‘টক’ টকশো
গেলো সপ্তাহ কাটলো চট্টগ্রাম সফরে।উদ্দেশ্য ছিল বিজ্ঞাপণদাতা এবং ক্যাবল অপারেটরদের সংগে মতবিনিময়। টেলিভিশনের ভাল-মন্দ এদের দুই পক্ষের উপর অনেকটাই নির্ভর করে। বিজ্ঞাপনের প্রবাহ কম থাকলে, লোকসান গুনতে হবে। চলে যেতে হবে রুগ্নদের তালিকায়। আর ক্যাবল অপারেটর যদি টেলিভিশনকে দর্শক প্রান্তে না নিয়ে যান, তাহলে সবই পন্ডশ্রম।ভাল কিছু করার চেষ্টাটা দর্শকের নজরে আনার সুযোগই মেলেনা। তাই ক্যাবল অপারেটরদের তোয়াজ করেই চলতে হয়। তারা মনক্ষুন্ন হলেই চ্যানেলটি চলে যেতে পারে পেছন থেকে সবার প্রথম। অথবা পর্দায় ঝির ঝির।এই বিবেচনায় উভয় পক্ষের সংগে আলোচনাটা ব্যক্তিগত ভাবে আমার কাছে বেশ গুরুত্বপূর্ণ ছিল। বিশেষ করে যারা বিজ্ঞাপন দিচ্ছেন তাদের রুচিটা সরাসরি জানতে পারা। কোন ধরনের অনুষ্ঠান বা সংবাদকে তারা বিজ্ঞাপনের জন্য বেছে নেন। এটা জানাটা জরুরী এই জন্য যে, চ্যানেল পরিকল্পনায় বিজ্ঞাপনদাতাদের রুচিটাও ভাবনায় রাখা। একই ভাবে দর্শকরা কোন ধরনের চ্যানেল বেশি দেখেন,কোন প্রকারের অনুষ্ঠানের প্রতি তাদের আগ্রহ বা চাহিদা,সেটা ক্যাবল অপারেটররা জানেন।তাই তাদের কাছ থেকে দর্শক রুচিরও আচ পাওয়া যায়।
বৃহত্তর চট্টগ্রামে একাধিক ক্যাবল অপরেটর কোম্পানি রয়েছে, যারা চট্টগ্রাম মহানগরী থেকে শুরু করে ইউনিয়ন পর্যায়ে ক্যাবল সংযোগ দিচ্ছে।কারো নেটওয়ার্ক ছোট, কারো নেটওয়ার্ক বড়।কিন্তু আমার উভয়কেই সমান চোখে দেখতে হয়েছে।তাদের সংগে আতিথিয়তা এবং আলাপনের সময়টাও বরাদ্দ রাখতে হয়েছে প্রায় সমান। আর মনোযোগ দিয়ে শুনতে হয়েছে তাদের পরামর্শ। একটি বিষয় আমাকে অবাক করেছে, সেটা হলো- বিজ্ঞাপনদাতা এবং ক্যাবল অপারেটর উভয় দিক থেকে অনুরোধ এসেছে যেনো আমাদের চ্যানেলটিতে টকশো না দেখানো হয়।তাদের মতে টকশো’র প্রতি সাধারন দর্শকদের বিতৃষ্ঞা এসে গেছে। কারন কিছু পরিচিত মুখই ঘুরে ফিরে বিভিন্ন চ্যানেলে যেয়ে অংশ নিচ্ছে টকশোতে। দেখা যায় একই সংগে তিন চ্যানেলে তারা টকশোতে বকে যাচ্ছেন। দুটি ধারন করা আর একটি হয়তো সরাসরি অনুষ্ঠান। কখার বিষয়ে কখনো ভিন্নতা থাকে। আবার কখনো একই বিষয় নিয়ে তিন চ্যানেলে একই কথা বলে যান তারা। ক্যাবল ব্যবসায়ীরা জানালেন- একটা সময় ছিল মধ্যরাত বা রাতের কোন এক সময়ে টকশো হলেই দর্শকরা সেদিকে হামলে পড়তেন। গোগ্রাসে কথা গিলতেন।