ডাইরী ১১২
এক.
ভুলে গেছি কারখানার পথ, জলে ধোঁয়া পথের কাঁদায় পদচিহ্ন রেখে এসেছিলাম সেদিন। আজ দেখি তার 'পর দিয়ে ট্রাকের চাকায় চাকায় ঢেকেছে বিস্মৃতিরা। সেইদিন অন্ধকারে নিয়নের আলো ফুটছিলো বেশ...আজ বৃষ্টিতে ভেসেছে আলোকের রাতগুলি। কারখানা চলেছে বোরাকের পিঠে সময়ের শূন্যতায়।
দুই.
কারখানা বন্ধ বলে শ্রমিকেরা বৃষ্টি ভালোবাসে। তারা কৈশোরের ফুটবল খেলা দেখে কাঁদাময় মাঠে। তবে, মাঠগুলো বন্ধ হলো বলে...আমাদের অস্থির তারুণ্যে ধীরে ধীরে সব ক্ষয়ে যেতে থাকে যেনো। আসলে তাহারা রোমাঞ্চিত চলে গেছে চায়ের দোকানে। সেইখানে চা-চিনি-কেরোসিন খেলা করে।
তিন.
জ্বর এসে নিয়ে গেছে কারখানার চাবি। নিরুপায় বসে আছি...কারখানায় জ্বর বাড়ে দ্বিগুণ তিনগুণ, চতুর্গুণ...ঘোরে ঘোরে কারখানা বন্ধ। আমি যখন ভেবেছি পাহাড়ে যাবো, তখন কারখানা গিয়ে বসে আছে লালমাই, লালে লাল শাহজালাল...





অনেকদিন পর ডায়েরী।
চলুক ভাবের কথাবার্তা।
ভাবের কথাবার্তা কইলেন? ডাইরী কিন্তু এক্কেরে বাস্তব অনুভূতির প্রকাশ...
দুরন্ত লেখা হইসে। ভাস্করদা'কে প্লাস
অনেকদিন পর ডায়েরী!! চমৎকার!!
আপ্নেতো ভাবেই লেখেন। বাস্তবরে ভাবের মাধ্যমে প্রকাশ করনের কারিশমারে স্যালুট জানাই। সবাইতো এইটা পারেনা, আপনে পারেন, ক্রেডিট লন আর অভিনন্দন লন।
এটা ঠিক ঠিক যেনো বুঝি নাই
মন্তব্য করুন