ডাইরী ১১৮
.................................................................................................
এক.
পায়ে পায়ে ঘুরতে ঘুরতে আমার কখনো নিজেকে কুকুর আবার কখনো একপাটি স্যান্ডাল মনে হয়। যখন মানুষ প্রাণভয়ে ভীত হয়ে দৌড়ে পালাবার কথা ভাবে তখন সবার আগে সে ছুড়ে ফেলে দেয় পুরনো জুতার পাটি। অহেতুক সেই জুতার মতোন আমি এদিক ওদিক হয়ে পড়ে থাকি পথে। প্রত্যাশায় থাকি পায়ের...প্রত্যাশিত পায়েরা শোনেনা আর্তনাদ।
তবু আমি পায়ে পায়ে ঘুরে জানান দিয়েছি, রয়েছি তোমার পায়ের কাছে...সুযোগ পেলেই নুপুরের মতো আকড়ে থাকার ইচ্ছা...
দুই.
শৈশবে কুকুরে ভয় ছিলো। হিংস্রতায় নয়। বরং কুকুর বড্ড ন্যাওটা। এখন নিজেই আমি সেই কুকুরের মতোন অবসেসিভ থাকি প্রভূর নাগাল পাওয়ার প্রত্যাশায়। জানি প্রভূ আর আমারে রাখেনি এমনকি তার স্মৃতির মনি কোঠায়...তবু।
তিন.
জুতার অথবা কুকুরের মতোন অবহেলিত অস্তিত্ব আমার পড়ে থাকে...কেউ কেউ শুকে দেখে, কেউ কেউ থাকে সুযোগের সন্ধানে। জুতা কিম্বা কুকুর উভয়েই প্রায়শঃ প্রয়োজনীয় হয়।





এমনিতে খানিকটা বেচেইন হয়ে আছে, এবার ওপরে কয়েকটা ঢাকের বাড়ি পড়লো। ঢাক কিন্তু বড় কঠিন বাদ্য, উতলা করার মোক্ষম হাতিয়ার।
লেখাটা পড়ে কাল রাত থেকেই মনের ভেতর ঘুরছে।বিষন্ন মন আরো বিষন্ন হলো।
:(
এই দুটো লাইন সবচেয়ে বেশি রোমান্টিক হয়েছে
কারখানা শেষ পর্যন্ত কি বন্ধ হয়ে গেল?
কারখানা চলবো...
মন্তব্য করুন