এখন আর সেটি হচ্ছেনা। কারন দর্শকরা গত কয়েক বছরে দেখে ফেলেছেন রাজনৈতিক নেতাদের মতো টকশোতে যারা অতিথি হয়ে আসেন, তারাও সময়ের সংগে সংগে কিভাবে পাল্টে যান। এক বছর আগেও যাকে তুলোধুনো করেছেন,যেই ইস্যুর বিপক্ষে কথা বলেছেন, বছর না ঘুরতেই ঐ ব্যক্তির প্রশংসায় পঞ্চমুখ। এবং ইস্যুটির স্বপক্ষেও জোর চাপাবাজি করে যাচ্ছেন। তাদের মতে, টকশোবীদরা নিজস্ব মতবাদ বা এজেন্ডা প্রচার আবার কেউ কেউ এটাকে পার্টটাইম পেশা হিসেবে নিয়ে নিয়েছেন।এই পর্যবেক্ষণ গুলো সাধারন দর্শকের নজর এড়ায়নি।তাই তাদের বেশির ভাগেরই টকশোর নেশা কেটে গেছে। এখন টকশো শুরু হওয়া মাত্র চ্যানেল বদলে ফেলেন।
পত্রিকা এবং টেলিভিশনে বহুল প্রচারিত একটি পণ্যের বিজ্ঞাপনদাতা’র সংগে বৈঠক হলো।তিনি প্রথমেই বলে বসলেন, ভাই টকেশোর সংগে নাই আমরা।যারা চ্যানেলে চ্যানেলে গিয়ে ডাইনোসার মারে তাদের দেখতে আর ভাল লাগেনা। অরুচি ধরে গেছে।আপনারা নতুন কিছু করেন। জানালাম, আমাদের চ্যানেলে টকশো নেই।শুনে উনি যেনো অনেকটা স্বস্তিবোধ করলেন।কিন্তু আমি আলোচনাটা শেষ করে দিলাম না।জানতে চাইলাম কেনো টকশো’তে তার অরুচি? তার অভিমতটা এরকম- যারা টকশো গুলোতে আসেন, কথা বলেন, তাদের জাতির কাছে কোন দায়বদ্ধতা নেই। আসেন কেবল নিজেদের প্রচারনার জন্য। একটু ক্ষোভ প্রকাশ করেই বললেন- আপনারাও লোক খুজে না পেয়ে ৩য়- চতুর্থ শ্রেনীর বুদ্ধিজীবি আর রাজনীতিবীদদের ধরে নিয়ে এসে বসিয়ে দেন।এক বসাতে ঘণ্টা- আধ ঘণ্টা পার।পাবলিকের এতো সময় নাই ভাই।
চট্টগ্রাম-রাঙামাটি সফরকালে সহকর্মী সাংবাদিক এবং সাধারন দর্শকদের সংগেও কথা হয়েছে। তাদেরও একই কথা টকশোর কথা এখন ‘টক’ হয়ে গেছে। আর কানে স্বাদু লাগেনা। বরং কম কথা, গঠনমূলক কথা, এবং জাতির প্রতি দায়বদ্ধতা থাকবে এমন বক্তব্য নিয়ে কোন অনুষ্ঠান করলে করে দেখতে পারেন। আমার এই সফর থেকে অর্জিত পরামর্শনামা আশা করি টেলিভিশন পরিকল্পকদের ভাবনায় জায়গা পাবে।





আমার এমনিতেই বেশি কথা শুনলে মাথা ধরে।
দরশক হিসেবে আমার ভিউ দিতে চাই:
১। আগেরদিনের শাবানা-ববিতা-কবরি মারকা দিনের ছায়াছনদ চাই
২। তিশার একি ভংগি খুবই বিরকতিকর, এর থেকে রেহাই চাই
আমার মনে হয় টক শো বাদ না দিয়া কিভাবে ভিন্ন ধর্মী উপস্থাপণ সম্ভব সেইটা নিয়া ভাবতে পারলে ভালো। কিছু আলোচকের দ্বিচারণ হয়তো আস্থা নষ্ট করছে কিন্তু রাজনৈতিক টেনশনের সময় টক শো'র গ্রহণযোগ্যতা আপসেরাপ তৈরী হয়। আর এই দেশের রাজনীতিতে সবসময়েই কোনো না কোনো টেনশন চলতে থাকে, যেই টেনশনটারে প্রপারলি পড়তে পারলে দর্শক অবশ্যই গুরুত্ব দিয়া দেখবো...
