ইউজার লগইন

ক্রনিক্যাল অফ ঢাকা সিটি অথবা ঢাকা শহরের কিচ্ছা (২)

স্কুল পাশ দিয়া যখন শাহবাগের সিলভানা, পিজি'র পেছনের বটতলার বেদীমূল আর আজিজ মার্কেটের পাঠক সমাবেশের পেছনের সিড়ির উপর বইসা গাঞ্জা টানা শিখি, সেইসময় গ্যোটে কালচারাল সেন্টারে যাওয়াটাও নিয়মিত হয়। সেইকালে সিনেমাকেন্দ্রীক সংগঠনের জয়জয়কার। চলচ্চিত্রম, ঋত্বিক, সত্যজিৎ, রেইনবো, জহির রায়হান বিভিন্ন নামের চলচ্চিত্র সংসদ তখন ভীষণ রকম অ্যাকটিভ। ঢাকা শহরের বিভিন্ন অডিটোরিয়ামে তখন ইউরোপিয়ান চলচ্চিত্র দেখতাম তখন। তবে সিনেমা দেখার অভ্যাস তৈরী হইছিলো বিটিভি থেইকা। ম্যুভি অফ দ্য উইকে ঐ আমলে হলিউডের সব নামকরা সিনেমাই দেখাইতো মাঝে মাঝে উপরি পাওনা হইতো কালজয়ী ইউরোপিয়ান ক্লাসিক। বিটিভি'র সিনেমা বাছাইয়ে যদিও জনপ্রিয়তা একটা মাপকাঠি আছিলো। কিন্তু চলচ্চিত্র সংসদগুলির মাপকাঠি ছিলো বিকল্প ধারা। আমলটাই ছিলো এমন যে তখন ঢাকা শহরের সিনেমা হলগুলিতেও মেগাহিট ছবি গুলি নিয়া আসতো। পরিবারসহ সেইসব সিনেমা দেখতে যাইতো মধ্যবিত্তরা।

আমার ব্যক্তিগত স্মৃতিতে জীবনের প্রথম সিনেমার স্মৃতি হইলো গাছে বান্ধা দড়ির দোলনায় কবরী্ আন্টির দোল খাইতে খাইতে গান গাওয়া। কইতাছি নয়নমনি সিনেমার কথা। তয় ঐ ছবি দেখতে নিয়া গেছিলো মা আর বাপ। আমার বয়স তখন দুই পার হইছে কেবল। ছোটো বোইনটা বেশি ছোটো আর বড় বোইনের নাকি তখন পরীক্ষা চলতাছিলো। এইসবই শোনা কথা যদিও; আমি সিনেমা হলের মধ্যে মুইতা দিছিলাম এইটা হইলো সবচাইতে আলোচ্য ঘটনা...আমার মায়ে সেই সিনেমা'র গল্প করার চাইতে প্যান্ট নষ্ট করনের গল্পটাই বেশি করছে সারাজীবন। জীবনের দ্বিতীয় সিনেমা হইতেছে গোলাপী এখন ট্রেনে। প্রথম দেখনের স্মৃতিতে এই সিনেমার দুইটা বিষয় খালি মনে আছে, এক. নায়ক ফারুকের বত্রিশ দাঁত ক্যালাইয়া দেওয়া হাসি আর দুই. সেই ফারুকেরই লাইত্থাইয়া বেড়া ভাঙ্গনের দৃশ্য। তবে আমার সিনেমা আর সিনেমা হল প্রীতি তৈরী হইছিলো সিনেমাখোড় বাপ-মায়ের বরাতেই। বাল্যকাল পার হইতে না হইতেই আমরা সিনেমা হলে গিয়া বেন-হার, হেলেন অফ ট্রয়, ওয়ার্ল্ড গ্রেটেস্ট সার্কাস টাইপের মেইনস্ট্রিম বড় ছবি দেইখা ফেলছি। মা-বাপে তখনকার আমলের অন্টারনেটিভ সব ছবিই দেখতে যাইতো। আমার বাপ-মা'রে বেশি কালচারাল বানাইয়া ফেলতেছি মনে হয়। আসলে ঢাকা শহরের বেশিরভাগ শিক্ষিত মধ্যবিত্ত পরিবারেই সেই আমলে সিনেমা হলে যাওনের অভ্যাস আছিলো বইলা মনে হয়।

