ভ্রান্ত সময়ের প্যাঁচা ও প্রজাপতি
নিষিদ্ধ পুরীতে ঢুকে গেছি আমি
নিষেধের মাথা খেয়ে
তারপর নিষেধ এসে বারণ করেছে আমার ভ্রান্ত-মাত্রাতিক্রমে
আমি চাদর গলিয়ে দিয়েছি ঘাড়ে
উত্ত্যক্ত শীতের প্রহেলিকা ঘিরে
এখনো সমুদ্র কুয়াশায় মেলে ঠোঁট
নাক ডুবে নিয়েছি শ্বাস
আহ্ তার চিৎ হয়ে থাকা উলঙ্গ শবের জীবন্ত সংস্পর্শ
আমাকে করেছে পাথর
আকাশের তারার সাথে শত শত বিভোর চুমু
মেখেছি অংকশায়িনীর সুডৌল সরোবরে
পালিয়ে বেড়িয়েছি অতঃপর
বৈশ্বিক শহর ও শহরতলীর আনাচ-কানাচ গলি-ঘুপছি
শপথ করেছি
যাবে না থেমে কখনো কোন
পাখির সরব কেচ্ছা গান
ভ্রান্ত সময়ের যাদুঘর জুড়ে
ছুটোছুটি ওতপ্রোত প্যাঁচা ও প্রজাপতি।





কী করি বলুন তো?
আপনার টিপসই ভালই লাগছে।
ঘুপচি হবে কথাটা
ঠিক করে নিলাম।
কবিতা লিখতে এসব শব্দ কই যে খুঁজে পায় কবিরা! ভালো লাগলো পড়তে
আপনার ভাল লেগেছে জেনে ভাল লাগলো।
ভাল লাগলো।
কিছু টাইপো আছে, ঠিক করে দিয়েন।
একটা টাইপো ছিল জানি, এর বেশি থাকলে জানাবেন প্লিজ।
মন্তব্য করুন