ডাইরী ১১৭
১.
দূরত্ব আসলে কিছু নয়। দূরত্ব আসলে ছদ্মবেশ-অযূহাত। সূর্যের থেকে বহুদূরে থেকেও পুড়েছি অহর্নিশ। আবার তোমার পাশে থেকেও পেয়েছি টের শীতলতা। দূরত্ব কেবল পারে স্মৃতির পসরা সাজাতে-গোছাতে। দূরত্বের মানে তবে স্মৃতির ফ্যাক্টরী...
২.
দূরত্ব ঘোচাতে আমি যতো এগিয়েছি, গন্তব্য ততোই সরেছে সুদূর। আমি একবার মরিচীকা ভেবে এগোতে এগোতে পৌছে গিয়েছিলাম পরীরাজ্যে...ফুল-পাখি-প্রাণীজেরা সেথা মিলেমিশে থাকে। আমি জল ঢালি বৃক্ষের শেকড়ে। বৃক্ষের সাথে আমার দূরত্ব ঘোচে। আমি পরশের ছোয়া দিলে তড়তড়িয়ে বেড়েছে লতা...একদিন গাছ বেয়ে আমি পৌছবো স্মৃতির কাছাকাছি, এমত আশার হাসাহাসি চলে...
৩.
আমার থেকে তুমি
বহুদূর থাকো। বাজেট বিধানে দূরত্বের মূল্য লেখা নেই বলে, অর্থনীতিবিদেরা সূচক লিখেনি বাহ্যিক দূরত্বের। বরং দূর থেকে আসে আমাদের প্রবাসীরা; তারাও জানেনা তোমার-আমার দূরত্বে কতোটা অবচয় ঘটে যায় সম্পর্কের।





কিছুই বলার নাই।
জানতে ইচ্ছে করে কিভাবে লিখেন এমন মনের গভীরের কথাগুলো?
গ্রামীণফুনের সংযোগ নেনদি মিয়াভাই...
এটা একটা প্রচন্ড কষ্টের বাস্তব উপলব্ধি। পুড়ে সোনা হওয়া।
একটা লাইক বাটন থাকা ঠিক না এমন লেখার জন্যে
ভাস্করদা'র সেরা সিরিজ।
সহমত
অসাধারণ হাত আপনার। সব সুর-ই বাজাতে পারেন।
অসাধারণ প্রকাশভঙ্গি!
অবচয় নিয়ে নতুন উপলব্ধি দেখলাম।
লিরিকাল।
যাওয়া আসলে নিজের কাছে ফিরে আসা।
আপনি আপনার নিজের কাছে ফিরে আসছেন, দেনদরবার থেকে।
পারফেক্ট হোমকামিং।
পড়ার এবং মন্তব্য করবার জন্য সবাইরে ধন্যবাদ...
মন্তব্য করুন