বই-গান-সিনেমা-ববিতা, থুক্কু কবিতা
১.
সারা বছর অপেক্ষা করি একটি মাসের জন্য, ফেব্রুয়ারি। কারণ এই মাসে বই মেলা হয়। বই কেনার ক্ষেত্রে দুটি সাধ্যের কথা ভাবতে হয়। একটি হচ্ছে অর্থের সাধ্য, আরেকটি হচ্ছে বই রাখার জায়গা। আমার দুটিরই অভাব। সমস্যা আরও আছে। আজকাল গল্প-উপন্যাস কম পড়া হয় কম। অথচ একটা সময় ছিল
গল্প-উপন্যাসের বাস্তব ও অবাস্তব জগতে ঘুরে বেড়াতাম। উড়তাম-বেড়াতাম-থাকতাম কল্পনার রাজ্যে। আরেকটা খারাপ অভ্যাস হয়ে গেছে। এক সঙ্গে অনেকগুলো বই পড়ি। ধরেছিলাম সন্দীপনের ডায়েরি। পুরোটা শেষ না করেই ধরলাম সন্দীপনের উপন্যাস। দুটি পড়ে ধরলাম উইকিলিকস-এ বাংলাদেশ। কিছু পড়ে ধরলাম ড. আকবর আলি খানের আজব ও জবর-আজব অর্থনীতি। গাড়িতে রেখেছি আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের ডায়েরি। তবে সম্ভবত সবচেয়ে মনোযোগ দিয়ে পড়ছি টয় হাউজ থেকে ১৯৭১: মৃত্যু ছায়াসঙ্গী।
২.
দিনু বিল্লাহ পরিচিত একটা নাম। লিনু বিল্লাহ আর শিমুল বিল্লাহর (ইউসুফ) গান শুনছি ছোটবেলা থেকে। তাদের আরেকটি পরিচয় হচ্ছে শহীদ আলতাফ মাহমুদের স্ত্রী তাদেরই বোন। দিনু বিল্লাহ লিখেছেন বইটি। ষাটের দশকের ঢাকা, সেই সময়ে রাজনীতি, সমাজ, সাম্প্রদায়িক পরিস্থিতি আর শিল্প সাহিত্যের মানুষগুলো নিয়ে একটি স্মৃতিকথা।
টয় হাউজে থাকতেন অধ্যাপক অজিত কুমার গুহ। মুসলমান দিনু বিল্লার ছোট কাকা তিনি। কিন্তু কিভাবে? বই থেকে উদ্বৃতি দেই। ১৯৬৪ সালের ঘটনা। মা আর কাকাবাবু বসবার ঘরে কথা বলছেন। আমি খেলা শেষ করে বেশ ক্লান্ত হয়ে ফিরে এসেছি।....মা কাকাবাবুর দিকে তাকিয়ে বললেন, ‘দাদার শরীর ভাল যাচ্ছে না, জেল থেকে আসার পর আরও খারাপ, পাকিস্তার সরকার দাদাকে স্লোপয়জন করেছে।, তাই বাথরুমে পড়ে ছিল সারারাত। দাদাকে দেখার কেউ নাই। তাই আমি দাদাকে কথা দিয়েছি আমার একটি ছেলে তোমাকে সেবা দেবে এবং সেই ছেলেটি তুমি।’ তারপর থেকে দিনুর জায়গা হলো হাটখোলা রোডের টয় হাউজে।
৬৫ সালের যুদ্ধের পর এ দেশে হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষের বসবাস করা কঠিন হয়ে পড়ে। সেই পরিবেশের একটি অনবদ্য বর্ণনা আছে বইটিতে। আছে সেই সময়ের ঢাকার একটি চালচিত্র। কমলাপুর স্টেশন হচ্ছে। উচ্ছেদ হচ্ছে মানুষের। বাড়ছে বিহারীদের আনোগোনা। রাজনৈতিক পরিস্থিতি উত্তপ্ত হচ্ছে। আবার টিভি স্টেশনের উদ্বোধন হলো। এই টিভিকে কেন্দ্র করে সংস্কৃতির জগৎ এগিয়ে গেল। আর শিল্প-সাহিত্য আর সংস্কৃতির অঙ্গণের মানুষজন তো আছেই।
