ইউজার লগইন

গতোকালকের খেলা আর আবারো মাশরাফি প্রসঙ্গ...

গতোকাল বাংলাদেশ আর ইন্ডিয়ার খেলা দেইখা বাঙালির প্রতিক্রিয়া দেইখা বেশ ভালো বোধ করতেছি। দল হাইরা যাওনের পরেও সম্ভাবনার আলোকবিন্দু ধরা পড়তেছে সবার চোখে বিষয়টা বেশ আশাব্যঞ্জক লাগে আমার কাছে। মনে হয় একটা দলের এমন মানসিকতারই প্রয়োজন কোনো দীর্ঘ প্রতিযোগিতায় টিকা থাকতে। আম বাংলাদেশীগো মতোন বাংলাদেশের খেলোয়ারগো মাঝেও যদি এই অনুভবের বিস্তার ঘটে তাইলে সামনেই সুখ সংবাদ অপেক্ষা করতেছে বাংলাদেশীদের জন্য।

বিশ্বকাপ শুরু হওনের আগেই আমি বেশ কড়া সুরে মাশরাফির দলভূক্তির বিষয়টা নিয়া মাতম তুলছিলাম। তখন অনেকেই আমার সাথে গলা মিলাইছিলেন অনেকে বিরোধীতাও করছিলেন। পরবর্তীতে যখন প্রস্তুতি ম্যাচে বাংলাদেশের পেইস অ্যাটাকের দূর্বলতা আরো প্রকট হইয়া ধরা দিলো তখন আমি আরেকবার বিষয়টারে সামনে আনতে চেষ্টা করলাম, কিন্তু এইবারে তেমন সাড়াশব্দ পাইলাম না, কারণ বিশ্বকাপের আয়োজক দেশ হিসাবে বাংলাদেশের মানুষ তখন অন্যরকম এক মায়াময়তায় আচ্ছন্ন। এই মায়াময়তার শক্তি আসলে পৃথিবীর অনেক ঘটনা-দূর্ঘটনার চাইতে অনেক বেশি। পেশাগত কাজে একদিন একটু রাত কইরা ঢাকা শহরের আঙিনায় চলতে গিয়া দেখি...মানুষের আবেগের আহ্বানে আমার মতোন নিরস কঠোর মানুষও সাড়া দিয়া ফেলতেছিলাম অকপটে।

তবে এই ডামাডোলের পর দিনের আলোয় ঘুম ভাঙতেই আমারে বাস্তবতার মুখোমুখি হইতে হয়। সেই বাস্তবতা আমারে আবার বুঝতে শিখায় সব বাধা পার হইতে কেবল মনের জোর থাকলে চলে না, কোমরের জোর-বাইসেপের জোর কিম্বা পায়ের জোরও থাকতে হয় অনেকসময়। আর এই কারনেই আমি বাংলাদেশ বনাম ইন্ডিয়ার ম্যাচ নিয়া কোনো স্বপ্ন নির্মাণ করি না, সকাল থেইকাই আমার মনে হইতে থাকে বাংলাদেশের সাথে ইন্ডিয়া অনেক বড় ব্যবধানেই জিতা যাইবো। অনিশ্চয়তার খেলা ক্রিকেটে অবশ্য মাঝে সাঝে প্রত্যাশার ব্যত্যয় ঘটে...তবে সেইরম ব্যত্যয় ঘটলে ঐ খেলার ফলাফলরে আপসেট করা রেজাল্টই বলতে হবে।

