হুদাই প্যাচাল... (১)
এক.
(ক)
রুমানা মঞ্জুররে তার জামাই হাসান সাঈদ পিটানোতে বেশ হয়। আমরা আবার নারী নীতি নিয়া সোচ্চার হওয়ার কথা ভাবতে পারি। আওয়ামি আর আমিনীর শঠতার আড়ালে চইলা যাওয়া নারী নীতি নিয়া আবার ভাববার সময় বের করতে পারুম আমরা মধ্যবিত্তরা। রুমানা মঞ্জুরের চোখ নষ্ট হওয়াতে বেশ ভালো হইলো, সাঈদ সাহেব যদি কেবল চর থাপ্পরে ছাইড়া দিতো তাইলে তো আর টেলিভিশন চ্যানেল আর পত্রিকাগুলি নিউজ করতো না। এমন চর থাপ্পরতো সাংসারিকতায় স্বাভাবিক আচরণ। দুইটা মানুষ এতোদিন ধইরা একলগে আছে, এইরম ঝগড়াঝাটি খুবই নিয়মিত প্রত্যাশিত আচরণ।
(খ)
হাসান সাঈদ রুমানার বিরুদ্ধে কিছু অভিযোগ হাজির করছেন তার চোখ খুবলাইয়া আর নাক কামড়াইয়া নেওনের জাস্টিফিকেশন জারীর জন্য। রুমানা নাকি তার চাইতে অনেক ছোট এক ইরানী বালকের লগে লিভ টুগেদার করতেছিলো গতো এক বছর ধইরা। প্রায় এগারো বছর আগে দাসখত লেইখা দেওনের পরেও এইরম লিভ টুগেদার করা কিম্বা ফষ্টিনষ্টি করাটা তো একজন প্রভূবৎ জামাইয়ের কাছে অপরাধই! ধর্মেও এইসব অযাচার অনাচার নিষিদ্ধ আছে...আমিনীরা এখন সাঈদের পক্ষে রাস্তায় না নামলেই হয়। শেখ হাসিনার কাছের মানুষ ডঃ হাসান মাহমুদ যিনি আবার নির্যাতক হাসান সাঈদের স্বজন তিনি যদি এখন ইসলামী আইনের ফতোয়া দেন, বেয়াদব জেনা'রত স্ত্রীরে পিটানোর বিধান কুরআন মজিদেও আছে...সাঈদ একটু বেশি রাগান্বিত ছিলো কেবল...
(গ)
সাঈদ নৃশংসভাবে মারছে রুমানারে কেবল এই গ্রাউন্ডেই এই ঘটনার বিচার হইতে পারে। সভ্যতার ধারাবাহিকতায় এখন আর ইটের জবাব পাটকেল কিম্বা দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির বিধান জারী নাই। তাই সাঈদ কিছু একটা শাস্তি ভোগ কইরা আবারো স্বাভাবিক জীবনে ফিরা আসনের চান্স পাইবো। আবারো হয়তো একটা নির্যাতনের গ্রাউন্ড প্রিপেয়ার্ড হইবো। আজকের দিনে যেই কয়টা নির্যাতনের সম্ভাবনা ছিলো সব কয়টাই ঠিকঠাক ভাবেই চলতেছে আশা করি। রাত যতো ঘনায় বউ পিটানোর হিড়িক ততোটাই বাড়ে। চলুক নির্যাতন! কী আসে যায় আমাগো! আমরা কেবল শিক্ষিকা রুমানা মঞ্জুরের উপর সহিংসতার বিচার চাই। সাঈদের চোখ আর বিচি দুইটা যদি তুইলা নেয়া হইতো তাইলে যদি আমাগো কলিজাটা ঠাণ্ডা হয়।
(ঘ)
সাঈদ একটা সীক! তার মাথায় গণ্ডগোল আছে, নাইলে একজন পুরুষ আরেকজন নারীর নাক কামড়াইয়া নিতে পারে!? চোখ খুবলায়!? এইরম ভাবতে গেলে আমি চারপাশে মানসিকভাবে অসুস্থ্য পোটেনশিয়াল সব পুরুষদের হাটতে দেখি। একজন সাঈদ ঠিক ততোটাই অসুস্থ্য যতোটার জন্য এমন ওপেন একটা ছোট মেয়ের সামনে মাইরপিট করা যায়। পুরুষরা আজকাল সীকনেসের আবরণ চড়াইতেছে তাদের নির্যাতনের গায়ে।
দুই.
