নামতে নামতে নামতে থামবে কোথায়
১.
২০০৮ সালে সুইজারল্যান্ডের দাভোসে গিয়েছিলাম ওয়ার্ল্ড ইকনমিক ফোরামের (ডব্লিউইএফ) সম্মেলনে। তখন ফখরুদ্দীন আহমদ প্রধান উপদেষ্টা। সেখানে একটা সেশন ছিল চারজনকে নিয়ে। চারজন হলেন পাকিস্তানের পারভেজ মোশারফ, আফগানিস্তানের হামিদ কারজাই, বাংলাদেশের ড. ফখরুদ্দীন আহমেদ আর ইরাকের উপ প্রধানমন্ত্রী সালেহ। অধিবেশনে বক্তা বাছাইয়ের ক্ষেত্রে আয়োজকরা যে বিশেষ একটি বার্তা দিয়েছিলেন তা হয়তো অনেকেই বুঝতে পারছেন।
সেখানে স্বাভাবিকভাবেই মৌলবাদী জঙ্গীদের প্রসংগ উঠেছিল। পারভেজ মোশাররফ বেশ জোড়ালো গলায় বলেছিলেন, পাকিস্তানে ইসলামী জঙ্গীর বড় কারণ অশিক্ষা ও দারিদ্র। দরিদ্র মানুষদের সহজে এই পথে আনা যায়।
পারভেজ মোশারফের এই যুক্তি অনেকেই মানেন। বেশিরভাগ মানুষ মনে করেন, শিক্ষার বিস্তার হলে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি বাড়বে। তাতে জঙ্গীদের সংখ্যা কমবে।
এই তত্ত্ব সত্য বলে মানতে পারছি না। ব্লগার রাজিবকে যারা মেরেছে তাদের শিক্ষার সমস্যা নেই, অর্থেরও সংকট নেই। এই ছেলেগুলোর সঙ্গে কথা বলেছে আমাদের রিপোর্টাররা। তাদের মুখে যে বর্ণনা শুনলাম তাতে আমি আতঙ্কিত।
খুব স্বাভাবিক গলায় তারা খুনের বর্ণনা দিয়েছে। কেবল তাই নয়, খুন করেও তাদের কোনো অনুশোচনা নেই। বরং তারা মনে করে কাজটি ঠিকই করেছে। তারা বুঝেশুনেই কাজটি করেছে।
আমেরিকায় নাফিস ছেলেটাও জানতো সে কি করতে যাচ্ছে। এই ঢাকা শহরেই এ ধরনের অল্প বয়সী ছেলেদের সংখ্যা কম নয়। সবাই শিক্ষিত এবং স্বচ্ছল।
ভাবুন তো, এরকম যদি এক হাজার মানুষও থাকে, তারা দেশটি কোথায় নিয়ে যাবে?
২.
আজ বগুড়ায় যা হলো তা তো আরও ভয়াবহ। চাঁদে সাঈদীকে দেখা গেছে এই গুজব ছড়িয়ে, মাইকিং করে লোকজন জড়ো করা হয়েছে। তারপর শুরু হয় হামলা।
এমনকি অনেক শিক্ষিত মানুষজনও বিশ্বাস করছে এটি। কোথায় আছি আমরা?
৩.
সামগ্রিক অর্থে দেশের পরিস্থিতি ভয়াবহ। আইন সংশোধন করা হয়েছে। এর ফলে সাঈদীর রায় কার্যকর করতে তিন থেকে চার মাস লাগবে। সুতরাং বিএনপি-জামায়াত জানে কতদিনের সময় তারা পাচ্ছে। এর মধ্যে চেষ্টা চলবে সরকারকে নামানোর।
তাহলে সরকার কি করছে? পুলিশ প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছে। পুলিশ নরম থাকবে না কঠোর হবে তা ঠিক করে দেয় সরকারই। সুতরাং সরকারের অবস্থানটি পরিস্কার।
আমার কাছে কিন্তু পরিস্কার না। আমি চাই সরকারের প্রকাশ্য কিছু বক্তব্য। গত বৃহস্পতিবারের পর থেকে প্রতিদিন ঘটনা ঘটছে। কিন্তু সরকারের কারো কোনো বক্তব্য নেই। কোনো প্রেসনোট নেই। সাধারণ মানুষকে আস্থায় আনতে সরকারের পরিস্কার বক্তব্যের প্রয়োজন আছে।
৪.
