আষাঢ়ে স্বপ্ন!
তুমি আষাঢ়ে। আমি শ্রাবনে। দুজনে মিলে আমাদের নাম হয়েছিল বরষা। তোমার অনেক দিন দেখা নাই, ক্যাম্পাস সরব হতো বরষা কই? আমি লাপাত্তা দীর্ঘ দিন। ক্যাম্পাস উদ্বিগ্ন কই বরষা? আর আমরা নিজেদের নাম ভাগ করে নিয়েছিলাম- তোমাকে ডাকতাম কচুরী ফুল। আর তুমি ডাকতে আমাকে হিজল।ঈষান কোনে মেঘ জমলে যতো দূরেই থাকিনো কেনো, আমরা এক হয়ে ঝরোবোই। প্রখর রোদ। তাপদহে প্রান যায়। ডাক পড়ে আমাদের। কোথায় বরষা? যেনো আমাদের দেখলেই তৃষ্ণা মিটবে। বইবে জলধারা। কিন্তু আমরা দু্জনে কি তুলতে পেরেছিলাম কোন মেঘ-মল্লারের সুর? তুমি আষাঢ়ে বলেই কি, আমাকে নিয়ে তোমার সব স্বপ্নই আষাঢ়ে ছিল !যখন স্বপ্ন বলে যেতে তুমি তখন সেই স্বপ্নের জলধারায় ভিজেছি আমি। ভেসে গেছি কচুরীর মতোই। পুকুর- ডোবা-দিঘী হয়ে সমুদ্রে। গাঙচিলের কাছে ঋনী হয়ে রইলাম। ওর কাছ থেকেই জানা আষাঢ়ের স্বপ্ন বৃষ্টিসূতো দিয়ে বোনা। সমুদ্রের উত্তাপে সেই বুনন ক্ষয়ে যায়। যেমনটি ক্ষয়ে গেছে আমাদের বুনট।





দুজনের নাম মিলে হলো বরষা! দারুণ মেলবন্ধন!!
কেন?
হবে হয়ত, কে জানে !
সুইট
মন্তব্য করুন