ফেইসবুকে একটা লেখার লিংক দেখলাম। পরিচিত বন্ধু-বান্ধবরা এই লিংক ছড়ানের মহান দায়িত্ব নিছে। তাই আমি আর সেই দায়িত্ব পালনে আগ্রহী হইলাম না। আমি বরং সেই লিংক বিষয়ে কিছু কইতে আগ্রহী।
এক ব্লগার অনেক গবেষণা কইরা বাইর করছে পাকিস্তানীরা আমাগো বিরুদ্ধে বিষোদগার জারী রাখছে এখনো। তারা বাঙালি জাতিরে এখনো রেইসিস্ট অ্যাটিটিউডেই দেইখা থাকে। তো এইরম গবেষণা ভালো জিনিষ আমার তা মনে হয়। ইতিহাসের যেকোনোরম লিপিবদ্ধ ফর্ম্যাটই প্রয়োজনীয়। পাকিস্তানীরা এখনো বাঙালিগো নিয়া কিরম অ্যাটিটিউড পোষণ করে তার গবেষণাটা হয়তো একটু বেশি জরুরী। কারণ আমরা চাই পাকিস্তানীরা আমাগো ভালো পাক। বাঙালিগো তারা প্রশংসা করুক মুহুর্মূহু এইটা চাই বইলাই আমরা তাগো বিপরীতমূখী আচরণ নিয়া এতোটা আগ্রহী হইয়া উঠি।
তয় আমি একটু ধাক্কা খাই এই লিংক শেয়ার করা এক বন্ধুর বক্তব্যে। সে হঠাৎ বাঙালিগো ঘৃণা নিয়া আগ্রহীরা এই পাকিঘৃণা বিষয়ে কি বলে সেইটা জানতে আগ্রহী হইয়া উঠে। আমি নিজে বাঙালিগো ঘৃণাবাদ বিরোধী মানুষ, তাই এই বন্ধুর কথাটারে মনে ধরে। আর তারে কইতে ইচ্ছা করে ভাই পাকিগো ঘৃণাবাদ নিয়া আমার কোনো বক্তব্য নাই। পাকিস্তানি শাসক গোষ্ঠীর যেই ঘৃণাবাদ তার বিরোধীতা আমাগো মুক্তিযুদ্ধের সময়কারও একটা সিগনিফিকেন্ট বিষয়। পাকিস্তানিরা সেই সময়েও বাঙালিগো প্রতি ঘৃণা বহাল রাখতে চাইছিলো বইলাই বাঙালির মুক্তিযুদ্ধের শুরু।
ব্যক্তিগতভাবে আমি মনে করি যেই ঘৃণাবাদের বিরুদ্ধে দাঁড়ানের মাধ্যমে বাঙালি জাতির মহান মুক্তিযুদ্ধের সূচনা, সেই বাঙালি আজকে হঠাৎ ক্যান পাকিস্তানিগো মতোন আচরণ করতে শুরু করলো! ঘৃণার একমাত্র জবাব কি তাইলে পাল্টা ঘৃণায়?
তিন.