কিছু মানুষও আছে প্রবল ভাবে বইটিতে। যেমন, আলতাফ মাহমুদ, আখতারুজ্জামান ইলিয়াস, আহমদ ছফা। আহমদ ছফা দুবছর ছিলেন এই টয় হাউজে। আরও আছে ইত্তেফাক কেন্দ্রীক পত্রিকা জগতের কথাও। দুই ভাইয়ের রেষারেষির তথ্যও আছে। আছে মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী ঢাকার চিত্র।
আলতাফ মাহমুদের কারণে দিনুর পুরো পরিবার জড়িয়ে পরে মুক্তিযুদ্ধে। এক রাতে ধরা পড়েন সবাই। দিনুরা ফিররেও ফেরেননি আলতাফ মাহমুদ, রুমি, বদিরা। সেই বন্দী জীবনের কথাও আছে বইটিতে। সব মিলিয়ে আলাদা ধরণের বই এটি। আমার কাছে অবশ্যই অবশ্য পাঠ্য।
মজার ঘটনা বলি বই থেকে। যুদ্ধের পর জিয়ার আমলে আলতাফ মাহমুদের বাসা থেকে উচ্ছেদ করা হয়েছে। এ নিয়ে দৌঁড়াদৌড়ির এক পর্যায়ে আলতাফ মাহমুদের চাচাতো ভাই (জিয়ার প্রতিমন্ত্রী) তাদের নিয়ে গেলেন অর্থমন্ত্রী সাইফুর রহমানের কাছে। সঙ্গে একটা চিঠি। পুরো চিঠিটা পড়লেন সাইফুর রহমান। ‘চিঠিটা পড়া শেষ করে ঝিনু আপাকে বললেন, শহীদ কি উনার ডাক নাম!.....মনে আছে ঝিনু আপা (আলতাফ মাহমুদের স্ত্রী) প্রশ্নের কোনো উত্তর না দিয়ে আমাকে নিয়ে সেদিন মন্ত্রী মহোদয়ের চেম্বার থেকে বেরিয়ে এসেছিলেন।’
অধ্যাপক অজিত গুহ দিনু বিল্লাহকে ১২/১৩ বছর বয়সে রবীন্দ্রনাথের শেষের কবিতা পড়তে দিয়ে বলেছিলেন, ‘এটা কিন্তু কবিতার বই নয়, এটা একটা অসাধারণ বাংলা উপন্যাস-তুমি যেভাবে বুঝবে সেভাবেই পড়ো। এই উপন্যাস তিনবার পড়তে হয়। একবার অল্প বয়সে, দ্বিতীয়বার মধ্যবয়সে এবং তৃতীয়বার শেষ বয়সে। তিনবার তিন রকম স্বাদ পাবে।’
আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের ডায়েরি পড়ে জেনেছি তিনি সিনেমা দেখতে পছন্দ করতেন। নিজের ডায়েরিতে অনেক সিনেমার নাম আছে, এমনকি মধুবালার মৃত্যুসংবাদটিও আছে। দিনুর এই বইটিতেও পাওয়া গেল তাঁর সিনেমা প্রীতির কথা। তিনি প্রচুর সিনেমা দেখতেন, তাও আবার নাইট শোতে। বই থেকে বলি, ‘একদিন মধুমিতা সিনেমা হলে নাইট শোতে স্যারের সাথে দেখা-সাথে স্যারের ছেলে, একেবারেই ছোট-নাইট শোতে সিনেমা দেখার বয়স হয়েছে বলে মনে হয় না। প্রসঙ্গক্রমে এক পর্যায়ে স্যারকে বললাম, স্যার নাইট শোতে এতো ছোট ছেলেকে নিয়ে এসেছেন ওতো ঘুমিয়ে পড়বে? আর এসব বাজে ছবি দেখলে ও নষ্ট হয়ে যাবে। ইলিয়াস