ডাইরী ৪৭
এক.
ফাগুনের মাতাল হাওয়া মন উতলা করে দেয়।
উতলা আমি রঙের সরোবরে ভেসে যাই...
কিন্তু কেরম প্লাস্টিক মানব-মানবীদের স্রোতে
ফিরে আসি তীরে...নাক ঢেকে মাটির ঘেরান নেই,
আহা! আমার প্লাস্টিক গন্ধী ভোর।
দুই.
তেলে আর জলে যেরম মিশেছে এইবেলা
আমিও তেমন রয়েছি...আল্ট্রা ওয়াইড দৃষ্টিতে
তাদের বড়ো দূরের মানবী ঠেকে।
আর কাছে গেলে তাদের ভাঙাচোড়া মুখ
যাতনার অনুভূতি তোলে...
তিন.
কালো পাঞ্জাবীটা আজ গেয়েছে শোকের গান।
আর ক্যামেরার কালো স্ট্র্যাপের বসন্ত
ঠিকরে পড়েছে কোন ফুটপাতে।
আমার উৎসব এভাবেই থেমে থাকে।
পথে আর ফুটপাতে। পথের ধুলোয় মাখামাখি করে
তারা বারম্বার তাড়া দ্যায় বাড়ি ফিরে যেতে।
চার.
সন্ধ্যে হবার আগেই আমি বাড়ি ফিরে এসে
বর্ণহীন ঠান্ডা জলের নীচে শরীরটাকে ছুড়ে দেই।
শরীরের নিথর ভাষায় জল বুঝে নেয়
দিনটা কেমন গিয়েছে আবর্জনায়
আর প্লাস্টিকে প্লাস্টিকে...





বাহ! দারুন
লাইকাইলাম
একটা গদ্য দেন.. পড়ি
সিন্থেসাইজড জীবনযাপন...........
হ
....এই সময় ঠিক ফাগুনের আগুন টা পাইতেছিলাম না, আগুনটা ছিলো গরমের....কিন্তু কেনো যানি খুব খাপ খাইছে...আব হাওয়ার সাথে আপনের কবিতা...কেমন আছেন বস?
আমি ভালো আছি...আপনের গল্পে আজকে অনেক চমৎকৃত হইছি...
প্রথমে পিয়াল ভাই তারপর ভাস্কর দাদা। আমরা ভালো আছি আমাদের ফাল্গুন নাই তাই মনের বেড়াছেড়াও নাই। আমাদের আছে শুধু বরফ আর বরফ।
মন্তব্য করুন