তিন/চার দিন আগে আমি ঝোকের বশে একটা ফলাফল কইছিলাম। ইন্ডিয়া আগে ব্যাট করলে নিদেন পক্ষে ৮০ রানে জিতবো আর পরে ব্যাট করলে অন্ততঃ ৬ উইকেটে জিতবো। তো কালকে সকালে বাংলাদেশ যখন টসে জিতনের পর ফিল্ডিং করনের সিদ্ধান্ত নিলো সেইটারে বেশ যৌক্তিক মনে হইলেও শফিউল-রুবেলের বোলিং দেখনের পর মনে হইলো ভালোই মাইনকা চিপায় পড়ছে দল। শফিউল আর রুবেল দুইজনই তরুণ বোলার...তাগো দুইজনের মূল বৈশিষ্ঠ্য গতি দিয়া ব্যাটসম্যানো পরাস্ত করা। দুইজনই লম্বায় খাটো, শুকনা...বলে যেই গতি সেইটা তারা কান্ধের থেইকা নেয়। দুইজনের বল রিলিজ মোমেন্টে সাইড আর্ম অ্যাকশন থাকে। খারাপ না, এমন বোলার প্রচূর আছে দুনিয়ায়। কিন্তু একদলের দুইজন ওপেনিং বোলার একইরকম অলমোস্ট, এই স্ট্র্যাটেজি আসলে এই জমানায় কোনো দল নিবো কিনা সেইটা নিয়া আমি প্রশ্ন তুলতে পারি। এই ধরনের বোলারদের লেইগা পীচে একটু সবুজ ঘাস কিম্বা পীচের গাথুনি শক্ত হইতে হয়...যাতে বল বাড়তি স্কিড করে আর সামান্য লাফাইয়া উঠে। ব্যাটসম্যানের ব্যাটে প্রত্যাশিত সময়ে যাতে বল না গিয়া পৌছায়। আমাগো যেই থার্ড অপশনের পেইসার সেই নাজমুলও অলমোস্ট সেইম অ্যকশন আর ডেলিভারীতেই বল ছোড়ে। সুতরাং এই দুই বোলার অর্থাৎ শফিউল আর রুবেলরে পাইয়া অলমোস্ট ছেলেখেলা খেললো শুরুতে শেওয়াগ আর টেন্ডুলকার...যাতে মাঁজা ভাইঙ্গা গেলো এই দুই বোলারের বেইসিক মানসিকতার আর অ্যাটিটিউডের। রুবেলের একটা বাড়তি অস্ত্র অবশ্য পরে খানিকটা কাজে দিছে...এই ছেলেটা শর্ট অব লেংথ থেইকা ভালো বাউন্স দিতে পারে, বাউন্সে দূর্বল ইন্ডিয়ানগো আরো বাউন্সে কাঁচা শেওয়াগ তাতে মাঝে সাঝে একটু ভরকাইছে। কিন্তু তরুণ বিরাট কোহলি বিষয়টারে এন্টারমেইন্ট হিসাবেই নিছে। পেইস-স্পিন-কিম্বা অন্য যেকোনো ডেলিভারীতেই সে ডাউন দ্য উইকেট বা ফ্রন্ট ফুটে আইসা স্ট্রেইট ড্রাইভ খেলছে যেইগুলি কখনো উপর দিয়া কখনো নীচ দিয়া সীমানা পার হইছে।

ভারতীয় দলে গতো কয়েকবছর ধইরা নিয়মিত পেইসার যারা ছিলো তাগো থুইয়া অনিয়মিত দুইজনরে নিয়া কর্তৃপক্ষের বাড়াবাড়িটা কেরম জানি লাগতেছিলো একসময়। সাউথ আফ্রিকায় অপশনাল চয়েস হিসাবে যাওয়া প্রাভীন কুমার একটাও ওয়ানডে খেললো না, অথচ সে আহত অবস্থায় তারে বাইছা নেওয়া হইলো। যেইসময় শ্রীশান্ত বেশ ফর্মে...ইশান্তের কোয়ালিটি নিয়া যখন খুব বেশি প্রশ্ন নাই। ভারতীয়রা ক্রিকেট কেবল ব্যাট আর বলে খেলতেছেনা এখন...মাঠ আর মাঠের বাইরে দুই জায়গাতেই তাগো মাথা আর ল্যাপটপ কাজ করতে শুরু করছে সেইটা বুঝলাম গতোকালকের খেলায়। বুঝলাম আহত প্রাভীন কুমাররে নিয়া তাগো কেনো এতো আগ্রহ ছিলো। প্রাভীন তেমন একটা জোরে বল করে না, তার ইনসুইংগার অনেক ভীতিকর না। তয় সে কনসিসটেন্সি রাইখা বল করে, যেইটা ওয়ানডে ক্রিকেটে অনেক জরুরী হইয়া পরে বেশিরভাগ সময়। সাথে প্রাভীন কুমারের ব্যাটটাও মোটামুটি ভালো চলে। প্রাভীন কুমার শেষ মুহুর্তে যখন একেবারেই অপারগতা জানাইলো তখনই কেবল দলে আসলো শ্রীশান্ত। দেখেন প্রাভীন জাতের বোলার মুনাফ প্যাটেল কালকে মূল স্ট্রাইক দিছে। অভিজ্ঞ জহির খান যেকোনো কন্ডিশনে ভালো বোলার। এই যূগের ভালো পেইস বোলারগো লিস্টিতে তার নাম প্রথম দিকেই থাকে। সুতরাং তারে বাদ দিয়া দল তৈরী করবো না ইন্ডিয়া। কিন্তু কালকে মুনাফ প্যাটেল বাঙালিগো নিয়া খেললো।