স্যারের অট্টহাসির সাথে যারা পরিচিত তারাই বলতে পারবেন। উদাত্ত কণ্ঠে প্রশান্ত ভঙ্গিমায় অট্টহাসির বন্যা ছড়িয়ে বললেন, শোনো ছেলে গোল্লায় যাবে আর নষ্ট হবে জেনেই তো ওকে সাথে করে নিয়ে এসেছি। আর নষ্ট যদি হবি তো পিতার হাত ধরেই হোক-ওর নষ্ট হওয়ার কৃতিত্ব অন্য কাউকে হতে দিতে চাই না। এই শেষ কর্মটি আমি নিজ হাতেই সমাপন করতে চাই।’
আখতারুজ্জামান ইলিয়াস কেন এতো সিনেমা দেখতেন? আবারও বই থেকে বলি-‘হাসতে হাসতে বলতেন, মার্কস-লেনিন, রবীন্দ্রনাথ-মাইকেল-বিদ্যাসাগর-সেকশপিয়ার পড়ে পড়ে যখন থেতা হয়ে পড়ি তখন মনটা চাঙ্গা করার জন্য এসব ছাইপাশ দেখি, অনেকটা কবিরাজি দাওয়াইয়ের মতো কাজ করে।’
৩.
আমি এই মতের প্রবল বিশ্বাসী। আমি সিনেমা দেখা ছাড়তে পারি না। সুযোগ পেলেই দেখার চেষ্টা করি। অস্কারসহ নানা পুরস্কারের জন্য মনোনীত সিনেমাগুলো দেখছি। বলা যায় এবারের ছবি যে কয়টা দেখেছি তাতে আমি বেশ হতাশ। সবচেয়ে হতাশ হলাম আরগো দেখে। দেখলাম লাদেন হান্টিং-এর ছবি জিরো ডার্ক থার্টি। ভাল, কিন্তু আহামরি কিছু না। অনেক নাম শুনেছি সিলভার লাইনিংস প্লেবুক মুভির। মেয়েটা (জেনিফার লরেন্স) যথেষ্ট আকর্ষনীয়া, কিন্তু ছবিটা সাধারণ মানের। অথচ ছবিগুলো পুরস্কারই পেয়ে যাচ্ছে। অস্কারও হয়তো পাবে।

এর চেয়ে বরং মজা পেলাম বন্ড দেখে। স্কাইফল অন্য জেমস বন্ড থেকে একদমই আলাদা। বুঝা গেল, বন্ড সামনে আরও বদলাবে। পুরোটা সময় ধরে রাখে ছবিটা।
৪.
তবে আরেকটি ছবির কথা বলতে চাই। আরেকটি আত্মস্মৃতি, সিনেমার ভাষায়। ছবিটা হচ্ছে অঞ্জন দত্তের দত্ত ভার্সেস দত্ত। এটি নিজের আত্মজীবনী। বলা হচ্ছে অঞ্জন দত্তের সেরা ছবি দত্ত ভার্সেস দত্ত।
বাবার সঙ্গে সংঘাত, ৬০ আর ৭০ দশকের কোলকাতা দুটোই আছে। অনেক কিছুই পরিচিত লাগবে অনেকে কাছে। মহিনের ঘোড়াগুলো গানের দল, মৃনাল সেন, নক্সাল আন্দোলন-অনেক অনেক কিছু আছে ছবিটিতে।

আরো আছে প্রথম চুমু, বাবার পরকীয়া, চাচার সাথে মায়ের প্রেম, সেই ঘেন্টু কাকার সঙ্গেই আবার বোনের সম্পর্ক, নক্সালের গুন্ডার সঙ্গে বোনের প্রেম, সাহস করে ভাল লাগার মেয়েটির মুখোমুখি হ্ওয়া, বাবার ভালবাসাবাসি দেখে ফেলা।
এটি কি আসলেই অঞ্জন দত্তের পরিবারের গল্প? আনন্দবাজারের সাক্ষাৎকারের কিছু অংশ পড়ি-
পত্রিকা: এত অনেস্টলি আপনি কথা বলছেন। ‘দত্ত ভার্সেস দত্ত’ শোনা যাচ্ছে আপনার আত্মজীবনী। সেখানেও কি আপনি এতটাই সৎ?