তত্ত্বাবধায়ক সরকার বহাল রাখনের দাবীতে বিএনপি আর তার জোট চারদল আন্দোলন শুরু করছে। কারণ আওয়ামি লীগ এই প্রক্রিয়া বন্ধ করনের ঘোষণা দিছে কিছুকাল আগে। রাষ্ট্রবিজ্ঞানে তত্ত্বাবধায়ক সরকার বিষয়টা একটু জটিল কনসেপ্ট। রাজনৈতিক বিজ্ঞানেও।
এই দেশে তত্ত্বাবধায়ক সরকার পদ্ধতি না থাকলে কি হইতো তা আমরা তত্ত্বাবধায়ক সরকার আসলেই দেখতে পাই। ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দলগুলি কেমনে ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং করছিলো তার জারীজুরী ফাস হয় তত্ত্বাবধায়কের আমলেই। এর আগে দুইদলই ধরা খাইছে তত্ত্বাবধায়কগো বেইসিক সততার কাছে। আর তাই আদালতের ভিন্ন সুপারিশ থাকলেও আওয়ামিরা তত্ত্বাধায়ক বাতিলের লেইগা উইঠা পইড়া লাগছে। তাগো যে দেশের উন্নয়ণের জন্য আর ১০/১২ বছর ক্ষমতায় থাকনটা জরুরী।
আসলেতো ক্ষমতায় থাকলে দলীয় নেতাগো ব্যক্তিগত উন্নয়ণ ছাড়া আর কিছু ঘটে না। সেই অর্থে আসলেই বিএনপি-জামায়াত জোট যুদ্ধাপরাধী বিচারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র এই তত্ত্বাবধায়ক রাখার আন্দোলন। কারণ তত্ত্বাবধায়ক সরকার থাকলে আওয়ামিরা হয়তো আবার ক্ষমতায় আসবো না। তাগো দুঃশাসনের চাপে ও তাপে জনগণের ইতোমধ্যেই নাভিশ্বাস উঠছে। তাইলে এই টার্মে শেষ না হওয়া যুদ্ধাপরাধীগো বিচারের তোরজোর শেষ হইয়া যাইবো।
আওয়ামিরা যে এই টার্মে যুদ্ধাপরাধীগো বিচার শেষ করবোনা এইটা জানাইয়া দিলো আসলে জনতারে...জনতা কি এইরম জটিল কথা বুঝে বা চর্চা করে? মনে হয় না, তারা এইরম জটিলতায় থাকতে চায় না বইলাই তো তত্ত্বাবধায়কের অধীনেই বেশিরভাগ মানুষ সাচ্ছন্দবোধ করে।
যারা ব্যবসা করে তাগো দুর্নীতি চালাইতে পারে না বইলা, তারাও তত্ত্বাবধায়কের অবসান চায়। হায়রে উন্মোচিত চরিত্রের কর দিতে না চাওয়া ব্যবসায়ির দল!





বিয়ে করাটাকে কি আপনি দাসখত দেয়া মনে করেন !!!
আমি মনে করা না করায় কি আসে যায়? এই সমাজের বেশিরভাগ মানুষতো বিয়ার দলিলটারে দাসখতের নমূনাই ভাবে বইলা মনে হয়। নাইলে পইড়া পইড়া মাইর খাওনের বা মানসিক র্নিযাতন সহ্য করবার তো আর কোনো কারণ নাই...
প্রশ্নটা আপনাকেই করা ছিলো। সমাজের বেশির ভাগ মানুষ কি মনে করে সেটা বলা হয় নাই। যাই হোক, সমাজের বেশির ভাগ মানুষ কি ভাবে সেইটা নিয়া কোনো গভেষনা করা হইলে সেইটার ফলাফল জানতে মন চায় :)। পইরা পইরা মাইর খাওনের সাথে বিয়ের সম্পর্ক নাই ( আমার মত, সমাজে কি ভাবে সেইটা জানি না ) । যে সব দেশে বিয়ে ছাড়া লিভ টূগেদার করে সেই সব দেশেও ডোমেস্টিক ভায়োলেন্সের সংখ্যা লক্ষনীয় ভাবে অসংখ্য। লিভ টুগেদারে মিল হইলো না- চইলা গেলাম যেমন চলে, তেমনি বিয়ে করার পরও ডিভোর্সও চমর ভাবে চলে এসব দেশে। আমাদের দেশে এইটা কম ঘটে, সেইটা নানা কারনে হয়, শুধুমাত্র তথাকথিত 'দাসখত' এর জন্য না। বিয়েতো কোনো ক্লস দেয়া থাকে না যে বউ/স্বামী একে অপরকে ডিভোর্স দিতে পারবো না। এইটা মুজলিম ম্যারেজ লতে আছে, বাংলাদেশের কমন লতেও আছে।