মুনাফের অস্ত্র কি? সে উইকেট আর লেংথ ঠিক রাইখা বল করে। সারা ইনিংসে তার হাতেগোনা ৩/৪টা বল বাদে আর সবগুলি মিড-অফ স্টাম্পের উপর গুড লেংথ ছিলো। বেশ লম্বা মুনাফ যখন এই ডেলিভারীগুলি দিতেছিলো স্লো পীচে তারে অধিকাংশ সময়েই ভয়ঙ্কর লাগছে আমাগো তেজী ব্যাটসম্যানগো। মনে কইরেন না আমি কাউরে খোটা দিলাম। কারণ আমি মনে করি এই একই কাজ আমাগো দেশে করতে পারে এমন বোলার আছে। শুরুটা যার গতি দিয়া হইলেও বুদ্ধি আর ইচ্ছার মধ্য দিয়া মাশরাফি এখন মুনাফ প্যাটেল ঘরাণারই বোলার। বরং মুনাফদের চাইতে মাশরাফির ভ্যারিয়েশন অনেক বেশি। তার বল দুইদিকেই অনায়াসে ঘোরে।

যাই হোক বুদ্ধির জোরে ক্রিকেট যারা খেলে সেইরম আমাগো দেশে খুব বেশি নাই। তার মধ্যে দলে আছে দুইজন তাদের দুইজনই গতোকাল ভালো করছে। তামিম আর সাকিবের পর যদি আরেকজন বুদ্ধিমান ব্যাটসম্যান থাকতো বাংলাদেশের তাইলে আমি মনে হয় স্বপ্ন দেখতে শুরু করতাম...অপ্রত্যাশিত-আশাতীত ভালো ওপেনিং হইছে গতোকাল বাংলাদেশের। এই বুদ্ধিমান ব্যাটসম্যানটা কি শাহরিয়ার নাফিস হইতে পারে কীনা সেইটা নিয়া বিতর্ক হইতে পারে, তবে আমি মনে করি তার স্ট্যান্ডার্ড ঐ ক্যাটেগরির ধারে কাছে হইলেও একটু নীচে। বুদ্ধিমান মেধাবী মাশরাফি বোলিঙে থাকলে ইন্ডিয়ার রানটা ৩০০+ হইতো আর আরেকজন বুদ্ধিমান ব্যাটসম্যান থাকলে বাংলাদেশের আওতায় থাকতো স্কোরটা। যৌক্তিক লাগে এই সিদ্ধান্ত? আমি নিজে কনভিন্সড এই ইক্যুয়েশানে।

বাংলাদেশের খেলায় যেই কারনে আমি আশাবাদ দেখতেছি। অন্ততঃ ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে তারা জিতে যাওয়ার সম্ভাবনা রাখে। হল্যান্ডের সাথে শতভাগ আর আয়ারল্যান্ডের সাথে সত্তুর ভাগ পসিবিলিটি আছে জয়ী হওয়ার...এতে বাংলাদেশ কোয়ার্টার ফাইনালের দেয়াল পার হইয়াও যাইতে পারে। কারণ ইন্ডিয়ার সাথে বাংলাদেশের যেমন বেশ তফাৎ আছে...এই উপমহাদেশীয় কন্ডিশানে বাকীদের সাথেও একইরম ফারাক। মানে ইংল্যান্ড উপমহাদেশীয় কন্ডিশনে ইউরোপীয় কন্ডিশানের চাইতে দূর্বল দল। সাউথ আফ্রিকাও তাই।

চলেন তবে বিশ্বকাপ দেখি...বেশ জমবো এইবারের বিশ্বকাপ তার গন্ধ পাইতেছি নাকে!!