গত ৬ মাসে বা এর আগে কোন টক শো দেখেছি বলে মনে করতে পারি না।কই আমি তো বেঁচেই আছি।মানুষে মানুষে গঠন যেমন ভিন্ন, ভাবনাও ভিন্ন, বিবেচনাবোধও ভিন্ন।এটাই সৃষ্টির বৈচিত্র। নিজের বিবেচনাবোধে আস্থা থাকা জরুরী সেটা ভাল বা মন্দ হোক।
সম্ভবতঃ সব মানুষ আপনার মতো সবকিছু ওয়াকিবহাল থাকে না। যারা পেশাগত কিম্বা একাডেমিক দায়িত্ব পালনের কারনে বিশেষ পরিস্থিতি সম্পর্কে ভালো ধারণা রাখেন তাগো বক্তব্য সেইসব ক্ষেত্রে সহযোগিতা করতে পারে। এর বাইরে টক শো অনেক সময় পলিসিকেন্দ্রীক হইতে পারে...সংশ্লিষ্ট আলোচকদের সুনির্দিষ্ট বক্তব্য সেই সময়ে খোলাশা করতে পারে। ধরেন তেল-গ্যাস-জাতীয় সম্পদ রক্ষা কমিটির বক্তব্য আমি জানি, আমার বিবেচনাবোধ দিয়া তাদের সম্পর্কে একটা মতামত তৈরী করলাম, এখন জ্বালানি উপদেষ্টা তামিম সাহেব ২০০৮-এর পিএসসি বুঝাইয়া আমারে কনভিন্স কইরা ফেললেন...কিন্তু একটা চুক্তিতে যে পিএসসি'র বাইরেও অনেক কিছু সংযোজন-বিয়োজন কইরা হইতে পারে এই তথ্য আমি কোত্থেইকা পাইতে পারি? আমার বিবেচনাবোধ দিয়া এই যুক্তি আমি কেমনে করি? পিএসসি যে কী জিনিস সেইটাইতো আমি ঠিকমতোন জানি না। টক শো যদি সঠিক দায়িত্ববোধ নিয়া ধারণ করা হয়, সেই শো'য়ের সঞ্চালক যদি একজন ঝানু উপস্থাপক হয়, সেই শো'য়ের পরিচালকের যদি আন্তর্জাতিক বানিজ্য-সম্পর্ক নিয়া ভালো ধারণা থাকে সর্বোপরি পরিচালক যদি এনার্জি সেক্টরের পলিসি আর ঐতিহাসিক কন্সপিরেসী সম্পর্কে ভালো জানেন, তাইলে আমার তো লাভ হইবো। বিবেচনাবোধ দিয়া তো আর আমি তথ্য জানতে পারুম না। সবাইতো আর কল্লোল মোস্তফার ফেইসবুক ফ্রেন্ড না!
