হোয়াইট রিবন নামক ম্যুভির রিভিউয়েরএকটা প্রচেষ্টা...গল্প কিম্বা চরিত্র কিচ্ছু নাই
জীবন অস্থিরতায় আছে...অনেক অপশন বা চয়েস নিয়া দোটানায় আছি কিন্তু এতো অপরচ্যুনিটি আসলে বিপদে ফেলে। কোনটা ছাইড়া কোনটায় মনোনিবেশ করতে হইবো এই কনফিউশন অনেক যন্ত্রণার। এই অস্থিরতায় আত্মতৃপ্তি থাকে, কিন্তু তাতে কোনো গন্তব্য নির্দিষ্ট করা যায় না। চরম স্বাধীনতার এই ডিলেমা আসলেই প্রব্লেমেটিক। প্যাশনের সাথে ভীষণ রকমের কনফ্লিক্টিং। অথচ প্যাশনের সাথে কনফ্লিক্ট নিজেরে অনেক অপরাধী করে,,,ঠিক অপরাধী না অনুশোচনা তৈরী করে। স্বাভাবিক সময়ে রুটি রুজি এই লেইম এক্সকিউজ থেইকা বাইর হইয়া আসনের লেইগা যূক্তির অবকাশ তৈরী কইরা দ্যায়...কিন্তু আজকে কিছুটা ফ্রাস্টেটেড আছি হানেকের হোয়াইট রিবন দেখনে পর থেইকা।
একটা ছবি আসলে সাধারণ ঘটনাগুলিরে, মানে যেইসবরে আমরা সভ্যতার বিকাশের সাথে স্বাভাবিক ভাবতে শুরু করছি তার ডি-কিম্বা রিকন্সট্রাকশন নিয়া ভাবায় তার প্রভাব ফেলে আমার চলচ্চিত্র ভাবনায়। কেবল চলচ্চিত্র ভাবনায় না প্রতিদিনকার জীবন যাপনেও তারা অনেক বড় বিষয় নিয়া আবির্ভূত হয়। একটা শহরে অনেক কিছু ঘটে নৈতিক অনৈতিক সম্পর্ক সেইখানে বেশ স্বাভাবিক পাশ্চাত্যের আল্ট্রা স্বাধীনতাও সেইখানে থামাইতে পারে না রহস্য কিম্বা টেনশন। আমাগো মতোন কনজারভেটিভ শহরের প্রেক্ষাপটে তাই প্রাসঙ্গিক হইয়া হইয়া উঠে এই গল্প। হানেকের মাস্টারীটা হইলো এইসব মিস্ট্রিরে সে রিভিল করনের চেষ্টায় যাইতে চায় নাই আদৌ। সে কেবল মানুষের সম্পর্কের ধরণ আর দায় নেয়া আর অনেয়ার গল্প বইলা যায়।
ক্ষমতার যেই বহিপ্রকাশ আমরা দেখি তারেক জিয়া কিম্বা নানকের কূটকৌশলে এই ছবিতেও তার সম্ভাবনা টের পাওয়া যায়...কিন্তু হানেকে তার ৭০ বছর বয়সেও পোস্ট মডার্ অ্যাটিটউডারে আত্মস্থ করেছেন তার নিজস্ব মতাদদর্শিক অবস্থান থেইকা। একটা থ্রিলার গল্প তার বলার ধরনে তাই হইয়া উঠে মানুষের বিহেইভিয়ারাল এক্সপ্রেশনের গল্প, ভালোবাসার আর তার প্যাশনের ইতিবৃত্ত। (পাম ডি অরতো সাধে পায় নাই)।
গল্পের কোনোরম ইঙ্গিত দিতে চাই না। কিন্তু সাদা কালোয় বানানো এই সিনেমার রঙ আমি দেখতে পাই যদিও ডাউনলোড করা ভার্শন তবু প্রিন্ট খুব একটা খারাপ না। মিজোসিনের স্টাইলাইজেশন টিপিক্যাল হানেকের পুরানা ছবিগুলির মতোনই। তয় আর্ট ডিরেকশন আর কাস্টিঙ এই ছবির প্রাণ। সম্ভবতঃ এখনো দেশে এইটার ডিভিডি আসে নাই, যাদের হাই স্পিড কানেকশন আছে তারা ডাউনলোড কইরা নিতে পারেন; আর যারা সেই কষ্টের মুখাপেক্ষি হইতে চান না তারা আমার সাথে যোগাযোগ করতে পারেন...নেক্সট আড্ডায় ২ গিগার পেন ড্রাইভ (অবশ্যই ভাইরাসমুক্ত) নিয়া আসতে পারেন। বিনা পয়সায় বিতরণ করতে উন্মুখ হইয়া আছি.....





হাজির হইতাছি
হোক্কে...
কতদিন মুভি দেখার সুযোগ পাইনা, আপনাগ দেখলে ঈর্ষা হয়!
আরেকটা বিষয় এইটা হইলো হোয়াইট রিবন পাম ডি অর পাইছে ২০০৮'এ...
ভাস্করদা'কে অসংখ্য ধন্যবাদ।
জ্যারমেন ভাষা

হাজির হইতাছি
মন্তব্য করুন