আর আরেকটা বিষয় আজকে কূর্ট কাবেইনের জন্মবার্ষিকী...তার জন্মদিনে একটা গান শোনেন

পোস্টটি ১০ জন ব্লগার পছন্দ করেছেন

মাহবুব সুমন's picture


আপনারে মাঠে নামায়া দেওন উচিৎ Cool

মামুন হক's picture


চমৎকার বিশ্লেষণ ভাস্করদা। আশাকরি পুরো বিশ্বকাপ জুড়েই একটা সিরিজ চালাবেন।

হাসান রায়হান's picture


মাশরাফিরে নিয়া মাতম বাদ দেন। বিশ্বকাপ ছাড়াও সামনে আরো খেলা আছে। ও ইনজুরি থিকা মাত্র উঠল। কালকা ওরে নামাইলে সাফিউলের থিকা খুব ভালো করতোনা। এই তো কয়েকদিন আগেও লিগের ম্যাচে পঞ্চাশের উপর রান দিসে দশ ওভার বল কইরা।

ভাস্কর's picture


এইতো কয়েকদিন আগে একটা ম্যাচ না...ঐটা ছিলো ইনজ্যুরির পর প্রথম আর একমাত্র ম্যাচ। আর সেইদিনের দেওয়া ৫২ রানের ৬৫%-ই ছিলো প্রথম স্পেলে। প্র্যাক্টিস ম্যাচের মতোন বোলিং হইছে ঐ ম্যাচে। দুইজনের কোয়ালিটিই দুইরকমের তাই শফিউলের লগে মাশরাফির তুলনা করনটাই সাজে না বস...

হাসান রায়হান's picture


মাশরাফি যখন তার ফর্মে থাকে তখন সে ওয়ার্লড ক্লাস। কিন্তু সব ম্যাচেই যে খুব ভালো করবে তার নিশ্চয়তা নাই। মাশরাফির সাথে সফিউলের তুলনা করছিনা কিন্তু গত কিছুদিন সফিউল ভালো বল করছিল। শেষ দুইটা প্র‌্ক্টিস ম্যাচে ভালো বল করেছে।

ভাস্কর's picture


কে খারাপ, কে ভালো এইরম বিতর্ক এই পোস্টে আমি করতে চাই না। আমার অবজার্ভেশনটা হইলো শফিউল আর রুবেল একরকমের বোলার। তাদের বেইসিক ডেলিভারী অ্যাকশনে সামান্য পার্থক্য থাকলেও দুইজনের ঘরানা এক। মাশরাফির প্রয়োজনীয়তাটা আমি উপলব্ধ করি মুনাফ প্যাটেলের বোলিং দেইখা। তার মানের বোলারতো ইন্ডিয়ার বহুতই থাকনের কথা, কিন্তু তবুও সে কার্যকরী...কারণ এই অঞ্চলের স্লো পীচ, যেইখানে বল ১২ ওভার পর থেইকাই গড়াইয়া যাইতে শুরু করে। মাশরাফি সেই একই কৌশলে অনেক প্রয়োজনীয় হইতে পারতো।

আর কোয়ালিটিতে মাশরাফি বিশ্বমানের সেইটা মনে হয় এখন সব ক্রিকেট বিশ্লেষকই স্বীকার করে।

শওকত মাসুম's picture


আমি রকিবুল আর নাইম বা রিয়াদের বদলে আশরাফুল আর নাফিসকে চাই।

ভাস্কর's picture


আপনার চাওয়াটারে আমার ঠিক মনে হইলো...তবে রকিবুল আর আশরাফুলের মধ্যে কে বেশি কার্য্করী এইটা নিয়া আমি একটু সংশয়ী। আশরাফুল প্রস্তুতি ম্যাচে প্রথম বলেই বেপরোয়া চারের পরের বলেই বোল্ড আউট হইলো দেইখা তার উপর আস্থার ঘাটতি তৈরী হইছে। আমাদের কি একজন অ্যাংকরের দরকার আছে? যদি থাকে তাইলে রকিবুলেরও প্রয়োজন থাকে...সে টেকনিক্যালি সাউন্ড। জায়গা পাইলে তার রিস্টের উপর খেলা দেখনের মজা আছে। আর যদি আমাগো একজন পাওয়ার প্লে এক্সপার্ট স্লগার দরকার হয় তাইলে আশরাফুল...যার উপর নির্ভর করা যায় শূন্য ভাগ।

আপন_আধার's picture


ভাস্কর'দার বোলার'দের নিয়ে বিশ্লেষণ ভাল হইছে।
মাশরাফি'র মানের আরেকটা বোলার না পাইলে, আমাদের বোলিং নিয়া চিন্তিত হওনের যথেষ্ট কারন আছে

১০

মীর's picture


আপনে মুনাফ প্যটেলের মতো দুইদিনের ছোঁকড়ারে আমাগো মাশরাফির লগে তুলনা দিলেন?