মনে আছে আমরা ভাই-বোনেরা মিলা বাপ-মায়ের অনুমোদনেই দূরদেশ কিম্বা লাভ ইন সিঙ্গাপুর দেখতে গেছিলাম। এই তালিকায় মিস লংকা সিনেমাটাও আছে যদ্দুর মনে পড়ে। তবে তখন আমি পালাইয়া সিনেমা দেখনের অভিজ্ঞতাও অর্জন কইরা ফেলছি। মা-বাপ দুইজনেই গেছে আজমীর শরীফে। বাড়িতে আমরা তিন ভাই-বোন আর বুয়া নিয়মিত। আর অনিয়মিত ভাবে ছোটো ফুফু আইসা দেখভাল কইরা যাইতো। আমি এই সুযোগে এক দুপুরে হাত খরচের টাকা নিয়া রওনা দিলাম বাড়ির কাছের মুক্তি সিনেমা হলে। গিয়া পাইলাম দুনিয়াদারী'র স্বাদ। রোজিনা অভিনীত সেই ছবির কথা আমার কিচ্ছু মনে নাই। তয় এই স্মৃতিচারণ করতে গিয়া মনে পড়লো, বাংলাদেশের প্রথম আংশিক রঙ্গীন সিনেমা দেখছিলাম অলিভিয়া অভিনীত কোন একটা। নামটা পেটে আছে কিন্তু কিছুতেই ঠোটে আইবার লাগতেছে না।

জীবনের বেশিরভাগ সিনেমা অবশ্য দেইখা ফেলছি ক্লাস এইটে উঠনের পর। তখন গভঃ ল্যাবরেটরী স্কুলে পড়ি। স্কুলের আশেপাশে তিনটা সিনেমা হল, মল্লিকা, বলাকা আর নতুন হওয়া বিনাকা। দল বাইন্ধা আমরা সিনেমা দেখতে যাইতাম। কি সিনেমা চলতাছে তাতে কোনো মাথা ব্যথা নাই। বিনা টিকিটে ঢুইকা নায়ক-নায়িকা আর ঘটনা নিয়া কমেন্ট করা আর সিটি বাজানের অ্যাডভেঞ্চারটাই মূখ্য ছিলো তখন। প্রতি সপ্তাহে অন্ততপক্ষে দুইটা ছবি দেখছি টানা তিন বছর। টেস্ট পরীক্ষার পরে এসএসসি'র তিনমাস আগে আমরা জোর কইরা ধইরা লইয়া গেছিলাম রিমনরে...রিমন মানে আমাগো ব্যাচে যে স্বাধীনতা পরবর্তীকালে সবচাইয়া বেশি নম্বর পাইছিলো এক হাজারের মধ্যে। সেই যাদুমহল সিনেমা দেখনের স্মৃতিটা এখনো আমার মনে আছে। তয় এসএসসি পরীক্ষার পর বাড়ির অবস্থা আর মিরপুরে সদ্য পরিচিত হওয়া গাণ্ডীব নামের লিটল ম্যাগ সম্পাদক তপন বড়ুয়া'র সংস্পর্শে গিয়া মনে হয় বাণিজ্যিক সিনেমা দেখনের উৎসাহে কিছুটা ভাটা পড়ছিলো। তখন আমি প্রতিষ্ঠান বিরোধী হওনের আকাঙ্খা লালন করি। স্বপ্ন দেখি কবিতা লেইখাই সব পাল্টাইয়া দিমু। সংস্কার-সংস্কৃতি-সম্পর্কের রাজনীতি সবকিছু।

