সেক্স, লাইজ এ্যান্ড ভিডিও টেপ...

১৯৮৯ সালের কা'ন চলচ্চিত্র উৎসবে এক অখ্যাত যুবকের প্রথম সিনেমা সেক্স, লাইফ এ্যান্ড ভিডিও টেপ বোদ্ধা জুরী আর সমালোচকগো রীতিমতোন চমকাইয়া দিছিলো। প্রতিযোগিতার ঐতিহ্য ভাইঙ্গা ছাব্বিশ বছরের তরুণ স্টিভেন সোডারবার্গরে পাম ডি' অর পুরস্কার দিতে বিন্দুমাত্র ভাবতে হয় নাই বিচারকগো। মার্কিন সাম্রাজ্যে এখন ইন্ডি বইলা সিনেমার একটা গোত্র তৈরী হইছে...এই ইন্ডিপেন্ডেন্ট সিনেমার কনসেপ্চ্যুয়াল ভিত্তিটা শুরু হইছিলো সোডারবার্গের হাত ধইরাই। ব্যক্তিগতভাবে আমি সোডারবার্গের পাঙ্খা টাইপ ভক্ত। এই লোকের আর্টসি টাইপ ঘরানায় যেমন পদচারণা তেমনি তার কমার্শিয়াল অ্যাটিটিউডেও আমি কখনো ঘাটতি দেখি নাই। চলচ্চিত্রের প্রকাশভঙ্গীতে কেবলই শিল্প থাকবো রিয়ালিস্ট অ্যাপ্রোচ থাকতে হইবো এইরম বাঁধাধরা গন্ডীতে কোনোদিন সোডারবার্গ নিজেরে আটকায় নাই। মেইনস্ট্রিম অর্থাৎ জনপ্রিয় ধারার মধ্যেও নিজের স্টাইল বা সিগনেচার আর্ট তৈরী করা সম্ভব বিদ্যমান এমন ধারণারে সোডারবার্গ বাস্তব প্রমাণিত করছে অনায়াশ ভঙ্গীমায়।
তবে টানা আটদিনে একটা সংলাপ নির্ভর ধারণারে নামাইয়া দেয়ার ক্ষমতা এর আগে একজন জর্ম্মন নির্মাতার দখলে ছিলো, সেই ফাসবিন্ডাররে মাথায় রাইখাই বলতে চাই, সোডারবার্গ অঁতর ফিল্ম মেইকার হিসাবে প্রথম পাঁচের তালিকায় থাকবেন যে কোনো মনোনয়নের বিবেচনায়। সেক্স, লাইজ এ্যান্ড ভিডিও টেপ সিনেমায় হয়তো আশির দশকের মার্কিনী চেতনার প্রকাশ আছে পরতে পরতে। কিন্তু সোডারবার্গের ইমেজে সেক্স-ড্রাগ এন্ড রক এ্যান্ড রোলে গা ভাসানোর প্রবণতা নাই একটুও। মানুষের সম্পর্কজাত ধারণা আর শরীরের দর্শন নিয়া ভাবনার উদ্রেক করানোটাই তার মূখ্য উদ্দেশ্য ছিলো এইটা সিনেমার শরীর জুইড়া বলা হইছে। অথচ পুরা সিনেমাতে সঙ্গম নির্ভর কোনো দৃশ্য নাই। যৌনতা এই ছবিতে মানবিক সম্পর্কের দর্শন হিসাবে বিরাজ করে।
যদিও সোডারবার্গ বাণিজ্যিক চলচ্চিত্র বানানের আগ্রহ কখনোই গোপণ করে নাই কিন্তু তার ছবিতে দর্শক টাননের লেইগা অহেতুক আইটেম দৃশ্য আমরা দেখতে পাই না। প্রত্যেকটা দৃশ্যই এই ছবিতে একইসাথে সারল্যের সংলাপ আর ইমেইজের শক্তিতে বলিয়ান। একজন সিনেমা এডিটর হিসাবে সোডারবার্গের ক্ষমতা এই যূগে আইসা একেবারেই প্রশ্নহীন। তার দ্বিতীয় পর্যায়ের ছবি ট্রাফিকের লেইগা সে অস্কারও পাইছিলো সেরা সম্পাদনার বিভাগে। গল্প কওনের পরম্পরা তাই দর্শকরে গল্পের মধ্যে আবিষ্ট কইরা ফেলে খুব সহজেই।
যৌনতা আর ভালোবাসার সম্পর্কের যেই টানাপোড়েন এই ছবির মূল বিষয় তা আজো সময়ানুগ। আর তাই সেক্স লাইজ এ্যান্ড ভিডিও টেপ কখনো তার গুরুত্ব হারায় না। এই ছবি প্রতি বছর নিয়ম কইরা ১২ বার দেখন যায়।





ভিডিও টেপ্স না ভিডিও টেপ
বিয়াপুক পুস্ট। দাদু আপ্নে মাঝে-মইদ্যে এই যে মালগুলান পুস্টান, ইডি কয়দিন ইরাম ফ্রি পামু?
আর আপ্নে আছেন কেমন?
ঠিক কইরা দিছি...
ছবিখান নিশ্চয়ই বক্সঅফিসে ফ্লপ মারছিলো....।
একদমই না...১.২ মিলিয়ন টাকার ছবি প্রায় ২৫ মিলিয়ন ডলারের ব্যবসা করছিলো।
১.২ মিলিয়ন ডলারের*
ইয়ো ব্রো!
দারুন ইনট্রো পাইলাম একটা!
এইলাইনে জানা শোনা একদম কম, তাই আপনের কথাই ভরষা!
খুঁজার আরেকটা জিনিষ পাওয়া গেলো!
(ডর কেবল, আমি এখনো লাইট ওয়েট ম্যুভি দর্শক আরকি!)
আরেকটা যেডা কথা, মাঝে অনেক দিন দেখিনাই যে, কৈ ছিলেন?
টরেন্ট ফাইল অ্যাভেইলেবল পাইবেন পাইরেট বে'তে...এই ছবির ডিভিডিও পাওন যায় বসুন্ধরাতে কিম্বা রাইফেল স্কয়ারে বা বনানীর ফাহিম'এ।
অবসর আছি দেখে ফেলার চেষ্টা করবো যদি অনলাইন ভার্সন পাই আর কি।
রোবট দেখলাম আর ভাবলাম জীবন কেনো যন্ত্রনা
টরেন্ট পাইবেন...
১২ বারের ১ম বার দেখন লাগবো তাইলে
দেইখা ফেলেন...
আগ্রহ জাগিয়ে দিল।
ছবিটা দেইখা ফেলেন...
আগ্রহ উদ্দীপক আলোচনা।
ছবিটা দেখতে হয় তাহলে।
ছবিটা দেখুম !
আপনে কই থাকেন , বস ?
তখন বয়স কম ছিল। নাম দেইখাই ছবিটা দেখছিলাম। কিন্তু ছবিটা দেইখা আমিও পাঙ্খা হইছিলাম।
আমিও নাম দেইখাই পোস্ট পড়ছিলাম
মুভিটা দেখতে হইব
আমি পোস্টের নাম দেইখা একটু আগ্রহী হইছিলাম, তয় পরে লেখকের নাম দেইখা ভাবলাম, ধূর!! এই মিঞা তো উস্কানি দিবো না!!!

আপনার কাছে যাবো। নতুন হার্ডডিস্ক কিনছি। কবে আসবো বলেন?
মুভিটা দেখার আগ্রহ জাগলো।
মন্তব্য করুন