আমি দেশ নিয়ে চিন্তিত। দেশের মানুষ নিয়ে আতঙ্কিত। আমি আমার চারপাশের মানুষ নিয়ে শঙ্কিত। পুলিশের সমালোচনা যতই করি তারাই এখন প্রথম টার্গেট। দ্বিতীয় টার্গেট এখন পর্যন্ত রাজনীতি করা কিছু মানুষ। তবে খবর সংগ্রহ করতে হচ্ছে সাংবাদিকদের। হাতের মুঠোয় প্রাণ নিয়ে তাদের কাজটি করতে হচ্ছে। আমরা যাদের খবর সংগ্রহ করতে পাঠিয়েছি তাদের নিয়ে ভাবনায় থাকি।
এখন একটু সিনিয়র হয়েছি। তাই খুব বেশি রাস্তা-ঘাটে যেতে হয় না। কিন্তু বাসায় ফিরি অনেক রাতে। অনেকে বলেন, জামায়াতের নেক্সট প্ল্যান হচ্ছে টার্গেটেড কিলিং।
সবাই সাবধানে থাকুন। কোথাও যেতে হলে সাবধানে যান। কোথাও কিছু লিখলে সাবধানে লিখুন। কোথাও কিছু বলতে হলে সাবধানে বলুন। আমি আপনাকে নিয়েও চিন্তিত।
এরকম দু-একদিন চলবে, তারপর ঠিক হবে বলে যারা ভাবেন আমি তাদের দলে নই। গত শুক্রবার জুমার নামাজের পর কেউ নামেনি বলে ভাববেন না যে, আগামি শুক্রবারও নামবে না। না নামানোর চেষ্টা চলছে। শেষ পর্যন্ত কি হয় জানিনা।
জামায়াত ভাল করেই জানে তাদের নেতাদের বাঁচাতে হলে সরকার পতনের বিকল্প নেই। আর এই সুযোগটা নিয়েছেন বিএনপি ও খালেদা জিয়া। আগুনে ঘি ঢেলেছেন তিনি। সুতরাং শঙ্কার অনেক কারণ আছে।
৫.
বাসা থেকে বের হওয়ার সময় বউ এখন হাত ধরে দোয়া-দরুদ পড়ে ফু দিয়ে দেয়। আমিও চুপচাপ থেকে তাকে সেই সময়টা দেই।
আমিও ভাবি বাসায় ফিরবো তো?
চোখে ভাসে আমার ছেলে-মেয়ে, আমার মা, আমার সংসার, আমার বউ।
আজকাল আমাকে কেউ কেউ সতর্ক করে দেয় আমার জামাত-শিবির প্রতিষ্ঠান সংক্রান্ত পোস্টের জন্য। ফেসবুকে অজানা মানুষদের মেইল আসে। আপাতত চুপ থাকতে বলে কেউ কেউ। সময়টা আসলেই খারাপ। খুব খারাপ। খুবই খারাপ।
৬.
তুমি জানতে জানতে জানতে - জানতে বোধহয়
আর মায়াহীন পশ্চিম, আসন্ন অন্তিম -
শিথিল হচ্ছে স্নায়ু
তার আঁধারের সঞ্চয়, অনিবার্য যত ক্ষয়
সূর্য তোমার কমছে আয়ু।
তুমি নামতে নামতে নামতে থামবে কোথায়
এক যে ছিল শুরু তার এক যে থাকবে শেষ
অসাধারণ সুন্দর এই গানটা পাবেন এখানে





খুবি অনিশ্চয়তায় পরছি... লোক জন ফোন করে ফেসবুকিং কমাইতে বলতেছে। বন্ধুবান্ধবরাও একি কথা বলে। দেশের অবস্থা নিয়েও দুশ্চিন্তা... আবার পরিবার পরিজনকে নিয়েও। নিজের কথা আর নাইবা ভাবলাম
সাবধানে থাকবেন ভাই।
সাবধানে থাকাই ভাল। ফ্যানাটিকের অভাব নাই মডারেট মুসলিম বাংলাদেশেও
কি যে হবে মাসুম ভাই।
আর ভালো লাগছে না।
লেখাটা পড়ে মনটা ভীষণ খারাপ হয়ে গেল।
আপনার এফবি অ্যাকাউন্টে কি হইছে?
১. কি ভয়াবহ তাই না? কিভাবে পারে এমন? ভাবতেই তো গা শিউরে উঠে। এ কোথায় বাস করছি আমরা!! শিক্ষা আর সুশিক্ষার মধ্যে যে কত ফারাক!
