। রেপ করতে চাইলে জন মিলার বাধা দিলেও কাজ হয় না। এ যাত্রায় রেপ করার আগেই দুই ছাত্রী মারা যায়। পরে জাপানিদের স্থানীয় কমান্ডার এসে মাফ চায় মিলারের কাছে।
কিন্তু তাতেও বিপত্তি যায় না। জাপানি কমান্ডার ঘোষণা দেয়, নানকিং দখলের উতসব হবে, সেখানে ছাত্রীদের পাঠাতে হবে। শুরু হয় নতুন সংকট। মেয়েরা যাবে না, কারণ তারা জানে এর পরিণতি কি হবে।
এরপরই মনুষ্যত্ব আর ত্যাগের কাহিনী। ইয়ো মোর নেতৃত্বে পতিতারা বলে, ছাত্রীদের পরিবর্তে তারাই যাবে জাপানিদের কাছে। তারপর?
দি ফ্লাওয়ার্স অব ওয়ার ২০১১ সালের ছবি। অনেকগুলো পুরস্কার আছে এর থলিতে। সমালোচকরা পছন্দ করেছেন, আবার বক্স অফিসেও যথেষ্ট সফল।
অবশ্যই এটি ঝ্যাং ইউমুর সেরা ছবি না, তবে প্রথম সারিতেই থাকবে।





দ্য ফ্লাওয়ার্স অব ওয়ার টরেন্ট লিংক
দেখছেন আগে?
আপনের আগে কোন ছবি দেখছি আগে?
তবে সেদিন ডাউনলোড দিয়ে রাখছি দেখা হয় নাই।তবে দেখে ফেলবো খুব তাড়াতাড়ি।
ভাল প্রিন্ট পেলে দেখবো। মুভিটা নিয়ে লেখার জন্য ধন্যবাদ।
আপনার এই ছবির কাহিনীর সাথে 'ম্যুরাল'- এ প্রকাশিত একটি লেখার আশ্চর্য মিল পেলাম...
কাকতালমাত্র ...!!
রুনা'পু এই লেখাটার সাথে ভীষন মিল সিনেমার গল্পটার!
হ
রুনাপুর একটা পোষ্টে এরকম একটা গল্প পড়েছিলাম।
লেখাটা পড়ে সিনোমাটা দেখতে মন্চায়।মরার আগে দেখতে পারব যত লিস্ট দিলেন এখন পর্যন্ত!
রুনাপুর একটা পোষ্টে এরকম একটা গল্প পড়েছিলাম।
লেখাটা পড়ে সিনোমাটা দেখতে মন্চায়।মরার আগে দেখতে পারব যত লিস্ট দিলেন এখন পর্যন্ত!
দেখার লিস্টে রাখলাম!
দেখেন
নামাতে দিলাম
ঝ্যাং ইউমুর আরেকটা ছবির নাম শুনেছি - টু লিভ, ওটাও দেখার ইচ্ছে...
~
টু লিভটাও দারুণ। ঝ্যাং ইউমু নিয়ে একটা বড় লেখার ইচ্ছা অনেকদিনের
হু...ঝ্যাং ইউমু নিয়ে আলাদা লেখা দিয়েন...তার তো গোটা বিশেক ছবির লিস্ট
~
এই লেখাটা ব্যাতিক্রম।। মাসুম ভাইয়ের কোনো লেখায় আদিরসাত্মক কিছু একটা ছিলনা এমন তো আগে দেখি নাই। ।
চরম লাইক দিলাম এই মন্তব্যে

আদি রসাত্বক জিনিষটা কী
দেখার লিস্টে রাখলাম!
দেখো
নামানো শেষ। আজ-কাল এর মধ্যেই দেখে ফেলবো।
মন্তব্য করুন