ছাত্রলীগের মাস্তানি কি আপনারা সমর্থন করতেছেন?: বুয়েট ছাত্রদের প্রতি প্রশ্ন...
বুয়েটের একজন ছাত্র বাসের ধাক্কায় মারা গেলো কিছু কাল আগে। সারা বুয়েটের ছাত্ররা প্রতিবাদে মূখর হইয়া উঠলো। তারা বিভিন্ন রুটের গাড়ি ভাঙচূড় করলো। প্রতিবাদের প্রকাশে স্বতঃস্ফূর্ত ক্ষোভের রেখাগুলি দৃশ্যমান ছিলো। তাদের এই ক্ষোভে শ্রেণী বিদ্বেষ ছিলো কীনা জানি না, কিন্তু ঐ সময়টাতে বিষয়টা আমার কাছে তেমন মনে হয় নাই। আমি বুয়েটের ছাত্রদের এই বিচ্ছুরিত আগুনের পক্ষে ছিলাম।
দেশে ব্লগ সংস্কৃতিতে বুয়েট থেইকা পাস দেওয়া ছাত্রদের আনাগোনা বেশ শক্তিশালি ঠেকে। আমরা বন্ধু ব্লগেও বুয়েট ছাত্রগো উপস্থিতি চোখে পড়ার মতোন। গতো শতকের ৯০ দশকের পর থেইকা আমাগো জাতীয় সংস্কৃতিতে ভালো ছাত্ররা কেবল পড়ালেখা করবো...তারা নিজের ডিসিপ্লিনে ভালো রেজাল্ট বাগাইবো এইটাই মূল শিক্ষাদর্শন হইয়া উঠছে বলা যায়। সেই হিসাবে বুয়েটের কঠিন বিষয়ে ছাত্ররা যখন ব্লগিঙে সিনেমা-ফটোগ্রাফি-মুক্তিযুদ্ধের চেতনা নিয়া আলোচনা করে তখন মনে হয় এই দেশের রাজনৈতিক সম্ভাবনা এখনো ফুরাইয়া যায় নাই। প্রকৌশলের মানুষরা অতীতের মতোই কৌশল নিয়াও ভাবতেছে।
গতো কয়েকদিন পত্রিকা পাতায় একটা সংবাদ দেখতেছি ধারাবাহিক ভাবেই রুটিন মতো উপস্থিতি জানান দিতেছে। বুয়েটে ছাত্রলীগের মাস্তানরা সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক সহ আরো অনেক নেতাকর্মীরে শারিরীকভাবে আহত করার পর আবার তাদের রুমে ভাঙচূড় অগ্নিসংযোগ করছে। সভাপতি গৌতম নামের ছেলেটারে পরপর তিনদিন মধ্যযূগীয় কায়দায় পিটাইছে। সে এখন পুরাপুরিই হসপিটালাইজ্ড।
কিন্তু আমার পরিচিত কোনো ব্লগে কিম্বা ফেইসবুকেও এই বিষয়ে ননপার্টিজান বুয়েটছাত্রগো কোনো রকমের মতামত পর্যন্ত জানলাম না। সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের ভাষ্য হইলো ছাত্রলীগের চাঁদাবাজির প্রতিবাদ করতে গেলেই ছাত্রলীগের মাস্তানরা তাগো গায়ে হাত তোলে। আর ছাত্রলীগের মাস্তানগো দাবী ছাত্র ফ্রন্টের ক্যাডাররা তাগো আগে মারতে গেছে তারপর তারা পাল্টা আঘাত হানছে। আমার স্বল্পকালীন রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা থেইকা বুঝতে পারি ছাত্রলীগের মাস্তানরা মিথ্যা কইতেছে। বুয়েট ছাত্ররা বিষয়টা আরো ভালো বুঝতে পারে। বুয়েটে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের মাস্তানগো বিরুদ্ধে আন্দোলন হইছে। ছাত্রফ্রন্ট সেই আন্দোলনে বেশ সক্রিয় ছিলো বইলাই জানি। সাধারণ ছাত্ররা যারা কোনো রাজনৈতিক লেবেলে আটকায় নাই তারা ঐ আন্দোলনে থাকাতে সনি হত্যার বিচার হইছে। কিন্তু এইবার দেখতেছি ভিন্ন চিত্র...
বুয়েটের ছাত্ররা কি তবে ঐতিহ্যরে সমর্পণ করতেছে শিক্ষা দর্শনের পরিবর্তনের কাছে!? তবে কি বাস শ্রমিকের আন্দোলনটা আসলেই শ্রেণী বিদ্বেষ থেইকা উৎসারিত আন্দোলন ছিলো? তবে কি ছাত্রলীগের চাঁদাবাজিরে বুয়েটের ছাত্ররা স্বাভাবিক ঘটনা মনে করতেছে? অতীতে বুয়েটিয়ানরা কি তবে আন্দোলনে গিয়া ভুল করছে?
মুক্তিযুদ্ধের চেতনা নিয়া যেইসব বুয়েটিয়ানদের দেখি ব্লগে ব্লগে ঝড় তুলতে তারা কি ছাত্রলীগের মাস্তানি সর্বস্ব রাজনীতিরে একাত্তরের চেতনার পার্ট মনে করে...





ছাত্রলীগের মাস্তানি কি আপনারা সমর্থন করতেছেন?: সাধারন জনগনের প্রতি প্রশ্ন...
এইটা কি কইলেন ভাই । ছাত্রলীগের 'গণ প্রতিরোধ'রে আপনি মাস্তানী কইতেছেন , শেখ হাসিনার 'নো-বেল' পুরুস্কার প্রাপ্তির ন্যায্যতা স্বপক্ষে জনমত সৃষ্টির মহৎ লক্ষ্যে যারা প্রাণপাত করতেছেন, সেইসব 'সোনার ছেলে'দের আপনি চাঁদাবাজ এবং মাস্তান বলে গালমন্দ করছেন, আপনার সাহসতো কম না !
বুয়েটিগুলারই যদি এই অবস্থা তাহলে মাদ্রাসাগুলিরে আর কি কওন
মন্তব্য করুন