অঞ্জন: ছবিতে ৬৫-৭০ পার্সেন্ট সৎ।
পত্রিকা: এই ছবিতে তো আপনি আপনার বাবার চরিত্রে?
অঞ্জন: হ্যাঁ, আমার বাবার চরিত্রে অভিনয় করেছি। অনেকটাই বলে দিয়েছি আমি ছবিতে। বাবা চেয়েছিলেন আমি ব্যারিস্টার হব। বাবা ক্লাস ইলেভেনে আমার দার্জিলিংয়ের স্কুলের মাইনে দিতে পারেননি বলে আমায় কলকাতা চলে আসতে হয়েছিল। বাবার একজন প্রেমিকা ছিল, আমার দিদি একজন উগ্রপন্থীর সঙ্গে প্রেম করে বাড়ি থেকে পালিয়ে গিয়েছিল সব আমি ছবিতে বলেছি। আমার দিদির চরিত্রে অভিনয় করেছে অর্পিতা, বাবার প্রেমিকার চরিত্রে রূপা।
পত্রিকা: বাবার সঙ্গে আপনার সম্পর্ক কি খারাপ ছিল?
অঞ্জন: হ্যাঁ, আই হেটেড মাই ফাদার। বাবার সঙ্গে আমার যোগাযোগ হয়েছিল শুধু তাঁর মৃত্যুর কিছু আগে। বাবার তখন সিরোসিস অব লিভার হয়েছে। উইথড্রল সিম্পটম চলছে। প্রথমে চা খেলে আমাদের চিনতেন, তার পর এল কফি, তার পর কোকাকোলা। শেষে কিছুতেই কাজ হচ্ছিল না। তখন হসপিটালে কি বাড়িতে লুকিয়ে আমি এক ছিপি করে রাম খাইয়ে দিতাম বাবাকে। সেটা খেলেই বাবা নরমাল হয়ে যেতেন। তখন আমার সঙ্গে বাবার কথা হত। সেই সময়ই বাবার সঙ্গে একটা সম্পর্ক গড়ে ওঠে আমার।
পত্রিকা: আপনাকে কেউ বলেনি আপনি নিজের পরিবারের গোপন সব ঘটনার মার্কেটিং করছেন?
অঞ্জন: আমি কি প্রথম নাকি? লেখক শংকর তো সারা জীবন তাই করে গেছেন। সব গল্পই কি ফিকশনাল হতে হবে নাকি? জীবন থেকেও তো গল্প হয়। হ্যাঁ, আমার স্ত্রী ছন্দা আমাকে বলেছিল শিল্পের খাতিরে আমার এটাকে এক্সপ্লয়েট করাটা ঠিক না। কিন্তু আমি পিছিয়ে আসতে চাইনি। খারাপ যে আমার লাগত না, তা নয়। খুব খারাপ লাগত আমার পরিবারের গোপন গল্পগুলো একদিন দীপঙ্কর দে, এক দিন সৃজিত, একদিন রীতা কয়রালের সামনে বলতে। এটুকু বলতেই পারি, এই প্রথম কোনও ছবিতে আমি আমার অনেকটা দিয়ে দিলাম। শ্যুটিং শেষ করেও হ্যাং ওভার রয়ে গিয়েছিল। পুরো ব্যাপারটা নিজের ভেতর থেকে বের করার জন্য ‘গ্যালিলিও’ নাটকটা করলাম। গ্যালিলিও ওয়াজ মাই ডিটক্স।
৫.
খালি বই আর সিনেমা? কিছু শুনছিও বটে। মোবাইলে ছোট্ট একটা ভিডিও ক্লিপ আছে। সেটি শুনি প্রায়ই। অগ্নিকন্যা লাকির শ্লোগান। অনেক গানের চেয়ে, অনেক কবিতার চেয়ে, অনেক বইয়ের চেয়ে, অনেকে সিনেমার চেয়েও যা ভাল। মন ভাল করে দেয়।

৬.