সিনেমা দেখতে দেখতে তখন চলচ্চিত্র সংসদের সদস্য হওনের খায়েশ হয়। কিন্তু সদস্যপদের লেইগা টাকা লাগে বিধায় তাতে যোগ দেওয়া হয় নাই বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির আগ পর্যন্ত। বিশ্ববিদ্যালয়ে থাকতাম হলে। সেইখান থেইকা এক টাকা খরচ কইরা কলাবাগান আইসা সিনেমা দেখতাম গ্যোটেতে, আলিয়ঁসে...সেইসব সিনেমা দেখনের দিনেও এই শহরের আরো কতো অজানা অধ্যায়ের লগে সখ্যতা। সবকিছু ব্লগে লেইখা কইতে যাওয়াটাও বিপদজনক। কতোরকম স্নায়ুর ক্ষমতাওয়ালা মানুষেরা ব্লগ জগতে ঠাই পাইছে, আমি আজতক সেইটা বুঝবার পারি নাই। তয় সিনেমা দেখার উৎসাহ টের পাইলো শাহিদ ভাই। আমারে জাহাঙ্গীরনগর ফিল্ম সোসাইটি'র প্রচার সম্পাদক বানাইয়া দিলেন তিনি। এই সোসাইটির কল্যানে আরো কতো শতো সিনেমার অলিগলির সাথে সম্পর্ক। আগে কেবল সিনেমা নোয়্যার কিম্বা নিউ ওয়েভে উদ্বেলিত হইতাম, বামপন্থী শাহিদ ভাইয়ের কল্যানে পরিচিত হইলাম চ্যাপলিনের ছবির সাথে। আগে কেবল কমেডিয়ান হিসাবে দেখতাম যেই লোকটারে তার রাজনৈতিক সূক্ষ স্যাটায়ার অনুভব করতে শিখলাম। আইজেনস্টাইন-তারকোভস্কি দেখা থাকলেও ষাট দশকের ব্যালাড অফ আ সোলজার কিম্বা ক্রেইন্স আর ফ্লাইয়িং দেখা হয় নাই। নব্বইয়ের শুরুতে শুরু হওয়া অহেতুক দুচ্ছাই তত্ত্বের ঘেরাটোপ থেইকা বাইর হইয়া আসতে শাহিদ ভাইয়ের ভূমিকা অপরিসীম।

সিনেমা দেখতেই ভালো লাগতো তখন। তয় ৯৪/৯৫'এর দিকে একটা ছবি দেখনের পর মনে হয় প্রথম মনে হইলো সিনেমা বানাইতে পারলে খারাপ হইতো না। লার্স ভন ট্রায়ারের প্রথম ফীচার ছবি দ্য এলিমেন্ট অফ ক্রাইম দেইখা সিনেমা বানানের শখ চাড়া দিলো। এই আকাঙ্খা ধীরে ধীরে আরো প্রগাঢ় হইলো কিসলোয়েফস্কি আর ত্রুফোর কল্যাণে। তয় পরিপূণর্তা পাইলো অ্যালা রেনেঁ'তে আইসা। যেইদিন প্রথম তার দ্বিতীয় ছবি লাস্ট ইয়ার অ্যাট ম্যারিয়েনবাড দেখলাম সেইদিন আমি সম্ভবতঃ পুরাই মানসিকভাবে অস্থির ছিলাম। প্রায় দুই পাতা ইউনোকটিন গলধঃকরণ করছি দুপুরে। তবু সেই প্রায় পরাবাস্তবতা আমার চোখে ধরা দিলো পরম বাস্তবতার মতোন। এরপর ফাসবিন্ডার, ওয়ার্নার হেরজগ, ব্রেসোঁ বহুজন সেই পথে যাওয়ার আহ্বান জানায় প্রতিনিয়তঃ। তবু আজো আমার ছোঁয়া হয় নাই সেই পথের সীমানা...

আজকে হঠাৎ প্রশ্ন তৈরী হয়, এই শহর নিয়া কখনো কেউ কোনো সিনেমা বানাইছে? এই প্রশ্নের উত্তরে আমার খালি মনে হইতে থাকে দহন সিনেমার কিছু দৃশ্য আর অশিক্ষিত সিনেমার সেই বিখ্যাত গান, ঢাকা শহর আইসা আমার আশা পুড়াইছে...

