সমুদ্র-অশ্রু আর ঘামের কবিতা
...................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................
সব নোনা জল রোমান্টিক নয়
সমুদ্রে যেমন মৃত্যু ভেসে এলেও উচ্ছাস
থামে নাই কোনোকালে, ইতিহাসে;
অশ্রু ঝরে, ঝড়ের আভাস দিয়ে যায়
অবিরত ভুল ঋতু জুড়ে...আকাশে না হলে
কালচে আভা ছেয়ে যায় চোখে ও মননে।
ভেবে নেই নোনা জল ছুঁয়ে গেছে
অনুভূতিমালা আবেগের সরোবর
তবু, ঘামে ও সন্তাপে কোনো রোমান্টিকতা থাকে না,
কেবল বিদ্রোহ দানা বাঁধে কখনো-সখনো।
রাত ভোর হলে ভেজা বিছানায় আড়মোড়া ভাঙার
ছলে যাচাই করেছি শরীরের জল আর কতোখানি
অবশেষ আছে। প্রায় শুষ্ক শরীরের রক্তেরাও যেনো
জমাট বেঁধে যায়, নোনা স্বাদ হারিয়েছে।
ঘামের ঘেরানে প্রেমময় আবেগের সন্ধানে
নেমে যায় কবি ও প্রকৃতিপ্রেমিকেরা
শতকরা কতোভাগ নারী ও পুরুষ
উত্তেজিত হয় ঘামের ঘনঘটায়!
আমি বিছানায় শুয়ে শুয়েই অলস মগজের
খেলা খেলতে খেলতে পেয়ে গেছি
কেনো সমুদ্র অথবা অশ্রুর মতোন
ঘামের বিক্রয়মূল্য নির্ধারিত হয়নি কখনো।
সমুদ্রের নোনা জলে চাইলেই লুকিয়ে থাকা যায়;
অশ্রু ও আড়াল তৈরী করেছে মানুষে ও মানুষে।
ঘামের এমন কোনো রোমান্টিকতা লিখেনি
কোনো কালজয়ী লেখক কিম্বা সত্যদ্রষ্টা কবি।





ভালো লেগেছে।
আমি কবিতাটার সাথে রিলেট করতে পারিনাই। কেমন জানি ছাড়া ছাড়া লাগছে।
শেষে এসে শুরুর সুরটা আর পেলাম না।
মন্তব্য করুন