২. চাঁদ দেখার বিষয়টা ফান থেকে এখন বিরক্তিকর হয়ে গেছে। রোজ কত যে মানুষ মরছে! টিভি স্ক্রল ঘুরে আসতে আসতে দেখি মৃতের সংখ্যা বাড়ছে। অথচ ফেসবুকে কিছু পেজ আছে যেগুলো গুরুত্বপূর্ণ নিউজ দিতে পারে, যেখান থেকে করণীয় সম্পর্কে জানা যেতে পারে। অথচ তারা চন্দ্রাভিযানের ফানি ছবি, নিউজ পাবলিশ করতেছে। খুবই হতাশ
দেশের পরিস্থিতি যেমন সবাই আতংকিত। বাইরে বের হলেই মনে হয় এই বুঝি একটা বোম ফুটবে। আর বুঝি কখনও বাসায় ফিরব না। সবার জন্য চিন্তা হয়। বুকের ভেতর কঁাপে। কেন সরকারের পক্ষ থেকে আমাদের নিশ্চিন্ত হওয়ার মত কিছু বলছে না! পুলিশরা দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে মারা যাচ্ছে। এত কষ্ট লাগছে বুঝানোর মত না। এখনই তো সময় দেশের মানুষ এক কাতারে দাঁড়াবে, প্রতিহত করতে ঐক্যবদ্ধ হবে, অথচ রাজনৈতিক কারণে এখনও পাল্টা কর্মসূচী দেওয়া হচ্ছে, আবার তারাই নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। কি হাস্যকর না!
আমাদের জন্য কেউ নেই। আমাদের জন্য শুধু আমরাই। তাই সবাই সাবধানে থাকেন। সাবধানে লিখেন। সৃষ্টিকর্তা হেফাজত করুন সবাইকে।
আর কত নীচে নামবে কেউ কি জানে!
পরিস্থিতি খারাপ। এখন বসে আসছি। নানা দিক থেকে নানা খবর আসছে। আগুন, মারামারি, ককটেল। এর মধ্যেই বাসায় ফিরতে হবে।
সবসময় বলি, ভালো থাকেন, সাবধানে থাকেন, নিরাপদে থাকেন।
সবাই সাবধানে থাকুক, নিরাপদে থাকুক
সবাই ভাল থাকুক
একদল ধুরন্ধর দেশদ্রোহী চক্র একটি ফ্যানাটিক দল তৈরি করে ছুরি-চাপাতি হাতে রাস্তায় ছেড়ে দিয়েছে।
প্রকাশ্য এবং চোরাগুপ্তা হামলা দুটোতেই এরা সিদ্ধহস্ত।ভয় পাওয়ারই কথা।
আমরা যারা ওদের বিরোধিতা করছি, আমাদের নিজেদের ঘরেও নিরাপদ নই।
সবাই সাবধানে থেকো।নিরাপদে থেকো।
কেমন আছেন আপা?
গত কয়েকদিনের ঘটনাবলী ভাবিয়ে তুলেছে খুব। দেশটা কোনদিকে যাচ্ছে! অকারণে কত মানুষ প্রান হারাচ্ছে, কিন্তু কেন? কার স্বার্থে? কবে মানুষের হুস ফিরবে? ঘুমন্ত মানুষকে জাগাবে কে?
সবাই বলছে ফেস বুকে কম যেতে, ব্লগে কিছু না লিখতে। কথা হচ্ছে সবাই যদি একই কথা ভেবে চুপ থাকে তাহলে কাজটা করবে কে?
আজকে গ্রাম থেকে একজন ফোনে জিজ্ঞেস করলো চাঁদে সাইদীর ছবি দেখা গেছে, তোমরা দেখেছ? কি বলব ভেবে পেলাম না, এরা কিন্তু অশিক্ষিতও না! কিছুক্ষণ চুপ থেকে বললাম- হ্যা, কয়েকদিন পর তোমার ছবিও দেখা যাবে!
আমি এক মহাকাপুরূষ। প্রথম দুদিন ব্লগারদের সাথে থাকলাম। তারপর ক্যামেরায় যাতে মুখ দেখা না যায়, সাবধানে সমকালের দেওয়া খাবার দুবেলা বিলি করি। কেন?..একদিন সব বলব। তবে গৃহ যুদ্ধ শুরু হলে কারও কথা শুনব না।
আমরা করবো জয় একদিন
সময়টা আসলেই খুব খারাপ। সাবধানে থাইকেন, মাসুম ভাই।
গানটা আসলেই খুব সুন্দর,
আগেও শুনেছিলাম কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে আরও ভাল লাগতেছে।
গানটা দারুন লাগে
আমাদের দেশে একেকটা মানুষের উপরে একেকটা পরিবার টিকে থাকে, তাই আগে নিজের নিরাপত্তার জন্য যাবতীয় সাবধানতা অবলম্বন করুন। দরকার লাগলে অন্তর্জালে ছদ্মনাম ব্যবহার করুন। ভাল থাকুন সবাই, সাবধানে থাকুন, পরিবারসহ সুস্থ থাকুন। সামনে আরো অনেক খারাপ সময়...
~
সামনে ভাল দিন আসুক
মন খারাপের পোস্ট। ব্রেইনওয়াশ হয়ে গেলো অন্যকে খুন জখমও হয়ে যায় মামুলী জিনিস
গানটা ভালো
সবার দোয়াতেই আশা করি ভালো থাকবেন। শুভকামনা!