আমার মনে হইতে থাকে এই শহরের সিনেমা নাই কেনো? ঢাকায় থাকি নামে একটা টিভি সিরিয়াল দেখাইতো আশির দশকের শেষ দিকে। সেই সিরিয়ালে নিজের শহর ঢাকারে দেখতে পাই নাই কোনোদিন। আজকে আমার মনে হইতে থাকে ঢাকা শহরের একটা সিনেমা বানাইতে হইবো...যেই সিনেমায় এই শহরের মানুষরে গ্রাস কইরা ফেলার অপরিসীম ক্ষমতা টের পাওন যাইবো, যেই ছবিতে এই শহরের হার্দিক গভীরতা টের পাওন যাইবো। যেই ছবিতে এই শহর আমাদের সকলের বয়সের সমান উচ্চতায় দাঁড়াইবো তার আভিজাত্য আর বৈচিত্রের অহংকার নিয়া...

পোস্টটি ৫ জন ব্লগার পছন্দ করেছেন

বিষণ্ণ বাউন্ডুলে's picture


লেখার বিষয় টা ভাল লাগলো অনেক।

সত্যজিতের ফেলুদা পড়ে ভারতের অনেক শহর কতদিনের চেনা মনে হয়!
সিনেমা তো সিনেমা, কেউ আজতক এই ইট কাঠের অবহেলিত খাঁচা নিয়ে সেরকম কোন বই ও তো লিখল না! Sad

ভাস্কর's picture


সত্যজিতের একটা সিনেমাই আছে মহানগর নামে...

লীনা দিলরুবা's picture


ঢাকা শহর আইসা আমার আশা পুড়াইছে... ফুরাইছে হবে মনে হয়।

জোস লাগতেছে। থাইমেন্না,পর পর লিখে যান।

লার্স ভন ট্রায়ারের প্রথম ফীচার ছবি দ্য এলিমেন্ট অফ ক্রাইম দেইখা সিনেমা বানানের শখ চাড়া দিলো। এই আকাঙ্খা ধীরে ধীরে আরো প্রগাঢ় হইলো কিসলোয়েফস্কি আর ত্রুফোর কল্যাণে। তয় পরিপূণর্তা পাইলো অ্যালা রেনেঁ'তে আইসা। যেইদিন প্রথম তার দ্বিতীয় ছবি লাস্ট ইয়ার অ্যাট ম্যারিয়েনবাড দেখলাম সেইদিন আমি সম্ভবতঃ পুরাই মানসিকভাবে অস্থির ছিলাম। প্রায় দুই পাতা ইউনোকটিন গলধঃকরণ করছি দুপুরে। তবু সেই প্রায় পরাবাস্তবতা আমার চোখে ধরা দিলো পরম বাস্তবতার মতোন। এরপর ফাসবিন্ডার, ওয়ার্নার হেরজগ, ব্রেসোঁ বহুজন সেই পথে যাওয়ার আহ্বান জানায় প্রতিনিয়তঃ। তবু আজো আমার ছোঁয়া হয় নাই সেই পথের সীমানা...

আপনার লেখার হাতরে হিংসা দিলাম।

ভাস্কর's picture


আশা ফুরাইলে মনে হয় আনন্দ হয় না...আশা পূরাইলে, মানে পূরণ হইলেই ভালো।

জ্যোতি's picture


জোশ লাগতেছে লেখাটা পড়তে।

আরাফাত শান্ত's picture


মুগ্ধতা নিয়েই পড়লাম আপনার স্মৃতিকথা।সিনেমা হয় নাই বলেই সুবিধা যে কেউ চেষ্টা করলেই ভালো সিনেমা হবে এই শহর নিয়ে!

রাসেল আশরাফ's picture


মুগ্ধ হয়ে পড়ছি এই সিরিজ।শুধু এতাই জানানোর জন্য কমেন্ট করা।

স্বপ্নের ফেরীওয়ালা's picture


সত্তুরের শেষে – আশির শুরুতে ঢাকা শহরের বেশিরভাগ শিক্ষিত মধ্যবিত্ত পরিবারেই সপরিবারে সিনেমা হলে যাওয়ার অভ্যাসটা ছিল... বাচ্চা-কালে সপরিবারে দেখা আরও দুইটা সিনেমা মনে পড়ছে - সূর্য দীঘল বাড়ী ও কসাই। এরপরে একদিকে ভিসিআর এর আগমন অন্যদিকে ছবির আকাল এই দুটো মিলে হলে সপরিবারে সিনেমা দেখার কালচারটাই বন্ধ হয়ে যায়।

ঢাকার কিচ্ছা চলুক...