আর আমি নিজে বিশ্বাস করি নীতি নির্ধারণী বিষয়ে আমার চাইতে একজন অর্থনীতিবিদ কিম্বা সমাজবিজ্ঞানি অথবা আন্তর্জাতিক সম্পর্কের একাডেমিশিয়ান ভালো জানেন। যেকোনো ধরনের রাষ্ট্রীয় আইনকানুনের ক্ষেত্রে ভাষা আর শব্দও অনেক জরুরী বিষয়। সংবিধান যেই কারনে আমার চাইতে ডঃ কামাল হোসেন ভালো বুঝবেন। তিনি এই বিষয়ক হাজারটা চুক্তি দেখছেন, সেই বিষয়ে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রী নিছেন। আবার এই বিষয়ে ঢা.বি.য়ের সাবেক ভিসি এমাজউদ্দিনও ভালো জানবেন...তিনি এই বিষয়ে পাঠ্যবই রচনা করছেন। আবার এই দুইজন যদি এক জায়গায় বইসা আলোচনা করেন তখন আমরা দুইটা ভিন্ন দৃষ্টিকোন থেইকা আলোকপাত দেখবো রাজনৈতিক ভিন্নতার জন্য। দুইটা ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গী আমার নিজের বিবেচনা তৈরীতে সহযোগিতা করবো বইলাই মনে করি। এই খানে আমার বোধ দিয়াও এই দুই প্রাজ্ঞব্যক্তির চাইতে আমার মতোন নাদান ব্যক্তির যথাযথ বক্তব্য ধারণ করা সম্ভব না। বিবেচনাবোধ দিয়া আমি খালি একটা সিদ্ধান্তই নিতে পারি, আমি তাদের বিতর্ক দেখতে আগ্রহী কি আগ্রহী না। যদি এমন হয় যে এই জানা না জানায় আমার কিছু যায় আসে না তাইলে আমি ঐটারে বর্জন করুম। আবার দেশে সরকারী দল সংবিধান সংশোধন করতেছে নিজেদের বুঝ মতো বিরোধী দল তাদের এই সংশোধনরে অনৈতিক বা সুবিধাবাদি বইলা দাবী কইরা হরতাল দিতাছে। এমন সময়ে এই হরতালরে আমি সমর্থন দিবো কি দিবো না সেইটা বুঝতে এইরম একটা টকশো দেখতে আমি আগ্রহী হইতেই পারি। যেই কারনে ১/১১'এর পরে ২০০৮'এর নির্বাচনের আগের ছয় মাসে এক পরিচালক তিনটা টিভি চ্যানেলে টক শো বানাইছে কেবল। আর সেই অনুষ্ঠানগুলি বেশ জনপ্রিয় হইয়াও উঠছিলো। তারপর নির্বাচন পরবর্তী কালে আওয়ামিরা নিরংকুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাইলে আর বিএনপি'র সাংগঠনিক ভিত্তি বিপর্যস্ত হইলে রাজনৈতিক ইস্যুগুলি তেমন বেইল পাইতেছিলো না। রাজনীতির ক্ষেত্রটা কেমন জানি নিরামিষ টাইপের স্টেবিলিটি ধারণ করতেছিলো। তেমন একটা বন্ধ্যা সময়ে মানুষ টক শো নিয়া অনাগ্রহী হইতে শুরু করছে। কিন্তু আবার রাজনীতির মাঠ গরম হইছে সরকারের বেশ কিছু পদক্ষেপের কারনে। এই সময়ে কিন্তু তামিম সাহেব আর আনু মুহাম্মদ একজায়গায় আলোচনা করলে সেই ঠোকাঠুকির টক শো আমি আগ্রহ নিয়াই দেখুম...
অফটপিক: আপনি ৬ মাসে বা তার আগে কোনো টক শো দেখেন নাই টিভিতে সেইটা জানলাম। আমার জানতে শখ হইলো আপনি কি ধরনের শো দেখে থাকেন আর কোন বিবেচনাবোধে?