১১

ভাস্কর's picture


আপনেরা তো তারে দলে নিতেই বিরোধীতা করতেছিলেন...এখন মুনাফ প্যাটেলের বোলিং উদাহরণ দিয়া যদি আপনেগো মন ঘুরান যায়...

১২

মীর's picture


প্রথম থিকাই মাশরাফির পক্ষে। ইভন আপনার ইকুয়েশনেও কনভিন্সড্। দেখি পরের ম্যচগুলোয় কি সিদ্ধান্ত আসে।

১৩

বাতিঘর's picture


Happy B'day dear Kurt Cobain Sad Sad

১৪

তানবীরা's picture


তামিম আর সাকিবের পর যদি আরেকজন বুদ্ধিমান ব্যাটসম্যান থাকতো বাংলাদেশের তাইলে আমি মনে হয় স্বপ্ন দেখতে শুরু করতাম...

হ আমিও Sad

১৫

উলটচন্ডাল's picture


বিশ্লেষণ ভালো হইসে। আপনার ইকুয়েশানে আমিও কনভিন্সড।

১৬

নড়বড়ে's picture


যে নাই তারে নিয়া বিতর্কে যাব না। যারা আছে তাদের নিয়াই খেলতে হবে এইটাই বাস্তব। আমি শাহরিয়ার নাফিস রে দলে দেখতে চাই; নাইমের বদলে হইতে পারে, নাইমের বোলিং তেমন কিছু কখনোই মনে হয় নাই। তাছাড়া নাইম মাঝেসাঝে ছক্কা মারলেও আদতে স্লগার না।

আশরাফুলের কথা আর কি কমু, ট্যালেন্ট ধুইয়া পানিই খাইয়া গেল, আমাদের কামে লাগল না। বাংলাদেশেরই দুর্ভাগ্য। একেকবার মনে হয় রকিবুলের বদলে ওরে নেয়া যাইতে পারে, পরমুহূর্তেই মনে হয় নিয়া কোন লাভ নাই।

১৭

ভাস্কর's picture


যে নাই তারে নিয়া বিতর্কে গেলে সমস্যাটা কি?

১৮

নড়বড়ে's picture


সমস্যা নাই, কিন্তু এই মুহূর্তে লাভও নাই। মাশরাফিরে বিশ্বকাপে পাওয়ার তো কোন সম্ভাবনা নাই, তাই থাকলে কি হইত সেইটা নিয়া কথা বলতে চাই না এখন আর। তাই যারা আছে, তাদের মধ্যে থেকে সেরা দল কেমন হবে শুধু সেইটা বলছি।

মন্তব্য করুন

(আপনার প্রদান কৃত তথ্য কখনোই প্রকাশ করা হবেনা অথবা অন্য কোন মাধ্যমে শেয়ার করা হবেনা।)
ইমোটিকন
:):D:bigsmile:;):p:O:|:(:~:((8):steve:J):glasses::party::love:
  • Web page addresses and e-mail addresses turn into links automatically.
  • Allowed HTML tags: <a> <em> <strong> <cite> <code> <ul> <ol> <li> <dl> <dt> <dd> <img> <b> <u> <i> <br /> <p> <blockquote>
  • Lines and paragraphs break automatically.
  • Textual smileys will be replaced with graphical ones.

পোস্ট সাজাতে বাড়তি সুবিধাদি - ফর্মেটিং অপশন।

CAPTCHA
This question is for testing whether you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

বন্ধুর কথা

ভাস্কর's picture

নিজের সম্পর্কে

মনে প্রাণে আমিও হয়েছি ইকারুস, সূর্য তপ্ত দিনে গলে যায় আমার হৃদয়...