~

ভাস্কর's picture


প্রযুক্তি বিষয়ে আরেকটা লেখার প্ল্যান আছে...

১০

নাহীদ Hossain's picture


একটা সিনেমা বানাইতে হইবো...যেই সিনেমায় এই শহরের মানুষরে গ্রাস কইরা ফেলার অপরিসীম ক্ষমতা টের পাওন যাইবো, যেই ছবিতে এই শহরের হার্দিক গভীরতা টের পাওন যাইবো।

........ একমত

১১

শর্মি's picture


এরম একটা ছবি দেখতে চাই যেখানে ঢাকা শহরটাই প্রধান চরিত্র, অভিনেতারা সাপোর্টিং কাস্ট।

আপনার ছবিটা এবার বানায়ে ফেলেন ভাস্কর ভাই।

১২

ভাস্কর's picture


শহরের গল্প বলতে গেলে খালি একটাই সমস্যা বোধ করি, ইতিহাসের ত্যানাটা প্যাচানো যাইবো না। এই শহরের মুহুর্তে মুহুর্তে পাল্টাইতেছে। আজকে গুলশান এক নাম্বার গোলচক্করটারে যেমন দেখছি কালকে সকালেই হয়তো অন্যরকম হইয়া যাইবো। তবে পরিবর্তনের এই প্যারাডাইমেই গল্পের বেসিক চরিত্র দাঁড়াইতে পারে। আপনে ঢাকায় আসলে গল্পটা নিয়া আমার প্রাইমারী ভাবনাটা শেয়ার করুমনে...

১৩

তানবীরা's picture


আজকে আমার মনে হইতে থাকে ঢাকা শহরের একটা সিনেমা বানাইতে হইবো...যেই সিনেমায় এই শহরের মানুষরে গ্রাস কইরা ফেলার অপরিসীম ক্ষমতা টের পাওন যাইবো, যেই ছবিতে এই শহরের হার্দিক গভীরতা টের পাওন যাইবো। যেই ছবিতে এই শহর আমাদের সকলের বয়সের সমান উচ্চতায় দাঁড়াইবো তার আভিজাত্য আর বৈচিত্রের অহংকার নিয়া...

নায়িকা লাগলে বইলেন Wink

জোক্স এপার্ট, আমাদের পুরনো এই নোংরা শহরটা পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে যাওয়ার আগে একটা সিনেমা হওয়াই উচিত। আমি শুরু করেন

১৪

ভাস্কর's picture


গল্পের যেই ধরণটা ভাবতেছি তাতে আপনে এনসাম্বল অ্যাক্ট্রেস হিসাবে থাকতেই পারেন Big smile । শুরুটা আসলে কয়েকজন মিলা করতে হইবো শহরের ক্যানভাসে গল্প বলতে হইলে...

১৫

হাসান রায়হান's picture


ববিরে নিতেই হইব। Laughing out loud

১৬

তানবীরা's picture


থ্যাঙ্কস ফর ইউর সাপোর্ট মেজর Big smile

১৭

তানবীরা's picture


এনসাম্বল নেন আর প্রিন্সিপাল নেন, ঐতিহাসিক ছবির পার্ট হতে চাইইই Big smile

১৮

লিজা's picture


দেশের সব নাটক সিনেমায় তো কম বেশি ঢাকা শহরের কথা থাকেই । কিন্তু সেটা ঠিক আদি অকৃত্রিম ঢাকা না । যে ঢাকার কথা বিখ্যাত লোকেদের স্মৃতিকথায় পড়ি, ঠিক সেই ঢাকা না হলেও তার কিছুটা ছায়া দেখতে চাই । যদি সত্যিই ঢাকা নিয়ে কোন সিনেমা হয় ।
লেখাতে Star Star Star Star Star