বিয়ার দাসখত লেখা আছে বইলাই হাসান সাঈদের পক্ষের পুরুষও বাইর হইতেছে ধীরে ধীরে। যারা বিশ্বাস করে একজন বিবাহিত নারী অন্য কোনো পুরুষের প্রেমে পড়বো না বা পড়বার অধিকার রাখে না। আর এই বচনের রেশ ধইরা তারা হাসান সাঈদের ভায়োলেন্ট এ্যাটাকরে জায়েজ করারও চেষ্টা চালাইতেছে, মানব জমিনে প্রকাশিত সুপন রায়ের রিপোর্টটা পইড়া দেখতে পারেন।
হাসান সাঈদের অপরাধকে জাস্টিফাই করা মানে সেই অপরাধের ভাগীদার হওয়া ও সেই মনমানসীকতার বলে নিজেকে প্রমাণ করা। অপরাধ সেটা যেভাবে ও যেখানে এবং যেই করুকনা কেনো সেটা অপরাধই।
বিয়ে বলেন আর অন্য যেকোনো সম্পর্কই বলেন, সেখানে বিশ্বস্ততা ও পারস্পরিক বিশ্বস্ততার একটা বিশাল ব্যাপর আছে। এখানে কোনো রকম ছাড় দেয়া হয় না। এটা যদি নাই থাকতো তবে সম্পর্কযুক্ত মানুষ অন্য মানুষের সাথে শারিরীক বা মানসিক সম্পর্কে যুক্ত হতো যত্রতত্র, ছেড়েও চলে গিয়ে আরেকজনের সাথে ...... যদি সম্পর্ক যুক্ত কেউ অন্য সম্পর্কে জড়ায় বা জড়াতে শুরু করে তবে তার উচিৎ তার বর্তমান সম্পর্ক পুরোপুরি ছেড়ে দিয়েই নতুন সম্পর্কে জড়ানো, নচেৎ সেটা হবে অনৈতিক। বিয়ে কাউকে বাধ্য করে না ( রোমান ক্যানথলিক বাদে ) সম্পর্কচ্ছেদ করতে।
বিয়াশাদির বিরোধীতা আমি করি না...কিন্তু বিবাহিত কেউ যদি অন্য কোনো সর্ম্পকে জড়ায় এরমধ্যে তার স্বাধীনতাটারেও নাকচ করতে পারি না। যদি বিয়ার ঐ দলিলের হুকুমতে এই সর্ম্পকে প্রতিবন্ধকতা তৈরী করে তাইলেতো ঐটারে দাসখতই বলা চলে।
তার মানে হইলো; আপনে বলতে চান বিয়ে দ্বারা সম্পর্ক আবদ্ধ দুইজনই বা একজন , তৃতীয় পক্ষের সাথে সম্পর্কযুক্তের ক্ষেত্রে স্বাধীনতা ভোগ করবে। তাইলতে সেই সম্পর্ক আর সম্পর্ক থাকলো কই ?
স্ত্রী অন্য পুরুষে গমন করিবে, কারন সেই স্বাধীনতা তার আছে;;) স্বামী বালিকা বন্ধুর কোমর জড়াইয়া স্ত্রীর সাথে পরিচয় করিয়ে দেবে, কারন সেই স্বাধীনতা তার আছে
স্ত্রী তার প্রেমিক প্রবরের সাথে স্বামীকে পরিচয় করিয়ে দেবে তার জিন্সের পকেটে হাত দিেয়, কারন সেই স্বাধীনতা তার আছে
.... এটা যদি স্বাধীনতা হয় তবে আমি বলবো, সুম্মা আমিন
........... যদি সে সম্পর্কে জড়িয়েই পরে তবে সম্পর্কচ্ছেন করেই করুক। বিয়ে ছাড়া সম্পর্কের ক্ষেত্রেও এটা প্রযোজ্য।
স্বামী বারবণিতা গমন করিবে, সেই স্বাধীনতা তার আছে
সবকিছুর পর বিবাহবিচ্ছেদের স্বাধীনতাটাও তো আছে...