সরকারের শক্তি এই আতংকিত বিপুল জনগন। এদের নিরাপত্তা হান্ড্রেড পার্সেন্ট না হলেও এইটি পারসেন্ট দিক এরাই সরকারের সাথে থাকবে!
নিরাপত্তার বোধটা খুব জরুরী
দেশটা কোনদিকে যাচ্ছে?
--------সবাই সাবধানে থাকুন ....
দেশকে সঠিক পথে রাখাটাই তো কাজ
পুলিশ কোনো মানুষ নাকি! শিক্ষিত লোকেরাই বলে পুলিশ মানুষ না, তারা পুলিশ। তারা ঘৃণিত, এই ঘৃণার বিষবাষ্প তো শিক্ষিতরাও কম ছড়ায়নি।
দিনু বিল্লার বইটায় আছে পুলিশের নানা বীরত্ব কাহিনী। মুক্তিযুদ্ধের সময় পুলিশই ছিল পাক সেনাদের টার্গেট। এবারেও দেখা গেল তাই। আশা করছি এবারের ঘটনার পর পুলিশের প্রতি মানুষের দৃষ্টিভঙ্গী পালটাবে
আমরা যখন চাঁদে সাঈদীকে দেখছি, পৃথিবী তখন সর্বপ্রথমএইডসের নিরাময় আবিষ্কার করছে। জাতি হিসেবে আমরা এখন ঠিক এই জায়গাতে আছি।
মানুষ এগিয়ে যাচ্ছে দেখে ভাল লাগে। কিন্তু বিশেষ বিশেষ ঘটনার সময় দেখি আসলে যতটা ভাবি তত আগাইনি মানুষ
সবাই অনিশ্চয়তার মধ্যে...
দেশ যে কোথায় যাচ্ছে!!!...
লেখাটা পড়ে মনটা ভীষণ খারাপ হয়ে গেল।
নিশ্চই সব ঠিক হবে
মাসুম ভাই, আমার ভাবতে খুবই কষ্ট হয় এই কারণে যে,স্বাধীনতার পর থেকে প্রায় প্রতি দশকে রাজনীতির অনাচার থেকে দেশকে উদ্ধার করার জন্য তারুণ্য ব্যপক রক্ত দিয়েছে । কিন্তু কাংখিত মুক্তি কখনো আসেনি । এবারের প্রেক্ষিত কিছুটা ভিন্ন । মানুষ কি আশা করতে পারে, এ লড়াই হবে শেষ লড়াই ? শংকাতো কাটেনা । মনে হচ্ছে শাহাবাগ ক্রমে তার মূল লক্ষ্য থেকে সরে যাচ্ছে, আচরণ বদলাচ্ছে ।
লাকী আক্তার কি আন্দোলন থেকে বিযুক্ত হয়েছেন ? তাকে আর দেখা যাচ্ছেনা যে !
শাহবাগ ঠিক পথেই আছে
এরা এখনো রাস্তায় নামার সাহস পায় কেন বুঝি না
টিয়ারশেল, রাবার বুলেট দিয়ে গুরুতর আহত করে সব গুলাকে এরেস্ট করা যায় না!!
লজ্জা লাগে, ভীষণ লজ্জা লাগে বাড়ি-ঘর পুড়ানোর খবর গুলো দেখলে।
মদদ দেওয়ার মানুষের তো অভাব নাই
অসম্ভব ডিপ্রেসড লাগে দেশের এই অবস্থা দেখে। আমি সরকারের এই নিস্পৃহ ভাবটা কিছুতেই মেনে নিতে পারতেছি না।
আমিও। তবে অবশেষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিবৃতি দিল। যদিও এই মন্ত্রীর উপর আমার ভরসা কম
লেখাটা অনেক দুঃখ জাগানিয়া, মনটা ভীষণ খারাপ হয়ে গেল-কিন্তু সব ঠিক হয়ে যাবে, এবার আসবে মুক্তি এই ভরসা/আশা করতে খুব ইচ্ছে করে।
ভয়াবহ এক দুঃসময় পার করছি আমরা। প্রতিদিনই কোনো না কোনো মৃত্যুর খবর, হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের ওপর হামলার খবর, পুলিশ ও সরকারি কর্মকর্তাদের ওপর হামলার খবর - কতো আর নেয়া যায়? বড়ো শংকা হয়। আরো কত মৃত্যু যে অপেক্ষা করছে! আরো কত রক্তের বিনিময়ে যে এই দেশ শুদ্ধ হবে! কে জানে, মৃতের তালিকায় আমার নামটিও উঠে যাবে কী না কখনো!
নিশ্চই সব ঠিক হবে একদিন
মন্তব্য করুন