১৯

হাসান রায়হান's picture


বিস্তর আরাম পাইলাম লেখাটা পইড়া।

২০

সাঈদ's picture


দারুন । পরের পর্বের অপেক্ষায়।

ছোট বেলায় মা'কে দেখতাম ফুপু না হলে খালাদের কে নিয়ে সিনেমা হলে যাইতে। আমাদের নিতেন না সাথে Sad

আর মিরপুরের সবচেয়ে কাছের হল ছিলো শ্যামলী, সেই হলটাও এখন নাই। Sad মীরপুরে বাড়ীর কাছে প্রথম সিনেমা হল হইলো পুরবী - বাবার সাথে আমরা সবাই পুরো দল বেঁধে ২০/২৫ জন গেছিলাম "জনি আমার নাম" সিনেমা দেখতে।

ঢাকা কে আসলেই একটা সিনেমা করা দরকার । 'আহা' তে একটা সামান্য অংশ উঠে এসেছে কিন্তু পূর্নাঙ্গ ঢাকার চিত্র আসে এরকম একটা সিনেমা বানান ।

আর সিনেমা কইরেন না যে চরিত্র গুলো হাঁটে তো হাঁটে না , এক টা ছাগল হাইটা যাইতাছে , ৫ মিনিট ধরে সেইটাই দেখানো হইতেছে। Tongue এরকম সিনেমা দেখলে কেন জানি ঘুম পায় আজকাল ।

২১

হাসান রায়হান's picture


একবার নায়ক জসিম বলছিল, আর্ট ফিলিম হইল দুইজন লোক কথা বলতেছে আর পিছন দিয়া একটা গরু হাইটা যাইতেছে।

২২

সাঈদ's picture


Smile)

২৩

ভাস্কর's picture


এই ঘটনাতো বাংলা ছবিতেও অহরহই ঘটে... Tongue

২৪

নুরুজ্জামান মানিক's picture


আমার ব্যক্তিগত স্মৃতিতে জীবনের প্রথম সিনেমার স্মৃতি হইলো গাছে বান্ধা দড়ির দোলনায় কবরী্ আন্টির দোল খাইতে খাইতে গান গাওয়া। কইতাছি নয়নমনি সিনেমার কথা। তয় ঐ ছবি দেখতে নিয়া গেছিলো মা আর বাপ। আমার বয়স তখন দুই পার হইছে কেবল।

মনে আছে আমরা ভাই-বোনেরা মিলা বাপ-মায়ের অনুমোদনেই দূরদেশ কিম্বা লাভ ইন সিঙ্গাপুর দেখতে গেছিলাম। এই তালিকায় মিস লংকা সিনেমাটাও আছে যদ্দুর মনে পড়ে।

শতভাগ মিলে গেল ।

২৫

নুরুজ্জামান মানিক's picture


আমার কমেন্টের প্রথম প্যারা কৈ গেল ? কইছিলাম -নয়নমনিতে কবরী আইলো কৈ থাইক্কা ? নায়িকা তো ববিতা । ও হ্য আমিও আপনার বয়সেই অভিসারে দেখেছিলাম ববিতার নাগ-নাগিনী

২৬

ভাস্কর's picture


হ ভুল করছি... Smile

মন্তব্য করুন

(আপনার প্রদান কৃত তথ্য কখনোই প্রকাশ করা হবেনা অথবা অন্য কোন মাধ্যমে শেয়ার করা হবেনা।)
ইমোটিকন
:):D:bigsmile:;):p:O:|:(:~:((8):steve:J):glasses::party::love:
  • Web page addresses and e-mail addresses turn into links automatically.
  • Allowed HTML tags: <a> <em> <strong> <cite> <code> <ul> <ol> <li> <dl> <dt> <dd> <img> <b> <u> <i> <br /> <p> <blockquote>
  • Lines and paragraphs break automatically.
  • Textual smileys will be replaced with graphical ones.

পোস্ট সাজাতে বাড়তি সুবিধাদি - ফর্মেটিং অপশন।

CAPTCHA
This question is for testing whether you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

বন্ধুর কথা

ভাস্কর's picture

নিজের সম্পর্কে

মনে প্রাণে আমিও হয়েছি ইকারুস, সূর্য তপ্ত দিনে গলে যায় আমার হৃদয়...