বিএনপি ক্ষমতায় আসলেও্ তত্বাবধায়ক সরকার চাইতো না বইলাই আমার ধারণা।
বিএনপি না'ও চাইতে পারতো...অথবা হয়তো নিশ্চিত হওয়াই যায় তারা চাইতো না। কিন্তু তাই বইলা আওয়ামিগো উদ্দেশ্যতো আর জায়েজ হয় না মাসুম ভাই।
আমরা ঘৃণা করি পাকিস্তানীদের, পাহাড়িরা ঘৃণা করুক আমাদের, ভারতীয় আর পাকিস্তানীরা ঘৃণা করুক একে অপরকে। হিন্দু ঘৃণা করুক মুসলিমকে, মুসলিম ঘৃণা করুক ইহুদিকে। কালো আর সাদা ঘৃণা করুক একে অপরকে। একটা সময় দেখা যাবে প্রত্যেকটা মানুষ নিজেকে ছাড়া আর সবাইকে ঘৃণা করছে। তারপর, পৃথিবীতে থেকে যাবে শুধুই ঘৃণা, মানুষ ততদিনে অবলুপ্ত এক প্রজাতি!
শুধু সাঈদ একাই অসুস্থ হলে এক ধরনের উদ্বেগের বিষয়। কিন্তু, তার সাথে অতি সাম্প্রতিক মার্টিন হত্যা, কিছুদিন আগের শিশু সামিউল হত্যা আসলে একটা প্রচন্ড অসুস্থ সমাজের লক্ষণ, যেটা আরও অনেক বেশী উদ্বেগের বিষয়!
~
এই রকম হত্যাকান্ড নতুন কিছু না। মিডিয়াতে আসছে বলেই হঠাৎ চোখে পড়ছে।
এই কথায় সহমত...
সমাজের কুতুবেরা সামাজিক সহনশীলতা আর সমন্বয় সমুন্নত রাখতে গিয়া অনেক ধরনের মূল্যবোধ জারী করছেন। এই সব মূল্যবোধের বলি'ই হইতেছে সবাই। সর্ম্পকের কেমিস্ট্রিগুলিরে পাল্টাইয়া দিলেই হয়তো বিষয়গুলি এমন থাকতো না। মূল্যবোধগুলিরে স্বাধীনতার ডিসকোর্সে পড়বার চেষ্টা করলেই হয়তো আমরা অপবাদ থেইকা অপ'টারে বাদ দিতে পারতাম।
বাংলাদেশের মুসলিম আইনে মেয়েরা ডিভোর্স দিতে পারে যদি কাবিননামায় তাকে সেই ক্ষমতা দেয়া থাকে।
এটা জানা আছে, কানিন নামায় বিয়ে পড়ানোর সময় একটা ধারা আছে যেখানে বলা থাকে স্বামী , স্ত্রীকে তালাক দেবার অধিকার দিচ্ছে কি না। না দিলে, স্ত্রী আদালতের মাধ্যমে তালাক দেবার স্বাধীনতা রাখে।
লেখাটা পড়ছি ২০ মিনিট আগে । কমেন্ট করতে সময় নিলাম । কারণ , লেখককে দেখলাম এই পোস্টে অনেক কিছুই নিয়া এসেছেন । পারিবারিক নির্যাতন থেইকা আওয়ামি , বিএনপি , মুক্তিযুদ্ধ হয়ে পাকিস্থানিদের ঘৃণাবাদ পর্যন্ত গ্যাছে । তাই লেখার সূত্র আর শেষ নিয়াই আমি এখনো সন্দিহান
!
বিষয়ভিত্তিক থাকলে আমার মতো পাঠকের লাইগা সুবিধা হয়
। লেখায় বহু বিষয় নিয়া আইসা ভাস্কর'দা আমার মাথার উপর দিয়া নিয়া গ্যাছেন । ছুঁইছুঁই করেও এন্টেনায় তা স্পর্শ করলো না , আফসুস
!
হুমম।
মন্তব্য করুন