ভাস্কর, আমি ক্ষুদ্র মানুষ।বেশী জানার কিছু বিপদ আছে। আমি সেই থেকে একটু দুরেই থাকতে চাই। আর সবাইকে সবকিছু জানতে হবে, তা কেন।বিশ্বাস করুন আপনি এত যে কিছু লিখলেন তার প্রায় সবই আমার রাডারে ধরা পরেনি।আমার সৌভাগ্য যে পেশাগত ও একাডেমিক বিষয়ে এমন কিছু লোকের সাহচর্য পেয়েছি যে গভীর রাত জেগে টক শো দেখার তেমন কখনো প্রয়োজন হয়নি।
যদি টক শোতে আপনি আমন্ত্রিত হন, আমি টিভির সামনে বসে থাকবো। বসে বসে ঘুমাবো কিনা নিশ্চিত করতে পারছি না।
তবে ঐ সময় হাতে যদি সত্যেন সেন থাকে, আমি আপনি বা কোন মহা জ্ঞ্যানী বা ঘুম কাউকেই তোয়াক্কা করবো না রাত যতই গভীর হোক না কেন বা হোক ভোর।
আপনার টক শো দেখা স্বার্থক হোক।
আরেকটা কথা, চ্যানেলগুলো আপনাকে (ভাস্কর) কেন খুঁজে পাচ্ছে না, বুঝছি না।নাকি পেয়েছে, আমি জানি না। ভাগ্যিস জানি না।:-P
টকশো গুলি তো জ্ঞানী বিবেচনাবোধওয়ালা লোক খোঁজে...সেইটা হইলে তো আপনের মতো আস্থা আর নলেজওয়ালা লোকের দরকার বেশি সেইখানে।
ভাস্কর সাহেব এখন আমি নিশ্চিত, আপনার মত লোকের জন্যই টক শো বেঁচে আছে। ভাই, আপনার জ্ঞানের কাছে আমি পরাজিত হইছি।ক্ষ্যামা দেন। আমি ঘুমাই, আপনি টক শো দেহেন। শুভকামনা।
টেলিভিশনটারে কেবল নিজের জন্য ভাবেন নাকি আপনে? আপনের মতোন সেই জ্ঞানী সাহচর্যতো আমি এবং এই দেশের বেশিরভাগ লোক পায় নাই। তবে এই রকম বিবেচনাবোধ হইলে অবশ্য বেশ ঝামেলার আপনের সাহচর্য...টেলিভিশন স্টেশন একেবারেই পপুলার চয়েসের বিষয় এইখানে আপনের মতোন রেয়ার বিবেচনাবোধ ওয়ালা লোকের তেমন কোনো গুরুত্ব থাকার কথা না।
আমি মাঝে মাঝে বিনোদনের জন্য টক শো দেখি, আমার পছন্দের একজন নারীনেত্রী আছেন, উনি থাকলে দেখি, ভদ্রমহিলাকে পছন্দ করার কারণ উনি দারুণভাবে কাজিয়া করেন যা দেখলে মজা লাগে, এজন্যই উনি আমার পছন্দের।
টক শো মাঝে মাঝে ভালই লাগে, বিশেষ করে যখন হাতাহাতির মত অবস্থা তৈরি হয়। মজা পাই, আবার বিরক্তও লাগে।
টক শো করা সহজ ও সস্তা। তাই চ্যানেলগুলো বেশি টকশো করে
ভালো টক শো করতে খরচ হয়তো কম হয়...কিন্তু রিস্ক ফ্যাক্টর মিলাইয়া আবার ঐটার বাজেট অনেক সময় বাড়ে। কিন্তু ভালো টক শো'র সম্পাদনা আর চিত্রগ্রহণ সহজ হইলেও কন্টেন্ট এডিটিং কিন্তু অনেক কঠিন। আমাগো বন্ধু নুর সাফা জুলহাজরে তো চিনেন...রোড টু ডেমোক্রেসি করতো আশরাফ কায়সাররে নিয়া। ও কিন্তু পাবলিকরে টক শো দেখাইয়া ছাড়ছে...আর আমি ওর ডিরেকশান দেখছি, আশরাফ কায়সাররে দিয়া ভালোই অভিনয় করাইতো।
মন্তব্য করুন