কবিতাই বা বাকি থাকবে কেন?
ভোলায়া ভালায়া আর কথা দিয়া কতোদিন ঠাগাইবেন মানুষ
ভাবছেন অহনো তাদের অয় নাই হুঁশ।
গোছায়া গাছায়া লন বেশি দিন পাইবেন না সময়
আলামত দেখতাছি মানুষের অইবোই জয়।
কলিমুদ্দিনের পোলা চিডি দিয়া জানাইছে,–’ভাই
আইতাছি টাউন দেখতে একসাথে আমরা সবাই,
নগরের ধাপ্পাবাজ মানুষেরে কইও রেডি অইতে
বেদম মাইরের মুখে কতোক্ষণ পারবো দাঁড়াইতে।’
টিকেট ঘরের ছাদে বিকালে দাঁড়ায়ে যখন যা খুশি যারা কন
কোনো দিন খোঁজ লইছেন গ্রামের লোকের সোজা মন
কী কী চায়, কতোখানি চায়
কয়দিন খায় আর কয়বেলা না খায়া কাটায়।
রাইত অইলে অমুক ভবনে বেশ আনাগোনা, খুব কানাকানি,
আমিও গ্রামের পোলা চুতমারানি গাইল দিতে জানি।
যার যেখানে জায়গা-হেলাল হাফিজ
কবিতাটা মনে হয় এখনো প্রাসঙ্গিক। বলা যায় না, কখন যে কাকে গালি দিয়ে বসি





দত্ত ভার্সেস দত্ত’ ভাল লাগেনি সামহাউ তবে সেদিন রিতুপরনের চিতরাংগদা দেখলাম পুরাই ফাউল লাগলো।
লাইফ অভ পাই আর সুনামি নিয়ে করা দ্যা ইমপসিবল ভাল লেগেছে
চিত্রাঙ্গদা দেখে আমিও হতাশ হয়েছি। দত্ত ভার্সেস দত্ত আমি দেখেছি একজনের আত্মজীবনী হিসাবে। আত্মজীবনী আমার অন্যকম প্রিয় বিষয়।
লাইফ অফ পাই থ্রিডিতে দেখার অপেক্ষায় আছি।
আপনি যদি বই কেনার সাধ্যের কথা বলেন তাহলে লজ্জায় আর কিছু বলান থাকে না । আল্লাহ ষন্তুষ্টি দিন ।
টয় হাউজ থেকে ১৯৭১: মৃত্যু ছায়াসঙ্গী পড়া শুরু করেও আগাতে পারছি না নানা ঝামেলা, অস্থিরতায় । বই নিয়ে আপনার আলোচনা বই পড়ায় আগ্রহ জাগায় । লিখুন এভাবে ।
মৃভি দেখি নাই একটাও । তবে দি ইমপসিবল, লাইফ অব পাই আমারো ভীষন ভালো লাগছে ।
ইমপসিবল দিলা না
ভাল লেগেছে লেখা।
অফিসের পর শাহবাগ বইমেলার সময়টা কেড়ে নিয়েছে।
ভাবলাম, এবার বইমেলাটা জমবে। কিন্তু দিল মোল্লারা বারোটা বাজাইয়া। ওরা সব ভাল বিরুদ্ধে
দত্ত ভারসেস দত্ত লিখতে চাইছিলাম কিন্তু শাহবাগ এসে মনোযোগ কেড়ে নিছে। আর পরে ভাবছি এইটা আপনার সাবজেক্ট আপনেই লিখবেন। পোস্ট অস্থির ভালো হইছে। সামনা সামনি হইলে মোবাইল ক্লিপ টা ব্লু টুথে পেতে চাই। টয় হাউজের বইটা কোন প্রকাশনী আর এ আর মল্লিকের বইটা কি বইমেলায় পাওয়া যাবে?
সিনেমা নিয়ে লেখো। পড়বো। বই নিয়েও লেখো, পড়বো।
অঞ্চলের টান নাই বইলা আমাদের কেউ একটা বই গিফট করলো না। আফসুস
আমারেও কিন্তু বই দেয় নাই। প্রতিশ্রুতি দিছে। কিন্তু বালিকাদের প্রতিশ্রুতির উপর ভরসা করে মাইনষে?
