একটা ননসেন্স সন্ধ্যা
সারা সন্ধ্যা তার হাত ধরা ছিলো
মৃতদেহের মতোন শীতল বরফ
মনে হইতেছিলো কবর অভ্যন্তরে
রাত্তির যাপন করতেছিলাম দুইজন।
একজন প্রহরী চেহারার লোক হাক দিলে
সম্বিত ফিরলো তোমার-আমার।
চোখে তার লাল লাল আগুন জ্বলতেছিলো
আর কণ্ঠস্বরে ড্রাগন হুঙ্কার...
এইসব আগুনের হাকডাকে আমি চমকাই;
মনে পড়ে সেই বালক বেলায়
আগুনের ভয়ে নির্দোষ মোমবাতি আর
ড্রাগন বান্ধব হইতে পারি নাই।
আগুনের ভয়ে প্রহরীদের লালাভ চোখে
আমার অরুচি। আগুনের ভয়ে আমি
মৃতদেহ ভালোবাসি...হিম শীতলতা
আমারে এখনো আবেশিত করে।
ড্রাগনের ভয়ে আমি চীনদেশীয় রূপকথার বইয়ের
পাতা উল্টাইতে ভুলছিলাম অনেক,
মা বলতো অ্যামনেশিয়া; অ্যামনেশিয়ায় আচ্ছন্ন আমি
ভুলতে থাকি শুরু, ভুলতে থাকি শেষ।
শুরু আর শেষই যদি না খুঁজে পাওয়া যায়,
শরীরের দ্রষ্টব্য আর কিছু বাকী থাকে!?





দাদা কি ইচ্ছে করে প্রমিত ভাষা বাদ দিয়ে লিখছেন?
কবিতায় ছন্দপতন লাগে না এ ভাষায়?
অপ্রমিত বা ঊনভাষায় লেখা হইলেও এই কবিতার পঠনরীতিতে অক্ষরবৃত্ত ছন্দ মানা হইছে নিয়মমতো। আপনে সেইমতো পর্ব বিভাজনে পড়লেই টের পাইবেন আশা করি। তবে অনভ্যস্ততা আছে বইলা এই ভাষারীতিরে আমরা এমন কি আমিও তেমন একটা ব্যবহার করি না কবিতার নির্মাণে...
মন্তব্য করুন