আরশোলা জন্ম
অবিন্যস্ত শরীর খুঁজে নেয় কবর অন্ধকারে ঠাঁই
নড়ে চড়ে কেঁপে উঠে
তৃষ্ণায় দগ্ধিত দেহ প্রাণ
মৃত আত্মার গোঙানী ধীরলয়ে মায়।
ওখানে প্রাণের স্পন্দন কি ছিল কখনো?
চোখে পড়ার মত কি কিঞ্চিত লাবণ্য?
ওখানে জন্মেছিল ক্ষুৎ-কর্মী বিদঘুটে বড় বিপন্ন আরশোলা কতক
কাছে এলেই মৃত্যু উড়ে আসে তারা - বিরতীহীন কর্ম-বিভা
অন্ধ অবচেতনে খায় খাবার ক্ষুদে ক্ষুদে খুটে খুটে নীরব
বড় বিচ্ছিরি তাদের দেখাতো বিচ্ছিরি তাদের ভাষ্য ও ব্যাকরণ
তারা না মেরে মরে -
আগুণ লেলিহানে
প্রকান্ড প্রস্তর খন্ডে।।
শাহীনা
মরণ শব্দটা জীবনের সাথে জুড়ে দিলো কে
শাহীনা তুমি যে নও
এ সত্য উচ্চারণে দ্বিধাগ্রস্থ কি
কান্না যদি জীবনের সুর তুলে
তবে মৃত্যুতে ব্যথিত কেন বলো
নিদারুণ সব কান্নাকে স্পর্শ করেছো শাহীনা
তুমি জেগে গেছো জেগে গেছো জেগে গেছো।।





অনেক দিন পর এলেন,
দেখে ভালো লাগলো।
হুম, খুব বেশিদিন দেরিতে নয়। হয়তো চোখে পড়েনি আগের পোস্টগুলো।
অসাধারন।
ধন্যবাদ অমিত চৌধুরী।
অনিয়মিত কেন? কবিতা ভাল হয়েছে।
এত অনিয়মিত নই। তবে সাইবার যুদ্ধে ছিলাম। সেটা আসতে একটু দেরি করিয়েছে।
ভাল লাগা জেনে ভাল লাগলো।
নিদারুণ সব কান্নাকে স্পর্শ করেছো শাহীনা
তুমি জেগে গেছো জেগে গেছো জেগে গেছো।
@ তুমি আবার কাঁদালে ভাইয়া।
হায়, হায়!
আহা!
মন্তব্য করুন