ডাইরী ১১৪
১.
দৌড়তে দৌড়তে টের পাই বয়সী বায়স এসে খুটে খেয়ে গেছে ফুসফুস-হৃৎপিন্ড এবং যকৃত। অথচ থামলেই স্মৃতির চাবুক আছড়ে পরবে পিঠে ও পাজরে। দৌড়তে দৌড়তে টের পেয়েছি বন্ধুর পথ বড় সমতল ঠেকে মায়োপিক চোখে। যদিও ছন্দপতন হলে সম্ভাবনার গিলোটিন বিভাজন এঁকে দিবে শরীরে ও শিরে।
দৌড়ে দৌড়ে কোথাও পৌছবো নাকি...দৌড়ে দৌড়ে কতদূর যায় ঘূণে ও ঘোরে আবিষ্ট শরীর?
২.
শীতে ও সর্দিতে বেঁচে বর্তে থাকা যায়। একেকটা হাঁচিতে মনে হয় ফিরে এসেছি সম্বিতে। কান খাঁড়া করে যখন শুনেছি অপসংস্কৃতি...তখন তারা শিল্প হয়ে বেজে যায় এক বিকাল-দুই সকাল-স্বপ্নাবধি। বৈচিত্রের মনোটনিতে গিয়েছি ফেসে এই বেলা।
৩.
বহুদিন পর এক টুকরো সময় পেয়েছি কুড়িয়ে। আবারো তাই সাদা কালো, হরফে হরফ, আবেগের অ্যালিগরি...





ওরে পাগলা
এতদিন পরে আইলা।
হ আইলাম বস...
ভাস্কর, খুব বেশী অসুস্থ ছিলেন ? ভাল থাকুন, বোধগম্য পোস্ট দিন ।
বোধগম্য পোস্ট দেওনের সাধ এবং সাধ্য আমার নাই মনে হয়...
উরি বাপ্রে বাপ, ভাস্করদা' নাকি
শুভেচ্ছা নিরন্তর ব্রাদার। ভালো থাকুন সবসময়।
লেখা অতি অদ্ভুত পাইলাম।
কঠিন হইছে। ভালো লাগল
মাঝে ঘাপটি মারলেন কেন?
লেখা ভালো লাগলো ভাস্কর দা।
কুড়ানো সময় এতো দ্রুত শেষ !! লেখাটি মাত্র ভালো লাগা শুরু হয়েছিলো...।
- লাইনটা কড়া হইসে। লেখাটা অদ্ভুত স্বাদের।
১. বয়স না বায়স?
৩. জোশ
মন্তব্য করুন