ফেইসবুক বন্ধ কইরা কি আর হৃদয়ের স্পন্দন বন্ধ করা যায়?
রাজপথের আন্দোলন থামাইতে মিছিলের উপর গুলি চালানের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাসের মধ্য দিয়া যারা ক্ষমতা পরিচালনা শুরু করছিলো, জাতীয় নেতৃবৃন্দের ক্যারিক্যাচার ঠেকাইতে ফেইসবুক বন্ধ করাটা তো তাদের জন্য মৃদূ লাঠিচার্জের মতোন কোমল প্রতিরোধ। ১৯৭৩-এ এই আওয়ামি ফ্যাসিস্ট জান্তাই ভিয়েতনাম দিবসে কমিউনিস্ট পার্টির মিছিলে গুলি চালাইয়া প্রথম রাজনৈতিক খুনের নজীর স্থাপন করছিলো।
এই দেশে আমরা এখন যেই ক্ষমতা জাহিরের কামড়াকামড়ি দেখি সব শুরু হইছিলো উগ্র আওয়ামি জাতীয়তাবাদীগো হাত ধইরাই, তাদের কাছে আমরা আর কতোটা মডারেট আচরণ প্রত্যাশা করতে পারি!? আমাগো চোখে পাকিস্তান বিরোধীতার ঠুলি পরাইয়া যদ্দিন পাড় কইরা দেওন যায় তদ্দিন তারা যাচ্ছে তাই কইরা বেরাইবো। যদ্দিন যুদ্ধাপরাধীগো বিচারের ঘনঘটা জিয়াইয়া রাখতে পারবো তদ্দিন তাগো দলীয় সন্ত্রাস জায়েজ কইরা রাখা যাইবো এই কৌশল তো আমরাই অনুমোদন করি ব্লগে ব্লগে, হৃদয়ে হৃদয়ে।
ধর্মভিত্তিক রাজনীতি নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের আগে যেই রাষ্ট্রীয় প্রচারণা প্রয়োজন, মানুষরে কন্ভিন্স করতে যেই শিক্ষা বা রূপ উন্মোচনের উদ্যোগ প্রয়োজন তা না কইরা ৭২-এর সংবিধান বাস্তবায়নের উদ্যোগ যে আসলে এই জাতিরে ধার্মিক জাতি প্রমাণ করনের চেষ্টা তা তো দিবালোকের মতোন স্পষ্ট...





সমস্যা হইল, দুই দলই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ। আরেকদল ধর্ম গেল গেল বইলা চোখে ঠুলি পড়াইয়া গেল আজীবন।
যেই যাক ক্ষমতায় - মাথামোটা লোকজন always মাথামোটাই থাকে। একইভাবেই দেশ চলবে, কোন কিছু পাল্টাবে না।
এই নিয়া আপসেট হইতে হইতে এখন আর আপসেট হইনা, অবাক হইনা বরং তাজ্জব লাগে।
এই দেশের বেশির ভাগ বুইড়া ভাম চোখ বুইজ্যা হয় নৌকা, নইলে ধানের শীষেই সীল মারে। ভোটের ফলাফল কিন্তু নির্ধারণ করে দুই কোটিরও বেশি যে তরুণ সমাজ আছে, তারাই।
হাসিনা বুবু, খিয়াল কৈরা। খুব খিয়াল কৈরা!
খেয়ালটা কিআর করবে....তাইলে কি এই সোনার দেশে এত অঘটন ঘটে
ধূররররররররররর!!!!!!!!!!!! ভাল্লাগতাছে না। আমি তো ঢুকতে না পেরে ভাবলাম কি হলো! ব্লগে এস দেখি এফ বি বন্ধ করে দিছে। কতগুলা ভুয়া সিন্ধান্ত নেয় সরকার। যার কোন প্রয়োজন আদতে থাকে না। শুধু ক্ষমতার ব্যবহার।
http://hidemyass.com/
এই প্রক্সি দিয়ে নাকি ঢোকা যায়?
ডিজিটাল সরকারের ডিজিটাল কন্ট্রোল
ভাল হইছে এখন নেশাটা কমবে
মাথায় গোবর ভরা সব রাজনীতিক আর আমলা রা দেশ চালায় ...... ইয়া খোদা তুমিই এখন রক্ষা কর। ঘটনা শুনে কষ্ট পাওয়ার চেয়ে অবাক হইলাম বেশী।
একটা গান মনে পড়ছে এই উপলক্ষ্যে...
"যে পথ দিয়ে চলে এলি/ সে পথ এখন ভুলেই গেলি রে...."
চমৎকার একটা উপমা।
গানের ঠান্ডা ভার্সন: http://www.youtube.com/watch?v=bSSGOJ92Jlo&feature=related hullor version: http://www.mediafire.com/?aynfnmm1qm1#2">http://www.youtube.com/watch?v=bSSGOJ92Jlo&feature=related
আর, হুল্লোড় একটা ভার্সন আছে। আমি এখন এইটাই শুনতেছি অবশ্য.. http://www.mediafire.com/?aynfnmm1qm1#2
ঢুকা যায়!!!

আমাগো উগ্র জাতীয়তাবাদী সরকার নাকি ধর্মের ঝান্ডা সমুন্নত রাখতে ফেইসবুক বন্ধ করছে। পাকিগো ঘৃণা করতে করতে তারাও যে আসলে একই পথে হাটতেছে সেইটা এখন প্রমাণিত। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা এখন শাড়ির আচল গড়াইয়া ভূমিতে লুটায়...
শুনছিলাম পয়লা যখন সচিবালয়ে কম্পিউটার আসে, তখন নাকি ভাইরাসের ডরে জানলা বন্ধ রাখা হইত। যে দেশে এই রকম আহাম্মক লোকজন আছে, সেই দেশে যে এইরকম হবে এতে তাজ্জব হওনের কিছু কি আছে দাদা?
অঃটঃ আপনের পোস্ট দেইক্ষা পরম আহ্লাদিত।
আওয়ামী লীগের ভন্ডামি ও ছদ্ম সেক্যুলারিজম আরেকবার প্রকাশিত হল । সাব্বাস ডিজিটাল সরকার !
সরকার ভালই খেল দেখাইতেছে, একদিকে দাদাগো তাঁবেদারী, অন্যদিকে পাকিগো অনুসরণ - ভালই খেলা জমসে।
মুক্তিযুদ্ধের চেতনা এখন শাড়ির আচল গড়াইয়া ভূমিতে লুটায়...
এই কথার পরে আর কোনো কথা চলে না...
ভাস্করদা আপনার তারিফ না করে পারা যায় না। মুক্তিযুদ্ধের চেতনার দুহাই দিয়া আমাদেরকে বিভক্ত করে রাখছে রাজনৈতিক দলগুলোর স্বার্থে। একদল পাকি বিরোধী তো আরেক দল ভারত। আসল কথা হচ্ছে ক্ষমতা।
হাসিনারে একটা একাউন্ট খুলে দিলে কেমন হয়
মন্তব্য করুন