লেখাটা পড়া শেষ করে মনে পড়লো এবার বইমেলা যাওয়া হলো না।
বইমেলার চেয়েও এবার মন পড়ে আছে অন্য বাংলাদেশে। এই বাংলাদেশের অন্য রকম একটা ভবিষ্যত দেখার আশায় বসে আছি। প্রতিদিন বা প্রতি দুদিন একটা করে মুভি না হলে যে আমার চলতো না সে আমি গত দুই সপ্তাহ মুভির কাছ দিয়েও যাইনি। অবাক হয়ে গেছি নিজের এই পরিবর্তনে।
লেখার প্রতিটি পর্ব উপভোগ করেছি।
অনেকদিন পর নীড়দা। কেমন আছেন? সিনেমা দেখার সময় আরও সামনে পাবেন। কিন্তু এরকম বাংলাদেশ সহজে দেখা মেলে না।
টয় হাউজ থেকে ১৯৭১: মৃত্যু ছায়াসঙ্গী - পড়ার ইচ্ছে করতেছে!
সেদিন ভুল্লে গেলাম নইলে "সন্দীপনের ডাইরী" কেনার ইচ্ছে আছে লীনা'পুর লেখা পড়ার পর থেকেই।
থুক্কু দিয়া বললেন তাও ববিতা'র কথা কিছু দিবেন ভাবছিলাম!
পোষ্টটা পড়তে বেশ আরাম লাগছে! জানার মতোন কত্তো কিছুর সমাহার!
টয় হাউজ পড়ো, ভাল লাগবে।
ববিতা নিয়া বলার কি আর শেষ আছে? আহা ববিতা
দিনু বিল্লাহ র বইটা উপহার হিসেবে পেলে মন্দ হতো না মাসুম ভাই
লেখা অনেক ভাল লেগেছে
চোখ টিপিটা ভাল হইছে
মন খারাপ থাকলে আমি হিন্দি গানের চ্যানেল খুলে হাসাহাসি করতে থাকি
মন খারাপ থাকলে ববিতা দেখি
সেই ববিতা আর আছে ? ইশারায় আপনাকে যদি ডাকে এখন ? কি করবেন দেখতে মন্চায় ।
আপনার এ-ধরনের লেখাগুলো বেশ লাগে। কত বিষয়...মজা লাগে পড়তে।
একটুকরো মন্তব্য-
একজন ধনী লোক বললেন, বইকেনার তার সাধ্য নেই।
গল্পের উত্তরে ঠিক কী বলতে হয় সেইটা জানা নেই।
টয় হাউজ কিনেছি, পড়ার আগ্রহ অনেক।
ছাপোষা সাংবাদিকরে কও ধনী?

অস্কার লইয়া আপনার মতামত লইয়া একটা তুখার পোস্ট দেন জলদি জলদি!
লাইফ অফ পাই এ বছরের অস্কারের সেরা ছবি।
ইনফ্যাক্ট এটা কালজয়ী ছবি হবার সব রকমের বৈশিষ্ট্যই পূর্ণ করে। আরগো খুব ওভাররেইটেড, বাট ইটস নট আ ব্যাড ফিল্ম । আরো একটা কোয়েন্টিন ট্যারান্টিনো মাস্টারপিস হচ্ছে জ্যাঙ্গো আনচেইনড। জ্যাঙ্গো এবং লাইফ অফ পাইয়ের আরো অনেক বেশি অস্কার পাওয়া উচিত ছিলো।
বস, কেমন কেমন করে যেন লেখেন।
একটানে পড়ে যাই এবং পড়তে ভালো লাগে।
এখনও না দেখে থাকলে
জ্যাংগো আনচেইন্ড মুভিটা দেখে নিয়েন, আপনার ভাল লাগবেই।
গত কয়েক বছরের মধ্যে এরকম অসাধারন কিছু কমই দেখছি।
মন্তব্য করুন