পাগলের দিনলিপি (উনিশ)
.............................................................................
..............................................................................
...............................................................................
.................................................................................
.................................................................................
ঘুড়িতে ঘুড়িতে শত্রুতারেই মেনেছে মানুষেরা
আর তাই ভোকাট্টা বলেই আমরা দৌড়েছি ঈষাণে
সেখানে জমাট হয়ে ছিলো একদল মেঘ-কালোমেঘ
ঠিক যেনো মোমপালিশে ঝলক মেরে দিলো একবার।
আমাদের ঘুড়িটা উড়ছিলো যার পাশে, তার বাদুরের চোখ,
কলাবতী নাক আর রক্তলাল ঠোটের কোনায় কুকুরের দাঁত
উঁকি মেরে যায়। প্রতি টানে শব্দে শব্দে জানান দিচ্ছিলো
তার অস্তিত্ব-অভ্যাস আর মন-মানসিকতা...
বালুতটে তারপর কেটেছে নাইলন সুতা, "ভোকাট্টা!" চিৎকারে
ছুটেছি লাল ফিতা পানে। তারে বুকে ছুঁয়ে দিলে ফার্স্ট!
আমাদের পেশীতে মাসল নাই বলে আমরা কেমন শ্লথ রয়ে যাই
তাদের মগজে বুদ্ধি নাই বলে তারা ঈষাণের ঠিকানা চিনে না।
সবশেষে মেঘে মেঘে বেলা আর বৃষ্টি উভয় দাপটে উড়ে গেলো
তাবু ও টোটেম পোল, সেখানে আমাদের ইতিহাস আঁকা ছিলো;
আমাদের ভুত ও ভবিষ্যতের নিয়তি রেখার ভাষা ছিলো, বর্ণমালা ছিলো।
হারানো অতীত, ডোডো পাখি আর পৌষের রঙীন ঘুড়ি সেথা নিস্পৃহ উড়ছিলো।





কবিকে মধ্যরাত্রির অভিবাদন
মধ্যরাতের অভিবাদনের প্রত্যুত্তর মধ্যরাতেই দিতে চাইছিলাম কিন্তু অনেকদিন পর কবিতায় অনেক পাঠকের আওয়াজ পাইয়া আহ্লাদিত বোধ করতেছি।
আপনেরে ধন্যবাদ মীর...উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করি।
ভাল লাগল।
ভালো লাগছে
খুব ভাল লাগল।
কী ভয়াবহ কথা, এসব!!!
এই কবিতায় আশির দশকের কিছু কাব্যিক প্রবণতার বা কাঠামোর ব্যবহার করার চেষ্টা করছি। মূলতঃ স্যাটায়ার দাঁড় করানোর চেষ্টা সিরিয়াস ঢঙে। কিছু অনুপ্রাসিক পান করার চেষ্টা হইছে...কিছু আঞ্চলিকতার ভুলরে বাক্যগঠনে ব্যবহার করছি। যেমন তাবু ও টোটেম পোল এই দুই বিষয় আসলে কখনোই একসাথে যায় না। টোটেম পোলের সাথে যেই ট্যাবু থাকে তার বানান আর বাস্তবতা উভয়ই ভিন্ন...কিন্তু উচ্চারণগত মিলের সুযোগ নিয়া একটু এক্সপেরিমেন্টের চেষ্টা। পেশি মানেই মাসল, কিন্তু আমাদের আঞ্চলিকতার ভুলে অনেক সময় এইরকম দুইদেশি শব্দ এক হয়...সেইটার ব্যবহার করছি।
পড়তে ভাল লাগছে
কবিতাটা ভালো লাগছে।
আপনারা যারা কবিতা পইড়া ভালো লাগা জানাইলেন তাদের প্রতি আমার বুক ঝিম করা ভালোবাসা।
এইটা ভাল হইছে ভষ্করদা।
কবিতা না বুঝলেও পড়ে স্পর্শিত হৈলে ভালো লাগে, যেমন এইটা লাগলো। ইয়ে, উপ্রের ডট ডট গুলা কি কবিতার স্টাইল?
কবিতা পোস্টাইলে পুরাটাই প্রথম পাতায় পড়ন যায় দেইখা ডট ডট দিয়া নিম্নাঙ্গ ঢাকার চেষ্টা করছি :
এইটা আমি ধর্তার্ছি
ভালো লাগলো বলেই থেমে যাওয়ার ইচ্ছে হলো... অথবা কিছু না বলেই..
আপনি যেরকম তাৎক্ষিণিকভাবে কবিতার বিশ্লেষণ করেন, সেইটাকে আমার কাছে এক অসম্ভব ব্যাপার বলে মনে হয়। যেসব কবিতা ভালো লাগে, সেই ভালোলাগা নিয়েই থাকতে ইচ্ছে করে। এইজন্যে কবিতায় আমি সহজে কমেন্ট করি না। আজকে জানাই - আপনার কবিতা আমার দারুণ ভালো লাগে ভাস্করদা, যেমন লাগে শুভর কবিতাও। কমেন্ট করি আর না করি - আমি আপনাদের নিয়মিত পাঠক।
এটা ভাল হয়েছে ভষ্করদা। বুঝতে পেরেছি মনে হলো
মন্তব্য করুন